content
stringlengths
0
129k
সেটা কি ঠিক হবে? কেউ যদি বলেন, কালোদের বুদ্ধি সুদ্ধি কম - তাই বোধ হয় সাদাদের সাথে পেরে উঠে না
এই উপসংহারে পৌঁছোনো কিন্তু ঠিক হবে না
আসলে বহু বছর ধরে কালোরা আমেরিকায় নিগৃহীত, নিপীড়িত ছিলো
তাদের দাস বানিয়ে রাখা হয়েছিলো যুগের পর যুগ
এই ধারা থেকে বেরিয়ে এসে উঠে দাঁড়াতে হলে তাদের পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে, তারপরে না তুলনার প্রশ্ন
তবে যেটা আমরা বলতে পারি - নারী এবং পুরুষে জৈবিক কিছু পার্থক্য আছে
সায়েন্টিফিক আমেরিকানে , নামের প্রবন্ধটিতে (পুরো লেখাটা পড়তে হলে আপনাকে সাবস্ক্রাইব করতে হবে) নারী পুরুষের মস্তিস্কের জৈবিক পার্থক্যগুলো খুব চমৎকার ভাবে তুলে ধরা হয়েছে
কিন্তু পার্থক্য থাকলেই নারীদের ব্রেন অনুন্নত - সেই উপসংহারে কিন্তু পৌছানো হয়নি
এখন, শধু বাংলাদেশ নয়, সারা পৃথিবী জুড়েই যে এই 'টেকি' বিষয়গুলোতে মেয়েদের পদচারণা কম, ছেলেদের তুলনায়
এটা কেন হয়েছে? ছেলে মেয়েদের মস্তিস্কের গঠন এবং প্রকৃতিগত পার্থক্যগুলো কি পেশাগত জীবনে কোন প্রভাব ফেলে? নাকি সামাজিক কারণে? এটা বলা মুশকিল
চার বছর আগে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট লরেন্স সামারস একটি কনফারেন্সে 'ছেলে মেয়েদের মস্তিস্কের গঠনগত পার্থক্যের কারণে' মেয়েরা কম সংখ্যায় বৈজ্ঞানিক গবেষণার পরিমণ্ডলে প্রবেশ করে - এই কথা বলে মহা বিপদে পড়ে গিয়েছিলেন
ন্যান্সি হপকিন্সের মত জীববিজ্ঞানী এই মন্তব্যের প্রতিবাদে সভাস্থল ত্যাগ করেছিলেন
পৃথিবীর ভাল ভাল গবেষণাগারগুলোর দিকে চোখ রাখলে দেখা যাবে, মেয়েরা ছেলেদের সাথে পাল্লা দিয়েই কাজ করে যাচ্ছে, গবেষণায় সাফল্য পাচ্ছেন
সেই প্রাচীণ কালের হাইপেশিয়া থেকে শুরু করে মাদাম কুরী, মাদাম কুরী, লরা বেসি, সোফিয়া কোভালেভস্কায়া, লিস মিন্টার, ক্যারলিন হারসেল, মেরী অ্যানী ল্যাভরশিয়ে রোজালিন ফ্র্যাঙ্কলিন প্রমুখ বিজ্ঞানীদের নাম আমরা সবাই জানি
কিন্তু তারপরেও সাড়া পৃথিবী জুড়েই ট্রেন্ড দেখলে দেখা যায় - মেয়েরা সে সমস্ত বিষয় পড়তেই আগ্রহী হয় বেশী যেখানে গাণিতিক বিষয়-আশয়ের চেয়ে বাচনিক যোগাযোগের ভাল স্কোপ আছে
ব্যাপারটা কি কেবল সাংস্কৃতিক? আমার তাতেও সন্দেহ আছে
আসলে আমাদের জৈবিক এবং সামাজিক দুটি বিষয়ই গোনায় ধরতে হবে
রৌরব সেপ্টেম্বর 16, 2010 10:59 অপরাহ্ন -
মুক্তমনার ল্যারি সামার্স হিসেবে আপনার আত্মপ্রকাশে আনন্দবোধ করছি :-
ল্যারি সামার্সের মতই বিপদে পড়লে আরোই আনন্দবোধ করব
যাহোক, আগুনে আরো কিছু ঘি ঢালি
://../?=7
[ভিডিও এমবেড করে কিভাবে?]
