content stringlengths 0 129k |
|---|
পুরানকে হটিয়ে নতুনদের স্থান করে দেয়াই তার লক্ষ্য |
বিশেষ করে সন্তান সন্ততি বড় হয়ে যাবার পর বৃদ্ধ পিতা মাতারা বিবর্তনের দৃষ্টিতে প্যারাসাইট ছাড়া কিছু না |
তাদের কোন বৈবর্তনিক মূল্য নেই |
আকাশ মালিক সেপ্টেম্বর 15, 2010 5:38 অপরাহ্ন - |
@অপার্থিব, |
সন্তান সন্ততি বড় হয়ে যাবার পর বৃদ্ধ পিতা মাতারা বিবর্তনের দৃষ্টিতে প্যারাসাইট ছাড়া কিছু না |
তাদের কোন বৈবর্তনিক মূল্য নেই |
কথাগুলো বলতে একটুও মনে ধরলোনা? যেমনই সুন্দর তেমনই নিষ্ঠুর এই প্রকৃতি |
বিপ্লব রহমান সেপ্টেম্বর 15, 2010 7:21 অপরাহ্ন - |
@আকাশ মালিক, |
[]://.../2008/10/__.[/] |
অপার্থিব হয়তো ঠিকই বলেছেন, এই শিশুটিরও তো বৈবর্তনিক মূল্য নেই! তবু মনুষত্যবোধ বলে বোধহয় একটি কথা আছে |
... :: |
অপার্থিব সেপ্টেম্বর 15, 2010 8:17 অপরাহ্ন - |
@বিপ্লব রহমান, @আকাশ মালিক |
বিজ্ঞানের টুপী পরে বিজ্ঞানের তথ্য পরিবেশন বা পর্যবেক্ষণ করার সময় ব্যক্তিগত অনুভূতিকে লুকিয়ে রাখি, কারণ তা বিজ্ঞানের আলোচনায় অবান্তর |
ব্যক্তিগত জীবনে সেই লুকিয়ে রাখার অবান্তরতাটা নেই, তাই লুকিয়ে রাখি না |
বিপ্লবের ছবির শিশুটা যদি কোন বৃদ্ধও হত, আমার মন একই ভাবে কেঁদে উঠত |
বিবর্তনের নিয়ম ব্যতিক্রমহীন নয় |
পারিসাংখ্যিক |
বৈবর্তনিক মূল্য নেই এমন অনেক কিছুকেই মূল্য দেয় এরকম মানুষও বিবর্তনেরই সৃষ্টি |
আমিও অন্তর্ভুক্ত |
বিপ্লব রহমান সেপ্টেম্বর 15, 2010 8:42 অপরাহ্ন - |
@অপার্থিব, |
নাসিম ফিরোজ সেপ্টেম্বর 17, 2010 1:18 পূর্বাহ্ন - |
@বিপ্লব রহমান, ঠিক, ঠিক চলুক |
:: :: |
ভবঘুরে সেপ্টেম্বর 15, 2010 7:57 অপরাহ্ন - |
@আকাশ মালিক, |
যেমনই সুন্দর তেমনই নিষ্ঠুর এই প্রকৃতি |
আর এখানেই মানুষের কারিশমা |
মানুষ এখন বিবর্তন নিয়ন্ত্রনের ক্ষমতা অর্জন করে ফেলেছে |
সুতরাং প্রকৃতি নিষ্ঠূর হতে পারে কিন্তু আমরা প্রকৃতিকে আমাদের মত সুন্দর করে তৈরী করে নেব |
তাই কোন চিন্তা নেই |
বন্যা আহমেদ সেপ্টেম্বর 15, 2010 10:02 অপরাহ্ন - |
@অপার্থিব, |
পুরানকে হটিয়ে নতুনদের স্থান করে দেয়াই তার লক্ষ্য |
বিশেষ করে সন্তান সন্ততি বড় হয়ে যাবার পর বৃদ্ধ পিতা মাতারা বিবর্তনের দৃষ্টিতে প্যারাসাইট ছাড়া কিছু না |
তাদের কোন বৈবর্তনিক মূল্য নেই |
একটু দ্বিমত পোষণ করছি এব্যাপারে |
মানব বিবর্তনে কিছু ইউনিক ব্যাপার ঘটেছে |
রিপ্রোডাক্টিভ বয়সের পরও মানব সমাজে মেয়েরা আরও অনেকদিন বেঁচে থাকে |
এর কারণ হিসেবে বলা হয় যে নানা নানী দাদা দাদীদের অভিজ্ঞতা এবং নাতী নাত্নী বড় করতে এদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে আমাদের বিবর্তনে |
মানুষের বাচ্চা যতখানি নির্ভশীল এবং অসহায় হয়ে জন্মায় আর কোন প্রানীর শিশু এতখানি অসহায় হয়ে জন্মায় না |
আর এই অসহায়ত্বের অন্যতম মূল কারণ হচ্ছে আমাদের মাথার এত বড় সাইজ |
তাই মানব শিশু বড় করতে বাবা মার যতখানি সাহায্যের প্রয়োজন হয় তা আর কোন প্রানীতে সেটার প্রয়োজন হয় না |
আমাদের বুদ্ধিমত্তার বিকাশের পিছনে এই 'বৃদ্ধ পিতা মাতারা' পরোক্ষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলেই মনে করা হয় |
মানুষের সমাজে একগামিতা (প্রাইমেরিলি ) প্রচলনের পিছনেও এই অসহায়্ত্বকেই একটা বড় কারণ হিসেবে ধরা হয় |
অপার্থিব সেপ্টেম্বর 16, 2010 12:20 পূর্বাহ্ন - |
@বন্যা আহমেদ, |
হ্যাঁ, কালচারও একটা গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক মানব সমাজে |
