content
stringlengths
0
129k
শৃঙ্খলা[সম্পাদনা]
রোমান সেনাবাহিনী ছিল কঠিন শৃঙ্খলায় আবদ্ধ
নিয়মকানুন অত্যন্ত কঠোরভাবে পালিত হত, এবং কোন সৈনিক তা ভঙ্গ করলে তাকে নানানভাবে শাস্তি প্রদান করা হত
অনেক সৈন্য নিয়মশৃঙ্খলার দেবী "ডিসিপ্লিনা"-র উপাসনা করত, যার গুণগুণ ছিল সংযম, কঠোরতা এবং আনুগত্য, এসকল গুণ সকল সৈন্যের জীবনের কেন্দ্রবিন্দু গণ্য করা হত
লঘু শাস্তিসমূহ[সম্পাদনা]
ক্যাস্টিগাটিও- সেঞ্চুরিয়নের দন্ড দ্বারা প্রহার
- খাদ্যের পরিমাণ হ্রাস- সাধারণ খাদ্যের পরিমাণ অপেক্ষা স্বল্প পরিমাণ প্রদান করা
পেকুনারিয়া মুল্‌ক্‌টা - বেতন থেকে কর্তন করা, জরিমানা, ভাতার পরিমাণ হ্রাস প্রভৃতি
- বেত্রাঘাত সমগ্র সেঞ্চুরি, কোহর্ট বা লিজিওনের সম্মুখে
- চাবুকাঘাত- ফ্ল্যাগরাম নামক ক্ষুদ্রাকৃতি চাবুক দ্বারা প্রহার, যা সাধারণ বেত্রাঘাত অপেক্ষা গুরুতর ছিল
এই চাবুকটি ব্যবহার করত স্বেচ্ছাসেবী দাসেরা, যারা পরবর্তী পর্যায়ে রোমান বাহিনীর সিংহভাগ গঠন করত
গ্র্যাডাস ডেইয়েকটিও - পদমর্যাদা হ্রাস
মিসিও ইগনোমিনিওসা - অসম্মানের সাথে বিতাড়ণ
অবসরোত্তর সুবিধাদি কেড়ে নেয়া
মিলিটিয়া মুটাটিও - নিম্নমানের দায়িত্বে নিযুক্ত করা
ম্যুনেরাম ইনডিক্টিও - বাড়তি দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়া
গুরুতর শাস্তিসমূহ[সম্পাদনা]
ফুস্টুয়ারিয়াম - যুদ্ধক্ষেত্র বা দায়িত্ব ছেড়ে পলায়ন, দায়িত্ব পালনে অবজ্ঞার শাস্তি
দোষী সৈনিককে অন্যান্য সৈন্যদের সামনে পাথর নিক্ষেপে অথবা মুগুর দ্বারা প্রহার করে হত্যা করা হত
তার দায়িত্ব পালনে অবহেলায় যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বা যাদের প্রাণনাশের আশঙ্কা হয়েছে তাদের দ্বারা এই শাস্তি প্রদান করা হত
এই শাস্তির ভয়ে কেউ পলায়ন করলে তাদেরকে ধাওয়া করা হত না বরং রোম থেকে নির্বাসিত গণ্য করা হত
ডেসিমেশন বা ধ্বংসপ্রাপ্তি - ১৭শ শতাব্দীতে প্রচলিত একটি ধারণা মতে (সম্ভবত লোককথা) রোমানগণ এই শাস্তি প্রদান করে থাকত; যদি কোন সৈন্যদল বিদ্রোহ, পলায়ন কিংবা আদেশ পালনে অস্বীকৃতি জানানো- এ সমস্ত অপরাধের কোন একটিতে দোষী হত, তবে পুরো দলটিকে এ শাস্তি দেয়া হত
প্রতি ১০ জন সৈন্যের একজনকে লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত করে হত্যা করা হত, হত্যা করত তার বাকি ৯ সঙ্গী, খালি হাতে প্রহারের মাধ্যমে
দোষীদের মধ্যে জীবিতদের ঘাঁটির বাইরে জীবনযাপন করতে হত এবং নতুন করে সামরিক শপথ গ্রহণ করতে হত
[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
লিজিওন বাহিনীর সাফল্যের কারণ[সম্পাদনা]
মিডিয়া চালান
রোমান বাহিনীর প্রশিক্ষণের অভিনয়
ফরাসী দার্শনিক ও বিচারক মন্টেস্‌ক্যু- লিখেছেন "রোমানদের সমগ্র বিশ্বের ওপর কর্তৃত্ব করার কারণ হল, একের পর এক জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সময় তারা যখনই কোন নতুন শ্রেষ্ঠতর রেওয়াজের সম্মুখীন হয়েছে, তখনই তারা নিজেদের রেওয়াজকে বর্জন করেছে
নতুন কোন উদ্ভাবনের সন্ধান পেলে রোমানরা তা বরণ করে নিত এবং নিজেদের বাহিনীতে প্রয়োগ করত, যেমন আইবেরীয় জাতির কাছ থেকে তারা গ্ল্যাডিয়াস তলোয়ার নির্মাণের কৌশল রপ্ত করে
কার্থেজীয়দের নিকট থেকে তারা উন্নততর জাহাজ "কুইনকের্মে" নির্মাণ শেখে
এমনকি পার্থিয়ান সাম্রাজ্য এবং নুমিডীয়দের ভারি অশ্বারোহী যোদ্ধা ("ক্যাটাফ্রাক্ট") এবং তীরন্দাজ অশ্বারোহী যোদ্ধার কলাকৌশল ও সাজসজ্জাও তারা রপ্ত করে
