content
stringlengths
0
129k
একটি মাত্র রক্ষিতা থাকলে তাও না হয় কথা ছিলো, তিনি আবার পুরোটা সময়েই আরেক নারীর সাথে সম্পর্ক রেখেছিলেন, যিনি তার এক বন্ধু আর্থার মার্চের ( ) স্ত্রী
আর এগুলোর বাইরে তার নিজের স্ত্রী তো ছিলোই
বিজ্ঞানীদের বাইরে প্রতিভাধর কবি, সাহিত্যিক শিল্পী, আর খেলোয়াড়দের মধ্যে নারীলিপ্সার ব্যাপারটা এতটাই প্রকাশ্য যে এটা নিয়ে আলদা করে কিছু লেখার কোন মানে হয় না
মোজার্ট, লুইস ক্যারল, রুশো, দালি, ফিটজেরাল্ড, জেমস জয়েস প্রমুখের বিরুদ্ধে শুধু নারী সঙ্গ নয়, এমনকি বিকৃত যৌনরুচিরও নানা অভিযোগ আছে
সেগুলোতে না হয় নাই বা গেলাম এখানে
আর খেলোয়াড়দের মধ্যে? এই তো কিছুদিন আগেই (ফেব্রুয়ারী, ২০১০) প্রতিভাধর গলফ খেলোয়াড় 'বিবাহিত' টাইগার উডসের প্রায় একডজন 'পরনারীর' সাথে যৌন সম্পর্ক থাকার কেলেঙ্কারী নিয়ে মিডিয়ায় আলোচনার ঝড় বয়ে যায়
এসব কিছু থেকে অনেকেই অনুমান করেন যে, খ্যাতিমানদের প্রতিভা, অপরাধীদের সহিংসতা এবং তাদের প্রজননগত চাহিদা বা সাফল্য এ সবকিছুই হয়তো আসলে একসূত্রে বাঁধা
পোলার বিয়া দাও - মাথা ঠাণ্ডা হইবো
আমাদের বয়োজ্যোষ্ঠদের এলাকার ঘার ত্যারা আর রগচটা ছেলেপিলেদের দিকে দেখিয়ে বলতে শুনেছি - 'তরুণ বয়স তো, তাই ছেলের রক্ত গরম
দেখবেন বয়স হলে রক্তও ঠাণ্ডা হয়ে আসবে'
বয়োজ্যোষ্ঠদের এই মন্তব্যের যৌক্তিকতা নিয়ে উপরে 'বয়সের দোষ' অংশে এ নিয়ে বিস্তৃতভাবে আলোচনা করেছি
পাশাপাশি আরেকটি কথাও বাংলাদেশে খুব শোনা যায়
বিশেষ করে উড়নচণ্ডী ছেলের উন্মাদনা যখন অসহীয় পর্যায়ে চলে যায়, তখন প্রায়ই অন্য অভিভাবকেরা ভাগ্য বিরম্বিত পিতাকে উপদেশ দেন - 'পোলার বিয়া দিয়া দাও - মাথা ঠাণ্ডা হইবো'
সবক্ষেত্রে যে উপদেশ কাজ করে তা নয়, বরং অনেক সময় অযাচিতভাবে আরেকটি নিরীহ মেয়ের জীবন নষ্ট করা হয়
গ্রামের দিকে অশিক্ষিত জনগোষ্ঠির মধ্যে এই 'পাগল চিকিৎসার' দাওয়াই হিসেবে পাগলের বিয়ে দেয়াটা খুবই জনপ্রিয়
ছোটবেলায় শুনেছিলাম, আমাদের গ্রামের 'দীনু পাগলা' নামে বদ্ধ উন্মাদকে একবার জোর করে মমতাজ বেগমের সাথে বিয়ে দিয়ে দেয়া হয়েছিলো
তারপর দেখা গেল পাগলামি তো কমেইনি, বরং বউয়ের জীবনও দীনু পাগলা অতীষ্ট করে তুলেছে
শেষ মেষ শুনেছিলাম দীনুকে গাছের সাথে বেঁধে রেখে নাকি 'পাগলের বউ' মমতাজ বেগম কাজের সন্ধানে বের হত
কিন্তু কথা হচ্ছে মেয়ের জীবন নষ্ট করা সংক্রান্ত এই ক্ষতিকর ব্যাপারগুলো জানা সত্ত্বেও কেন অভিভাবকেরা অনেক সময়ই ছেলের পাগলামি সারানোর জন্য বিয়ের দাওয়াই বাৎলে দেন? কারণ হচ্ছে কিছু ক্ষেত্রে তারা লক্ষ্য করেছেন আসলেই বিয়ে দিলে ছেলের 'মাথা ঠাণ্ডা হয়' (অবশ্য দীনু পাগলার মতো বদ্ধ উন্মাদ - যাদের পাগলা গারদে রেখে চিকিৎসা প্রয়োজন, তাদের কথা এখানে বলা হচ্ছে না)! একটি উদাহরণ দেয়ার লোভ সামলাতে পারছি না
