content
stringlengths 0
129k
|
|---|
তখন এসব কিছুই ছিল ন্যয় সঙ্গত
|
আর তাই তারা বিনা দ্বিধায় সেসব সরল মনে লিপিবদ্ধ করে গেছে
|
যদি তারা ঘুনাক্ষরেও বুঝতে পারত হাজার বছর পরে মহানবীর এসব কর্মকান্ডই তাকে নৈতিক মানদন্ডের কাঠগড়ায় দাড় করাবে তাহলে এসব ঘটনাবলী তারা কস্মিনকালেও লিপিবদ্ধ করত না
|
বিষয়টা মুমিন বান্দাদের যে বেশ বেকায়দায় ফেলে দিচ্ছে তা বোঝা যায় তাদের কথা বার্তা ও কর্মকান্ডে
|
একদল কোরান-হাদিস ও সুন্নাহ হুবহু অনুসরন করার পক্ষে, আর এক দল পুরো হাদিস কে বাদ দিয়ে শুধু কোরান অনুসরন করার পক্ষে, এ ছাড়া আর এক দল আছে যারা হাদিসের মধ্যে যে সব স্ববিরোধাত্মক বা সমালোচনামূলক বিষয় আছে সেসবকে দুর্বল হাদিস বলে বাদ দেয়ার পক্ষে
|
অথচ সহি হাদিস বলে আমরা যা জানি- তা কিন্তু যারা লিপিবদ্ধ করে গেছে তা বহু রকম পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমেই তারা করে গেছে, আর সেকারনেই সেগুলোকে সহি বা পরীক্ষিত বলা হয়
|
তা করতে গিয়ে হাজার হাজার হাদিস বাদ দিতে হয়েছে
|
এসব সহী হাদিসকেই মুমিন বান্দারা তের চৌদ্দশ বছর ধরে সত্য বলে বিশ্বাস ও পালন করে এসেছে , কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হয় নি
|
বর্তমান যুগে এসে যখন অমুসলিমরা সেসব নিয়ে প্রশ্ন তোলা শুরু করেছে, অমনি কিছু মুমিন বান্দা তাদেরকে আর সহি হিসাবে মেনে নিতে অস্বীকার করছে
|
অথচ তারা কিসের ভিত্তিতে সহি হিসাবে মেনে নিতে পারছে না , তার কোন যৌক্তিক কারন নেই
|
তাদের ভাবখানা এরকম যে- সেই কালের ইমাম বোখারী বা ইমাম মুসলিম বা আবু দাউদ এসব নিবেদিত প্রান মুসলমানদের চাইতে এখনকার বান্দারা বেশী ইসলাম বোঝে ও নবীর কার্যাবলী তারা বেশী জানে
|
কত সহজ সরল ভাষায় তারা এসব হাদিস সংরক্ষন করেছে তার প্রমান নিচের হাদিসটি-
|
জাবির থেকে বর্নিত, আল্লাহর নবী একজন নারীকে দেখলেন এবং সাথে সাথে তিনি তার অন্যতম স্ত্রী জয়নবের কাছে আসলেন যিনি তখন তার ত্বক রঙ করছিলেন এবং তার সাথে যৌনক্রীড়া করলেন
|
তারপর তিনি তার সাথীদের কাছে ফিরে গেলেন ও তাদের বললেন- স্ত্রীলোকটি আমার দিকে অগ্রসর হয়ে একটা শয়তানের রূপ ধারন করল
|
তাই তোমরা যখন কোন নারীকে দেখবে তখন তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের কাছে সত্ত্বর চলে যাবে যাতে তোমরা তোমাদের মনের চাঞ্চল্যভাব দুর করতে পার
|
সহী মুসলিম, বই-৮, হাদিস- ৩২৪০
|
অত্যন্ত সহজ সরল ও প্রাঞ্জল বর্ননা
|
কোন রকম প্যাচগোছ বা লুকো ছাপার ব্যপার নেই
