content
stringlengths 0
129k
|
|---|
তবে কাঁচা ঘাস সাইলেজ করে শুষ্ক মৌসুমে সংরক্ষণ করা যায়
|
সুদান ঘাস উচ্চ ফলনশীল ঘাস
|
এই ঘাস চাষের মাধ্যেমে গবাদিপশুর কাঁচা ঘাসের চাহিদা মিটানো সম্ভবপর
|
কাঁচা ঘাস সাইলেজ ব্যবহার যথাযথভাবে করতে পারলে দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে যা দ্বারা ক্রমান্বয়ে দেশের দুধের চাহিদা মিটানো সম্ভব
|
সম্প্রতি আমাদের দেশে দুধের দাম যেভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে করে দুধ উৎপাদন বাড়লে কৃষকের যেমন আর্থিক স্বচ্ছলতা বৃদ্ধি পাবে তেমনি দেশের আর্থিক অবস্থারও উন্নতি ঘটবে
|
সম্পূর্ণ খবরটি পড়ুন
|
বীজ পরিচর্যা করবেন কিভাবে?
|
তানিয়া চৌধুরী
|
বীজ পরিচর্যা করবেন কিভাবে
|
বীজ এর পরিচর্যা করার সুবিধাসমূহঃ
|
মাটি ও বীজজাত জীবাণু ও পোকামাকড় থেকে অঙ্কুরিত বীজ ও চারাগাছ রক্ষা
|
বীজের অঙ্কুরোদ্গম করার ক্ষমতা বৃদ্ধি
|
দ্রুত এবং সুসংবদ্ধ বৃদ্ধি
|
শুঁটি জাতীয় শস্যের দ্রুত শুঁটি বেরোনো
|
মাটি ও পাতায় নজর দেওয়ার চেয়ে বীজে বেশি নজর দেওয়া সুবিধাজনক
|
খারাপ পরিস্থিতিতেও (অতিরিক্ত বা কম আর্দ্রতায়) শস্যের উৎপাদনে সমতা
|
বীজ এর পরিচর্যা করার পদ্ধতি
|
বীজ পরিচর্যা এমন একটা শব্দ, যা একই সঙ্গে পণ্য এবং প্রক্রিয়া দুই-ই বোঝায়
|
নীচে বর্ণিত যে কোনও একটি পদ্ধতিতে বীজ পরিচর্যা করা যেতে পারে
|
বীজ ড্রেসিং
|
এটা বীজ পরিচর্যার সবচেয়ে চালু পদ্ধতি
|
বীজকে শুকনো বা তরল মিশ্রণে অথবা থকথকে কাদার মধ্যে রাখা হয়
|
বীজের সঙ্গে কীটনাশক মেশানোর জন্য সস্তা মাটির পাত্র ব্যবহার করা যায়
|
পলিথিন চাদরের উপর বীজ ছড়িয়ে তার উপর উপযুক্ত পরিমাণে কেমিক্যাল ছিটিয়ে দেওয়া যেতে পারে
|
চাষিরা যান্ত্রিক পদ্ধতিতেও এই কাজ করতে পারেন
|
খামার এবং শিল্পক্ষেত্র, দু'জায়গাতেই বীজ ড্রেসিং করা হয়ে থাকে
|
বীজ পরিচর্যা করবেন কিভাবে
|
বীজ আচ্ছাদন
|
বীজের ক্ষমতা বাড়াতে একটি বিশেষ দ্রব্য দিয়ে তাকে আচ্ছাদিত করে রাখা হয়
|
এই আচ্ছাদনের জন্য উন্নত বীজ পরিচর্যা প্রযুক্তির প্রয়োজন
|
এই পদ্ধতি সাধারণত শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়
|
বীজের বড়ি দেওয়া
|
