content
stringlengths
0
129k
দ্বীনের নবীর দয়ার সীমা নাই,তাই বিধবা নারী বিবাহেও তার ক্লান্তি নাই, ভাগ্য ভাল তিনি আরবদেশের সব গুলো বিধবাকে বিয়ে করেননি
খাদিজা মারা যাওয়ার সময় মোহাম্মদের বয়স ছিল পঞ্চাশ, তার মানে বাকী ১২ টা বিয়ে তিনি করেছিলেন বাকী ১৩ বছরের মধ্যে, কারন ৬৩ বছর বয়সে তিনি মারা যান
আরও বছর দশেক বাঁচলেই সম্ভবত: আরবের সবগুলো বিধবাসহ কিছু নাবালিকাও বিয়ে ফেলতেন আর তখন তার সাহাবীরা বিয়ের জন্য কোন নারী খুজে পেত না, আল্লাহ বিষয়টি বুঝতে পেরেই দ্রুত তাকে দুনিয়া থেকে তুলে নিয়ে যায়
আল্লাহ মোহাম্মদের মনের কথা বুঝতে পেরেছিল মনে হয়, আর এও বোধ হয় বুঝতে পেরেছিল যে- ওহী নাজিলের মাধ্যমে তার বিয়ে করা বন্দ করার বিধান জারী করলেও মোহাম্মদ মনে হয় তা কেয়ার করতেন না , সেই ভয়ে তিনি তাকে তাড়াতাড়ি তার কাছে নিয়ে যান
নিচের আয়াতটি দেখা যাক-
হে নবী, আল্লাহ আপনার জন্যে যা হালাল করছেন, আপনি আপনার স্ত্রীদেরকে খুশী করার জন্যে তা নিজের জন্যে হারাম করেছেন কেন? আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়াময়
আল্লাহ তোমাদের জন্যে কসম থেকে অব্যহতি লাভের উপায় নির্ধারণ করে দিয়েছেন
আল্লাহ তোমাদের মালিক
তিনি সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়
সূরা আততাহরিম ৬৬: ১-২
বিষয়টি কি ? আল্লাহ নবীর জন্য কি হালাল করেছে? আল্লাহ নবীর জন্য দাসী নারীদের সাথে বিয়ে বহির্ভুত যৌনকাজ হালাল করেছে
আল্লাহ নিচের আয়াতের মাধ্যমে তা হালাল করেছে-
হে নবী! আপনার জন্য আপনার স্ত্রীগণকে হালাল করেছি, যাদেরকে আপনি মোহরানা প্রদান করেন
আর দাসীদেরকে হালাল করেছি, যাদেরকে আল্লাহ আপনার করায়ত্ব করে দেন - - -
কোরান, ৩৩: ৫০
এরপর আপনার জন্যে কোন নারী হালাল নয় এবং তাদের পরিবর্তে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করাও হালাল নয় যদিও তাদের রূপলাবণ্য আপনাকে মুগ্ধ করে, তবে দাসীর ব্যাপার ভিন্ন - - - -
কোরান, ৩৩: ৫২
( () . , ( ). , , ? , . , , . ( ) , . - (). [ . 8 . 223 - 1382 (2003) . ])
( . , . , , . , . [?] . ; . . , , . . . [ - 1377 . '])
কি এমন ঘটনা ঘটল যে হঠাৎ মোহাম্মদ তার স্ত্রীদেরকে খুশী করার জন্য দাসীর সাথে যৌন কাজকে হারাম করছেন? গুরুত্বপূর্ন বিষয়
আসলে ঘটনাটা এরকম
মিশরের বাদশা থেকে মোহাম্মদ মারিয়া নামে একটা দাসী উপহার পেয়েছিলেন যে ছিল দারুন যৌনাবেদনময়ী দেহ বল্লরীর অধিকারী
একদিন মোহাম্মদ তার অন্যতম স্ত্রী হাফসা( ওমরের মেয়ে) কে বাপের বাড়ী পাঠিয়ে দেন এই বলে যে - ওমর তাকে দেখা করতে বলেছে ও পরে তার ঘরে মারিয়ার সাথে মিলিত হন
হাফসা বাপের বাড়ী গিয়ে দেখে ওমর বাড়ী নেই, সাথে সাথে সে ফিরে আসে আর এসেই দেখে তার ঘরে তার বিছানায় তার স্বামী প্রবর আল্লাহর নবী শ্রেষ্ট মানুষ মোহাম্মদ তার এক দাসি মারিয়ার সাথে মৌজে ব্যস্ত আছেন ও তা দেখে হাফসা তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে
অথচ সেদিন হাফসার সাথে থাকার পালা ছিল মোহাম্মদের
তো খোদ হাফসার ঘরে মারিয়ার সাথে দেহ মিলনের ব্যপারটা অবশ্যই হাফসার সাথে একটা বিশ্বাসঘাতকতার পর্যায়ে পড়ে অথবা কম পক্ষে হাফসার জন্যে ছিল সেটা অসম্মানজনক
আর হাফসা ছিল ওমরের কন্যা ও তার পিতার মতই তেজস্বীনি
মোহাম্মদের সাথে অনেক কথা কাটাকাটি হয়, হাফসা ঘটনাটা অন্য সব সতীনদেরকে জানিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়
আল্লাহর নবী সম্মান হানির হুমকির মুখে পড়ে যান
তাই অনেক অনুনয় বিনয় করে তিনি হাফসার কাছে এই বলে প্রতিজ্ঞা করেন যে তিনি আর কোন দাসী বাদির সাথে যৌন সংসর্গ করবেন না
কিন্তু এটা ছিল একটা উপস্থিত ছলনা মাত্র
আপাতত হাফসার মুখ বন্দ করার কৌশল
ভিতরে ছিল অন্য কথা
মানুষের রক্তের স্বাদ পাওয়া বাঘ যেমন বার বার মানুষের ওপর হামলে পড়ে, কোনমতেই তাকে ফেরানো যায় না, মোহাম্মদও ইতোমধ্যে সুন্দরী যৌবনবতী মারিয়ার দেহ বল্লরীর স্বাদ পেয়ে গেছেন, তিনি কি অত সহজে তাকে ত্যাগ করবেন? কিন্তু তিনি তো প্রতিজ্ঞা করে ফেলেছেন হাফসার কাছে
প্রতিজ্ঞাও তো ভঙ্গ করা যায় না
তাহলে তার নবীগিরির ভবিষ্যত খারাপ হতে পারে
আসলে হাফসা কিন্তু এমন কান্ড করেছিল যাতে মোহাম্মদের নবীয়ত্বের জন্য বিরাট হুমকি হয়ে দেখা দিচ্ছিল
হাফসা ঘটনাটা তার সব সতীনদেরকে জানিয়ে দিয়েছিল
মোহাম্মদ দেখলেন সমূহ বিপদ
অত্যন্ত প্রখর বুদ্ধির অধিকারী মোহাম্মদ কাল বিলম্ব না করে আর এক অভিনয় শুরু করলেন
কথা নেই বার্তা নেই তিনি সকল স্ত্রীদের কাছ থেকে দুরে দিন যাপন করতে লাগলেন আর হুমকি দিতে থাকলেন যে তিনি তাদের সবাইকে তালাক দিয়ে দেবেন
আর ঠিক সেই মুহুর্তেই অসীম দয়ালু আল্লাহ তার প্রিয় দোস্ত মোহাম্মদের মন ও দেহের জ্বালা জুড়ানোর জন্য জিবরাইল মারফত অতি দ্রুত পাঠিয়ে দেয় উক্ত ৬৬: ১-২ আয়াত
অত্যন্ত সহজ সরল ভাষায় এখানে আল্লাহ বলছেন- দাসীদেরকে তোমার বা তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে, তাই তুমি এ বিষয়ে তোমার স্ত্রীর কাছে যে প্রতিজ্ঞা করেছ তা পালন করার তোমার দরকার নেই
অর্থৎ তুমি যখন খুশী যেখানে খুশী তোমার দাসীর সাথে সঙ্গম করতে পার, কোন অসুবিধা নেই
আহা, মহানবীর প্রতি দয়াল আল্লাহর কি অপরিসীম করুনা! তার প্রতি আল্লাহর দয়া ও করুনা এতটাই বেশী যে তিনি কোন প্রতিজ্ঞা করলেও তা রক্ষা করার দায় তার নেই
যে কোন সময়ই তিনি তা ভঙ্গ করতে পারেন
উক্ত ৬৬:১-২ আয়াত কিন্তু আরও একটা বিষয় অত্যন্ত পরিষ্কার করে বলছে যা অতীব গুরুত্বপূর্ন
তা হলো- স্ত্রীকে খুশী করার কোন দায় স্বামীর নেই
তাই আল্লাহ বলছে- হে নবী, আল্লাহ আপনার জন্যে যা হালাল করছেন, আপনি আপনার স্ত্রীদেরকে খুশী করার জন্যে তা নিজের জন্যে হারাম করেছেন কেন? তার মানে ইসলামে নারীদের মর্যাদা দেয়ার ব্যপারে যেসব মনগড়া কথা বার্তা বলা হয় তার কোন ভিত্তি নেই যা আল্লাহর ভাষাতে একদম পরিষ্কার
