content
stringlengths
0
129k
বিপ্লব পাল সেপ্টেম্বর 16, 2010 10:24 অপরাহ্ন -
মেয়েরা বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তিবিদ্যাতে পুরুষদের সমান সাফল্য পেতে পারে-এবং সমান দক্ষতায়
অনেক উদাহরন দিতে পারি
নিজের অভিজ্ঞতাও তাই বলে
এই পার্থক্যটা সামাজিক পার্থক্য-সমাজ একটি কন্যা সন্তানকে বলে দেয় তুমি নারী হও
( অবশ্য প্রকৃতিগত এবং মনের দিক থেকে অনেক পার্থক্য আছে মেনে নিয়েও বলছি ছেলেদের থেকে মেয়েরা অঙ্ক বিজ্ঞানে পিছিয়ে এটির পেছনে কোন পরীক্ষা লদ্ধ ফল দেখানো অসম্ভব-এটা সামাজিক কারন
আমার ছেলে জুনিয়ার স্ট্রাইকার প্রোগ্রামে সকার কোচিং এ যায়
একদিন ছেলে মেয়েদের একসাথে কোচিং ছিল
সব মেয়েরা পিঙ্ক ফুটবল নিয়ে চলে এসেছে
এদিকে মাঠের কোন (প্লাস্টিকে খুঁটি) ছিল অন্য রঙের
কোচ একটা মেয়েকে ড্রিবল করতে বলেছে কোন গুলোর মধ্যে দিয়ে-মেয়েটা চারিদিকে কি যেন দেখল
তারপরে কোচ কে বললো এটাত ছেলেদের জন্যে কারন কোন গুলোর মধ্যে কোন পিঙ্ক কোন সে দেখতে পাচ্ছে না ::
অভিজিতের ব্যাখ্যা শুনে আমার এই দৃশ্যটাই মনে এল
ভবঘুরে সেপ্টেম্বর 16, 2010 10:32 অপরাহ্ন -
@বিপ্লব পাল,
শুনেছি ছেলে আর মেয়েতে ব্রেইনের গঠনে সামান্য হলেও কিছু পার্থক্য আছে
বিষয়টি কি সত্যি ?
অভিজিৎ সেপ্টেম্বর 16, 2010 10:41 অপরাহ্ন -
আরে বিপ্লব নিজেই নারীবাদিদের প্যারোডি করে ভিডিও করেছে - ভার্ভেট মাঙ্কির টয়ের প্রেফারেন্স হাজির করে
এখন আবার উলটো স্রোতে দাঁড় বাইছে
বিপ্লব যে কখন কি বলে তার ঠিক নাই
আর, 'মেয়েরা বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তিবিদ্যাতে পুরুষদের সমান সাফল্য পেতে পারে-এবং সমান দক্ষতায়
' সমান দক্ষতায় কিনা কিনা সে নিয়ে বিতর্ক করতে যাচ্ছি না, কিন্তু হার্ডকোর বিজ্ঞানে এবং গণিতে মেয়েদের পদচারণা পুরুষদের তুলনায় অনেক কম
এটা ফ্যাক্ট
এর পেছনে সামাজিক কারণ আছেই, কিন্তু জৈবিক কারণগুলোও গৌন নয়
ভবঘুরে সেপ্টেম্বর 16, 2010 10:52 অপরাহ্ন -
হা হা হা দারুন বলেছেন! বাস্তবেও তো তাই দেখি- দুনিয়াতে নারী গনিতবিদ খুজতে আয়না নইলে বাটি চালান দিতে হবে
এমনকি নারী প্রকৌশলীদের সংখ্যাও হাতে গোনা
বিষয়টির নিশ্চয়ই কোন জীবতাত্ত্বিক কারন বিদ্যমান
এটা শুধুমাত্র সামাজিক বৈষম্যের কারনে ঘটতে পারে না কারন পাশ্চাত্য সমাজে আর যাই হোক পড়াশুনা নিয়ে নারী পুরুষে কোন বৈষম্য আছে বলে দৃশ্যমান নয়
বন্যা আহমেদ সেপ্টেম্বর 16, 2010 11:13 অপরাহ্ন -
বিষয়টির নিশ্চয়ই কোন জীবতাত্ত্বিক কারন বিদ্যমান
এটা শুধুমাত্র সামাজিক বৈষম্যের কারনে ঘটতে পারে না কারন পাশ্চাত্য সমাজে আর যাই হোক পড়াশুনা নিয়ে নারী পুরুষে কোন বৈষম্য আছে বলে দৃশ্যমান নয়
তাই কি? এখানে প্রেফারেন্সের ব্যাপারটার কিছু গুরুত্ব থাকতেই পারে জৈবিকভাবে
