content
stringlengths
0
129k
তাদের মতে নামাজ রোজার আসল মানে ভিন্ন
আমি কিন্তু যে আয়াত কোট করেছিলাম তাতে এই শ্রেনীবিভাগের কথা ছিল না
এই দুটি আয়াত পর পর থাকলে মনে হয় অতটা কনফিঊশন আসত না
ধর্ম চর্চার মনে হয় একটা বড় সমস্যা হল এক একজনের এক এক রকমের ব্যাখ্যা
আইভির মতে কিন্তু বোঝা যায় যে কোরানের পূর্নাংগ মানে মনে হয় কখনোই আমরা জানতে পারব না
কারন উনি বলতে চাইছেন যে সময়ের সাথে মানুষ বিজ্ঞানের নুতন নুতন বিষয় জানবে, তখন অনেক আয়াতের মানে যা আগে বোঝা যেত না ভালভাবে বোঝা যাবে
বিজ্ঞানের তো কোন সীমা নেই, মানুষ জেনেই যাবে......যদিও ব্যাপারটা উলটা হলে আর কোনই সমস্যা হত না
নাস্তিকদের থোতা মুখ সহজেই ভোতা হয়ে যেত
মানে, মানুষ কোরান পাঠ করে যদি বিজ্ঞান জানতে থাকত আর কি
আমি যে শেষ আয়াত কোট করেছি তাতে কিন্তু আমার মনে হয়েছে যে কোরান আরবী ভাষিদের জন্যই এসেছিল, আমাদের বাংলাভাষিদের জন্য সে হিসেবে অন্য কিতাব আসার কথা
কোরানে কি অমন কথা কোথাও আছে যে সমগ্র মানব জাতির জন্য এই আরবী কোরানই অবশ্য পালনীয়, যা ইসলামবিদরা দাবী করেন?
ফুয়াদ সেপ্টেম্বর 1, 2009 9:41 অপরাহ্ন -
@আদিল মাহমুদ,
{"এমন কি কোন গাইড লাইন আছে যাতে বোঝা যায় কোন কোন আয়াত কোন কোন শ্রেনীতে পড়বে? কোনটা রুপক আর কোনটা ষ্পষ্ট? আমার তো মনে হয় না যে এমন কোন কোরান তফসীর আছে যাতে কোন তফসীরকারক এই রূপক আয়াতগুলির কোন ব্যাখ্যা না দিয়ে রুপক বলে বাদ দিয়েছেন" }
গাইডলাইন আছে বলে আমার জানা নাই, আপনি পড়ে যেটা বুঝবেন, বুঝলেন, যেটা বুঝবেন না রেখে দিয়েন,
এটাই নিয়ম
আর অথবা যারা জ্ঞানী তাদের কছে জিজ্ঞাসা করার নিয়ম (তফসির)
(কত নম্বর আয়াতে আছে ভুলেগেছি)
আর তফসীর বিদরা ও তো ধরেন ভুল করতে পারেন
তাই নয় কি ? ঊপরে তো আইভি আপা তো লেকছেন ঈ
তফসির পড়েও যদি না বুঝেন, তাহলে পড়ে যান, বিশ্বস করুন
আমি অনেক আয়াত বলতে পারবো যার কোন তফসির পাবেন না
"আলিফ লাম মীম " এই আয়াতের তফসির কেউ দেখাইতে পারবেন
{"আইভির মতে কিন্তু বোঝা যায় যে কোরানের পূর্নাংগ মানে মনে হয় কখনোই আমরা জানতে পারব না" }
ঠিক, আল্লাহ সুবাহানাতালার কোরান, উনি ঈ সবচেয়ে ভাল বোঝেন
সব জানেন
তার পর, তাঁর মননিত ব্যক্তিরা যাকে তিনি যতটুকু ইচ্ছা জ্ঞান দেন
মানুষ তার নিজের জ্ঞান অনুষারে বুঝতে পারে
{"কোরানে কি অমন কথা কোথাও আছে যে সমগ্র মানব জাতির জন্য এই আরবী কোরানই অবশ্য পালনীয়, যা ইসলামবিদরা দাবী করেন?" }
সূরা ইউনুস আয়াত-৫৭
হে মানবকুল, তোমাদের কাছে উপদেশবানী এসেছে তোমাদের পরওয়ারদেগারের পক্ষ থেকে এবং অন্তরের রোগের নিরাময়, হেদায়েত ও রহমত মুসলমানদের জন্য
! .
