content
stringlengths
0
129k
রাশিয়ার মনোভাবে এটা স্পষ্ট, জারের সাম্রাজ্যবাদী প্রবণতা ভিন্নরূপে ক্রেমলিনে ফিরে এসেছে
যেখানে সমাজতন্ত্রী বিপ্লবীদের সোভিয়েত আমলেই মস্কোর মনোবৃত্তি ছিল এটাই, সেখানে ধনতন্ত্রী বর্তমান রাশিয়ার আধিপত্য-স্বপ্ন থাকাই স্বাভাবিক
অবশ্য এটাকে কিছুতেই সঙ্গত বলা চলে না
কারণ তা হলে কোনো রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন থাকবে না এবং তার অখণ্ডতা নির্ভর করবে বিগ ব্রাদারের খেয়াল খুশির ওপর
ইউক্রেনের ইস্যুতে রাশিয়া সুপরিকল্পিত ও সমন্বিতভাবে ক্রিমিয়া দখলে নেয়ার পরও সুদূরপ্রসারী লক্ষ্যে অগ্রসর হচ্ছে
এখন মস্কোর চক্রান্তে ইউক্রেনের মূল ভ'খণ্ডই আর অখণ্ড থাকবে না মনে হয়
অথচ ওয়াশিংটন এখনো বলছে, রাশিয়া ইউক্রেনের ব্যাপারে 'আরো অগ্রসর হলে' পরিস্থিতি মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র, ইইউ এবং আন্তর্জাতিক অন্যান্য অংশীদার নতুন অবরোধের ওপর গুরুত্ব দেবেন প্রেসিডেন্ট ওবামা
১১ এপ্রিল জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেলকে ফোনে ওবামা এটা বলেছেন
রাশিয়া 'আরো অগ্রসর হলে- এই শর্ত দেখে সে গল্প মনে পড়ে যায়
চোর ঘরে ঢুকে সব নিয়ে যাচ্ছে
গৃহকর্তা ভয়ে স্ত্রীকে নিয়ে লুকিয়ে থেকে তা দেখছেন আর কাঁপছেন
স্ত্রী তাকে বারবার বলছেন চোর ধরার জন্য
আর অথর্ব স্বামী বারবার জবাব দিচ্ছে, 'দেখা যাক না কি হয়
প্রতিরক্ষা ও রণকৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্রিমিয়া উপদ্বীপ কুক্ষিগত করে মস্কো ঘোষণা দিয়েছিল, ইউক্রেনের মূল ভ'খণ্ডে হামলা কিংবা ইউক্রেনের কোনো অংশ বিচ্ছিন্ন করার চিন্তা রাশিয়ার নেই
কিন্তু এখন পূর্ব ইউক্রেনে রুশভাষী বাসিন্দাদের সশস্ত্র তৎপরতা, তথা ইউক্রেন সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ প্রমাণ করছে, রাশিয়ার উল্লিখিত আশ্বাস প্রতিপক্ষকে বিভ্রান্ত করে অপ্রস্তুত রাখার সুচতুর প্রয়াস
ইউক্রেনের ̄oাভইয়ানস্ক শহরে রুশপন্থীরা থানা দখল করেছে
এমনকি দেশটির পূর্বাঞ্চলের রাজধানী দোনেতস্ক শহরে গুরুত্বপূর্ণ দফতরে হামলার চেষ্টা হয়েছে
উদ্বেগজনক এসব ঘটনা ঠিক তখন ঘটছে, যে সময়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইউক্রেন ইস্যুর সুরাহার জন্য জেনেভায় রাশিয়া ও ইউক্রেনের সাথে বৈঠকে মিলিত হয়েছে
এ দিকে ইউক্রেন রাশিয়াকে তার সরবরাহ করা গ্যাসের দাম দেয়া স্থগিত করেছে
এতে পরিস্থিতি আরো জটিল হতে পারে
শুধু ইউক্রেন নয়, ইইউভুক্ত দেশগুলো প্রধানত রাশিয়ার প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল
জার্মানির মতো বিরাট অর্থনৈতিক শক্তিও ব্যাপক ক্ষতির শিকার হবে যদি মস্কো গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়
ইউক্রেন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র প্রধানত রাজনৈতিক এবং ইউরোপ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে
জার্মান অর্থমন্ত্রী ভলফগ্যাং শিউবল বলেছেন, 'এখন ইইউ এবং যুক্তরাষ্ট্র এক হয়ে কাজ করার সুযোগ এসেছে
এ শতাব্দীর বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমাদের উভয়ের স্বার্থ অভিন্ন
এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহের শেষ দিকে রুশভাষী ও মস্কোপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী ইউক্রেনের পূর্বাংশে বহু সরকারি ভবন জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে
১০ এপ্রিল ইউক্রেন ঘোষণা দেয়, পর দিন সকালের মধ্যে অস্ত্রত্যাগ করলে সাধারণ ক্ষমা পাবে
তবে মস্কোর মদদে রুশ জাতি গোষ্ঠীর ওই সব লোক কিয়েভ প্রশাসনের কোনো হুমকি-হুঁশিয়ারির পরোয়া করছে না
একই দিন ১০ এপ্রিল ন্যাটো অনেক ছবি প্রকাশ করেছে উপগ্রহ থেকে পেয়ে
এতে যুদ্ধবিমান ও ট্যাংকসহ রুশ রণসরঞ্জাম দেখা যায়
ন্যাটো জানায়, ইউক্রেন সীমান্তে ৪০ হাজার রুশ সেনা মোতায়েনের অংশ হিসেবে এসব জড়ো করা হচ্ছে
এভাবে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার প্রস্তুতি সত্তে¡ও রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেছেন, ক্রমবর্ধমান রুশবিরোধী মনোভাব ইউরোপের স্থিতিশীলতার প্রতি হুমকি
ইউক্রেন নিয়ে সর্বশেষ খবর হচ্ছে, পূর্বাঞ্চলের ̄oাভিয়ানস্ক শহরে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে
শহরটি দখলমুক্ত করার অভিযানে নেমে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী রুশপন্থী বন্দুকধারীদের জোর প্রতিরোধের মুখে পড়েছে
এতে ইউক্রেন বাহিনীর সদস্যসহ ১১ জন হতাহত হলো ১৩ এপ্রিল
কিয়েভ বলেছে, এটা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযান
সর্বাত্মক এই হামলায় সহায়তার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনগণকে অনুরোধ জানালেও বাস্তবে তার সম্ভাবনা কম
কেননা অঞ্চলটি রুশভাষী মানুষ অধ্যুষিত
বিচ্ছিন্নতাবাদীদের শক্তির উৎস হচ্ছে সীমান্তে অবস্থানরত রুশ বাহিনী
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বলেছেন, তাদের সরিয়ে না নিলে মস্কোর জন্য 'আরো কঠিন পরিণতি' অপেক্ষা করছে
আর জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব বান কি মুন আহবান জানালেন সংলাপের
আফগানিস্তান :
প্রেসিডেন্ট কে হচ্ছেন?
দীর্ঘ চার দশক ধরে যুদ্ধবিধ্বস্ত দরিদ্র দেশ আফগানিস্তানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়ে গেল ৫ এপ্রিল
এতে অংশ নিয়েছেন তালেবানবিরোধীদের পাশাপাশি তালেবানের প্রতি নমনীয় অনেকেই
ভোটার উপস্থিতি আগের নির্বাচনগুলোর চেয়ে বেশি ছিল বলে মিডিয়ার খবর
অবশ্য এসব ছাপিয়ে বড় হয়ে উঠেছে যে বিষয়, তা হলোN এ নির্বাচনে কি এমন কেউ জিতবেন যিনি আফগানিস্তানে অনির্দিষ্টকাল মার্কিন বা ন্যাটো সেনা রাখতে সম্মতি দেবেন? এখানে উল্লেখ্য, প্রথম দফায় কোনো প্রার্থী ৫০ শতাংশ ভোটও না পাওয়ায় পরের দফায় প্রতিযোগিতায় নামছেন দুই প্রার্থী আশরাফ গনি ও আবদুল্লাহ
কর্তৃপক্ষের দাবি, এবার ৭০ লাখের অধিক ভোটার ভোট দিয়েছেন
যা হোক, সংবিধানমাফিক এবার আর প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ না থাকায় দুই মেয়াদ শেষে কারজাই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হননি
প্রার্থী ছিলেন আটজন যাদের অনেকেই পরিচিত মুখ
তাদের মধ্যে প্রধান তিনজন ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ আবদুল্লাহ, সর্বশেষ বাদশাহ জহির শাহের ঘনিষ্ঠ জালমাই রসুল ও সাবেক অর্থমন্ত্রী আশরাফ গনি