কিন্তু পাশ্চাত্যে এটা বদলাতে শুরু করেছে মাত্র কয়েক দশক আগে (যদিও এখনো বৈষম্য দেখা যায় অনেক ক্ষেত্রেই) , ঐতিহাসিকভাবে এর একটা প্রভাব তো থাকবেই
তারপরো তর্কের খাতিরেই না হয় ধরে নিলাম মেয়েরা হার্ডকোর গণিতবিদ বা কম্পিউটার এ মুখ গুজে পড়ে থাকা প্রোগ্রামার হতে চায় না তারা ম্যনাজেরিয়াল বা কমিউনিকেশন জাতীয় কাজ বেশী পছন্দ করে
মেয়েরা যেহেতু ম্যানেজমেন্ট পজিশান বা এ ধরণের অন্যান্য পেশায় অনেক ভালো করে সেক্ষেত্রে শ'খানেক প্রোগ্রামার বা গণিতবিদ তো তাদের কর্মচারীই থাকতে পারে
(কেউ যদি এই তথ্যটাকে চ্যালেঞ্জ করতে চান তাহলে খুব ব্যাক্তিগত ডাটা থেকেই ডজনখানেক এমন ম্যানেজারের নাম পাঠাতে পারি :-
(ফাজলামো ইয়ার্কি থেকে এই বিতর্কটা মনে হয় এখন সেক্সিস্ট দিকে চলে যেতে চাচ্ছে, সবাইকে একটু খেয়াল করতে অনুরোধ করছি)
ভবঘুরে সেপ্টেম্বর 17, 2010 1:23 পূর্বাহ্ন -
@বন্যা আহমেদ,
মেয়েরা যেহেতু ম্যানেজমেন্ট পজিশান বা এ ধরণের অন্যান্য পেশায় অনেক ভালো করে সেক্ষেত্রে শ'খানেক প্রোগ্রামার বা গণিতবিদ তো তাদের কর্মচারীই থাকতে পারে
শ খানেক বা হাজার খানেক কর্মচারী নারীর অধীনে থাকাটা মনে হয় আসল বিষয় নয়, বিষয় হলো নারী পুরুষের মধ্যে জৈবনিক পার্থক্য বিদ্যমান কি না সেটা
অনেক দেশের প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্র প্রধানই তো এখন নারী, তাই না ? আর তখন তো গোটা দেশবাসীই তার অধীনে থাকে
(ফাজলামো ইয়ার্কি থেকে এই বিতর্কটা মনে হয় এখন সেক্সিস্ট দিকে চলে যেতে চাচ্ছে, সবাইকে একটু খেয়াল করতে অনুরোধ করছি
বিষয়টা ঠিক বোধগম্য হলো না, যদি দয়া করে একটু দৃষ্টান্ত দিয়ে বুঝিয়ে দিতেন ভাল হতো
পরিশেষে, প্রত্যেকের লেখার মান দেখে আমার মনে হয় অধিকাংশই বেশ উচু দরের শিক্ষিত ও যার যার কর্মক্ষেত্রে শুধু প্রতিষ্ঠিতই নয় খুব ভালভাবে প্রতিষ্ঠিত
তাই আমার ধারনা, আলোচনায় ইয়ার্কি ফাজলামী হালকা থাকলেও কোথায় গিয়ে থামতে হবে সে মাত্রাজ্ঞান প্রত্যেকের খুব ভালই আছে
সংশপ্তক সেপ্টেম্বর 17, 2010 2:07 পূর্বাহ্ন -
শ খানেক বা হাজার খানেক কর্মচারী নারীর অধীনে থাকাটা মনে হয় আসল বিষয় নয়, বিষয় হলো নারী পুরুষের মধ্যে জৈবনিক পার্থক্য বিদ্যমান কি না সেটা
অনেক দেশের প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্র প্রধানই তো এখন নারী, তাই না ? আর তখন তো গোটা দেশবাসীই তার অধীনে থাকে
একমত এবং ধন্যবাদ
এর সাথে আরও কিছু ব্যপার যোগ করা দরকার
কর্পোরেট কালচারে মধ্যম ম্যানেজমেন্ট বা মিডল থেকে পুরুষরা ৯০এর দশকে ধীরে ধীরে বিদায় নিতে শুরু করে
এতে দুটো জিনিষ লক্ষণীয়
অপারেশনস লেভেলে ম্যানেজার পদ কমিয়ে টিম লীডার নামে অনেক গুলো পদ সৃষ্টি করা হয় যারা ম্যানেজারের চেয়ে অনেক কম বেতনে ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন
বিপুল সংখ্যক নারীরা এই পদগুলিতে নিয়োগ পান
