content
stringlengths
0
129k
অচিরে নিঃশেষ করে দেয়া হবে তার সুদের প্রবৃদ্ধি ও বরকত
সে আল্লাহর সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে, তার উপর আল্লাহর লানত, তার জন্য দুনিয়া আখেরাত উভয় জগতে শাস্তি অবধারিত
আল্লাহ তাআলা বলেন :
আল্লাহ সুদকে মিটিয়ে দেন এবং সদাকাকে বাড়িয়ে দেন
আর আল্লাহ কোন অতি কুফরকারী পাপীকে ভালবাসেন না
নিশ্চয় যারা ঈমান আনে ও নেক আমল করে এবং সালাত কায়েম করে, আর যাকাত প্রদান করে, তাদের জন্য রয়েছে তাদের রবের নিকট প্রতিদান
আর তাদের কোন ভয় নেই এবং তারা চিন্তিতও হবে না
হে মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সুদের যা অবশিষ্ট আছে, তা পরিত্যাগ কর, যদি তোমরা মুমিন হও
কিন্তু যদি তোমরা তা না কর তাহলে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প থেকে যুদ্ধের ঘোষণা নাও, আর যদি তোমরা তাওবা কর, তবে তোমাদের মূলধন তোমাদেরই থাকবে
তোমরা যুলম করবে না এবং তোমাদের যুলম করা হবে না
সূরা বাকারা : (২৭৬-২৭৯)
মুসনাদে আহমদে রয়েছে, আব্দুল্লাহ বিন হানজালা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
درهم ربا يأكله الرجل وهو يعلم أشد من ست وثلاثين زنية
জেনে-শোনে কোন ব্যক্তির এক দিরহাম সুদ ভক্ষণ করা, ছত্রিশ বার যেনার চেয়েও ভয়াবহ
হায়সামি 'মাজমা'তে বলেছেন : এ হাদিসের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
الربا ثلاثة وسبعون بابا أيسرها مثل أن ينكح الرجل أمه.
যেনার তেয়াত্তুরটি শাখা রয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে নিম্নের শাখা হচ্ছে ব্যক্তির তার মায়ের সাথে যেনা করা
হাকেম এ হাদিসটি বর্ণনা করে সহিহ বলেছেন, আর যাহাজাবি তার সমর্থন করেছেন
বুখারি রাহিমাহুল্লাহ সামুরা বিন জুনদুব থেকে একটি লম্বা হাদিস বর্ণনা করেন, তাতে রয়েছে :
أنه عليه السلام مر على أقوام يعذبون ألوانا من العذاب، ومنهم: رجل يسبح في بحر من دم، وعلى حافة ا لنهر رجل بين يديه حجارة، وكلما اقترب الرجل من حافة النهر فغر فاه فألقمه ذاك الرجل حجرا فيرجع، فإذا اقترب من حافة النهر ألقمه الرجل حجرا آخر، وهكذا... ونسأل الله العافية، فلما سأل النبي صلى الله عليه وسلم عن ذلك، قيل له: هذا ...
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক কওমের পাশ দিয়ে অতিক্রম করেন, যাদেরকে বিভিন্ন ধরণের শাস্তি দেয়া হচ্ছিল, তন্মধ্যে : এক ব্যক্তি রক্তের সমুদ্রে সাতার কাটছিল, আর অপর ব্যক্তি তীরে দাঁড়িয়ে ছিল, তার সামনে রাখা ছিল পাথর, যখনই সাতারু ব্যক্তি তীরের নিকবর্তী এসে হাঁ করে, তীরে দণ্ডায়মান ব্যক্তি তার দিকে পাথর নিক্...
পুনারায় যখন নহরের নিকটবর্তী হয়, লোকটি আরেকটি পাথর নিক্ষেপ করে, অনুরূপ করতে ছিল ... আল্লাহর নিকট আমরা আশ্রয় প্রার্থনা করছি
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করেন এ ব্যক্তিকে ? তাকে বলা হয় : এ হচ্ছে সুদ খোর
মুসলিম রহ. জাবের রা. থেকে বর্ণনা করেন :
لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم آكل الربا وموكله وكاتبه وشاهديه، وقال: هم سواء يعني في الإثم.