|
আর রূপক হিসেবে ধরার তো প্রশ্নই ওঠে না
|
রূপকের প্রসঙ্গ আসল একারনে যে , অনেক বিতর্কিত বক্তব্যকে রূপক হিসাবে ধরার একটা প্রবনতা ইদানিং লক্ষ্যনীয়
|
আর সুবহানআল্লাহ, কি অনুকরনীয় আচরনই না মহানবী আমাদেরকে সহজ সরল ভাষায় শিক্ষা দিচ্ছেন
|
আর বলা বাহুল্য, এ থেকে মহানবীর নিজের স্বভাব চরিত্রটাও ভাল করে বোঝা যায়
|
তিনি এমনই মানুষ ছিলেন যে রাস্তায় বের হয়ে কোন যুবতী নারী দেখলেই তার দেহে উত্তেজনার সৃষ্টি হতো আর তা প্রশমনের জন্য তিনি কাল বিলম্ব না করে তার ডজন খানেক স্ত্রীদের একজনের কাছে হাজির হতেন ও তার দেহের উত্তেজনা প্রশমন করতেন
|
মহানবীর এ ধরনের আচরন বা স্বভাব দেখে যদি বলা হয়, মোহাম্মদ ছিলেন একজন অতি মাত্রায় কামুক ব্যাক্তি, তাহলে কি ভূল বলা হবে ? ঠিক এই প্রশ্নটা করার জন্য হয়ত বহু ইমানদার মুমিন বান্দারা আমার ওপর তেড়ে আসবেন, বলবেন আমি মোহাম্মদের চরিত্রে কালিমা লেপন করছি
|
কিন্তু আমি কি কালিমা লেপন করলাম আর কিভাবেই বা করলাম এখনও বুঝতে অক্ষম
|
কারন আমি সহি মুসলিম হাদিসে যা পরিষ্কার ভাষায় বর্ননা করা হয়েছে ঠিক সেটাই বর্ননা করলাম সহজ সরল ভাষায়
|
তবে মনে হয় মুমিন বান্দাদের একটা ভাল যুক্তি আছে আর তা হলো -যেহেতু মোহাম্মদ রাস্তার ওপর একটা নারী দেখে উত্তেজিত হয়ে পড়েছেন, এর পর তিনি তো উত্তেজিত অবস্থায় উক্ত নারীর ওপর ঝাপিয়ে পড়েন নি, বরং নিজের উত্তেজনা প্রশমন করার জন্য নিজ বিবাহিত স্ত্রীর কাছে গমন করেছেন ও শরীরটাকে ঠান্ডা করেছেন
|
যা একটা খুব শালীন আচরন
|
অন্তত: উক্ত নারীটি ধর্ষণের হাত থেকে রেহাই পেল
|
কিন্তু এর সাথে সাথে তিনি যে কথা কয়টি বলছেন তা খুব গুরুত্ব পূর্ন
|
প্রথমত: তিনি বলছেন- স্ত্রীলোকটি আমার দিকে অগ্রসর হয়ে একটা শয়তানের রূপ ধারন করল
|
তার মানে আমাদের দ্বীনের নবী ,আল্লাহর প্রিয় দোস্ত মোহাম্মদের নিকট স্ত্রী লোক হলো শয়তান
|
আর এই শয়তানের হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রতিটি পুরুষ মানুষের কি করনীয় তাও তিনি সুন্দরভাবে বলে দিচ্ছেন-
|
তাই তোমরা যখন কোন নারীকে দেখবে তখন তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের কাছে সত্ত্বর চলে যাবে যাতে তোমরা তোমাদের মনের চাঞ্চল্যভাব দুর করতে পার
|
আহা মহানবীর কি মহান উপদেশ!এ থেকে আরও একটা বিষয় খুব পরিস্কার , তা হলো- সেই আরবের লোকগুলোর ও খোদ মোহাম্মদের মানসিক স্তর
|