বাংলা অনুবাদটি কেমন জানি, তাই টা ও দিলাম
আদিল মাহমুদ সেপ্টেম্বর 2, 2009 3:18 পূর্বাহ্ন -
আপনি এতদিনে খুব খাটি কথা বলেছেন, যা অনেকটা আমার মত
যেটা নিজের বিবেক বুদ্ধির সাথে মিলে সেটাই গ্রহন করা উচিত, যেটা গ্রহন করতে বিবেক সায় দেয়া না সেটা এড়িয়ে চলা উচিত
যা বুঝি না বা তফসীরকারকরাও বুঝেন না বা বুঝলেও তাদের মাঝেও মতভেদ হয় সেগুলি নিয়ে ঘাটাঘাটির কি আর দরকার থাকে? আল্লাহ নিশ্চয়ই চাচ্ছেন না যে আমরা সেগুলির সঠিক অর্থ বুঝতে পারি, অন্তত আমাদের সময়ে
এই আয়াতে কিন্তু আমি যা জিজ্ঞাসা করেছিলাম তার সরাসরি উত্তর নেই
এই আয়াতে কি আরবী বা কোরানের কথা স্পেসিফিক্যালি বলা হয়েছে? আল্লাহর কাছ থেকে তো শুধু কোরানই নয়, নির্দেশক আরো এসেছে, কয়েকটি আমরা সবাই জানি
আমার তো মনে হয় আরো অনেক এসেছে, তাই তো আল্লাহই বলেছেন যে তিনি সব জাতির কাছে তাদের নিজ ভাষায় গ্রন্থ ও নবী রসূল পাঠিয়েছেন
আয়াতটা আগে কোট করেছিলাম
" . . ; "
এতে কি বোঝা যায়?
আতিক রাঢ়ী আগস্ট 31, 2009 4:35 অপরাহ্ন -
লেখাটা পড়ার পরে, ছোট বেলায় সোনা কালিদাস পন্ডিতের বাবার গল্পটা মনে পড়ে গেল
আপনাদেরকে বলি, আপনাদেরো মনে পড়বে
রাজ দরবারে কালিদাস পন্ডিতেরমর্জাদা বৃ্দ্ধিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে অন্য সভাসদেরা রাজাকে পরামর্ষ দিলো যে কালিদাস এত বড় পন্ডিত, তার বাবা নাজানি কত বড় পন্ডিত
তাকে রাজ দরবারে ডাকা হোক
তার পান্ডিত্ত্ব দর্শনে সকলে ধন্য হোক
কালিদাসের বাবা ছিলেন কালিদাসের বিপরীত
কালিদাস ষড়যন্ত্র আঁচ করতে পারলেন
তাই দ্রুত বাড়ী গিয়ে বাবাকে প্রশিক্ষন দিলেন যে তিনি যেন রাজদরবারে গিয়ে ভগবান, কৃষ্ণ ও রাম নাম জপ করা ছাড়া আর কিছুই উচ্চারন না করেন
তো কালিদাসের বাবা পাছে ভুলে না জান সে জন্য পুরো পথ এই তিনটা শব্দ মুখস্ত করতে করতে চললেন
এই সময় হঠাৎ একটা ব্যাং পাশের পুকুরে ঝাপিয়ে পড়ার শব্দে কালদাসের বাবার মনোযোগ গেল ছুটে
রাজ দরবারে পোছেতে আর বেশি বাকি নাই, অথচ কিছুতেই তিনি আর শব্দ তিনটা মনে করতে পারছিলেন না
অনেক চেষ্টার পর যা তিনি মনে করতে পেরেছিলেন তা উচ্চারন করলে যা দাড়ায় তা হলো -ভকর-
সুতরাংভকর, ভকর করতে করতেই তিনি রাজ দরবারে প্রবেশ করলেন
তাকে যে প্রশ্নই করা হচ্ছিলো উত্তরে সে কেবল এই শব্দটাই বলে যাচ্ছিলো
পরে সবাই মিলে কালিদাস কে ধরলো এর মানে কি তা ব্যাখ্যা করার জন্য
কালিদাস বললো, তার বাবা ভগবান, কৃষ্ণ ও রাম থেকে অদ্যাক্ষর নিয়ে জপের সুবিদার্থে এই শব্দটি উদ্ভাবন করে নিয়েছেন
চারিদিক থেকে সাধু সাধু রব পড়ে গেল
আমাদেরকে কোরানের অর্থ ও ব্যাখ্যা ঐ সময় পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হবে যে পর্যন্ত না চারিদিকে সাধু সাধু রব পড়ে যায়
আগন্তুক সেপ্টেম্বর 1, 2009 2:15 পূর্বাহ্ন -
@আতিক রাঢ়ী,
খাসা বলেছেন
😉 এরাও চালিয়েই যাবে
আগস্ট 31, 2009 1:39 অপরাহ্ন -
.