মুক্তমনায় জাহেদ আহমদ নামে আমাদের এক বন্ধু লেখালিখি করতেন, শুধু লেখালিখি নয়- এক সময় আমাদের সাইটে ছিলেন খুবই সক্রিয়, মুক্তচিন্তা এবং মানবতার প্রসারে ছিলেন অন্তপ্রাণ
গত বছর জোর করে বড়ভাই তার 'পাগলামি সারানোর' জন্য বিয়ে দিয়ে দিলেন
তারপর থেকেই জাহেদ দেখি উধাও! ঘর সংসার করে নিপাট ভাল মানুষ হয়ে গেছেন
হয়েছেন স্ত্রীর অনুগতভাজন আদর্শ স্বামী
চাকরি-বাকরি, ঘর সংসার, সপ্তাহান্তে বউকে নিয়ে মল-এ ঘরাঘুরি, কিংবা নির্জনে কোথাও একটু বেরিয়ে আসা
মুক্তচিন্তা আর মানবতাভিত্তিক সমাজ গড়ার 'পাগলামি' মাথা থেকে বিদায় হয়েছে তা বলাই বাহুল্য
আসলে বিয়ের পরে 'জাহিদ পাগলা'র মত কারো কারো মাথা ঠাণ্ডা হবার ব্যাপারটি কিন্তু বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোন থেকে সহজেই ব্যাখ্যা করা যায়
আগেই আভাস দেয়া হয়েছে যে, পুরেষেরা তাদের অর্থ, প্রতিপত্তি, সম্মান, প্রতিভা সহ অনেক কিছুই বিনিয়োগ করে মূলতঃ নারীকে আকর্ষণের কাজে
পরুষদের অপরাধপ্রবণতা কিংবা তাদের পাগলামিকেও সেই দৃষ্টিকোন থেকেই দেখতে হবে
বহুক্ষেত্রেই দেখা গেছে বিয়ের পরে পুরুষেরা আগের মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত হয় না
এমনকি দাগী অপরাধীদেরও অপ্রাধপ্রবণতা কমে আসে বিয়ের পরে, বহুক্ষেত্রে অপরাধজগৎ থেকে অবসর নেয় বহু অপরাধী[19]
এর কারণ হচ্ছে, বিয়ের পর নারীকে আকর্ষণের সেই প্রবৃত্তিগত তাড়না সে আর সেভাবে অনুভব করে না, স্বাভাবিকভাবেই এ ধরণের চাহিদা অনেক কমে আসে
ফলে বিবাহিত পুরুষদের অনেকেই ঝুঁকিপূর্ন কাজ একেবারে বাদই দিয়ে দেয়; ফলে প্রতিভার স্ফুরণ হোক, অপরাধ প্রবণতা হোক, কিংবা হোক কোন নির্দোষ পাগলামি - সবই কমে আসে
সেটাকেই বোধ হয় 'পাগলা মাথা'কে 'ঠাণ্ডা করে' বলে ধরে নেয়া হয়, আর কিছু নয়
গাড়ির ইনসুরেন্স সংক্রান্ত বেশ কিছু জরিপে দেখা গেছে যে, বিবাহিত চালকেরা অবিবাহিত চালকদের চেয়ে অনেক কম দূর্ঘটনায় পতিত হয়
বলাই বাহুল্য, বিবাহিত ড্রাইভাররা অবিবাহিতদের চেয়ে অনেক কম ঝুঁকিপূর্ণ এবং আগ্রাসী ড্রাইভিং করে বলেই তারা তুলনামূলকভাবে কম দুর্ঘটনার শিকার হয়
পুরুষ মানুষ দুই প্রকারের - জীবিত আর বিবাহিত
নচিকেতার একটা গান আছে -
জনতা জনার্দন শুনে হবেন বড় প্রীত
পুরুষ মানুষ দু'প্রকারের, জীবিত ও বিবাহিত
পুরুষ মানুষ বেঁচে থাকে বিয়ে করার আগে গো
বিবাহিত মানে প্রকারন্তরেতে মৃত -
পুরুষ মানুষ দু'প্রকারের, জীবিত ও বিবাহিত
বিবাহিত মানে যে প্রকারন্তরে মৃত -উপরে আমাদের বন্ধু জাহেদের ঘটনাটি এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ
জাহেদ বিয়ের পর লেখালিখি একদমই ছেড়ে দিয়েছে, হয়ে উঠেছে ঘোর সংসারী
লেখক লেখা ছেড়ে দিলে তো এক অর্থে প্রতিভার সমাপ্তি, আর সমাপ্তি মানেই প্রকারান্তরে মৃত, কী বলেন! তবে সবাই যে বিয়ে করে জাহেদের মত মৃত হয় তা নয় অবশ্য, আমার মত 'অর্ধ্মৃত' হয়েও বেঁচে থাকে অনেকে!
