content stringlengths 0 129k |
|---|
বেশ কালচে |
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি আমরাও পর্যবেক্ষণে রেখেছিলাম |
আমটি রাখতেও বলা হয়েছিল ওই পরিবারকে |
কিন্তু সেটা রহস্যজনকভাবে ছিঁড়ে ফেলা হয় |
এর আগে গত সোমবার (১৯ এপ্রিল) তিনি সময় নিউজকে বলেছিলেন, এটা একটি বিরল ঘটনা |
যা আগে কখনও ঘটেনি |
প্রকৃতির ব্যত্যয়ে এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলেও মন্তব্য করেছিলে তিনি |
গাছ বিশেষজ্ঞ কে এম সবুজ জানান, এটি গবেষণার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে |
কেননা প্রাকৃতিক বা জিনগত বৈশিষ্টের কারণে যদি না হয়, তাহলে পরীক্ষা-নীরিক্ষা ছাড়া আমরা বলতে পানি না যে আসলে এটা কিভাবে হলো |
এদিকে বুধবার বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনাটি আমি জানার পর থেকেই অসম্ভব বলে ধরে নিয়েছি |
এমন ঘটনা কোনোভাবে হতে পারে না |
তিনি আরও বলেন, এক গাছে অন্য ফল শুধু গ্রাফটিংয়ের মাধ্যমে সম্ভব |
তবে লিচু ও আমের ক্ষেত্রে এটা করা যাবে না |
লিচু ও আমের টিস্যু সিস্টেম এক নয় |
লিচুর সঙ্গে আমগাছের ডাল জোড়া লেগেছে এমন উদাহরণ নেই |
লিচু ও আম এক পরিবারের উদ্ভিদ নয় |
এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না |
আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে |
এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: ://../ |
ব্লগ |
! |
... |
, 22 2021 23:27 |
খরতাপে বোঁটা থেকে ঝরে পড়ছে আম |
মাত্র ক'দিন আগে গাছ ভরা মুকুলে গুটি গুটি আম দেখে স্বপ্ন বাঁধেন আম চাষিরা |
কিন্তু অনাবৃষ্টির কারণে গাছের তলায় মাটিতে ঝরে পড়ছে সে আমের গুটি |
গাছের গোড়ায় পানি ঢেলেও কোনো কাজ হচ্ছে না |
ধামইরহাট উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে চোখে পড়ে ছোট-বড় নানান জাতের আমের বাগান |
শুধু তাই নয় রাস্তার আশেপাশে, পুকুর পাড়সহ বাড়ির আঙিনায় শোভা পাচ্ছে সুস্বাদু জাতের আমের গাছ |
গতবছর ঝড় আমফানের পর বেশ কয়েক মাস হয়ে গেল এ অঞ্চলে বৃষ্টির দেখা নেই |
বৈরী আবহাওয়ার কারণে তাপদাহ বেড়েই চলেছে |
অথচ প্রকৃতিতে এখন ভরা বৈশাখ মাস |
এ মাসে মেঘের ভেলায় কমবেশি ঝড়-বৃষ্টি হয়ে থাকে |
কিন্তু বৃষ্টি না হওয়ায় বৈশাখের খরতাপে পুড়ছে গাছের আম |
শুরুর দিকে এ অঞ্চলে আম গাছের ডালে মুকুলে ছয়ে যায় |
এমনও দেখা গেছে মুকুলের ভারে অসংখ্য আমের ডাল নুয়ে পড়ে মাটিতে |
অতঃপর গুটি গুটি আমে ছেয়ে যায় পুরো গাছ |
তা দেখে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন এ এলাকার আম চাষিরা |
এভাবে আম ঝরে পড়তে দেখে আম চাষিদের কপালে এখন চিন্তার ভাঁজ পড়েছে |
আম চাষি শিবলী সরকার জানান, তার ১৫ বিঘার মুকুল ভর্তি আমের বাগানে গুটি গুটি আমে ছেয়ে ছিলো |
কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় ঝরে পড়ছে তার বাগানের আম |
গুটি গুটি আমগুলো রক্ষার জন্য এই মুহূর্তে বৃষ্টি ভীষণ প্রয়োজন |
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ধামইরহাট উপজেলায় ছোট বড়ো প্রায় ১শ ১০টি আমের বাগান রয়েছে |
শুরুতে ভালো আবহাওয়া থাকায় আমের মুকুলে পোকা হয়নি, পচনও ধরেনি |
তাতে গাছ ভর্তি গুটি গুটি আম ধরেছিলো |
সম্প্রতি রুক্ষ আবহাওয়ার সঙ্গে তাপদাহ বেড়ে যাওয়ায় গাছ থেকে আম ঝরে পড়ছে |
কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বৈরি আবহাওয়ার কারণে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে আমের সঠিক পরিচর্চার জন্য আমরা প্রতিদিন আম চাষিদের বিভিন্ন রকম পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি |
যেমন গাছে ফল ধরার ১৫ দিন পর পর পানির সেচ দিতে বলা হয়েছে |
এছাড়াও আম মটরদানা ও মার্বেল পর্যায়ে হলে প্রতি লিটার পানিতে ২০ গ্রাম ইউরিয়া ২ গ্রাম বরিক এসিড স্প্রে করতে হবে |