কৌত'হলের বিষয় হলো, সুদর্শন আবদুল্লাহর নামটি পরপর দু'বার বলতে হবে অবশ্যই
ভারতের প্রিয়ভাজন আবদুল্লাহ ২০০৯ সালের বিগত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারজাইর নিকটতম প্রতিদ্ব"দ্বী ছিলেন
৩০ শতাংশের বেশি ভোট পেলেও কারচুপির শঙ্কায় নির্বাচনী দৌড় থেকে সটকে পড়েছিলেন সেবার
আশরাফ গনি গতবার নির্বাচনে চতুর্থ হয়েছিলেন
আহমদজাই গোত্রের এই ব্যক্তি মনে করেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দারিদ্র্য মোচনের জন্য বিদেশের সাহায্য নয়, বিনিয়োগ চাই
এ দিকে জালমাই রসুলকে কারজাইর সর্বাধিক পছন্দনীয় বলে মনে করা হয়েছে
কারো কারো মতে, তিনি প্রেসিডেন্ট হলে কারজাই নেপথ্য থেকে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ পেতেন
সে সুযোগ আপাতত মিলছে না
প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের রানিং মেট বা ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রার্থীও ছিলেন
যেমন জালমাই রসুলের সাথে নেমেছিলেন বামিয়ান প্রদেশের সাবেক মহিলা গভর্নর মিসেস সারোবি
এই সুবক্তা নারী সাড়া জাগালেন জালমাই রসুলের নির্জীব প্রচারণা অভিযানে
এখনো দেশের বেশ কিছু অংশে সশস্ত্র পন্থায় তৎপর তালেবান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনবিরোধী হুমকি দিয়ে আসছিল
তবে বিগত কিছু দিনে তাদের হামলা সার্বিকভাবে কমে আসার পাশাপাশি মানুষ মনে করছে, যুদ্ধ নয় আর, নির্বাচন বা সমঝোতার পথে দেশে শান্তি ফিরে আসুক
মাঝে মধ্যে তালেবানের দুঃসাহসী সহিংসতা এবং এর ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াও মার্কিন কর্তৃত্ব ও কার্যকলাপের প্রতি বিদায়ী প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাইর ক্রমবর্ধমান উষ্মা সবার নজর কেড়েছে
সোভিয়েত তাঁবেদার প্রেসিডেন্ট বাবরাক কারমাল সম্পর্কে চুটকি ছিল : 'বাবরাক কার মাল? রাশিয়ার
' কারজাই 'মার্কিন মাল' হতে চান না
তালেবানরা মতাদর্শের দিক দিয়ে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে লড়াই করা মুজাহিদীনের প্রায় একই ধরনের
তবে বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টিকারী সেই মুজাহিদ নেতাদের অনেকে নানা কারণে তালেবান থেকে দূরে রয়েছেন, এমনকি কেউ কেউ তালেবানের বিরোধীও
প্রবীণ মুজাহিদ নেতা প্রফেসর বুরহানুদ্দীন রব্বানী তালেবানের হাতে নিহত হয়েছেন
গুলবুদ্দিন হেকমতিয়ার তালেবান আমলে দেশ ছেড়েছেন
আর এবার তালেবানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে দাঁড়িয়েছিলেন দুর্ধর্ষ মুজাহিদ কমান্ডার আবদুর রব রসুল সাইয়াক
১৪ এপ্রিল জানা যায়, আফগান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পয়লা দফায় আবদুল্লাহ প্রায় ৪২ শতাংশ ভোট পেয়েছেন
নিকটতম প্রতিদ্ব"দ্বী আশরাফ গনি পেলেন ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট
২৬ প্রদেশের পাঁচ লাখ ভোট গোনার পর এ ফলাফল জানা যায়
তবে ৩৪ প্রদেশের মোট ৭০ লাখ ভোট গণনার পর প্রথম স্থানে আবদুল্লাহ না-ও থাকতে পারেন
পুরো ফলাফল পেতে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত অপেক্ষা করার কথা