যদি আজকের যুগে, মোহাম্মদ এসে হাজির হয়ে, নিজে একাজ করে পরে মানুষকে এ ধরনের উপদেশ দিতেন তাহলে মানুষরা তাকে কি নজরে দেখত? নিশ্চয়ই একজন প্রচন্ড কামুক মানুষ হিসাবেই চিহ্নিত করত আর তাকে আল্লাহর নবী হিসেবে মেনে নেয়া তো দুরের কথা, একটা অতি মাত্রার কামুক মানুষ হিসেবে তারা তাকে পরিত্যাগ করে চলে যেত
|
শুধু তাই নয় এর পর মোহাম্মদের পক্ষে সমাজে টিকে থাকাই মুস্কিল হতো
|
তাহলে প্রশ্ন জাগে সেই কালের আরবগুলো তাকে পরিত্যাগ করে নি কেন ? তার উত্তর একটাই- তাদের মন মানসিকতা ও মানসিক স্তর তো তাদের ওস্তাদ মোহাম্মদের মতই ছিল আর তাই তারা এটাকে মোটেও খারাপ কোন কিছু হিসাবে গন্য করেনি
|
আব্দুল্লাহ মাসুদ থেকে বর্নিত, আমরা একবার আল্লাহর নবীর সাথে অভিযানে বের হয়েছিলাম ও আমাদের সাথে কোন নারী ছিল না
|
তখন আমরা বললাম- আমাদের কি খোজা (নপুংষক) হয়ে যাওয়া উচিৎ নয় ? তখন তিনি আমাদের তা করতে নিষেধ করলেন ও স্বল্প সময়ের জন্য কোন মেয়েকে কিছু উপহারের বিনিময়ের মাধ্যমে বিযে করার জন্য অনুমতি দিলেন
|
সহী মুসলিম, বই-৮, হাদিস-৩২৪৩
|
মহানবী আসলেই পুরুষ মানুষদের জন্য মহানই ছিলেন যার প্রমান উপরিউক্ত হাদিস
|
তিনি সেই আরবদের মন মানসিকতা খুব ভালভাবেই বুঝতে পারতেন
|
তিনি বুঝতেন তার সঙ্গী সাথীদেরকে যদি যৌন ফুর্তি থেকে বঞ্চিত করা হয় তাহলে তারা তাকে ত্যাগ করে চলে যাবে
|
বিশেষ করে তিনি যখন কোন দলের সাথে নিজেই বের হতেন তখন তিনি কোন না কোন স্ত্রীকে সাথে নিয়ে যেতেন, ফলে তার জন্য কোন সমস্যা হতো না
|
কিন্তু দলের অন্যরা তো সে সুযোগ পেত না
|
তাই তাদের সহজ সরল আর্জি - মোহাম্মদের নিকট, তাদের যেন যৌনানন্দ থেকে বঞ্চিত করা না হয়
|
দয়ার সাগর মহানবী সাহাবীদের দু:খ বুঝতে পারলেন আর সাথে সাথেই নিদান দিলেন- নারী ধর, এক বা দুদিনের জন্য বিয়ে কর, যত পার ফুর্তি কর, তারপর লাথি মেরে বিদায় কর
|
এটা বলা বাহুল্য, পতিতা বৃত্তিকে উৎসাহিত করা হচ্ছে
|
অথচ আবার প্রচার করা হচ্ছে- ইসলাম পতিতাবৃত্তি নিষিদ্ধ করেছে
|
একদিন বা দুদিনের জন্য বিয়ের নামে প্রহসন করে , তাদের সাথে যৌনানন্দ করে পরে তাদেরকে লাথি মেরে তাড়িয়ে দেয়া যদি পতিতাবৃত্তি না হয়, তাহলে পতিতা বৃত্তি কাকে বলে ? আহা , মহানবীর কি অসীম করুনা!আমাদের মহানবী জয়নাবকে পাওয়া ও তার সাথে শারিরীক ভাবে মিলিত হওয়ার জন্য কতটা উতলা ছিল তার প্রমান পাওয়া যায় নিচের হাদিসে:
|
আনাস বর্নিত: যখন নবী জয়নাবকে বিয়ে করলেন, নবী তার কিছু সাহাবীকে খানাপিনায় দাওয়াত করলেন, তারা আসল ও খাওয়া দাওয়া শেষে বসে গল্প গুজব শুরু করে দিল