অন্যদিকে , স্ট্রাটেজিক সহ সব লেভেলে সিনিয়র এক্সিকিউটিভদের সংখ্যা বাড়ানো হয় যাতে পুরুষদের সংখ্যা অনেক গুনে বেশী
সব সিনিয়র ম্যানেজারদের এই সিনিয়র এক্সিকিউটিভদের সাবোর্ডিনেশনে কাজ করতে হয়
আপনি যে কোন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বোর্ডরুম গুলোতেও একই অবস্থা দেখতে পাবেন
বন্যা আহমেদ সেপ্টেম্বর 17, 2010 4:13 পূর্বাহ্ন
@সংশপ্তক, যতই এই পোষ্টটা থেকে বের হোয়ার চেষ্টা করছি ততই যেন আটকে যাচ্ছি
এখানে দুটো কথা বলতে বাধ্য হচ্ছি, আমি এখানে কেন ম্যানেজমেন্টের কথা বলেছি তা আগেই ভবঘুরেকে দেওয়া মন্তব্যে বলেছি
এখন আপনার কথা প্রসঙ্গে আসি,
অপারেশনস লেভেলে ম্যানেজার পদ কমিয়ে টিম লীডার নামে অনেক গুলো পদ সৃষ্টি করা হয় যারা ম্যানেজারের চেয়ে অনেক কম বেতনে ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন
বিপুল সংখ্যক নারীরা এই পদগুলিতে নিয়োগ পান
অন্যদিকে , স্ট্রাটেজিক সহ সব লেভেলে সিনিয়র এক্সিকিউটিভদের সংখ্যা বাড়ানো হয় যাতে পুরুষদের সংখ্যা অনেক গুনে বেশী
সব সিনিয়র ম্যানেজারদের এই সিনিয়র এক্সিকিউটিভদের সাবোর্ডিনেশনে কাজ করতে হয়
কোন কোন পেশায় এটা সত্যি হলেও আইটি তে যে নয় তা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি
আর এই ব্যাঙ্কের মত জায়গাগুলোতে এমনিতেই প্রচুর মেয়ে কাজ করে, সেগুলো নিয়ে আমি কথা বলছিলাম না, আমার ধারণ ছিল আমরা হার্ডকোর বিজ্ঞান বা প্রযুক্তিতে মেয়েরা কেম যায় না তা নিয়ে বিতর্ক করছিলাম, ব্যাঙ্ক বা সুপারস্টোরের পেশা নিয়ে নয়
প্রথম কথা ম্যানেজমেন্ট বলতে আমি খুব লুজ সেন্সে জুনিয়ার সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট এবং এক্সেকিটিভ সবার কথাই বলতে চেয়েছি
আইটিতে ( এবং আমার ধারণা প্রচুর ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানীতেও) সাধারণত বাইরে থেকে এনে কম বেতনে আ্যডমিনিস্ট্রেটিভ ম্যানেজার বসানো হয় না, এখানে আইটির অভিজ্ঞতাওয়ালা ডাকসাইটে কর্মীদেরই ডিজাইন, টেস্টিং বা ডেভেলপমেন্ট এর ম্যানেজমেন্টে বসানো হয় কারণ এই কাজগুলো করতে এই লাইনের ভালো অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়
এবং এরা যেহেতু কোম্পানীর ডিরেকশান এবং ভবিষ্যতের প্রোডাক্ট ডিজাইনের সাথে যুক্ত থাকে এদের বেতনও অন্যান্য কর্মীদের থেকে অনেক বেশী হয়
আইটিতে ম্যানেজমেন্টকে সাধারণত ( এইচ আর বা এডমিনদের কথা বলছি না এখানে) প্রমোশন হিসেবেই ধরা হয়
আর সাধারণত এদের থেকেই এক্সিকিটিভ পজিশনগুলো ফিল করা হয়
এখনো উঁচু লেভেলের এক্সিকিটিভ পজিশনগুলোতে মেয়েদের সংখ্যা অনেক কম কিন্তু তার কারণ যতটা না মেয়েদের প্রতিভা বা ক্ষমতার অভাব তার চেয়ে অনেক বেশী হচ্ছে মেয়েরা এইসব পেশায় খুব সম্প্রতি ঢুকতে শুরু করেছে এবং সামাজিক কিছু ট্যাবু তো আছেই
সংশপ্তক সেপ্টেম্বর 17, 2010 5:02 পূর্বাহ্ন