অভিজিৎ সেপ্টেম্বর 17, 2010 1:26 পূর্বাহ্ন -
মুক্তমনার ল্যারি সামার্স হিসেবে আপনার আত্মপ্রকাশে আনন্দবোধ করছি
ল্যারি সামার্সের মতই বিপদে পড়লে আরোই আনন্দবোধ করব
হেঃ হেঃ, বিপদের আর বাকি আছে কি! লরেন্স সামার্সের মতোই অবস্থা মনে হয় হতে যাচ্ছে আমার
আর বাই দ্য ওয়ে ভিডিও এম্বেডের জন্য এর পরে একটা যোগ করতে হবে
দেখুন - মন্তব্য করার অপশনের নীচে বলা আছে -
ইউটিউব থেকে ভিডিও সংযোগের জন্য ভিডিওর কপি করুন এবং লিঙ্কটি পোস্ট করার সময় :// র বদলে :// লিখুন ( '' টি লক্ষ্য করুন
মুক্তমনা এডমিন সেপ্টেম্বর 17, 2010 1:33 পূর্বাহ্ন -
এর পরে একটা দিলেই এমবেড হবে
আপনার এই লিংককে এমবেড করে দেওয়া হলো
বিপ্লব পাল সেপ্টেম্বর 17, 2010 1:04 পূর্বাহ্ন -
আরে বিপ্লব নিজেই নারীবাদিদের প্যারোডি করে ভিডিও করেছে - ভার্ভেট মাঙ্কির টয়ের প্রেফারেন্স হাজির করে
এখন আবার উলটো স্রোতে দাঁড় বাইছে
বিপ্লব যে কখন কি বলে তার ঠিক নাই
আমার কমেডির প্রথমেই বলাছিল মেয়েদের সমান প্রতিভা আমি স্বীকার করে নিচ্ছি-কিন্ত নারীবাদিদের বিরুদ্ধে এই জন্যেই যে নারীর গঠনে সমাজ এবং বিবর্তন দুটিই গুরুত্বপূর্ন
নারীবাদিরা আবার তোমার উলটো মুদ্রা-তারা সবটাই সমাজের ওপর চাপাতে চাই
বাস্তব মাঝামাঝি
আতিক রাঢ়ী সেপ্টেম্বর 16, 2010 12:16 অপরাহ্ন -
দারুণ লাগলো লেখা আর সবার মন্তব্য
হয়তো প্রাসঙ্গীক হবে না তবু একটা ব্যাক্তিগত উপলব্ধির কথা বলতে ইচ্ছে করছে
নিজে বাবা হবার পর থেকে আমার মনে হয়, যারা এখনো বাবা বা মা হননি তাদেরকে অনেক বড় ক্ষমতা অর্পন করা সঠিক না
কারণ পথ শিশুদের জন্য আগের কষ্ট আর এখনকার কষ্টের মধ্যে বিশাল পার্থক্য অনুভব করি
আগে দুনিয়ার মঙ্গল চাইতাম নিজেকে হিরোর জায়গায় দেখার জন্য এখন সবার ভাল চাই নিজের সন্তানের জন্য একটা সুস্থ ও সুন্দর পৃ্থিবীর কামনায়
এই যে বাবা হবার আগে ও পরের অনুভুতির পার্থক্য, বিবর্তন মনোবিজ্ঞানে এর কি ব্যাখ্যা আছে ?
স্বাধীন সেপ্টেম্বর 16, 2010 9:13 অপরাহ্ন -
@আতিক রাঢ়ী,
দুনিয়ার মঙ্গল চাইতাম নিজেকে হিরোর জায়গায় দেখার জন্য এখন সবার ভাল চাই নিজের সন্তানের জন্য একটা সুস্থ ও সুন্দর পৃ্থিবীর কামনায়
এই যে বাবা হবার আগে ও পরের অনুভুতির পার্থক্য, বিবর্তন মনোবিজ্ঞানে এর কি ব্যাখ্যা আছে ?
ব্যাখ্যা হয়তো অভিজিৎ'দা আরো ভাল দিতে পারবেন
আমি ক্ষুদ্র করে বলি
ব্যাখ্যা আপনার মন্তব্যেই আছে
জীবনের উদ্দেশ্য মূলত যেহেতু জিনের বংশবৃদ্ধি তাই যখন আপনি বাবা হননি তখন আপনি সহমর্মি ছিলেন পুরো জাতির প্রতি
এখনো সেই সহমর্মিতা রয়েছে, কিন্তু সন্তানের সাথে আপনার জিনের সম্পর্ক ০.৫, যেখানে পুরো জাতির সাথে হয়তো .০০০০০১ বা তারও কম
তাই স্বাভাবিক ভাবে এখন আপনার চিন্তা মূলত সন্তান অথবা আপনার নিজের জিন রক্ষা করা
তাই আগে উদ্দেশ্য ছিল জেনেরাল এখন আরো স্পেসিফিক
তাই এখন পৃথিবীকে রক্ষা করতে চান নিজের জিনের জন্য
আবার চিন্তা করে দেখুন এভাবে সবাই নিজের জিনের কথা চিন্তা করলে অটোমেটিক কিন্তু সবাই কিন্তু একটি ভাল পৃথিবীর কথাই চিন্তা করবে, যা মূলত জিনকেই টিকে থাকতে সাহায্য করবে
বিপ্লব পাল সেপ্টেম্বর 16, 2010 10:13 অপরাহ্ন -
আমি ক্ষুদ্র করে বলি
ব্যাখ্যা আপনার মন্তব্যেই আছে
জীবনের উদ্দেশ্য মূলত যেহেতু জিনের বংশবৃদ্ধি তাই যখন আপনি বাবা হননি তখন আপনি সহমর্মি ছিলেন পুরো জাতির প্রতি
এখনো সেই সহমর্মিতা রয়েছে, কিন্তু সন্তানের সাথে আপনার জিনের সম্পর্ক ০.৫, যেখানে পুরো জাতির সাথে হয়তো .০০০০০১ বা তারও কম
এটা তথ্যগত ভুল
দুজন বাঙালীর মধ্যে জেনেটিক পার্থক্য
৭০-৯০ পিপিএম ( দশ লাখে ৭০/৯০), পিতার সাথে পুত্রের
পার্থক্য ১০/২০ পিপিএমে থাকে
সুতরাং একই জাতির অন্যান্য সন্তানের চেয়ে নিজের সন্তানের ঘনিষ্ঠতা খুব বেশী পার্থক্য কিছু না
স্বাধীন সেপ্টেম্বর 16, 2010 10:26 অপরাহ্ন -
@বিপ্লব পাল,
আমার ইউনিটটা সেভাবে জেনেটিক পার্থক্যের না
এটাকে বলা হয় মনে হয় , কার সাথে কার রিলেশান কত কাছাকাছি সেটার একটি পরিমাপ
যেমন সন্তান বাবা/মা হতে জিনের অর্ধেক করে পায় তাই তাঁদের ক্ষেত্রে =0.5. সেভাবে দাদা-দাদীর ক্ষেত্রে নাতি-নাতনীর ০.২৫
কাজিনদের সাথে মনে হয় ০.১২৫
এভাবে একই গ্রামে যদি কয়েক জেনেরাশেন ধরে থাকে তবে সে ক্ষেত্রে হিসেবে করলে সেটা কমতে কমতে অনেক কমে যাবে
আর জাতিগত ভাবে সেটা আরো কম হবে
আমার ০.০০০০০১ জাস্ট একটা রাফ তুলনা করার জন্য দিয়েছিলাম
এই মুহুর্তে এর ব্যাপারটার সঠিক রেফারেন্স নেই
তবে ডকিন্স এর সেলফিশ জিনে পড়েছিলাম বলে মনে হচ্ছে
তাছাড়া বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞানে গোষ্ঠীবদ্ধ মানুষের আচরণের ব্যাখ্যাতেও এটার ব্যবহার দেখেছিলাম
তবে আপনি যে রকম দিলেন সেটা জানা ছিল না
এটার কোন লিঙ্ক থাকলে দিয়েন
পড়ে দেখবো
বিপ্লব পাল সেপ্টেম্বর 17, 2010 1:00 পূর্বাহ্ন -
তুমি যা দিলে তা করিলেশন ইউনিট-যার জন্মদাতা হ্যামিলটন
এটা একটা এম্পিরিকাল মডেল
আমি যেটা দিলাম সেটা ডি এন এ তে কটা বেস পেয়ার মিলে যায় তার হিসাব থেকে
স্বাধীন সেপ্টেম্বর 17, 2010 1:44 পূর্বাহ্ন -
@বিপ্লব পাল,
আমি যেটা দিলাম সেটা ডি এন এ তে কটা বেস পেয়ার মিলে যায় তার হিসাব থেকে
এটার কয়েকটা লিঙ্ক দেন না, পড়ি
অভিজিৎ সেপ্টেম্বর 16, 2010 10:32 অপরাহ্ন -
@আতিক রাঢ়ী,
স্বধীন ইতোমধ্যেই খুব চমৎকারভাবে আপনার প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন
আমি আরেকটু যোগ করি
'প্যায়ার বন্ডিং' এবং 'প্যারেন্টাল কেয়ার' দুটি আকর্ষনীয় বৈশিষ্ট্য - যা মানুষেরা বিবর্তনীয় যাত্রাপথে যোগ করে নিয়েছে, যা অন্য প্রাইমেটদের থেকে কিছুটা ভিন্ন
মানব দম্পতিরা দীর্ঘমেয়াদী একগামী সম্পর্ক গড়ে তুলে, এর একটা বড় কারণ , মানব শিশু অন্য প্রানীদের থেকে অনেক বড় মস্তিস্কের আকার নিয়ে জন্মায়
এবং জন্মের পরে তাদের বিশেষ পরিচর্যা লাগে