|
নবী উঠে যাওয়ার উপক্রম করলেন কিন্তু লোকজনের তবুও যাওয়ার নাম নেই
|
তখন তিনি উঠেই পড়লেন, তা দেখে কিছু লোক উঠে চলে গেল কিন্তু কিছু লোক তারপরেও বসে থাকল
|
অত:পর ফিরে এসে যখন তিনি জয়নবের ঘরে ঢুকলেন , তখন লোকজন উঠে সব চলে গেল
|
বুখারী, বই-৭৪, হাদিস- ২৫৬
|
খুব সহজ সরল ভাষায় বর্ননা, কোন রাখ ঢাক নেই
|
জয়নাবকে যেদিন মোহাম্মদ বিয়ে করেন সেদিন বৌভাত উপলক্ষ্যে তার বিভিন্ন সাহাবীদেরকে খানা পিনায় দাওয়াত করেন
|
লোকজন এসে খাওয়া দাওয়া করে সবাই চলে না গিয়ে কিছু লোক বসে বসে গল্প গুজব করতে থাকে
|
লোকজন বসে গল্প গুজব করতে থাকায় মোহাম্মদ জয়নাবের ঘরে ঢুকতে পারছেন না, কারন তার আর তর সইছে না
|
অনেক ঝড় ঝঞ্ঝার পর তিনি জয়নাবকে তার ফুলশয্যায় পেয়েছেন
|
আর তাই তিনি বিরক্ত হচ্ছেন
|
তিনি এমনও ভাব দেখালেন যে তিনি উঠে পড়ছেন কিন্তু তার পরও লোকজনদের হুশ নেই- বোঝাই যাচ্ছে জয়নাবের কাছে যাওয়ার জন্য কি পরিমান ব্যকুল তিনি হয়ে পড়েছিলেন
|
তবে লোকজনকে দোষ দেয়া যায় না
|
কারন তারা তো মোহাম্মদের মনের খবর জানত না
|
অন্য কোন নারী হলে হয়ত তারা বর-বউয়ের মিলনের সুযোগ দিয়ে চলে যেত
|
কিন্তু তারা ঘুনাক্ষরেও বুঝতে পারে নি যে মোহাম্মদ তার পালিত পুত্রবধূ জয়নাবের জন্য আগে থেকেই কেমন উতলা হয়ে আছেন
|
আমি জানিনা কোন মুমিন বান্দা এটাকে আবার কোন রূপক বলে ব্যখ্যা বা অন্যভাবে ব্যখ্যা করে কি না
|
যদি কেউ তা করতে চায় তা দেখার অপেক্ষায় থাকলাম
|
তবে একটা ব্যখ্যা থাকতে পারে : বিয়ে করার পর সব স্বামী তার স্ত্রীর সাথে মিলিত হওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ে, মোহাম্মদ যদি সেটা করে থাকেন তাতে অসুবিধা কি হলো
|
যথার্থ ব্যখ্যা
|
কিন্তু সমস্যা হলো- ঐ যে জয়নাব তো আর অন্য কোন সাধারন নারী না, সে হলো মোহাম্মদের নিজের পালিত পূত্র জায়েদের প্রাক্তন স্ত্রী,যার সাথে মোহাম্মদ আল্লাহর নির্দেশে পরকীয়া প্রেম শুরু করেন
|
অথচ মোহাম্মদকে আবার পরকীয়া প্রেমের দায়ে দায়ী করতে চায়না সাচ্চা মুমিন বান্দারা বরং বলতে চায় এটা ছিল মোহাম্মদের একটা বৈপ্লবিক সংস্কার
|
আসলে যে মোহাম্মদ জয়নাবের প্রেমে হাবুডুবু খেয়েই কাজ টি করেছেন ও এর পিছনে কোন সংস্কারের পরিকল্পনা ছিল না , বরং ঠেলায় পড়ে পরে ওহীর মাধ্যমে এ ধরনের অসামাজিক ও অনৈতিক রিপুতাড়িত কাজকে জায়েজ করতে হয়েছে তা তাদেরকে কোরান হাদিস থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে বোঝালেও বুঝতে চায় না
