content stringlengths 0 129k |
|---|
োদিকে আবার ইন্ডিয়া বা বাংলাদেশের মত দেশগুলোতে ডাক্তারি বা ইঞ্জিনিয়ারিং এর মত পেশায় না ঢুকলে সহজে চাকরি পাওয়া যায় না তাই বাবা মারাই এখন নতুন করে হলেও মেধাবী মেয়েদের এগুলোতে ঢুকতে উৎসাহ দিচ্ছেন |
কিন্তু আমেরিকায় যেহেতু আরও অনেক ফিল্ডেই চাকরি পাওয়া সম্ভব তাই এই তাগাদাটাও তারা ফিল করে না |
আর ম্যানেজমেন্টের কথাটা বলেছিলাম একটু অন্য প্রসঙ্গে |
আমার কম্পিউটার সাইন্স ফিল্ডে বেশ কিছু মেয়ে থাকলেও বেশীরভাগই একটু প্রতিষ্ঠিত হয়েই প্রোগ্রামিং ছেড়ে বিজনেস আ্যনালিসিস বা ম্যানেজমেন্ট সাইডে ঢুকে পড়ে, এর কারণে হিসেবেই বলতে চেয়েছিলাম যে এখানে প্রতিভার চেয়ে প্রেফারেন্স কাজ করতে পারে, সেটাকে প্রতিভার অভাব ( আবারো আপনি বলেছেন বলছি না) না বলে প্রেফারেন্স বলতে পারেন যেটার পিছনে আংশিকভাবে জৈবিক কারণ থাকেলও থাকতে পারে |
আরেকটা কারন বলি, এখন অনেক ক্ষেত্রে বদলাতে শুরু করলেও সামাজিকভাবে মেয়েদেরকেই সংসারের বেশীরভাগ কাজ সামলাতে হয় (আমার মা প্রায়ই বলতেন পেশাজীবি মহিলাদের ছেলেদের চেয়ে ২গুণ কাজ করতে হয়, বাইরেরটাও করে, ঘরেরটাও করে, কোনটা থেকেই মাফ নেই), তার ফলে তারা আগে থেকেই খুব ডিমান্ডিং ফিল্ডে যেতে ভয় পায় |
আর তারপর বাচ্চার জন্ম এবং লালন পালনেও মারাই ইনভল্ভড থাকে, সেকারনেও মেয়েরা অনেক সময়েই অনেক সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয় যেটা পুরুষদের না করলেও চলে |
এর মধ্যে কতখানি জৈবিক এবং কতখানি সামাজিক তা বিবেচনার দাবী রাখে |
যাক এ নিয়ে আর বিতর্কে জড়াতে চাই না, আমি যেটা পরিষ্কারভাবে বলতে চাচ্ছি তা হল, এ ধরণের ক্ষেত্রগুলোতে সব কিছুই সামাজিক কারণে ঘটে বলাটা যতটুকু ভুল ঠিক তেমনি সবকিছুই জেনেটিক বা জৈবিক বলাটাও ভুল |
এ ব্যাপারে সমাজতত্ত্ববিদেরা যেমন অনেক সময় এক্স্ট্রিমে চলে যান ঠিক তেমনি বিজ্ঞানীরাও এর উলটো ভুলটা করে থাকেন |
বিভিন্ন কারনেই মানব বিবর্তন এবং সাইকোলজি বেশ ইউনিক, অনেক ক্ষেত্রেই তা শুধুমাত্র জৈবিক কারন দিয়ে ব্যাখা নাও করা যেতে পারে |
ইরতিশাদ সেপ্টেম্বর 17, 2010 3:01 পূর্বাহ্ন |
@বন্যা আহমেদ, |
আরেকটা কারন বলি, এখন অনেক ক্ষেত্রে বদলাতে শুরু করলেও সামাজিকভাবে মেয়েদেরকেই সংসারের বেশীরভাগ কাজ সামলাতে হয় (আমার মা প্রায়ই বলতেন পেশাজীবি মহিলাদের ছেলেদের চেয়ে ২গুণ কাজ করতে হয়, বাইরেরটাও করে, ঘরেরটাও করে, কোনটা থেকেই মাফ নেই), তার ফলে তারা আগে থেকেই খুব ডিমান্ডিং ফিল্ডে যেতে ভয় পায় |
এই আর্টিকেলটাতে বন্যা আর তাঁর মায়ের কথার সমর্থন পাওয়া যাচ্ছে |
বন্যা, আমি 'মৃত' হ'লেও অভিজিৎ বা ফরিদের মতো পুরুষবাদীতে পরিণত হই নি |
বিপ্লব পাল সেপ্টেম্বর 17, 2010 3:11 পূর্বাহ্ন |
@বন্যা আহমেদ, |
এখন অনেক ক্ষেত্রে বদলাতে শুরু করলেও সামাজিকভাবে মেয়েদেরকেই সংসারের বেশীরভাগ কাজ সামলাতে হয় (আমার মা প্রায়ই বলতেন পেশাজীবি মহিলাদের ছেলেদের চেয়ে ২গুণ কাজ করতে হয়, বাইরেরটাও করে, ঘরেরটাও করে, কোনটা থেকেই মাফ নেই), তার ফলে তারা আগে থেকেই খুব ডিমান্ডিং ফিল্ডে যেতে ভয় পায় |
এটা আমেরিকার জন্যে ঠিক |
ভারতের জন্যে না |
আমার ওয়াইফ ছেলের জন্মের পর থেকে পার্ট টাইম জব করে |
কারন ফুল টাইম হলে অনেক স্ট্রেস হয়ে যায়-যেটা ও একবার ফুল টাইম জবে ঢুকে বুঝেছিল |
তবে আমার বিজ্ঞানী বান্ধবীদের সবাই সন্তানের জননী-এবং আমি মনে করি তাদের ও বেশ কঠিন সময় গেছে |
তবে তারাও বুদ্ধিমতি-সবাই আমেরিকান বিয়ে করেছে |
আমাদের মতন ভারতীয় বিয়ে করলে অনেক খাটতে হত |
কারন ছোট বেলা থেকে আমার বাবা মায়েরা আমাদের, ছেলেদের গৃহস্থলীর কাজ শেখায় না- |
ফলে আমি কিচেনের কাজে আমি অলস |
যদিও পরিস্কার করার |
কাজে, মেথরের কাজে আমি এক্সপার্ট! |
আবার ভারতে আমাদের দিল্লী অফিসেই দেখেছি সন্তানের মায়েরা |
রাত ১২ টা পর্যন্ত কাজ করছে |
একজনকে জিজ্ঞেস করলাম সামলাচ্ছ কি করে? বললো মা দেখছে |
বন্যা আহমেদ সেপ্টেম্বর 17, 2010 4:39 পূর্বাহ্ন |
@বিপ্লব পাল, এক্ষেত্রেতো দেখি আবার আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথাই টেনে নিয়ে আসতে হবে, কি মুশকিলে পড়লাম রে বাপ, এই পোষ্টটাতে তো মনে হচ্ছে আমার নিজের জীবনের সব কথাই বলে ফেলতে হবে!!! |
এটা আমেরিকার জন্যে ঠিক |
ভারতের জন্যে না |
আমার ওয়াইফ ছেলের জন্মের পর থেকে পার্ট টাইম জব করে |
কারন ফুল টাইম হলে অনেক স্ট্রেস হয়ে যায়-যেটা ও একবার ফুল টাইম জবে ঢুকে বুঝেছিল |
তাহলে তো আমার কথা ঠিক আছে আমেরিকায় ভারতবাসীদের জন্য |
যদিও এক্ষেত্রেও আমার অভিজ্ঞতা অন্যরকম, আমার বাসায় কিন্তু আমার বেশী কাজ করতে হয়না ( হয়তো আমি ভারতীয় না বলে, বাংলাদেশী ছেলেরা হয়তো তোমাদের চেয়ে কম মেল শভেনেস্টিক :: , আমাকে আমার এক ভারতীয় ডেভ ম্যানেজার বলেছিল যে সে তার বাসায় ডিসওয়াসারটা ঠিক কোথায় তাও জানে না!!! তাকে অনুরোধ করেছিলাম এসব বলে আমার রক্তচাপ বাড়িয়ে না দিতে!!!) |
বাংলাদেশী পুরুষবাদী এই লোকগুলোও দেখি বাসার কাজও করে!!! |
এখন আসি বাংলাদেশে মেয়েদের প্রসঙ্গে |
আমার মা এবং ২ খালাই অত্যন্ত সফল পেশাজীবি মহিলা ছিলেন, একজন ডাক্তার ( ইনি বামপন্থী পলিটিক্সের সাথে এবং ভাষা আন্দোলনেও যুক্ত ছিলেন, জেলও খেটেছেন), একজন ইউনিভার্সিটি প্রফেসর এবং আরেকজন ল-ইয়ার |
