content
stringlengths
0
129k
-ইনফিনিটির মঞ্চে মোদীর প্রশংসায় আম্বানি, তৈরির জন্য প্রধানমন্ত্রীকে সাধুবাদ জানান জিও মালিক
: সুখবর, বিয়ের মরশুমে ফের সস্তা হল সোনা,পাল্লা ভারী রূপোর
-ফের দামী হল সোনা,রেকর্ড দরের থেকে ৮,৬০০ টাকার মতো সস্তা আছে হলুদ ধাতু
' : ফের ঐতিহাসিক জয় কৃষকদের, আর মামলার ভয় দেখাতে পারবে না বহুজাতিক সংস্থা
-: 'ঘূর্ণীঝড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলে ২৪ ঘন্টা পাশে আছি', শহরবাসীকে নম্বর পাঠাল
-203 : ৫ লক্ষ বন্দুক তৈরি হবে আমেঠিতে, প্রতিরক্ষা মানচিত্রে ভারতের নতুন স্থান
-৬ থেকে ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে আরবিআই মনিটারি পলিসি,কী হবে সেখানে, জেনে নিন
: জার্মানির বিরুদ্ধে হেরে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের
: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথেই কি হাঁটছে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী, সেখানেও এবার 'বহিরাগত' তত্ত্ব
বাংলা সংলাপ রিপোর্টঃ ইতিবাচক কোভিড পরীক্ষার ২৮ দিনের মধ্যে যুক্তরাজ্যে আরও ১,৮২০ জন মারা গেছে
মহামারী শুরু হওয়ার পরে একদিনেই সবচেয়ে বেশি দৈনিক মৃত্যুর রেকর্ড
এর অর্থ দেশে এখন মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৯৩,২৯০
এছাড়াও আরও ৩৮,৯০৫ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে , আরও ৩৮৮৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে
সর্বশেষ সরকারী পরিসংখ্যান অনুসারে প্রায় ৪৬০৯৭৪০ জন লোক এখন ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ পেয়েছে
গতকাল থেকে ৩৪৩,১৬৩ জন বৃদ্ধি পেয়েছে
মঙ্গলবার দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা ছিল সর্বোচ্চ সংখ্যা ছিল ১৬১০ জন
শ্রীপুরে 3 বাইকারদের গেট-টুগেদার প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
শ্রীপুরে শিক্ষার্থীরা পেলেন শীতবস্ত্র ও হুইল চেয়ার
শ্রীপুরে নারী চেয়ারম্যান প্রার্থী, নির্বাচনী মাঠে ভিন্ন আমেজ
শ্রীপুরে যুবলীগ নেতার সংবাদ সম্মেলন
শ্রীপুরে ২০ টাকা চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় রক্তাক্ত পরিবহন মালিক-
শ্রীপুরে ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে মুমূর্ষু রোগীকে স্বেচ্ছায় রক্ত দেয়ার উদ্যোগ
শ্রীপুরে সংবাদকর্মীকে মারধর, ভিডিয়ো ভাইরাল
বিরাজমান > ব্যবসা বাণিজ্য > করোনাকালেও শীর্ষ রেমিট্যান্স আহরণকারী দেশের তালিকায় বাংলাদেশ, বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদন
করোনাকালেও শীর্ষ রেমিট্যান্স আহরণকারী দেশের তালিকায় বাংলাদেশ, বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদন
| ১৭ মে ২০২১ | ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত গোটা বিশ্ব
এই মহামারীর কারণে টালমাটাল অবস্থা বিশ্ব অর্থনীতির
তবে করোনার বছরেও ২০২০ সালে বিশ্বের শীর্ষ রেমিট্যান্স আহরণকারী দেশের তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ
বিশ্বব্যাংকের হিসাবে নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোর মধ্যে রেমিট্যান্স আহরণে সপ্তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ
এবছর বাংলাদেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২২ বিলিয়ন ডলার
বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ১ লাখ ৮৭ হাজার কোটি টাকার বেশি
সম্প্রতি প্রকাশিত মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ব্রিফ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে
এতে বলা হয়েছে, ২০২০ সালে গড়ে ১৮ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি এসেছে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স
স্বাভাবিক সময়ে বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর গড়ে ৭ থেকে ৮ লাখ মানুষ কর্মসংস্থানের জন্য প্রবাসে যান
কিন্তু করোনার প্রকোপ শুরুর পর ২০২০ সালে এ সংখ্যা মাত্র ২ লাখ ১৮ হাজারে নেমে আসে
এ সময় প্রায় ৬৭ শতাংশ প্রবাসী শ্রমিক মজুরি ছাড়াই দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হয়
বিশ্বব্যাংকের হিসাবে ফিরে আসা শ্রমিকদের মধ্যে ৬২ শতাংশ তাদের সঞ্চয় ও স্থাবর সম্পদ সেসব দেশে ছেড়ে দেশে চলে আসতে বাধ্য হয়েছে
২০২০ সালের জুলাই পর্যন্ত ১৮৬টি দেশে প্রায় ৭০ হাজার শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হয়
ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত ২ হাজার ৩৩০ জন বাংলাদেশি বিশ্বের ২১টি দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান
তাদের মধ্যে অনেকেই প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পায়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোর মধ্যে ২০২০ সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণকারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম স্থানে রয়েছে
দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ভারতে ৮৩ বিলিয়ন ডলার, চীন ৬০ বিলিয়ন ডলার, মেক্সিকো ৪৩ বিলিয়ন ডলার, ফিলিপাইন ৩৫ বিলিয়ন ডলার, মিশর ৩০ বিলিয়ন ডলার, পাকিস্তান ২৬ বিলিয়ন ডলার, বাংলাদেশ ২২ বিলিয়ন ডলার, নাইজেরিয়া ও ভিয়েতনামে ১৭ বিলিয়ন ডলার এবং ইউক্রেনে এসেছে ১৫ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স
চাঁদপুরে কচুয়ায় নবম শ্রেণীর ছাত্রী জান্নাতুল নাঈম মিশু হত্যার প্রধান দুই আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে
গ্রেফতারকৃতরা হলো, বড় হয়াৎপুর গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে সজিব হোসেন ও মনির হোসেনের ছেলে নুর আলম
আসামীরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছে
৪ আগস্ট মঙ্গলবার দুপুরে কচুয়ায় থানায় প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: ওয়ালী উলল্লাহ অলি
তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃদের কোর্টে পাঠানো হয়েছে
স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি না দিলে তাদের বিরুদ্ধে রিমান্ড চাওয়া হবে
মিশু, গত শুক্রবার দুপুরে ঘাষ কাটতে গেয়ে নিখোঁজ হয়
৪৮ঘন্টার পর গেল রোববার ধান খেত থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়
মিশু স্থানীয় চাঁদপুর এম এ খালেক মেমোরিয়াল হাই স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্রী
আজকাল অনেক কিছুরই বিন্দুবিসর্গ মাথায় ঢুকছে না
হতে পারে, দোষটা আমার মস্তিস্কেরই
কারণ, বাকি সকলেরই নিশ্চয়ই মাথায় ঢুকছে
সরকারের বড় তরফ, ছোট তরফের এক একটা কর্মকাণ্ড দেখছি আর প্রায় ভিরমি খাচ্ছি..অথচ, জনগণ কি সুন্দর রাম-রহিম এর মাহাত্ম্য বা অপমাহাত্ম্য নিয়েই বিভোর..!! যাহোক, সর্বশেষ হোঁচট খেলাম গতকাল স্বাস্থ্য দফতরের দুই উচ্চ পদস্থ আধিকারিক ( এবং , দুজনে আমলা হলেও ডাক্তার)এর সই করা এক বিজ্ঞপ্তি....'সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হতে গেলে অবশ্যই স্বাস্থ্যসাথী কার্ড লাগবে..'
তারা অবশ্য জানাচ্ছেন, পশ্চিম বাংলার ২•৩ কোটি পরিবার স্বাস্থ্যসাথী কার্ড পেয়েছেন
২০১১ লোকগণনায় আমাদের রাজ্যে পরিবারের সংখ্যা ছিল ২•০৪ কোটি
আগের দুই দশকে সংখ্যাটা বৃদ্ধি পেয়েছে যথাক্রমে ২৫ ও ২৯ শতাংশ
কিছু মানুষের , বা কার্ড আছে
সব কিছু হিসাব করলে, দেখা যাচ্ছে প্রায় সব পরিবার স্বাস্থ্যসাথী কার্ড পেয়ে গেছে
তাহলে, সমস্যাটা কোথায়? সমস্যা পরিষ্কার দুটি বিষয়ে.. উদ্দেশ্য() এবং সম্ভবপরতা() সংক্রান্ত
স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প শুরু হয় ২০১৬ সালে,পরিবার পিছু বার্ষিক ৫ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যবিমার জন্য.. যেখানে সরকারই দেবে
প্রাথমিক ভাবে বিমা সংস্থার মাধ্যমেই এই প্রকল্প চলতো
বিভিন্ন সময়ে , , , -, এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিল
কিন্তু, ভোটের আগে কোনও কোম্পানীর সহায়তা ছাড়াই সরকার সরাসরি () এর রাস্তায় যায়
প্রকল্প শুরুর সময়ে ছিল , যা ভোটের আগে সার্বজনীন রূপ পায়
ফলতঃ, বর্তমানে সরকারি তহবিল থেকে নানা টালবাহানা সত্বেও সরকারের স্বাস্থ্যসাথী খাতে দৈনিক খরচ প্রায় ৮ কোটি বা মাসে আড়াই শ কোটি টাকা
অর্থাৎ, বার্ষিক আনুমানিক তিন হাজার কোটি টাকা
এ বিষয়ে কয়েকটা 'খটকা' আছে
২০২১-২২ এ স্বাস্থ্যখাতে গ্রামীণ পরিষেবায় বরাদ্দ ২৮৩২ কোটি টাকা এবং শহরাঞ্চলের জন্য ৪৯৩২ কোটি টাকা
এর থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকা বেরিয়ে গেলে, কতটা পড়ে রইলো? যদিও, বাজেট বক্তৃতায় কোভিড নির্মাণ ও স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের জন্য ৩৮০০ কোটি টাকা ঘোষণা করা হয়েছে, সেটা পূর্বোক্ত বাজেট পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত না বাইরে, সেটা ঠিক পরিষ্কার নয়
কিন্তু, তাহলে সরকার চাইছে কি? যে, স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে ধীরে সুস্থে হাত তুলে নিতে? উৎসাহ দিতে বা পরোক্ষে বাধ্য করতে মানুষকে বেসরকারি পরিষেবার দ্বারস্থ হতে? ৫ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্যবিমা বিনা প্রিমিয়ামে পেয়ে যারা অতি উল্লসিত, তারা কি ভেবে দেখবেন যত অভিযোগই থাকুক, বিনামূল্যে এর যে সুবিধা এতকাল ধরে পশ্চিম বঙ্গের মানুষ পেয়ে এসেছে, তার অবলুপ্তি না হলেও সীমিতকরণ () হলে, ফলাফল কি আদৌ শুভ হওয়া সম্ভব??
দু একটা বাস্তব সমস্যার কথাও উল্লেখ করা উচিত
হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার রোগীর একটা বড় অংশ ভর্তি হয় এমার্জেন্সি মারফত
জরুরি প্রয়োজনে আসা রোগীর স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকলেও সঙ্গে নিয়ে আসা সবসময়ে সম্ভব? কার্ড থাকলেও তার তথ্য বিবিধ কারণে সংগ্রহ করা সম্ভবপর নাও হতে পারে
অনেক জায়গাতেই তো 'নেট' পরিষেবার সমস্যা প্রায়শই ঘটে
বলা হয়েছে, কার্ড না থাকলে কার্ড বানিয়ে দেওয়া হবে
কার ভিত্তিতে? আধার কার্ড? আধার কার্ডের নম্বর কজনের মনে আছে?স্মার্ট ফোনে অনেকে করে রাখে
সেটা না থাকলে বা স্মার্টফোনই না থাকলে?? বাস্তবিকপক্ষে, গোটা টাই অতি জটিল এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো.. সময়সাপেক্ষ হয়ে উঠবে
আমাদের স্বাস্থ্যকর্তারা কতদিন আগে করেছেন জানি না..কিন্তু যারা বহু বছর ধরে করেছেন বা করছেন, তারা জানেন এমার্জেন্সিতে প্রতিটি মূহুর্ত কত মূল্যবান
এমনিতেই, রোগী এমার্জেন্সি তে আসা এবং ফলপ্রসূ() চিকিৎসা শুরু হওয়ার যে অন্তর্বর্তী সময়, তা অনেক ক্ষেত্রেই বিভিন্ন কারণে প্রলম্বিত
এটাকে আরও টেনে বাড়ালে কিন্তু তার ফলাফল হতে পারে মারাত্নক
তাছাড়া, এত কাণ্ড করে সরকারি হাসপাতালে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দেখিয়ে ভর্তি করে তারপর কি হবে? হাসপাতাল প্যাকেজ অনুযায়ে টাকা কাটবে? পরিবার পিছু তো বছরে বরাদ্দ মোট ৫ লক্ষ টাকা
সেটা শেষ হয়ে গেলে? সরকারি হাসপাতালে অনেক ক্ষেত্রেই তো বিনা পয়সায় হয়
৫ লক্ষ টাকার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেলে? টাকা না থাকলে চিকিৎসাই হবে না সরকারি/বেসরকারি দ্বিবিধ ক্ষেত্রেই??
আরও কয়েকটা জিনিস বলা উচিত..
• অন্য রাজ্য থেকে কোনও কারণে আসা মানুষ এই রাজ্যে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা পাবে না?
• পুলিশ অজ্ঞাতপরিচয় অসুস্থ ব্যক্তিদের অনেক সময়েই হাসপাতালে নিয়ে আসে ভর্তির জন্য
এখন কি হবে?
• বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে দুর্ঘটনাজনিত এমার্জেন্সিতে প্রাথমিক পরীক্ষা পাঁচ হাজার টাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখতে হবে
সেক্ষত্রে, অর্থ না থাকলে এর ঘটনা আরও বাড়বে (এমনিতেই যথেষ্ট বেশী)
স্বাস্থ্য পরিষেবায় বিমার ভূমিকা অনেক উন্নত দেশেই স্বীকৃত
কিন্তু, তার জন্য দরকার যথেষ্ট প্রস্তুতি এবং স্বচ্ছতা ()
ইচ্ছে মতো রাতারাতি নোটিস দিয়ে এতদিন ধরে চালু পদ্ধতিকে খুশিমত পাল্টিয়ে দিলে আর যাই হোক, মানুষের কল্যাণ হওয়া সম্ভব নয়
তবে, কি আর করা যাবে.. সবই তো দয়া করে দেওয়া হচ্ছে
আর কবে থেকে হলো? তাই, মানুষ যা পাচ্ছে তাতেই খুশী
আর, আর যাদের প্রতিবাদ বা প্রতিরোধ করার কথা তারা সবাই পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচিতেই ব্যস্ত!!! সুতরাং.....