এতে আম চাষিরা ভালো ফলন পাবেন |
এ বছর ধামইরহাট উপজেলায় আম চাষে লক্ষ্যমাত্রা ৬শ ৭৫ হেক্টর বলে জানান তিনি |
এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না |
আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে |
এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: ://.. |
ব্লগ |
! |
... |
, 22 2021 23:26 |
গরম তাড়াতে কাঁচা আমের জুস, বেড়েছে চাহিদা |
রাজশাহীতে মাঝারি থেকে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে |
চলতি মৌসুমে এখনও কালবৈশাখী না হলেও খরতাপেই ঝরে পড়ছে কাঁচা আম |
আমচাষিরা বাগানের ঝরে পড়া আম কুড়িয়ে বাজারে বিক্রি করছেন |
গরমের তীব্রতায় কাঁচা আমের উপকারিতা ও ওষুধি গুণ থাকায় বাজারে এখন ঝরে পড়া কাঁচা আমের চাহিদা বেড়েছে |
এমনিতেই বাজারে নতুন আসা মৌসুমি ফলের প্রতি ক্রেতাদের বাড়তি আকর্ষণ থাকে |
এর ফলে দামও কিছুটা বেশি |
অন্য সময় ২০/২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয় ঝরে পড়া কাঁচা আম |
কিন্তু এখন মানভেদে কেজি প্রতি কাঁচা আম বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায় |
ব্যবসায়ীরা বলছেন, রাজশাহীর বাজারগুলোতে সাধারণত এপ্রিল মাসের শুরু থেকে কাঁচা আম আসতে শুরু করে |
এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি |
তবে ঝড় না হওয়ায় এখন সেভাবে আমের সরবরাহ নেই |
ঝড় হলে প্রচুর পরিমাণে আম বাজারে আসবে |
তখন দাম আগের মতোই হয়ে যাবে |
রাজশাহী মহানগরের শালবাগান বাজারে কাঁচা আম নিয়ে আসা হাসান আলী বাংলানিউজকে জানান, বাজারে যে জিনিসই নতুন আসুক তার প্রতি ক্রেতাদের চাহিদা একটু বেশি থাকে |
কাঁচা আমের প্রতি এখন ক্রেতাদের বেশ চাহিদা রয়েছে |
আর গরমের তীব্রতায় অনেকেই ইফতারে কাঁচা আমে জুস পছন্দ করেন |
অনেকে আবার ডালের সাথে আম দিয়ে টক করে রান্না করেন |
তাই সরবরাহের তুলনায় চাহিদা একটু বেশি |
ঝড় হলে কাঁচা আমের সরবরাহ দ্বিগুণ হবে |
মহানগরের সাহেব বাজার মাস্টারপাড়া এলাকার আম বিক্রেতা আমিনুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, বর্তমানে বাজারে কাঁচা আমের কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা |
বড় সাইজের আমগুলো ৫০ টাকা কেজি এবং ছোট আমগুলো ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে |
এর মধ্যে জুসের জন্য কাঁচা ফজলি আমের চাহিদাই বেশি |
কারণ ফজলি আম কাঁচা অবস্থাতেও অনেক মিষ্টি |
টক-মিষ্টি স্বাদের এই কাঁচা আমের জুস রাজশাহীর মানুষের অনেক বেশি প্রিয় |
এছাড়া ল্যাংড়া, আশ্বিনা, আঁটি, গোপালভোগসহ অন্যান্য জাতের কাঁচা আমও ঝরে পড়ছে |
বাজারে বিক্রিও হচ্ছে |
কাঁচা আমে জুসের গুণ |
প্রচণ্ড গরমে কাঁচা আম এবং এর জুস দুটোই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী |
এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'এ' এবং 'সি', ক্যালশিয়াম ও আয়রন |
কাঁচা আম ম্যাগনেসিয়ামেরও ভালো উৎস, যা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে |
কাঁচা আম হজম এবং ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে |
গরমে কাঁচা আমের এক গ্লাস জুস সারা শরীরে এনে দিতে পারে প্রশান্তি |
কাঁচা আমের জুস শরীরের জন্য ভালো |
কাঁচা আম বা আমের রসে পটাশিয়াম থাকায় প্রচণ্ড গরমে তা শরীর ঠাণ্ডা রাখতে সহায়তা করে |
গরমে অতিরিক্ত ঘামে শরীর থেকে সোডিয়াম ক্লোরাইড ও লৌহ বের হয়ে যায় |
কাঁচা আমের জুস শরীরের এই ঘাটতি দূর করে |
যারা ওজন কমাতে বা শরীরের বাড়তি ক্যালরি খরচ করতে চান, তাদের জন্য এখন আদর্শ ফল কাঁচা আম |
গরমে পেটের গোলমাল? এক গ্লাস আমের জুস দারুণ কাজে লাগতে পারে |
খাদ্য হজমে সহায়তা করে কাঁচা আম |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.