এবং এদেরকে দেখেছি যতই সাহায্য থাকুক, যতই স্বামীরা হেল্প করুক তারপরও তাদের আমার বাবা বা খালুদের থেকে অনেক বেশী কাজ করতে হয়েছে |
আমার মায়ের কথাগুলো তার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকেই বলা |
আর একটা জিনিস ভেবে দেখো আমাদের জেনারেশনের যাদের মারা পেশাজীবি মহিলা তারা ইচ্ছা করলেই নাতিনাতনি দেখার কাজে ফুলটাইম সময় দিতে পারবে না |
আর আমার হাই-স্কুলের ৮০% মেয়ে বন্ধুই এখন পেশাজীবি তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেও একই কথা পাবে |
এবার আসি আমেরিকানদের প্রসঙ্গে, আমি আইটিতে এ দেশের বহু ছেলে এবং মেয়ের সাথে কথা বলেছি, এদের ক্ষেত্রে সমস্যা তুলনামূলকভাবে কম হলেও এদের ছেলেরাও পারলে বাসার কাজ বা ছেলে মেয়েদের দায়িত্ব এড়িয়ে চলতে চায় |
আমার প্রচুর মেয়ে কলিগকে এ নিয়ে দুঃখ করতে শুনেছি |
এবার আসি রোল মডেল প্রসঙ্গে, হ্যা এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, আর এ কারণেই আগের এক উত্তরে এই রোল মডেলের প্রসংগটা এনেছিলাম |
একে তো সামনে কোন বড় বড় মেয়ে বিজ্ঞানীর উদাহরণ নেই আর অন্যদিকে ঘরে মাদেরও দেখে শুধু সংসার করতে |
তাই আমার প্রায়ই মনে হয়, যে সব বাসায় মারা প্রতিষ্ঠিত পেশাজীবি থাকে সেসব বাসার মেয়েরাও বিয়ে করে শুধু সংসার করার চেয়ে তার সাথে সাথে ভালো কোন পেশায় জড়িত হওয়ার কথা চিন্তা করে |
ব্রাইট স্মাইল্ সেপ্টেম্বর 17, 2010 5:09 পূর্বাহ্ন |
@বন্যা আহমেদ, আপনি যেভাবে সুন্দর করে বিষয়টা তুলে ধরলেন তার জন্য সাধুবাদ জানাচ্ছি |
চমৎকার অবজার্ভেশন |
বিপ্লব পাল সেপ্টেম্বর 17, 2010 1:18 পূর্বাহ্ন - |
বাস্তবেও তো তাই দেখি- দুনিয়াতে নারী গনিতবিদ খুজতে আয়না নইলে বাটি চালান দিতে হবে |
তুমি থাক কোথায় ভাই? চাঁদে না পাতালে? |
দুজন আন্তর্জাতিক খাতি সম্পন্ন গনিতজ্ঞা আমার ভাল বন্ধু-এক সাথেই পড়াশোনা করেছি বলে ওদের গনিতে অসামান্য দক্ষতা নিয়েও জানি |
কলেজে আমার থেকেও গণিতে ওরা অনেক বেশী পারদর্শী ছিল |
তাই মেয়েদের বিজ্ঞান হবে না এই সব ঢপে বিশ্বাস করি না |
এসব প্রলাপকথন |
এবার আরেকটা ইন্টারেস্টিং তথ্য দিই-আমেরিকাতে ইঞ্জিনিয়ারিং এ মেয়েদের সংখ্যা ১৪%-ভারতে ২৫% এবং বারছে |
ভারতে মেয়েদের স্বাধীনতা কম, ডিসক্রিমিনেশন বেশী |
তাহলে কেন বারছে? আমেরিকাতে মেয়েদের অবস্থা আসলে কিন্ত ভারতের থেকে খারাপ |
শুনলে অবাক হবে গত দুই দশকে ভারতীয় বাবা মায়েরাই চাইছে |
মেয়েরা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে যাক-তাহলে ভাল বর জুটবে |
কারন সেক্ষেত্রে পনে টাকা দিতে হবে না |
এই নিয়ে সামাজিক গবেষনাও হয়েছে |