এটা সবচেয়ে উন্নত বীজ পরিচর্যা পদ্ধতি
|
এতে বীজের আকার পাল্টে যায়, স্বাদ বাড়ে এবং বীজ ব্যবহার করাও সুবিধাজনক হয়
|
এর জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি দরকার এবং এটা অত্যন্ত ব্যয়সাপেক্ষ পদ্ধতি
|
বীজ পরিচর্যা করবেন কিভাবে
|
বীজ এর পরিচর্যা করার পরামর্শ সমূহঃ
|
বীজ পরিচর্যা
|
শিকড়ে পচন, ধসা রোগ
|
কার্বেন্ডাজিম(০.১%)
|
২ গ্রাম প্রতি কিলো বীজে
|
ট্রাইকোডার্মা এসপিপি
|
৪-৬ গ্রাম প্রতি কিলো বীজে
|
শিকড়ে পচন
|
ট্রাইকোডার্মা ৫-১০ গ্রাম প্রতি কিলো বীজে (রোপণের আগে)
|
অন্যান্য পোকামাকড়
|
ক্লোরোপাইরিফস ৫-১০ গ্রাম প্রতি কিলো বীজে
|
ব্যাকটেরিয়া আক্রমণে শুকিয়ে যাওয়া
|
সিউডোমোনাস ফ্লুরোসেন্স ০.৫% ডবলিউ পি ১০ গ্রাম, প্রতি কিলো বীজে
|
শিকড়ের গ্রন্থিতে নেমাটোড
|
০.২% মোনোক্রোটোফসে ৬ ঘণ্টা বীজ ভিজিয়ে রাখুন
|
অগ্রভাগে রোগ নেমাটোড
|
০.২% মোনোক্রোটোফসে বীজ ভিজিয়ে রাখুন
|
স্যাঁতস্যাতে হয়ে যাওয়া, অ্যানথ্রাকনোস এসপিপি
|
প্রতি কিলো বীজে ৪ গ্রাম ট্রাইকোডার্মা ভিরিডে, প্রতি ১০০ গ্রাম বীজে ১ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম
|
মাটিবাহিত ছত্রাকজাতীয় সংক্রমণ
|
প্রতি কিলো বীজে ২ গ্রাম ট্রাইকোডার্মা ভিরিডে এবং সিউডোমোনাস ফ্লুরোসেন্স ১০ গ্রাম, প্রতি কিলো বীজে, কাপ্তান ৭৫ ডব্লিউ এস, এক লিটার জলে দেড় থেকে আড়াই গ্রাম এআই মিশিয়ে মাটি ভেজানো
|
জাসিদ, আফিদ, থ্রিপস
|
ইমিডাক্লোপ্রিড ৭০ ডব্লিউএস, প্রতি কিলো বীজে ১০-১৫ গ্রাম এআই
|
ধসা, শিকড়ে পচন, শুকিয়ে যাওয়া
|
প্রতি কিলো বীজে ৪ গ্রাম ট্রাইকোডার্মা এসপিপি
|
শিকড়ে পচন
|
ব্যাসিলাস সাবটিলিস বা সিউডোমোনাস ফ্লুরোসেন্স দিয়ে বীজের পরিচর্যা,
|
১০০ গ্রাম এফওয়াইএম-এ আড়াই থেকে ৫ গ্রাম মাটিতে প্রয়োগ অথবা প্রতি কিলো বীজে ২ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম বা কাপ্তান প্রয়োগ
|
প্রতি কিলো বীজে ২ গ্রাম থিরাম+কার্বেন্ডাজিম
|
প্রতি কিলো বীজে ২ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম বা কাপ্তান
|
শিকড়ের গ্রন্থিতে রোগ
|
বীজ ড্রেসার হিসেবে প্রতি কিলো বীজে ১০ গ্রাম প্যাসিলোমিসেস লিলাসিনাস এবং সিউডোমিনাস ফ্লুরোসেন্স
|
মাটি বাহিত ছত্রাক জাতীয় রোগ বা স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে যাওয়া, ধসা রোগ, শুকিয়ে যাওয়া
|
১০০ গ্রাম বীজে ২ গ্রাম টি ভিরিডে, কাপ্তান ৭৫ ডব্লিউএস প্রতি লিটার জলে দেড় থেকে ২ গ্রাম এআই মিশিয়ে মাটি ভেজানো,
|
বীজ ড্রেসার হিসেবে প্রতি কিলো বীজে ১০ গ্রাম সিউডোমোনাস ফ্লুরোসেন্স এবং ভি ক্ল্যামিডোস্পোরিয়াম
|
প্রতি কিলো বীজে ৪ গ্রাম টি ভিরিডে
|
ব্যাকটেরিয়াজনিত ধসা
|
প্রতি কিলো বীজে ১০ গ্রাম সিউডোমোনাস ফ্লুরোসেন্স
|
শুঁটিজাতীয় শস্য
|
মাটি বাহিত সংক্রমণ
|
১০০ গ্রাম বীজে ২ গ্রাম ট্রাইকোডার্মা ভিরিডে
|
কাবোর্ফুরান অথবা কার্বোসালফান ৩%(ডব্লিউ/ডব্লিউ)
|
প্রতি কিলো বীজে ৬ গ্রাম ট্রাইকোডার্মা ভিরিডে
|
জাসিডস, হোয়াইট ফ্লাই
|
প্রতি কিলো বীজে ৫-৯ গ্রাম এআই মিডাক্লোরোপিড ৪৮ এফএস,
|
প্রতি কিলো বীজে ৭ গ্রাম এআই ইমিডাক্লোরোপিড ৭০ ডব্লিউএস
|
রোপণের আগে প্রতি কিলো বীজে ৪ এমএল ক্লোরোপাইরিফস বা ৭ এমএল এনডোসালফান দিয়ে পরিচর্যা করতে হবে
|
শিষে কালো হয়ে যাওয়া
|
থিরাম ৭৫ % ডব্লিউপি,
|
কার্বক্সিন ৭৫ % ডব্লিউপি,
|
টেবুকোনাজল ২ ডিএস প্রতি কিলো বীজে ১.৫ থকে ১.৮৭ গ্রাম এআই,
|
প্রতি কিলো বীজে ৪ গ্রাম টি ভিরিডে ১.১৫ % ডব্লিউপি
|
মাটি বা বীজ বাহিত রোগ (স্যাঁতস্যাতে হয়ে যাওয়া)
|
১০০ গ্রাম বীজে ২ গ্রাম টি ভিরিডে দিয়ে বীজ পরিচর্যা,
|
১ লিটার জলে দেড় থেকে আড়াই গ্রাম এআই কাপ্তান ৭৫% ডব্লিউএস দিয়ে মাটি ভেজানো
|
শিকড়ের গ্রন্থিতে রোগ(নেমাটোড)
|
বীজ ড্রেসার হিসেবে প্রতি কিলো বীজে ১০ গ্রাম সিউডোমোনাস ফ্লুরোসেন্স বা ভার্লিসিলিআম ক্ল্যামিডোস্পোরিয়াম
|
ধসা রোগ ও স্যাঁতস্যাতে হয়ে যাওয়া
|
প্রতি কিলো বীজে ৯ গ্রাম টি ভিরিডে ১% ডব্লিউপি দিয়ে বীজ পরিচর্যা,
|
কার্বেন্ডাজিম ও কাবোর্সালফিন ২% মিশিয়ে বা
|
কার্বেন্ডাজিম, থিরাম ও কাবোর্সালফিন ২ % মিশ্রণ প্রয়োগ,
|
প্রতি কিলো বীজে ১৫-৩০ এমএল এআই ক্লোরোফাইরোফস ২০ ইসি দিয়ে বীজ পরিচর্যা
|
মাটি ও স্ফীতমূল বাহিত রোগ
|
এমইএমসি ৩% ডব্লিউএস ০.২৫ % বা বোরিক অ্যাসিড ৩ % দিয়ে সংরক্ষণ করার ২০ মিনিট আগে পরিচর্যা
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.