@বন্যা আহমেদ,
যতই এই পোষ্টটা থেকে বের হোয়ার চেষ্টা করছি ততই যেন আটকে যাচ্ছি
অভিজিৎ রায়ের একটা অত্যন্ত চমৎকার ও ভাবনা উদ্রেককারী প্রবন্ধটা আলোচনায় গিয়ে চোখের সামনে অফ-টপিক মন্তব্যের ঝড়ে মুল প্রসঙ্গ হতে সম্পূর্ন লাইনচ্যুত হতে দেখলাম
লাইনচ্যুত পোস্ট সালভেজ করা না বা করাটা মডারেটরদের বিষয়
তাই আপনার পোষ্টটাতে আটকে যাওয়াটা কাকতালীয় ব্যপার হতে পারে
আমার এই উত্তরটা হিসেবে নিলে বাধিত হবো
আমি যেহেতু ছদ্মনামেই থাকতে আগ্রহী , বাকী অংশের উত্তর দিতে পারছিনা যেহেতু আপনার মত আমাকেও হয়তো আরও ব্যপক আকারে আর্গুমেন্ট অব অথরিটি নিয়ে বলতে হতে পারে যে,
কোন কোন পেশায় এটা সত্যি হলেও আইটি তে যে নয় তা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি
বন্যা আহমেদ সেপ্টেম্বর 17, 2010 2:23 পূর্বাহ্ন -
পরিশেষে, প্রত্যেকের লেখার মান দেখে আমার মনে হয় অধিকাংশই বেশ উচু দরের শিক্ষিত ও যার যার কর্মক্ষেত্রে শুধু প্রতিষ্ঠিতই নয় খুব ভালভাবে প্রতিষ্ঠিত
তাই আমার ধারনা, আলোচনায় ইয়ার্কি ফাজলামী হালকা থাকলেও কোথায় গিয়ে থামতে হবে সে মাত্রাজ্ঞান প্রত্যেকের খুব ভালই আছে
তাহলে তো আর চিন্তাই নেই
মডারেটরদের কাজ কমে গেল
শ খানেক বা হাজার খানেক কর্মচারী নারীর অধীনে থাকাটা মনে হয় আসল বিষয় নয়, বিষয় হলো নারী পুরুষের মধ্যে জৈবনিক পার্থক্য বিদ্যমান কি না সেটা
অনেক দেশের প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্র প্রধানই তো এখন নারী, তাই না ? আর তখন তো গোটা দেশবাসীই তার অধীনে থাকে
খুব সংক্ষিপ্তভাবে মন্তব্য করার কারণে হয়তো ঠিক মত বোঝাতে পারিনি
তবে আগেও যেমন বলেছিলাম এখানেও বলছি প্রেফারেন্সে ব্যাপারে কোন ছোটখাট জৈবিক ফ্যাক্টর আছে কিনা এখনো জানি না, থাকেতেই পারে
তবে আমাদের সামেন যে ডাটা আছে তা থেকে জৈবিক পার্থক্যই যে এর একমাত্র কারণ তা বলা যাচ্ছে না
আর প্রতিভার অভাবের কারণে এমনটা ঘটছে তা তো বলার কোন প্রশ্নই উঠে না ( আপনি বলেছেন বলছি না)
এখানে ঐতিহাসিক কারণে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যে সব সামাজিক প্রেক্ষাপট বা সীমাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে সেগুলোকে গোনায় না ধরলে বিশ্লেষণটা সঠিক হয় না
বিপ্লবের উত্তরটা দেখুন, তাহলেই বুঝবেন কত সুক্ষ্মভাবে আমেরিকায় বৈষম্যগুলো তৈরি করা হয়েছে
বিপ্লবের কারণগুলোর সাথে আরও দুই একটা ব্যাপার যোগ করি
ঐতিহাসিকভাবে মেয়েদেরকে শিক্ষকতা, নার্সিং জাতীয় কয়েকটা পেশায় ঢুকতে দেওয়া হত, তার ফলে কয়েকটা ব্যাপার ঘটেছে, একদিকে মেয়েদের সামনে রোল মডেল নেই, তার নতুন ফিল্ডে ঢুকতে ভয় পায়, অন্যদিকে পেশাগতভাবে এর অনেকগুলোতে ( সিভিল, বা মেকানিকাল ইঞ্জিনিরারিং এর মত কাজগুলো) মেয়েরা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেনা