content
stringlengths
0
129k
নয় মাসের বাংলাদেশের ভিতরের নির্ভীক গণযোদ্ধাদের বীরত্বপূর্ণ অপ্রচলিত যুদ্ধগুলির ( ) কোনও গবেষণা বা পঠন নেই আমাদের সেনাবাহিনীতে
যেখানেই মুক্তিযোদ্ধা দেখি সেখানেই তাঁর কাহিনী লিপিবদ্ধ করার প্রায় শিশুসুলভ প্রচেষ্টা পর্যন্তই আমার দৌড়-টেকনিক্যাল জ্ঞানের অভাবে ভুলভ্রান্তিতে ভরা আমার এই চেষ্টাকে আর যা-ই হোক গবেষণা বলা যায়না
আমি আশা করব, বাংলাদেশের সামরিক এবং বেসামরিক নির্বিশেষে সুযোগ্য গবেষকেরা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গবেষণার মাধ্যমে ইতিহাসের প্রতি তাঁদের দায়বদ্ধতা মিটিয়ে নেবেন- যাতে নিজ বীরত্বকথা শোনার জন্যে আমাদেরকে বিদেশি গবেষকদের উপর নির্ভর করতে না হয়
বান্ধবী জ্যেতিকে নিয়ে স্যারের অফিসে গিয়েছিলাম সাক্ষাতকার নেবার উদ্দেশ্যে
কিন্তু সেখানে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধসম্পর্কিত টেকনিক্যাল নলেজের অপ্রতুলতা এতটাই প্রকট হয়ে দেখা দিলো যে সাক্ষাতকার আর নেয়া হলোনা, স্যারের সাথে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আলোচনাই শুধু হল
নিজ জ্ঞানের এ সীমাবদ্ধতা আমি নতমস্তকে স্বীকার করে নিচ্ছি এবং যাঁরা সাক্ষাতকারের অপেক্ষায় ছিলেন (বিশেষ করে নুপুর ভাই) তাঁদের কাছে করজোড় ক্ষমা চাইছি
স্যারের সাথে প্রায় তিন ঘণ্টা আলোচনার চুম্বক অংশ তুলে দিলাম উপরে, বাকি ছোটখাটো যে অংশগুলো(নূপুর ভাইয়ের কয়েকটি প্রশ্ন রয়েছে এর মধ্যে) সেগুলো নীচে মন্তব্য আকারে দেবার ইচ্ছে আছে
ডিসেম্বরের ১ তারিখ কর্মক্ষেত্রে যোগদানের আগে স্যারের সাথে আরেকটি আলোচনা, রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের সেকেন্ড ইনটেকের কলেজ প্রিফেক্ট জনাব মোশাররফের সাথে আলোচনার উপর একটি ব্লগ (যাঁর যুদ্ধক্ষেত্রে নৈপুন্যের কারণে প্লাটুন কমান্ডার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় সে বয়েসেই-ভাবতেই রোমাঞ্চিত বোধ করি) এবং দুর্ধর্ষ ক্র্যাক প্লাটুনের গেরিল...
জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার কারণে আমার লেখায় যদি তথ্যগত কোন ত্রুটি ধরা পড়ে তাহলে সেগুলো ধরিয়ে দেবার জন্যে সবাইকে বিনীত অনুরোধ করছি
মেজর কামরুল হাসান ভুইয়া স্যারের ছবি উপরে ৩ নং অনুচ্ছেদের "আটমাস আগে" লিঙ্কে গেলে দেখতে পাবেন
এই পোস্টে পাঠকদের সুবিধার জন্যে বইমেলায় তোলা ছবিটি আবার দিচ্ছিঃ
১৯৭১ সালে যুদ্ধ করেছিলেন অস্ত্রহাতে আর ২০১০ সালে করছেন কলম হাতেঃনিরন্তর যোদ্ধা মেজর কামরুল হাসান ভুইয়া
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের গানে আমরা শুনেছিঃ
বজ্র যেমন বেগে, গর্জে ঝড়ের মেঘে,
অট্টহাস্যে সকল বিঘ্ন-বাধার বক্ষ চেরে
হারেরেরেরেরে আমায় ছেড়ে দে রে দে রে...
মুক্তিযুদ্ধ হোক আমাদের চিত্তচেতনার সেই বজ্রধ্বনি, যার হুঙ্কারে প্রতিটি বাংলাদেশি নাগরিক সকল বাধা-বিপত্তি অট্টহাস্যে দু-টুকরো করে ফেলবে
জয়তু বাংলাদেশ
সহায়ক পুস্তকঃ
১) জনযুদ্ধের গণযোদ্ধা- মেজর কামরুল হাসান ভুইয়া
২) স্বাধীনতাঃ১ম ও ২য় খণ্ড- মেজর কামরুল হাসান ভুইয়া সম্পাদিত
৩) মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর- শামসুল হুদা চৌধুরী
৪) উইটনেস টু সারেন্ডার- সিদ্দিক সালিক
৫) এক জেনারেলের নীরব সাক্ষ্যঃ স্বাধীনতার প্রথম দশক- মেজর জেনারেল মইনুল হোসেন চৌধুরী
কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ
১) ওয়ারদা নাসের আলী জ্যেতিঃ চিকিৎসক, বাংলাদেশ বেতারের সংবাদ পাঠিকা এবং মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে মাতামাতিতে আমাদের প্রজন্মের প্রথম সারির একজন
২) সিসিবির সকল পাঠক-পাঠিকাঃযাঁদের উৎসাহে অতি ক্ষুদ্র সামর্থ নিয়েও এধরণের কাজে হাত দেবার সাহস পাই
১৭,০৪২ বার দেখা হয়েছে
প্রকাশিত লেখা বা মন্তব্য সম্পূর্ণভাবেই লেখক/মন্তব্যকারীর নিজস্ব অভিমত
এর জন্য ক্যাডেট কলেজ ব্লগ কর্তৃপক্ষকে কোনভাবেই দায়ী করা চলবেনা
১০৭ টি মন্তব্য : "অস্ত্র থেকে অক্ষর(পূর্ণাংগ)"
কামরুলতপু (৯৬-০২)
অক্টো. ২৮, ২০১০ @ ৭:৪৭ অপরাহ্ন
অনেক দিন ধরে অপেক্ষায় ছিলাম
মাস্ফ্যু খুব ভাল হয়েছে
তবে আরো অনেক কিছু জানব ভেবেছিলাম
আর একটা কথা মুক্তিযুদ্ধ ট্যাগ যোগ করে দিলে ভাল হয়
সেই সাথে কার্টুনটি সরিয়ে দিলে ভাল হত
ব্যক্তিগত মতামত
লেখাটা হয়ত একসময় রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার হতে পারে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে
সেখানে এমন জিনিস না থাকাই ভাল বলে মনে করলাম
মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
অক্টো. ২৮, ২০১০ @ ৮:০৬ অপরাহ্ন
তপু ভাই,আপনার প্রশ্নগুলো কষ্ট করে একটু এখানে লিখলে ভালো হয়-সামনে স্যারের সাথে আরেকটি মিটিং আছে
আপনার কথামত মুক্তিযুদ্ধ ট্যাগ যোগ করে দিলাম 🙂
আর কার্টুনটা আমি ব্যক্তিগতভাবে রাখার পক্ষপাতী৯কেন,তার ব্যাখ্যা ওটার নিচে দিয়েছি) তবে অধিকাংশ পাঠক যদি আপত্তি করেন তাহলে সরিয়ে দেব
পাকমনপেয়ারুদের কি করা উচিত তার চমৎকার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এটিতে
আমি আসলে নিশ্চিত নই এ লেখাটি আসলে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহারের যোগ্য হয়েছে কিনা তবে এটি যে গবেষনাপত্র নয় বরং একটি ব্লগমাত্র তা নিশ্চিত
এ পর্বে আমার উদ্দেশ্য ছিলো মুক্তিযুদ্ধের দুটো গুরুত্বপূর্ণ ধারণাকে(ভারতের ভূমিকা এবং খেতাবের সামরিকীকরণ) নিয়ে একজন মুক্তিযোদ্ধার বক্তব্য তুলে ধরা