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুদ খোর, সুদের কাজে নিয়োজিত, সুদের লেখক ও সাক্ষীদ্বয়ের উপর লানত করেছেন
তিনি আরো বলেছেন : এরা সবাই সমান, অর্থাৎ পাপে
অভাব ও মুসিবতে ধৈর্য ধারণ করা:
আল্লাহর কুদরত অসীম, তিনি বান্দাদের বিভিন্ন মুসিবত দ্বারা পরীক্ষী-নিরিক্ষা করেন, যাতে রয়েছে অনেক হিকমত, যা একমাত্র তিনিই জানেন, এর মাধ্যমে তিনি বান্দাদের সত্যিকার তাওবা পরীক্ষা করেন, তাদের পাপ মোচন করেন ইত্যাদি
মুমিনদের কর্তব্য এ ক্ষেত্রে ধৈর্য ধারণ করা ও আল্লাহর সিদ্ধান্তে সন্তুষ্টি প্রকাশ করা
আর এ মুসিবতের মধেও আল্লাহর অনুগ্রহ দেখা
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
إن عظم الجزاء مع عظم البلاء، وإن الله تعالى إذا أحب قوما ابتلاهم، فمن رضي فله الرضا، ومن سخط فله السخط. رواه الترمذي وقال حديث حسن.
বড় মুসিবতের সাথে প্রতিদান বড়ই প্রদান করা হয়
আর আল্লাহ যখন কোন কওমকে ভালবাসেন, তিনি তাদেরকে পরীক্ষা করেন
যে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে, তার জন্য সন্তুষ্টি, আর যে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে, তার জন্য অসন্তুষ্টি
{তিরমিযি, তিনি হাদিসটি হাসান বলেছেন
আল্লাহ তাআলা বলেছেন :
প্রতিটি প্রাণ মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে; আর ভাল ও মন্দ দ্বারা আমি তোমাদেরকে পরীক্ষা করে থাকি এবং আমার কাছেই তোমাদেরকে ফিরে আসতে হবে
সূরা আম্বিয়া : (৩৫)
আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং জান মাল ও ফল-ফলাদির স্বল্পতার মাধ্যমে
আর তুমি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও
যারা, তাদেরকে যখন বিপদ আক্রান্ত করে তখন বলে, নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চয় আমরা তাঁর দিকে প্রত্যাবর্তনকারী
সূরা বাকারা : (১৫৫-১৫৬)
মানুষ কি মনে করে যে, আমরা ঈমান এনেছি'বললেই তাদের ছেড়ে দেয়া হবে, আর তাদের পরীক্ষা করা হবে না? আর আমি তো তাদের পূর্ববর্তীদের পরীক্ষা করেছি
ফলে আল্লাহ অবশ্যই জেনে নেবেন, কারা সত্য বলে এবং অবশ্যই তিনি জেনে নেবেন, কারা মিথ্যাবাদী
সূরা আনকাবুত : (২-৩)
অতএব, আমাদের উচিত ভাল-মন্দ আল্লাহর তাকদীরের উপর ধৈর্য ধারণ করে সন্তুষ্টি প্রকাশ করা
অধিকন্তু এটা ঈমানের ছয়টি রুকনেরও অন্তর্ভুক্ত
যেমন হাদিসে জিবরিলে এসেছে :
ঈমান হচ্ছে, তোমার বিশ্বাস স্থাপন করা আল্লাহর উপর, তার ফেরেশতাদের উপর, তার কিতাবসমূহের উপর, তার রাসূলদের উপর, কিয়ামত দিবসের উপর এবং বিশ্বাস স্থাপন করা ভাল-মন্দ তাকদীরের উপর
অল্পে তুষ্ট থাকা:
তাই আমাদের উচিত অল্পে তুষ্ট থাকা, আল্লাহর বণ্টনকৃত রিযকে সন্তুষ্টি প্রকাশ করা, কারণ সন্তুষ্টি ও শোকর স্বচ্ছলতা ও অধিক নিআমতের লাভের উপায়
হাদিসে এসেছে :
كن ورعا تكن أعبد الناس، وكن قنعا تكن أشكر الناس، وأحب للناس ما تحب لنفسك تكن مؤمنا وأحسن مجاورة من جاورك تكن مسلما، وأقل الضحك فإن كثرة الضحك تميت القلب. رواه ابن ماجه وصححه الألباني