আসলে যে কারণে বিয়ের পর 'পাগল ছাগলদের মাথা ঠাণ্ডা হয়', ঠিক একই কারণে প্রতিভার স্ফুরণও ধীরে ধীরে লোপ পেতে থাকে
এটাকে হাল্কা কথা বলে উড়িয়ে দিলে কিন্তু ভুল হবে
আমরা আগের একটি অংশে বিজ্ঞানীদের বয়স -প্রতিভা রেখচিত্রের (- ) সাথে পরিচিত হয়েছি
আমরা সেখানে দেখেছি যে, বয়সের সাথে সাথে বিজ্ঞানীদের প্রতিভা প্রদর্শনের হার কমতে থাকে
তবে একটি জায়গায় একটু ব্যতিক্রম পাওয়া গেছে
বিজ্ঞানী যদি অবিবাহিত হন, তবে তার প্রতিভা বয়সের সাথে সাথে অন্য সবার মতোই একটু কমে আসলেও প্রতিভার ঝিলিক কম বেশি বিচ্ছুরিত হতে থাকে পুরো জীবনকাল জুড়েই
উদাহরণ চান? হাতের সামনেই একটা বিখ্যাত উদাহরণ আছে - স্যার আইজ্যাক নিউটন
চিরকুমার এই বিজ্ঞানীকে নিয়ে আমরা আগেও দু'চারটি কথা বলেছি
তার সফল এবং বিখ্যাত আবিস্কারগুলো তরুণ বয়সেই (চব্বিশ বছরের মধ্যেই) করে ফেললেও এটি উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, তার প্রতিভা কিন্তু লোপ পায়নি
ত্রিশ বছর বয়সে রিফলেক্টিং টেলিস্কোপ আবিস্কার করেন, ৪৪ বছর বয়েসের সময় তিনি বিখ্যাত গ্রন্থ প্রিন্সিপিয়া প্রকাশের জন্য রয়েল সোসাইটিতে পাঠিয়েছিলেন (সেখানেই তিনি মাধ্যাকর্ষণ সূত্র এবং তিনটি গতিসূত্রের ব্যাখ্যা প্রথমবারের মত হাজির করেছিলেন), ৬২ বছর বয়সে প্রকাশ করেন অপটিক্স
অপ্টিক্সের তৃতীয় সংস্করণ নিউটন প্রকাশ করেছিলেন ৮৪ বছর বয়সে, মৃত্যুর মাত্র এক বছর আগে
পচাশি বছর বয়সে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত অর্থাৎ পুরো জীবনকাল জুড়েই নিউটন কর্মক্ষম ছিলেন - গনিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, এমনকি জীববিজ্ঞান সহ এমন কোন শাখা নেই নিউটনের পাদস্পর্শে ধন্য হয়নি
নিঊটন যে এত কর্মক্ষম একটা সময় অতিবাহিত করতে পেরেছিলেন - এর একটা কারণ অনেকেই মনে করেন - তিনি অবিবাহিত ছিলেন
; ফলে 'প্রকারন্তরে মৃত' হবার হাত থেকে বেঁচে গেছেন
ব্যাপারটি কিন্তু কেবল নিউটনের ক্ষেত্রেই সত্য বলে ভাবলে ভুল হবে
গবেষকেরা দেখেছেন যে, অন্ততঃ শতকরা পঞ্চাশভাগ (৫০%) ক্ষেত্রে অবিবাহিত বিজ্ঞানীরা তাদের সবচেয়ে বড় আবিস্কারগুলো যেমন জীবনের প্রাথমিক সময়ে (বিশ বছর বয়সের দিকে) করেন, ঠিক তেমনি পুনর্বার সেরকম কিছু করে দেখাতে পারেন যখন বয়স পঞ্চাশ পেরোয়, কিন্তু বিবাহিত বিজ্ঞানীদের মধ্যে সে ধরণের সফলতার হার শতকরা মাত্র ৪.২ ভাগ[20]
নীচে গবেষণাপত্র থেকে বিবাহিত এবং অবিবাহিত বিজ্ঞানীদের সফলতার একটা তুলনামূলক চিত্র দেয়া হল -
ছবি- বিবাহিত এবং অবিবাহিত বিজ্ঞানীদের প্রতিভা স্ফুরনের তুলনামূলক রেখচিত্র
গ্রাফগুলোর ট্রেণ্ড দেখলে সবাই একবাক্যে স্বীকার করবেন যে, বিবাহিত বিজ্ঞানীরা আসলে 'প্রকারন্তরে মৃত'! তারপরেও আমার কথা বিশ্বাস না হলে পড়ুন এই ইংরেজী লেখাটি -
অবশ্য এ ধরণের ট্রেণ্ডের ফলাফল যাই হোক এর কারণ নিয়ে বিতর্ক করার সুযোগ আছে পুরোমাত্রায়
