content
stringlengths
0
129k
আচ্ছা ভাই এমন কোন র্ধম কি আছে যেখানে মানবতা কে অস্বীকার করা হয়েছে?
মজার ব্যাপারটি হচ্ছে আপনার প্রশ্নটি একটি নৈবৃত্তিক উত্তর দাবী করে
কিন্তু আসলে এই ধরনের প্রশ্নের হা/না উত্তর দিয়ে আসল সত্যকে বুঝা যায় না
কাজেই এই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে কোনও সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায়না
"আমি শুধু জ্ঞানের সমুদ্র তীরে একটা বালু কনাকে নড়াছড়া করেছি মাত্র"
এইধরনের একটি কোটেশন আছে ঠিক তবে সেটি আইনস্টাইনের না
এটি নিউটনের
দেখুন যখন পঞ্চম ষষ্ট মাত্রা আবিষ্কার হবে তখন হয়তো সেই ঘটনাগুলো এবং আরও অনেক অজানা ঘটনার ব্যাখ্যা পাওয়া যাবে
ঘটনাগুলো ব্যাখ্যা দিতে না পারা আমাদের ও বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা নয় কি? হতে পারেনা আমারা আমাদের ক্ষুদ্রতর চিন্তা ও জ্ঞান ঘটনাগুলোর ব্যাখ্যা দিতে অক্ষম
তবে কেন? কেন আমরা র্ধম নিয়ে চুরান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলছি? তা নাহলে এটা কি আমাদের র্ব্যথটাকে আরাল করার জন্যো? প্রশ্ন রইল নাস্থিক ও অবিশ্বাসীদের কাছে?...?
বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে
কিন্তু বিজ্ঞান তার দিগন্তকে ক্রমাগত বাড়িয়ে তুলছে
আর যত এই সীমা বাড়ছে ধর্মের সীমা কিন্তু ততই ছোট হচ্ছে
বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতার চেয়ে ধর্মের সীমাবদ্ধতা কিন্তু অনেক বেশি
আর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কিন্তু যুগে যুগে অনেকেই নিয়েছেন
এখন আন্তরজালিক যোগাযোগের সুবাদে নাস্তিকরা আস্তিকদের বেশি কাছাকাছি পৌঁছে গেছে
শান্ত কৈরী জুন 26, 2012 9:54 অপরাহ্ন -
@, ধর্মে কোথায় মানবতার কথা আছে আপনি পেলেন আমি জানি না
আয়াতে আয়াতে কাফির নিধনের কথা বলেছে
রামের বাসস্থানের জন্য বাবরি মসজিদ ভাঙ্গা এহুলো কি নাস্তিকদের কাজ
অনেক বছর ধর্ম আর স্রস্টাকে নিজেকে প্রমানের সুযোগ দেয়া হয়েছে
বিজ্ঞানিরা স্রস্টার অস্তিত্ব নাকচ করে দিয়েছে
বিজ্ঞানিরা তাহলে কম জানে মূর্খ? ঈমাম আর একজন নিরক্ষর যে বিজ্ঞানের কিচ্ছু জানে না, সে যদি বলে ঈশ্বর আছে তাহলে সে মহাজ্ঞানি হয়ে গেলো? এই আমাদের জ্ঞান?
জয়নুল এ নিশাত জুন 27, 2012 2:35 পূর্বাহ্ন -
@, ঘটনা হল যে আমি সেই টাইপ এর মানুষ যে কিনা যা বুঝে তাই বিশ্বাস করে
যেমন ধরুন আমি বিশ্বাস করি যে পানি ২ অনু হাইড্রজেন ও ১ অনু অক্সিজেন নিয়ে গঠিত
কারণ আমি নিজে ল্যাবে বসে পানির মাঝে ইলেক্ট্রলাইসিস করে দেখি যে আসল ঘটনা সেইটাই
কিন্তু আমি এইটা কিভাবে বিশ্বাস করব যে একজন উপরয়ালা আমাকে নিয়ন্ত্রন করছে? আমি কি এটা পরীক্ষা করতে পারব? পারব না
.
বিজ্ঞান ধর্ম কে এখনও বুঝতে পারেনি এই কথাটা আরেকটা বড় ভুল
বিজ্ঞান ধর্ম কে ব্যাখ্যা করার জন্য নয়
সে প্রকৃতির নিয়ম উদ্ঘাটন করে...