দ্বিতীয় দফা নির্বাচন এড়ানো না গেলে তা মে মাসে অনুষ্ঠিত হবে
কিন্তু বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীতে বিভক্ত দেশটিতে ঘটনাক্রমে দ্বিতীয় দফায়ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চ'ড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যর্থ হওয়া অসম্ভব নয়
উল্লেখ করা প্রয়োজন, তালেবানরা প্রধানত যে নৃতাত্তি¡ক গোষ্ঠীর, সেই পশতুনরা আফগানিস্তানের সর্বপ্রধান গোষ্ঠী হলেও তারা মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশের মতো
এরপরই প্রভাবশালী হচ্ছে তাজিকরা যারা জনসংখ্যার প্রায় এক-চতুর্থাংশ
উজবেকরাও সংখ্যায় একেবারে কম নয়
সাবেক প্রেসিডেন্ট বুরহানুদ্দীন রব্বানী ও দুর্ধর্ষ মুজাহিদ নেতা আহমদ শাহ মাসুদ এবং এবারে ইন্তেকাল করেছেন যে ভাইস প্রেসিডেন্ট সেই জেনারেল কাসিম ফাহিম তাজিক জনগোষ্ঠীর লোক
প্রেসিডেন্ট কারজাই পশতুন গোষ্ঠীভুক্ত
আর যুদ্ধবাজ জেনারেল আবদুর রশিদ দোস্তাম একজন উজবেক
তা ছাড়া আছেন শিয়া মতাবলম্বী হাজারা জনগোষ্ঠী
আফগান জাতীয় রাজনীতিতে প্রধানত পশতুন ও তাজিকদের মধ্যে এক ধরনের প্রতিযোগিতা বিদ্যমান
তালেবানরা আগের চেয়ে তৎপরতা কমিয়ে দিলেও মাঝে মাঝে তাদের দুঃসাহসী অপারেশন রাজধানীর সুরক্ষিত এলাকাতেও আতঙ্ক সৃষ্টি করছে
এক দিকে গোপন সংলাপের প্রক্রিয়া চললেও অন্য দিকে মাঝে মাঝে বেপরোয়া সহিংসতার মাধ্যমে তালেবান কাবুল প্রশাসনকে চাপে রাখতে চায়
তালেবান ভবিষ্যতে ক্ষমতায় যাওয়া অনিশ্চিত হলেও এটা নিশ্চিত, তাদের নির্মূল করা অসম্ভব
রাজধানী কাবুল, গুরুত্বপূর্ণ জালালাবাদ শহরসহ দেশের পূর্বাঞ্চলে তালেবানের বিভীষিকা হয়তো আরো বহু দিন থাকবে
এই প্রেক্ষাপটে হামিদ কারজাই চেয়েছেন, আগের ঘোষণা মোতাবেক মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনী চলতি বছরই এ দেশ ছেড়ে চলে যাক
কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র বরাবর তাকে চাপ দিয়েছে এমন এক চুক্তিতে সই করতে, যার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বিদেশী সেনা অনির্ধারিতকাল যাবৎ থেকে যাবে আফগান ভ'খণ্ডে
নির্বাচনে অংশ নেয়া নেতাদের অনেকেই চুক্তিটি স্বাক্ষর করতে আগ্রহী
প্রসঙ্গক্রমে বলতে হয়, সম্প্রতি কাবুলের সর্বাধিক সুরক্ষিত একটি অত্যাধুনিক হোটেলে তালেবানের ভয়াবহ হামলায় আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থার একজন আফগান সাংবাদিক, তার স্ত্রী ও সন্তান, বিদেশী দাতা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনা তোলপাড় সৃষ্টি করেছে
এই হামলায় জাতিসঙ্ঘের সাবেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা আলীমুজ্জামান নিহত হয়েছেন যিনি বাংলাদেশের গোপালগঞ্জের প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান
অনলাইন এডিটর
পুরাতন সংখ্যা
পুরাতন সংখ্যা 2021 2021 2021 2021 2021 2021 2021 2021 2021 2021 2021 2020 2020 2020 2020 2020 2020 2020 2020 2020 2020 2020 2020 2019 2019 2019 2019 2019 2019 2019 2019 2019 2019 2019 2018 2018 2018 2018 2018 2018 2018 2018 2018 2018 2018 2018 2017 2017 2017 2017 2017 2017 2017 2017 2017 2017 2017 2017 2016 2016 2016 2...