|
আর মোহাম্মদের রতিক্রিয়ায় শক্তিমত্তার প্রমানও পাওয়া যায় নিচের হাদিসে:
|
কাতাদা বর্নিত: আনাস ইবনে মালিক বলেন, " নবী দিনে রাতে পালাক্রমে তার স্ত্রীদের সাথে মিলিত হতেন,আর তার স্ত্রীর সংখ্যা ছিল এগার
|
আমি আনাসকে জিজ্ঞেস করলাম- " নবীর কি এত শক্তি ছিল ?" আনাস উত্তর দিলেন-" আমরা শুনেছি নবীর শক্তি ছিল ত্রিশজন মানুষের সমান"
|
বুখারি, বই-০৫, হাদিস-২৬৮
|
মারহাবা, দ্বীনের নবী!রতিক্রিয়ায় এ বিশ্বজগতে আপনার সমান কেউ নেই, ছিলও না কেউ কোন কালে, সত্যিই আপনি অসাধারন ও অনন্য
|
আল্লাহ আপনাকে অসীম শক্তি দিয়েছেন
|
আর সেকারনেই আপনার দরকার ডজনেরও বেশী স্ত্রী, আর ততোধিক দাসী
|
কারন আপনি যখন তখন উত্তেজিত হয়ে পড়েন আর তখন যে কোন একজন স্ত্রীকে আপনার জন্য রেডি থাকতে হবে
|
একজন স্ত্রী থাকলে তো সে আপনার কাম যন্ত্রনার সময় মাসিক পিরিয়ডের মধ্যে থাকতে পারে
|
তাই কাম যন্ত্রনায় মহানবী কষ্ট পাবেন এমন কষ্ট তো পরম করুনাময় আল্লাহ আপনাকে দিতে পারেন না
|
সুবহানাল্লাহ
|
এখানে এটাও একটা বড় প্রশ্ন- পালাক্রমে রাত দিন এগার জন স্ত্রীর সাথে সহবত করার পর ধর্ম প্রচারের সময় উনি কখন পেতেন ?
|
উক্ত হাদিস থেকে পরিস্কার বোঝা যায়, যেমন ছিল তার সাহাবীরা তেমনি ছিলেন মোহাম্মদ
|
যোগ্য লোকের যোগ্য সাথী
|
ওস্তাদের সাথে শিষ্যদের যৌনতা নিয়ে এমনতর প্রকাশ্য আলাপ ইতোপূর্বে আর কোন ধর্ম প্রচারকদের মধ্যে আমরা দেখি নি
|
আর এখানেই মহানবী মোহাম্মদের মাহাত্ম, তার বিশেষত্ব
|
যীশু,বুদ্ধ,চৈতন্য এদের জীবনী থেকে জানি কেউ রিপু তাড়নায় তাড়িত হয় নি
|
যীশু বিয়ে করেন নি, বুদ্ধ ও চৈতন্য বিয়ে করেও স্ত্রী ফেলে রেখে তারা মহত্বের সন্ধানে বের হয়ে পড়েন
|
আর কৃষ্ণের কথা বলা হয়- তার ছিল ষোল হাজার গোপী বা স্ত্রী
|
সে তাদের সাথে লীলা করত
|
কিন্তু এমনতর কোন ঐতিহাসিক নিদর্শন পাওয়া যায়নি যে কৃষ্ণ বলে সত্যি কেউ কোন কালে ছিল
|
পৌরাণিক চরিত্র হিসাবে গণ্য করে তাকে আলোচনা থেকে অব্যহতি দেয়া যেতে পারে
|
ব্যতিক্রম শুধু আমাদের মহানবী
|
আল্লাহ তাকে ৩০ টা পুরুষের সমকক্ষ করে তৈরী করেছেন
|
তাই তার ১৩টা স্ত্রী আর সমসংখ্যক দাসী লাগে
|
আর কিছু অন্ধ বিশ্বাসী প্রমান করার জন্য উঠে পড়ে লাগে তার বহু বিবাহ ছিল অসহায় নারীদেরকে সমাজে সম্মানের সাথে ঠাই দেয়ার জন্য আর কোনটা নাকি ছিল রাজনৈতিক কারনে
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.