সব ধর্মেই মানবতা আছে মানলাম... তো সেইটুকু তো আমরা মানি ই... শুধু ধর্মের গোঁড়ামিটুকু মানতে পারি না...
সাগর জুন 27, 2012 6:00 পূর্বাহ্ন -
@, আপু আপনার মন্তব্য পড়ে হেসে দিলাম...কিছু মনে করবেন না আপনি যে ধর্ম সম্পরকে তেমন কিছু জানেন না তা বোঝা গেল আর ধর্মে এমন কোন =2 নেই যা নিয়ে মানুষ একটু ভাব্বে...বিজ্ঞান মনষ্ক মানুষের এসব ছাইপাশ পড়েই ফেলে দেয়ার কথা...অবশ্য ভয় পেলে অন্য বিষয়...ভাল থাকবেন
শান্ত জুন 26, 2012 12:09 অপরাহ্ন -
আমরা কি ধর্মীয় জায়গা খালি রেখে কোন ফর্ম পূরণ করতে পারব না?
কে এগিয়ে আসবে ?
যারা জীবন চালাতে হিমশিম খায় , তারা কি পারবে পারবে এই প্রতিবাদ করতে ?
যারা প্রতিবাদ করতে পারত, তারা কি প্রতিবাদ করে ?
যাদের এই অপশন না লিখলে কিছু ক্ষতি হয় না (যেমন যারা বিদেশে থাকে অথবা যাদের জীবন ধারনের জন্যে একটা চাকুরির জন্যে হন্যে হয়ে ঘুরতে হয় না), তারা তো করবে না, তাই না ?
তবে কারা করবে এই প্রতিবাদ ? যারা জীবন বাচানোর জন্যে চাকরীর দ্বারে দ্বারে ঘুরে তারা ? তাদের মনে, চিন্তায় যতই থাক না কেন ধর্ম লিখবে না , কিন্ত জীবন বাচানোর জন্যে কি তারা নিজের সাথে ভন্ডামী না করে থাকতে পারবে? (আমি সেই রকম একজন নিম্ন শ্রেণীর ব্যক্তি যে চিন্তা করে ধর্মীয় পরিচয়টা কোথায় না দিতে , কি সিভি তে চাকরীর ক্ষেত্...
গীতা দাস জুন 26, 2012 2:39 অপরাহ্ন -
নতুন লেখককে স্বাগতম
আমরা কি ধর্মীয় জায়গা খালি রেখে কোন ফর্ম পূরণ করতে পারব না?
রাজনীতি যতদিন পর্যন্ত ধর্ম মুক্ত না হবে ততদিন না
আর দিন দিন রাজনীতি ধর্মকে পেঁচিয়ে ধরছে
জাতীয় পরিচয় পত্রের সময় আমার ছেলে ও আমার কয়েকজন বন্ধু চেষ্টা করেছিল
আমার ছেলে তার ধর্ম বলেনি বলে তার মা বাবার নাম দেখে কম্পিউটার অপারেটর ধর্ম বসিয়ে দিয়েছে
আর বন্ধুদের সাথে বিতর্ক লেগেছিল,কারণ তাদের নিজের নামই ধর্মের পরিচয় বহন করে বলে কম্পিউটার অপারেটর না জিজ্ঞেস করেই ধর্মের ঘর পূরণ করে ফেলেছিল
কিন্তু কারও বেলায়ই শেষ রক্ষা হয়নি
ধর্ম বসিয়েই ছেড়েছে
শান্ত কৈরী জুন 26, 2012 9:45 অপরাহ্ন -
@গীতা দাস,
রাজনীতি যতদিন পর্যন্ত ধর্ম মুক্ত না হবে ততদিন না
আর দিন দিন রাজনীতি ধর্মকে পেঁচিয়ে ধরছে
জাতীয় পরিচয় পত্রের সময় আমার ছেলে ও আমার কয়েকজন বন্ধু চেষ্টা করেছিল
আমার ছেলে তার ধর্ম বলেনি বলে তার মা বাবার নাম দেখে কম্পিউটার অপারেটর ধর্ম বসিয়ে দিয়েছে
আর বন্ধুদের সাথে বিতর্ক লেগেছিল,কারণ তাদের নিজের নামই ধর্মের পরিচয় বহন করে বলে কম্পিউটার অপারেটর না জিজ্ঞেস করেই ধর্মের ঘর পূরণ করে ফেলেছিল
কিন্তু কারও বেলায়ই শেষ রক্ষা হয়নি
ধর্ম বসিয়েই ছেড়েছে
আমার সাথেও এমন হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির বেলায়
শান্ত কৈরী জুন 26, 2012 9:47 অপরাহ্ন -
@শান্ত, আপনার এই কথাটা একদম সত্য
দ্বিমত করার সুযোগ নেই
ম্যাক্স ইথার জুন 26, 2012 11:38 পূর্বাহ্ন -
অসম্ভব ভালো লেগেছে লেখাটা
লেখকতো তবু ভাগ্যবান তিনি এমন বাবা মা পেয়েছেন যারা তাকে বুঝতে পারছে এবং তার উপর কোনও ধর্ম চাপিয়ে দেননি
আমি এরকম অনেককেই চিনি যারা বাস্তবে ধার্মিক হিসেবে পরিচিত কিন্তু আদতে নাস্তিক
আমি নিজেও খানিকটা সেরকম
অনলাইন মাধ্যম এবং নিতান্তই কাছের বন্ধু বান্ধব ছাড়া কেউই আমার নাস্তিকতা সমন্ধে জানেনা
এদেশে প্রকাশ্য হতে গেলে বেশ কিছু রিস্ক আছে
অযথা সেই রিস্কগুলো নিতে চাইছিনা
জয়নুল এ নিশাত জুন 27, 2012 2:22 পূর্বাহ্ন -
@ম্যাক্স ইথার, এই রকম রিস্ক না নেওয়াই ভালো
আমিও আপনার মত রিস্ক নেই নাই
শান্ত কৈরী জুন 27, 2012 3:19 পূর্বাহ্ন -
@ম্যাক্স ইথার, আমি সামনা সামনি বলি
এখনো রিস্কের কিছু দেখি না
অনেকে দূরে থাকে, অনেকে ভয় পায়
বন্ধুরা পাশেই থাকে
সাগর জুন 27, 2012 6:16 পূর্বাহ্ন -
@শান্ত কৈরী, আমিও এটাই করি... ()
শেসাদ্রী শেখর বাগচী জুন 26, 2012 11:09 পূর্বাহ্ন -
নাস্তিকদের কি সংখ্যালঘু মরজাদা দেওয়া উচিত নয়?
আমি মনে করি নাস্তিকদের সংখ্যালঘুর মর্যাদা দিয়ে তাদের অধিকার সুনিশ্চিত করা রাষ্ট্রের কর্তব্য
শান্ত কৈরী জুন 26, 2012 9:40 অপরাহ্ন -
@শেসাদ্রী শেখর বাগচী, দেশে আসল সংখ্যালঘুদের মর্যাদা নেই, আমাদের তো গোনায় ধরে না
সংখ্যালঘু ট্যাগ নিয়ে আর থাকতে চাই না
মানুষ হিসেবে বাঁচতে চাই
আলতাফ হোসেন জুন 26, 2012 11:03 পূর্বাহ্ন -
'...তারপর ভারতের মানবতাবাদী সমিতির সহায়তায় কোর্টে গিয়ে করে দলে দলে ছেলে-মেয়ে কে ধর্ম হিসেবে গ্রহণ করে (১৯৯৩ এর ১০ ডিসেম্বর)
( উৎস : মানুষের ধর্ম মানবতা, সুমিত্রা পদ্মনাভন, দুই বাংলার যুক্তিবাদীদের চোখে ধর্ম)'
ভারতে এটা তাহলে সম্ভব হয়েছে ১৯৯৩ সালে
বাংলাদেশে কবে সম্ভব হবে? ২০৯৩ সালে? অবশ্য আইনে সুবিধা থাকলেও, 'দলে দলে ছেলেমেয়ে'রা কতদিন, কতজন যাবে সে ব্যাপারে আমার সন্দেহ ঘুচবে না
খুব, খুব, খুবই নৈরাশ্যবাদী আমি মানবজাতির ব্যাপারে
চারপাশে জ্যামিতিক হারে বাড়ছে হিজাবধারিনীর সংখ্যা, টুপিধারীর সংখ্যা হয়তো সেভাবে নয়, তবু বাড়ছে
শুধু দেশে নয়, বিদেশেও
অন্য ধর্মাবলম্বীদের ব্যাপারেও আশাব্যঞ্জক কিছু বলা যাবে না
একজন ফরাসি ভাষার নাট্যকার তাঁর জার্নালে লিখেছিলেন, ' .' বিশ্বাস করি