অর্থাৎ বাবা মায়েরা উৎসাহী হলেই দেখা যাচ্ছে মেয়েরা ছেলেদের সমান ইঞ্জিনিয়ারিং এ যাচ্ছে-ভারতে কিন্ত মেরিট লিস্ট দিয়েই ঢুকতে হয় [প্রাইভেট কলেজেও]-আমেরিকার মতন সিস্টেম না |
আসলে আগে কি হত |
ছেলেরা পড়াশোনা না করলে বাবা মায়ের ঘুম ছুটত-আর মেয়েদের মোটা মুটি পড়িয়ে বিয়ে দিলেই হবে-এই ছিল সামাজিক রীতি |
পনবলির শিকার হওয়ার পরে-মেয়ের সিকিউরিটির জন্যে আধুনিক বাবামায়েরা ছাইছে মেয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুক |
তাহলে আমেরিকাতে মেয়েদের এই হাল কেন? এর পেছনে আছে আনচেকড ধনতন্ত্র এবং বাজার |
বাজার মেয়েদের এখানে সেক্স অবজেক্ট হিসাবে প্রজেক্ট করে-তাতে আমার আপত্তি নেই কিন্ত অধিকাংশ মেয়েই ১৮ বছর পেড়োনোর পরে পড়াশোনার চেয়ে দু পয়সা ইনকাম করে ছেলে চড়াতে বেড়িয়ে পরে |
ফলে গোল্লায় যায় |
এর পেছনে বাজারের ভূমিকা সাংঘাতিক |
আমেরিকান মিডিয়া মেয়েদের ব্রিটনিকে আইডল বানায় |
ভারতে রক্ষনশীল পরিবেশের জন্যে মেয়েরা এটা পারে না |
অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে মেয়েদের পড়াশোনার বা প্রতিভার পেছনে সামাজিক অবস্থানটাই মুখ্য |
নৃপেন্দ্র সরকার সেপ্টেম্বর 17, 2010 6:11 পূর্বাহ্ন - |
@বিপ্লব পাল, |
আমেরিকাতে মেয়েদের অবস্থা আসলে কিন্ত ভারতের থেকে খারাপ |
মানতে পারলাম না |
আপনি যদিও অনেক যুক্তি দিয়ে আমার না মানাকে পরাজিত করবেন |
আমেরিকার সব কিছুই খারাপ এশিয়ানদের অনেকেরই এরকম একটা আছে |
গতবার শিলিগুড়িতে আমি আমেরিক্যান শুনেই এক লোক এগিয়ে এসে বলে গেলেন - আমেরিকার অবস্থা ভারতের চেয়েও খারাপ |
মেয়েরাও যে গনিতে ভাল হতে পারে তা আমি স্বীকার করি |
আমি বরাবরই লক্ষ্য করছি আমার ক্লাশে মেয়েরা ভাল করছে |
এর কারণ হতে পারে মেয়েরা ছেলেদের চেয়ে বেশী ক্যারিয়ার নিয়ে |
অভিজিৎ সেপ্টেম্বর 17, 2010 2:45 পূর্বাহ্ন - |
বাস্তবেও তো তাই দেখি- দুনিয়াতে নারী গনিতবিদ খুজতে আয়না নইলে বাটি চালান দিতে হবে |
এটা খুব জেনেরালাইজড স্টেটমেন্ট হয়ে গেছে, যে জন্য উপরের বিতর্কগুলোর জন্ম হয়েছে |
একটি কথা আমাদের মনে রাখতে হবে যে, বহু বছর ধরে মেয়েদের দমন করে রাখা হয়েছে সামাজিক ভাবেই |
তারা ছেলেদের সাথে একসাথে পড়তে শুরু করেছেই তো ক'দিন মাত্র হল |
মেয়েদেরকে পর্যাপ্ত সময়ও কিন্তু দিতে হবে উঠে আসতে হলে |
আমেরিকায় কালোদের কথা ধরুন |
কালোদের খুব কমই শিক্ষায়তনে যায়, বা গেলেও বড় একটা অংশ ঝরে পড়ে |
চাকরী ক্ষেত্রেও যে খুব উঁচু পজিশন গুলোতে খুব বেশী কালো চোখে পড়ে তা নয় |
এখন যে কেউ উপসংহারে পৌছিয়ে যেতে পারে - কালো গনিতবিদ/বিজ্ঞানী/প্রকৌশলী/সিইও এগুলো খুজতে আয়না নইলে বাটি চালান দিতে হবে |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.