স্বামী প্রবর যা ইচ্ছে খুশী করে বেড়াবে, দাসী বাদির সাথে স্ত্রীর সামনেই যৌনক্রিড়া করবে, স্ত্রীর বলার কিছু নেই
একজন স্ত্রীকে এর চাইতে আর কোনভাবেই বেশী অপমান করা যায় না
যদি কোন মুমিন বান্দাকে প্রশ্ন করা হয়- ইসলাম নারীকে কিভাবে মর্যাদা দিল? তাদের প্রথম বক্তব্যই হলো- হাদিসে বলা আছে- মায়ের পায়ের নীচে সন্তানের বেহেস্ত
আর সেই মায়ের সামনে তার বাপ দাসী বাদী বা অন্য আর ৩ টা স্ত্রীর সাথে রঙ্গ ঢঙ্গ করবে বা সন্তানের সামনেই তার বাপ তার মা কে সামান্য কারনে মারধোর করবে, লাথি উষ্টা মারবে( যা আল্লাহর বিধান, আয়াত: ০৪: ৩৪) , আর তাতে তার মায়ের সম্মান ক্ষুন্ন হচ্ছে না
এসব মুমিন বান্দাদের বুদ্ধি এতটাই ভোতা যে-
তারা বুঝতে অক্ষম নারীর প্রকৃত মর্যাদা নির্ধারিত হয় তার সাথে তার সন্তানের সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং তা নির্ধারিত হয় তার স্বামীর সাথে সম্পর্কের ভিত্তিতে
তারা এটাও বুঝতে অক্ষম যে - মা ও সন্তান- এটা সম্পূর্ন ভিন্ন একটা সম্পর্ক
এ সম্পর্ক দিয়ে মা বা সন্তান কারোরই মর্যাদা নির্ধারন করা যায় না
অথচ তোতা পাখীর মত এ উদাহরন তারা আউড়ে চলে অবিরল
উপরিউক্ত মারিয়া সংক্রান্ত ঘটনা প্রমান করে মোহাম্মদ প্রয়োজনে মিথ্যা বলতেন
মারিয়ার সাথে মৌজ করার জন্য তিনি হাফসাকে মিথ্যা কথা বলে ওমরের বাড়ীতে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন
আহা সত্যবাদী মহানবী মোহাম্মদ! অন্য সাধারন বিষয়ে মিথ্যা বলার হয়ত তার দরকার পড়ত না, কিন্তু তার পরও প্রয়োজন হলে তিনি মিথ্যা বলতেন ও অন্যকে মিথ্যা বলার অনুমতিও দিতেন
যেমন নিচের হাদিস-
জাবির বিন আব্দুল্যা বর্নিত- আল্লাহর নবী বললেন - " আল্লাহ ও তার নবীকে অবমাননাকারী কা'ব বিন আল আশরাফ কে খুন করার জন্য কে ইচ্ছুক?" এ কথায় মোহাম্মদ বিন মাসলামা উঠে দাড়িয়ে বলল-" হে আল্লাহর নবী, আপনি কি চান আমি তাকে খুন করি ?" মোহাম্মদের উত্তর-"হ্যা"
মোহাম্মদ বিন মাসলামা তখন বলল-" তাহলে আমাকে যে কেন একটা মিথ্যা অজুহাত বলার অনুমতি দিন"
নবী বললেন - " তুমি সেটা বলতে পার"
সহী বুখারী, বই-৫৯, হাদিস-৩৬৯
খুব পরিস্কারভাবে দ্বীনের নবী আল আমীন বলে খ্যাত মোহাম্মদ তার সাগরেদকে একজন মানুষকে খুন করার জন্য মিথ্যা বলার অনুমতি দিচ্ছেন
আর কেন তিনি খুন করার অনুমতি দিচ্ছেন? আর কিভাবে মাসালামা কা'ব- কে খুন করে তার বিস্তারিত বিবরন নিম্নে-
:
' " ' - ?" , " ' ! ?" , "". , " () (.. '). , " ."
' , " (.. ) (.. ) [] , , ." , ' , " , !" , " , . ." ' , ", ." , " ?" ' , " ." , " ?" ' , " ." , " ? ' . , ."
' . ' '' , '. ' . , " ?" ' , () ' ." , " ." ' , " '. ."
. , , " ' , , , . ."
' - , . , " ." ' , " ." ' " ?" ' "." . ' , " ( )?" ' "". , ( ) " !" ."সহী বুখারী, বই-৫৯, হাদিস-৩৬৯
এ ঘটনা পড়লে বোঝা যায় মোহাম্মদ তার বিরুদ্ধে সামান্যতম সমালোচনা সহ্য করতে পারতেন না, ঠিক যেমন পারত না আধুনিক যুগের স্বৈরাচারী একনায়ক শাসকরা- হিটলার, মুসোলিনি, স্টালিন এরা
আমাদের দেশের শেখ মুজিব, জিয়াউর রহমান বা এরশাদ এরাও ছিল অনেকটা স্বৈরাচারী একনায়ক
এসব স্বৈরাচারী একনায়করা যেমন তাদের সমালোচনাকারীদেরকে জীবনে শেষ করে দিত, আমাদের আল্লাহর নবী ঠিক একই কায়দা অনুসরন করতেন
এ কেমন আল্লাহর নবী যিনি তার বিরুদ্ধে সামান্যতম সমালোচনা সহ্য করতে পারতেন না ? তার সত্য ধর্ম ইসলাম কি এতই ঠুনকো যে তা সামান্য সমালোচনাতেই উবে যেত? আর তার আল্লাহ কেমন দয়ালু যে সামান্য সমালোচনা সহ্য করার ক্ষমতাও সে মোহাম্মদকে দেয় নি ? আর এ কেমন মহানবী যে তার সমালোচনাকারীকে খুন করতে তাকে প্রয়োজনে মিথ্যা বা প্রতারনার আশ্রয় নিতে হয় ? তিনি নাকি আবার আল আমীন মানে সত্যবাদী? আল্লাহ কি এতই ভীত যে তার সামান্য সমালোচনা করলে তার অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে যাবে ?
এত সব বিচার বিশ্লেষণ করলে আমাদের মনে প্রশ্ন উদিত হওয়া স্বাভাবিক যে মোহাম্মদের নামে আমরা এতদিন যা শুনেছি তা কি আসলে সত্য নাকি মিথ? বিগত ১৪০০ বছর ধরে তাকে ও তার ইসলাম নিয়ে সত্যিকার অর্থে ব্যাপক কোন গবেষণা হয় নি, তার প্রয়োজনও পড়েনি, যে কারনে তার জীবনের অনেক সত্য জিনিস সাধারন মানুষের নজরে আসেনি, তাই তিনি রয়ে গেছেন ধরা ছোয়ার বাইরে
মাঝে মাঝে কেউ যদি সামান্য চেষ্টা করেছে, তাকে মোহাম্মদের দেখানো কায়দায় দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে, যে প্রক্রিয়া আজও বিদ্যমান
আর একারনে মুসলমানদের অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে
তারা শত শত বছর পিছিয়ে পড়েছে জ্ঞান- বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, অর্থনীতি, দর্শন , রাজনীতি সর্ব ক্ষেত্রেই
পক্ষান্তরে, অমুসলিমরা এগিয়ে গেছে বহুদুর, যা আবার মুসলমানদের মধ্যে একটা হীনমন্যতা বোধের সৃষ্টি করেছে
এ হীনমন্যতা বোধ থেকেই ইসলামের অনুসারী কিছু উগ্র ও অন্ধ মানুষ গোটা সভ্যতাকে অন্ধকার যুগে ফিরিয়ে নিয়ে ধ্বংস করার পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে
আধুনিক সভ্যতার সব কিছুই যে শুদ্ধ তা কোনভাবেই বলা যায় না
অনেক কিছুই হয় ত শুদ্ধ নয়, ছিলও না কখনো আগে, কিন্তু মানুষ তার নিজ প্রয়োজনে সেগুলোকে সংশোধন করে এগিয়ে যাবে সামনের দিকে
তার পর হয়ত এমন একদিন আসবে যখন মানুষ এ নীল গ্রহ ছেড়ে মহাবিশ্বের অন্যত্র ছড়িয়ে পড়বে, সভ্যতাকে ছড়িয়ে দেবে মহাবিশ্বের আনাচে কানাচে
মানুষের বিজয়বার্তা ধ্বনিত হবে বিশ্বের অন্যত্র
এমন বিপুল সম্ভাবনাময় মানব সভ্যতাকে কোন অন্ধ ও বদ্ধ আদর্শ দ্বারা কলুষিত ও ধ্বংস হয়ে যেতে দেয়া যায় না কোন মতেই
আমরা তা হতে দেব না
বিজয় আমাদের হবেই
মোহাম্মদের চরিত্র ফুলের মত পবিত্র, পর্ব-১
মোহাম্মদের চরিত্র ফুলের মত পবিত্র, পর্ব-২
মোহাম্মদের চরিত্র ফুলের মত পবিত্র, পর্ব-৩
পোস্ট শেয়ার করুন
: ভবঘুরে
মুক্তমনা ব্লগ সদস্য
মিসিং লিংক কি সত্যিই মিসিং?