'কমন সেন্স' থেকেই বোঝা যায় যে, পেশার বাইরেও বিবাহিত বিজ্ঞানীদের বড় একটা সময় সংসার, বাচ্চা কাচ্চা মানুষ করা সহ আণুষঙ্গিক পার্থিব কাজে ব্যয় করতে হয়
আর আধুনিক বিশ্বে পুরুষদের পাশাপাশি মেয়েদেরও কিন্তু নিজস্ব ক্যারিয়ার থাকে
ফলে গৃহস্থালীর কাজগুলো প্রায়শঃই স্বামী স্ত্রীতে ভাগাভাগি করে নিতে হয়; আর এগুলো করতে গিয়ে তাদের একাডেমিক গবেষনার সময় কমে আসে
অবিবাহিত বিজ্ঞানীরা যেহেতু পুরোটা সময় এসমস্ত ঝুট ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকেন সেহেতু তারা গবেষণায় প্রতিভা স্ফুরণের সুযোগ এবং সময় পান বেশি
কাজেই প্রতিভা লোপের ব্যাপারটা কতটা জৈবিক আর কতটা সামাজিক - তা নিয়ে সন্দেহ করার অবকাশ আছে
তারপরেও বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞান নিয়ে গবেষণারর কিছু গবেষক দেখিয়েছেন যে, সত্তুরের দশকে কিংবা তার আগে মেয়েদের খুব একটা 'নিজস্ব ক্যারিয়ার' ছিলো না
সে সময় গৃহস্থালীর কাজগুলো মূলতঃ মেয়েরাই করতো
ফলে বিবাহিত পুরুষ বিজ্ঞানীদের তেমন একটা বাচ্চা কাচ্চা ঘর সংসার নিয়ে মাথা ঘামাতে হতো না
কিন্তু তারপরেও বিবাহিত বিজ্ঞানীদের প্রতিভার স্ফুরণে কোন উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন পাওয়া যায়নি
ভিক্টোরীয় পুরুষতান্ত্রিক সমাজ হোক, আর আধুনিক জেণ্ডার সচেতন সমাজ হোক, ট্রেণ্ড একটাই - বিয়ের পর একইভাবে প্রতিভার স্ফুরণ কমে আসে একই ধারায়
ধারার যে দু'একটি ব্যতিক্রম থাকে না তা নয়
আমাদের প্রিয় মইনুল রাজু নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রম হিসেবে থেকে যাবেন
বিয়ের পরেও তিনি আগের মতো লিখে যেতে পারছেন, সেটাই ভরসা (যদিও দুর্মুখেরা বলবেন, তিনি তার স্ত্রীর থেকে বহুদূরে আছেন, সেটাই তার সফলতার কারণ; যে সামান্য কটি দিন একসাথে ছিলেন, প্রকারান্তরে মৃতই ছিলেন - একটিও লেখা বের হয়নি তার পেট থেকে)
তবু সেই ভরসাটুকুই বেঁচে থাক
আমাদের যেন রাজুকে দেখিয়ে বলতে না হয় - 'আহা, ছেলেটা বড় ভাল ছেলে ছিল, কী অল্প বয়সেই ...'
- - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - -
তথ্যসূত্র :
[1] , , , - , (), , 86, . 1, 1995:10
[2] . , , . , , 1986
[3] , , , 1991
[4] . , , পূর্বোক্ত, পৃঃ ২৩
[5] , , , 89 3 552-84 1983
[6] , পূর্বোক্ত
[7] , পূর্বোক্ত
[8] অভিজিৎ রায়, আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী, অঙ্কুর প্রকাশনী, ২০০৫ (পরিবর্ধিত সংস্করণ ২০০৬)
[9] . - (, 1942, . 699)
[10] , . . , 274, 88-94, 1996.
[11] . , ' . : , 1992, 16.
[12] . . , . : , 1953.
[13] . , . , 84, 958-977, 1979.
[14] . . , & , . . , :
. , 81, 114-132, 1991.
[15] , : - , 37, 257-272, 2003
[16] গবেষক ডেভিড গ্যালেনসনের মতে পদার্থবিজ্ঞান এবং গনিতের তাত্ত্বিক বিষয় নিয়ে যারা গবেষনা করেন তারা মুলতঃ 'কনসেপচুয়াল ইনোভেটর' ( ), আর শিল্প সাহিত্য নিয়ে সৃষ্টির খেলা যারা খেলেন তারা 'এক্সপেরিমেন্টাল ইনোভেটর' ( )