বিশেষ করে লেখায় না হোক,"মুক্তিযুদ্ধ তো ইন্ডিয়া কইরা দিছে" টাইপ কথাবার্তা কেউ বললে তাকে যেন নগদে উত্তর দেয়া যায় এটাও একটি উদ্দেশ্য
আর খেতাবের সামরিকায়ন সম্পর্কিত রায়হান রশিদ ভাইয়ের কমেন্টেও স্যারের বক্তব্য তুলে ধরতে চেয়েছি
আনাড়ী হাতের ব্লগ-তাই ভুলত্রুটি থাকা অতি স্বাভাবিক
চোখে পড়ামাত্র ধরিয়ে দিলে কৃতজ্ঞ থাকবো
অফ টপিক-আপনি তো আমাকে ভুলেই গেছেন একেবারে... (সম্পাদিত)
কামরুলতপু (৯৬-০২)
অক্টো. ২৮, ২০১০ @ ৮:১৪ অপরাহ্ন
আমি আসলে কোনরকম প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইনি
মুক্তিযুদ্ধের প্রতিটা ঘটনা আমার মধ্যে একটা শিহরণ জাগায়
আমি ওনার যুদ্ধের কাহিনী শুনতে চাই
যখন ইন্টারোগেট করা হয় তখন তাদের মনের অবস্থা জানতে চাই, সম্মুখ যুদ্ধে যাবার আগের রাতের অনুভূতি জানতে চাই
আমি সামনাসামনি কখনো যুদ্ধ নিয়ে কথা বলার কাউকে পাইনি বা পেলেও সে আলাপের সুযোগ পাইনি
অট কাউকেই ভুলিনিরে
একটু শীতনিদ্রাতে আছি
মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
অক্টো. ২৮, ২০১০ @ ৮:২১ অপরাহ্ন
মুশকিল হলো স্যার নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা একেবারেই বলতে চাননা 🙁 আপনার মত উপরের বিষয়গুলো আমারো গায়ের রক্ত গরম করে তোলে...দেখি ঝাড়ি টাড়ি খেয়েও কিছু বের করতে পারি কিনা... 🙁
জিহাদ (৯৯-০৫)
অক্টো. ২৮, ২০১০ @ ১১:৫৭ অপরাহ্ন
মাশরুফ ভাই, কার্টুনের সাথে কার্টুনিষ্টের নামটা লিখে দেয়ার দরকার ছিলো
কার্টুনটা সচলায়তনের সুজন চৌধুরীর আঁকা
সাতেও নাই, পাঁচেও নাই
মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
অক্টো. ২৯, ২০১০ @ ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
অনেক ধন্যবাদ জিহাদ,আমি আসলে কার্টুনিস্ট কে তাঁর নাম জানতামনা-কার্টুনের নীচে ছোট্ট করে দেয়াও হয়নি
এখনই যোগ করে দিচ্ছি
(83-89)
ডিসে. ১০, ২০১৪ @ ৬:৫৪ পূর্বাহ্ন
কার্টুন টা সত্যিই ফাটাফাটি
মানুষ এমনতয়, একবার পাইবার পর
নিতান্তই মাটির মনে হয় তার সোনার মোহর.........
অরপিয়া (২০০২-২০০৮)
অক্টো. ২৮, ২০১০ @ ৮:১৩ অপরাহ্ন
খুব ভালো লাগলো ভাইয়া
সারেন্ডার এ্যাট ঢাকার সাক্ষরযুক্ত পৃষ্ঠা দেখার অপেক্ষায় রইলাম
অফটপিকঃ১১টা অনুচ্ছেদের জায়গায় ৯টা দেখতে পাচ্ছি কেন?
মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)
অক্টো. ২৮, ২০১০ @ ৮:১৯ অপরাহ্ন
১১ টা কমিয়ে ৯ টা করেছি,উপরে লেখা হয়নাই
অনেক ধন্যবাদ আপু
আর আরেকটা দারুন আইডিয়া দিয়েছো-বইটায় জেনারেল জ্যাকবের স্বাক্ষরের ছবি তুলে নিয়ে আসতে হবে
অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু!
জুলহাস (৮৮-৯৪)
অক্টো. ২৮, ২০১০ @ ৮:২১ অপরাহ্ন
:: :: :: :: ::
! ::
- ..... ! 🙁
.
! ::
: ... :((
-..... ,