আগস্ট 31, 2009 10:36 পূর্বাহ্ন -
আমার লেখার পুরোটা প্রকাশ পায়নি
অনুগ্রহ করে ঠিক করে দেবেন
মুক্তমনা এডমিন সেপ্টেম্বর 1, 2009 12:19 পূর্বাহ্ন -
আপনার লেখা ঠিক করে দেয়া হল
লেখাটি ভুল বশতঃ দু বার পোস্ট করা হয়েছিল
যে লেখাটিতে পাঠকেরা ইতোমধ্যেই কমেন্ট করেছেন, সেটি রেখে অপরটি মুছে দেয়া হল
অনেক ধন্যবাদ
জবাব বাতিল
অনুসন্ধান করুন
:
নতুন ব্লগ লিখুন
সাম্প্রতিক মন্তব্য
নারীই বন্ধ প্রকাশনায়
মিসিং লিংক কি সত্যিই মিসিং? প্রকাশনায় অনিন্দ্য পাল
অশ্লীল ভিডিওটি দেখলে কেন? প্রকাশনায় বিধান
নারীই বন্ধ প্রকাশনায় বিধান
বিষণ্ণতায় আমি, এবং কারণ খুঁজে দেখার চেষ্টা প্রকাশনায়
বিষয় অনুযায়ী লেখা
বিষয় অনুযায়ী লেখা একটি বিভাগ পছন্দ করুন অতিমারী (4) অনন্ত বিজয় (24) অনুবাদ (94) অভিজিৎ বিজ্ঞান (12) অভিজিৎ বিতর্ক (10) অভিজিৎ সাহিত্য (4) ই-বই (150) আমার চোখে একাত্তর (22) দ্য গ্রান্ড ডিজাইন (9) ভালবাসা কারে কয়? (67) ইতিহাস (356) উদযাপন (143) ডারউইন দিবস (78) ওয়াশিকুর বাবু (7) কবিতা (481) আবৃত্তি (79) ছড়া (25) খেলাধুলা (15) গণিত (55) গল্প (358) চলচ্চিত্র (19) চলমান ঘটনা (11) চারুকলা (8) ডায়রি/দিনপঞ্জি (180) দর্শন (601) দৃষ্টান্ত (288) ধর্ম (1,002) অবিশ্বাসের জবানবন্দী (282) ধর্মনিরপেক্ষতা (63) নারীবাদ (266) নিলয় নীল (6) পুরস্কার (24) পৌরাণিক কাহিনি (40) প্রযুক্তি (72) কম্পিউটার (10) প্রোগ্রামিং (7) কৃষি (6) বই (231) বিশ্বাসের ভাইরাস (93) বাংলাদেশ (1,016) একুশের চেতনা (64) মুক্তিযুদ্ধ (281) শাহবাগ আন্দোলন ২০১৩ (92) বিজ্ঞান (818) কল্পবিজ্ঞান (20) জীববিজ্ঞান (320) ক্যান্সার (7) জীবাশ্মবিজ্ঞান (18) জৈব বিবর্তন (242) বিবর্তনের প্রশ্নোত্তর (29) মানব বিবর্তন (61) প্রাণের উৎপত্তি (26) পদার্থবিজ্ঞান (162) জ্যোতির্বিজ্ঞান (68) বিশ্বতত্ত্ব (60) বিজ্ঞান বার্তা (37) ভূবিজ্ঞান (62) পরিবেশ (57) মনোবিজ্ঞান (79) সামাজিক বিজ্ঞান (125) অর্থনীতি (42) বিতর্ক (464) ব্যক্তিত্ব (644) অভিজিৎ রায় (240) নির্মোহ এবং সংশয়ী দৃষ্টি (107) বিজ্ঞানী চরিত (78) বাঙালি বিজ্ঞানী (20) রাজীব হায়দার শোভন (থাবা বাবা) (24) ব্লগাড্ডা (2,031) ভারত (118) ভ্রমণকাহিনী (84) মহামারী (2) মানবতাবাদী কর্মকাণ্ড (147) মানবাধিকার (557) মুক্তমনা (722) ব্যানারালোচনা (3) মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ (12) ম্যাগাজিন (92) মহাবৃত্ত (17) মুক্তান্বেষা (12) যুক্তি (52) যুক্তিবাদ (250) রম্য রচনা (82) রাজনীতি (747) আন্তর্জাতিক রাজনীতি (278) গণতন্ত্র (118) শিক্ষা (247) সঙ্গীত (44) সমাজ (884) সংস্কৃতি (556) সাহিত্য (4) সাহিত্য আলোচনা (173) স্বাধীনতা যুদ্ধ (8) স্মৃতিচারণ (387)
ভবঘুরে|2011-12-2404:39:26+06:00আগস্ট 6, 2011|: অবিশ্বাসের জবানবন্দী, দর্শন, ধর্ম, নির্মোহ এবং সংশয়ী দৃষ্টি, বিতর্ক, ব্যক্তিত্ব|118
মহানবীর চরিত্র বিশ্লেষনের সময় আমাদের কতকগুলো বিষয় খেয়াল রাখা বিশেষ জরুরী
সেটা হলো -কোন শিষ্য বা মুরিদ যখন তার পীর বা গুরুর জীবনী রচনা করে বা তার কার্যাবলী লিপিবদ্ধ করে তখন সে সর্বদাই তার গুরুর সমালোচনা মূলক বা নেতি বাচক বিষয়গুলো এড়িয়ে তা রচনা করবে
বরং এমন ভাবে তাদের জীবনী লেখা হবে যে - যে গুন তার ছিল না , সেটাও ফুলিয়ে ফাপিয়ে জীবনীতে লেখা হবে
বিষয়টা যে এরকম তার প্রমান পাওয়া যাবে আশে পাশেই
যেমন - একজন আওয়ামী লীগার যদি শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী লেখে, দেখা যাবে তাতে মুজিবুর রহমানের কোন দোষ ত্রুটির উল্লেখ নেই, একই কথা খাটে একজন জাতীয়তাবাদী লেখকের জিয়াউর রহমানের জীবনী লেখাতে
এসব জীবনী পড়লে দেখা যাবে- মুজিবুর রহমান বা জিয়াউর রহমান ছিলেন ফুলের মত পবিত্র চরিত্রের অধিকারী ব্যাক্তিত্ব আর ছিলেন ১০০% পারফেক্ট
তেমনি ভাবে মোহাম্মদের কার্যাবলী লিখে রেখে গেছে তার নিবেদিত প্রান শিষ্যরা যেমন- ইমাম বোখারী, মুসলিম , আবু দাউদ এরা
এরা নিশ্চয়ই তাদের রচনায় এমন কিছু লিখবে না যা তাদের গুরুর চরিত্রকে হনন করে বা কালিমালিপ্ত করে
যে সময় তারা এসব বিবরন লিখে রেখে গেছে সেই তখনকার সময়ে মোহাম্মদের কার্যাবলী নিয়ে কোন প্রশ্ন উঠত না, সে সময়ের ঐতিহ্য অনুযায়ী সেসব ছিল সিদ্ধ ও ন্যয় সম্মত
যেমন তার অসংখ্য বিয়ে, দাসি বাদি দের সাথে যৌন সংসর্গ, শত্রুদের বিরুদ্ধে হিংসাত্মক হুংকার ইত্যাদি এসব