তুমি তাকওয়া অবলম্বন কর, তাহলে তুমি অধিক ইবাদতকারী হয়ে যাবে, অল্পে তুষ্টি থাক তাহলে সবচেয়ে শোকর আদায়কারী হয়ে যাবে, আর তোমার নিজের জন্য যা পছন্দ কর, মানুষের জন্য তাই পছন্দ কর, তাহলে তুমি পরিপূর্ণ মুমিন হবে, আর তোমার যে প্রতিবেশী হয় তুমি তার সাথে সদ্ব্যবহার কর, তাহলে তুমি পরিপূর্ণ মুসলিম হবে
আর হাসা কমিয়ে দাও, কারণ অধিক হাসি অন্তর নির্জীব করে দেয়
[ইবনে মাজাহ, আল-বানি হাদিসটি সহিহ বলেছেন
এ হাদিসটির অন্য আরেকটি বর্ণনা :
كن ورعا تكن من أعبد الناس، وارض بما قسم الله لك تكن من أغنى الناس، وأحب للمسلمين والمؤمنين ما تحب لنفسك وأهل بيتك، واكره لهم ما تكره لنفسك وأهل بيتك تكن مؤمنا، وجاور من جاورت بإحسان تكن مسلما، وإياك وكثرة الضحك فإن كثرة الضحك فساد القلب . رواه ابن ماجه وحسنه الألباني
তুমি তাকওয়া অবলম্বন কর, তাহলে তুমি সবার চেয়ে অধিক ইবাদতকারী হয়ে যাবে, আল্লাহ তোমার জন্য যে রিয্ক বণ্টন করেছে, তাতে তুমি সন্তুষ্টি প্রকাশ কর, তাহলে তুমি সবচেয়ে ধনী হয়ে যাবে, আর মুমিন ও মুসলমানদের জন্য তাই পছন্দ কর, যা তুমি নিজের জন্য ও তোমার পরিবারের জন্য পছন্দ কর, আর যা তুমি নিজের জন্য ও তোমার পরিবারের জন্য অপছন্দ...
তুমি যার প্রতিবেশী হও, তার সাথে সদ্ব্যবহার কর, তাহলে তুমি মুসলিম হয়ে যাবে, খবরদার! তুমি বেশী হাসা পরিত্যাগ কর, কারণ অধিক হাসি অন্তরের অনিষ্ট
{ইবনে মাজাহ, আল-বানি হাদিসটি হাসান বলেছেন
ইমাম আহমদ প্রমুখ বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
إن الله تعالى يبتلي العبد فيما أعطاه، فإن رضي بما قسم الله له بورك له فيه، ووسعه، وإن لم يرض لم يبارك له، ولم يزد على ما كتب له. والحديث صححه السيوطي والألباني في صحيح الجامع.
আল্লাহ তার বান্দাদেরকে প্রদত্ত নিয়ামত দ্বারা পরীক্ষা করেন, যে আল্লাহর বণ্টনকৃত রিযকে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে, তাতে তার জন্য বরকত দেয়া হয় ও প্রসস্ততা দান করা হয়, আর যে অসন্তুষ্ট হয়, তার জন্য তাতে বরকত প্রদান করা হয় না এবং তাকে নির্ধারিত রিযকের বেশীও দেয়া হয় না
সহিহ জামে গ্রন্থে ইমাম সুয়ূতী ও আল-বানি হাদিসটি সহিহ বলেছেন
প্রতেক মুমিনের অবশ্য কর্তব্য আল্লাহর বণ্টকৃত রিযকে সন্তুষ্টি প্রকাশ করা
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
"وارْضَ بما قسم الله لك، تكن أغنى الناس" (رواه أحمد والترمذي)،
আল্লাহ তোমাকে যা দিয়েছেন, তার প্রতি তুমি সন্তুষ্টি প্রকাশ কর, তাহলে তুমিই সবচেয়ে ধনী হয়ে যাবে
(আহমদ ও তিরমিজি)
ইমাম মুসলিম আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রা. সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন :
"قد أفلح من هُدِيَ إلى الإسلام ورُزق الكفاف وقنع".
সে ব্যক্তিই সফলকাম, যাকে ইসলামের হিদায়াত ও পরিমাণ মত রিযক প্রদান করা হয়েছে, আর সে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে
তিরমিজি শরীফে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন :
وارض بما قسم الله لك تكن أغنى الناس.
আল্লাহ তোমার জন্য যে রিয্ক বরাদ্ধ করেছেন, তাতেই তুমি সন্তুষ্ট থাক, তাহলে তুমিই সবচেয়ে ধনী হয়ে যাবে
সচ্ছলতা কখনো পরীক্ষার বস্তু:
নেককার লোকের অভাব ও পাপী ব্যক্তির সচ্ছলতা দুঃখিত, হতাশাগ্রস্ত ও সন্দিহান হওয়ার কোন কারণ নেই, আল্লাহ কখনো পাপীকে অবকাশ প্রদানের জন্য সচ্ছলতা প্রদান করেন, যেমন হাদিসে রয়েছে :
إذا رأيت الله يعطي العبد في الدنيا على معاصيه ما يحب فإنما هو استدراج، ثم تلا رسول الله صلى الله عليه وسلم: فَلَمَّا نَسُوا مَا ذُكِّرُوا بِهِ فَتَحْنَا عَلَيْهِمْ أَبْوَابَ كُلِّ شَيْءٍ حَتَّى إِذَا فَرِحُوا بِمَا أُوتُوا أَخَذْنَاهُمْ بَغْتَةً فَإِذَا هُمْ مُبْلِسُونَ. رواه أحمد والبيهقي في الشعب، والطبراني في الكبير...
যখন দেখ যে, কোন বান্দা পাপে লিপ্ত, তবুও আল্লাহ পার্থিব জগতে তাকে তার পছন্দনীয় বস্তু প্রদান করছেন, এটা নিশ্চিত ঢিল দেয়া ও অবকাশ প্রদান করা
অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিলাওয়াত করেন : (অর্থ) অতঃপর তাদেরকে যে উপদেশ দেয়া হয়েছিল, তারা যখন তা ভুলে গেল, আমি তাদের উপর সবকিছুর দরজা খুলে দিলাম
অবশেষে যখন তাদেরকে যা প্রদান করা হয়েছিল তার কারণে তারা উৎফুল্ল হল, আমি হটাৎ তাদের পাকড়াও করলাম, ফলে তখন তারা হতাশ হয়ে গেল
সূরা আনআম : (৪৪) আহমদ, বায়হাকি ফি শুআবিল ঈমান, তাবরানি ফিল কাবির, হাদিসটি আল-বানি সহিহ বলেছেন
আসবাব গ্রহণ করা:
কোন মানুষের সাধ্য নেই, আল্লাহ যে রিযক নির্ধারণ করেছেন, তাতে সামান্য রদবদল বা পরিবর্তন করা
কিন্তু এটা ঠিক যে, আল্লাহ যার জন্য যে পরিমাণ রিযকের আসবাব নির্ধারণ করেছেন, তাকে সে পরিমাণই তিনি রিযক প্রদান করেন
আল্লাহ তাআলা বলেন :
তিনিই তো তোমাদের জন্য যমীনকে সুগম করে দিয়েছেন, কাজেই তোমরা এর পথে প্রান্তরে বিচরণ কর এবং তাঁর রিয্ক থেকে তোমরা আহার কর
আর তাঁর নিকটই পুনরুত্থান
সূরা মুলক : (১৫)
তিনি অন্যত্র বলেন :
তাই আল্লাহর কাছে রিয্ক তালাশ কর, তাঁর ইবাদাত কর এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর
তাঁরই কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে
সূরা আনকাবুত : (১৭)
রিযকের জন্য আসবাব গ্রহণ বা তার জন্য চেষ্টা-তদবির করা তাওয়াক্কুল পরিপন্থী বা আল্লাহর পক্ষ থেকে রিযক নির্ধারিত না হওয়া প্রমাণ করে না
এ পার্থিব জগতের সাধারণ নিয়মে আল্লাহ কাউকে সরাসরি রিযক প্রদান করেন না, এ দুনিয়া দারুল আসবাব বা উপায় অবলম্বনের জগত, সবাইকে তিনি রিযকের জন্য উপায় অবলম্বনের নির্দেশ দেন, যেমন মারইয়াম আলাইহাস সালামকে দিয়েছেন :
আর তুমি খেজুর গাছের কাণ্ড ধরে তোমার দিকে নাড়া দাও, তাহলে তা তোমার উপর তাজা পাকা খেজুর ফেলবে'