রোমানদের সাংগঠনিক ব্যবস্থা অপরাপর জাতিদের তুলনায় নমনীয় ছিল
কালের প্রয়োজনে লিজিওনসমূহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা ও সমস্যার সমাধান করে থাকে- অশ্বারোহী যুদ্ধ, গেরিলা যুদ্ধ থেকে শুরু করে নগর অবরোধ ইত্যাদি কৌশল তারা রপ্ত করে
রোমান আইন-শৃঙ্খলা, সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা দীর্ঘকালব্যপী যুদ্ধ পরিচালনায় সহায়তা করে
এর প্রভাব পড়ে লিজিওনসমূহের প্রশিক্ষণ, চলাচল ও সরবরাহ, যুদ্ধক্ষেত্রের দুর্গনির্মাণ ও প্রতিরক্ষা ইত্যাদিতে
রোমানগণ তাদের শত্রুদের থেকে দৃঢ়চেতা ছিল, এবং বিপুল ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েও তারা লড়াই চালিয়ে যেত এবং এসমস্ত ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্যে সর্বদা সচেষ্ট থাকত
কার্থেজ ও পার্থিয়ান সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ এবং বিশেষ করে গ্রীক নগরী এপিরাসের সেনাপতি পীরাস ( )-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধসমূহে রোমানদের এই বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়
রোমান নেতৃত্ব অনেকাংশেই মিশ্র ছিল, তবে সময়ের আবর্তনে তা রোমানদের সামরিক সাফল্যে ভূমিকা পালন করে
রোমানদের সামরিক ও নাগরিক সংস্কৃতি তাদের সেনাবাহিনীকে উদ্দীপনা যোগাত ও তাদর মাঝে একতার মনোভাব সৃষ্টি করত
[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
কঠোর নিয়ম-শৃঙ্খলার কারণে রোমানগণ তাদের বাহিনীর শাসন, পরিচালন, সংগঠন এবং ব্যবস্থাপনায় ব্যপক সহযোগিতা করত
শত্রুজাতিসমূহের তুলনায় রোমানদের সাজসরঞ্জাম বিশেষ করে তাদের বর্মসমূহ উচ্চমানের ও বহুসংখ্যায় বিদ্যমান ছিল, বিশেষতঃ প্রজাতন্ত্র যুগের শেষভাগ ও সাম্রাজ্য যুগের প্রথম ভাগে
দীর্ঘসময়ব্যপী যুদ্ধে
ঢাল, শিরস্ত্রাণ ও বর্মে আবৃত রোমান সেনারা তাদের শত্রুদের তুলনায় অধিক সুরক্ষিত থাকত, যেখানে অনেকক্ষেত্রে তাদের শত্রুসেনাদের সুরক্ষা বলতে শুধুমাত্র ঢালছাড়া আর কিছু থাকত না
প্রকৌশলে রোমানদের সাথে তৎকালীন ইউরোপে আর কেউ পাল্লা দিতে পারত না
এবং নগর অবরোধ ও দুর্গসমূহ ধ্বংস করতে ( ) এবং নিজেদের নগর-দুর্গ প্রভৃতি প্রতিরক্ষা করতে রোমানদের কোন তুলনা ছিল না
দুর্গ নির্মাণেও তারা পারদর্শী ছিল
রোমান সামরিক প্রশিক্ষণের মূল কৌশল ছিল কার্যকরভাবে তলোয়ার দ্বারা সম্মুখে আঘাত করা, এলোপাতাড়ি কোপানো নয়
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
সূত্রতালিকা[সম্পাদনা]
↑ , . . (1995):
↑ ক খ , (২০১৬)
"- "
11 2015: 145-154
↑ : , (২০০৩). . পৃ. ৯৫; , (১৯৮০). . পৃ. ৮৬-৯৬; , (১৯৯৬). . পৃ. ১২৩. এই তথ্যের উৎসের জন্যে " ( )" প্রবন্ধটির ছক লক্ষ্য করুন
↑ , , 2.30
↑ , . : . ( , , 2002) . 53
..
↑ , , 'e 284-476 [3 .] , 2005. আইএসবিএন ২-৭১৭৮-৪৮৬১-৪.
↑ , , . 1449-50
↑ , , () , 11 . 326-27
↑ , . : . ( , , 1989) . 40
↑ ক খ ' , , . 20
↑ (১৭ ডিসেম্বর ২০১৫)
:
-
পৃষ্ঠা 1069-
:430
↑ ., , , 1999, . 24
গ্রন্থতালিকা[সম্পাদনা]
, ,
. 1. , u
,
,
,
: 3500 .. . (2 1986), . , . .
, .
, . .
, ( -)
,
, ..., ..: , , , 1875.
, .
,
: , , 1988
,
,
,
100 - 200 (, 1998)
: (.1000-264 ) ( 1995) . .
" . o " (u 2012)
" -: "( 63, 2014) .
বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]
: (. . . )
-
-
'
- () - " "
'://..//.?=রোমান_সেনাবাহিনী&=5294779' থেকে আনীত