দাদা দাদী নানা নানীদের পেরেন্টিং এ ভূমিকাটা কালচার বিশেষে খুবই গুরুত্বপূর্ণ |
এই কালচার আবার জীনের দ্বারা প্রভাবিত এবং জীনকে প্রভাবিত করে |
এটাকে বলা হচ্ছে দ্বৈত উত্তরাধিকার তত্ব ( ) বা বংশাণু-সংস্কৃতি সহবিবর্তন ( ). কোন কোন সমাজে কোন বিশেষ কালচরাল ট্রেইট বেশি কার্যকর |
প্রাচ্যের অনেক সমাজে দাদী নানীদের বাচ্চা বড় করার ব্যাপারে ভূমিকা রাখে অনেকখানি |
পশ্চিমের সমাজে বাবা মার অবদানই প্রধান |
আবার সারা ব্লাফার হারডি মনে করেন অনেক সমাজে বাবা মা বা দাদা নানীর চেয়ে গ্রামের সবার সম্মিলিত অবদানই বেশি কার্যকর |
যাই হোক এর পরও বিবর্তনের মৌলিক সত্য যে সন্তান প্রাপ্ত বয়স্ক হয়ে যাবার পর পিতা মাতার বৈবর্তনিক প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় সেটা ভুল প্রমাণিত হচ্ছে না |
আর মাথা বড় হয়ে যাবার জন্য শিশুদের অসহায়ত্বের ব্যাপারটা আমিও আমার "প্রেমের বৈবর্তনিক ইতিহাস" এ আলোচনা করেছিলাম আর তোমার সাথে মন্তব্যও বিনিময় করেছিলাম |
কিন্তু সেটার প্রাসঙ্গিকতাটা বাবা মায়ের মধ্যে বন্ধন দৃঢ় করার ক্ষেত্রে ছিল |
স্নতান বড় করায় দাদা নানীর ভূমিকা বা সন্তান বড় হবার পরও বাবা মায়ের ভূমিকার ব্যাপারে নয় |
বন্যা আহমেদ সেপ্টেম্বর 16, 2010 2:17 পূর্বাহ্ন - |
@অপার্থিব, একটু কনফিউসড হয়ে গেলাম, বিতর্ক করার জন্য নয়, আমি কি ভুল বুঝছি তা জানার জন্য আবারো প্রশ্ন করছিঃ |
এই কালচার আবার জীনের দ্বারা প্রভাবিত এবং জীনকে প্রভাবিত |
হ্যা জিনকে প্রভাবিত করে বলেই তো সেটা তার বয়সের উপর প্রভাব ফেলতে পেরেছে এং রিপ্রোডাক্টিভ এজের পরেও মানুষ এতদিন বেঁচে থাকছে |
কোন কোন সমাজে কোন বিশেষ কালচরাল ট্রেইট বেশি কার্যকর |
প্রাচ্যের অনেক সমাজে দাদী নানীদের বাচ্চা বড় করার ব্যাপারে ভূমিকা রাখে অনেকখানি |
পশ্চিমের সমাজে বাবা মার অবদানই প্রধান |
সেটা তো খুব সাম্প্রতিক ঘটনা, আমার ধারণা ছিল, প্রধাণত টেকনলজির এবং ক্যাপিটালিস্টিক সমাজ এবং নিউক্লিয়ার ফ্যামিলির উদ্ভবের পরেই পাশ্চাত্যে এটা বদলেছে, আগে তো এখানেও প্রাচ্যের মত সমাজ ছিল, না কি ছিল না? |
যাই হোক এর পরও বিবর্তনের মৌলিক সত্য যে সন্তান প্রাপ্ত বয়স্ক হয়ে যাবার পর পিতা মাতার বৈবর্তনিক প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় সেটা ভুল প্রমাণিত হচ্ছে না |
আমি ঠিক নিশ্চিত না এ সম্পর্কে |
নানা নানী দাদা দাদী যদি খুব সক্রিয় ভূমিকা রাখেন নাতি নাতিনীদের বেঁচে থাকার ক্ষেত্রে তাহলে তো তাদেরও বৈবর্তনিক প্রয়োজন থাকলো, আমি এখানে কি ভুল বুঝছি? |
আর মাথা বড় হয়ে যাবার জন্য শিশুদের অসহায়ত্বের ব্যাপারটা আমিও আমার "প্রেমের বৈবর্তনিক ইতিহাস" এ আলোচনা করেছিলাম আর তোমার সাথে মন্তব্যও বিনিময় করেছিলাম |
কিন্তু সেটার প্রাসঙ্গিকতাটা বাবা মায়ের মধ্যে বন্ধন দৃঢ় করার ক্ষেত্রে ছিল |
স্নতান বড় করায় দাদা নানীর ভূমিকা বা সন্তান বড় হবার পরও বাবা মায়ের ভূমিকার ব্যাপারে নয় |
আমি মনে হয় সামান্য ভিন্ন প্রসঙ্গে কথাটা বলেছিলাম এবার |
বলেছিলাম যে, এই অসহায়ত্বের কারণেই দাদা-নানীর এই বাড়তি সাহায্যের প্রয়োজনটা পড়েছে, অন্যান্য প্রাণীর মত হলে সেটার প্রয়োজন হয়তো পড়তো না |
আর সেটাই যদি কারণ হয়ে থাকে আমাদের রিপ্রোডাক্টিভ এজ শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও এতদিন বেঁচে থাকার তাহলে সেটাও হয়তো ঘটতো না |
তবে এটা ঠিক যে মডার্ণ সাইন্সের আবির্ভাবের আগে আসলেই আমরা কতদিন বাঁচতাম সেটা বোধ হয় এখানে উল্লেখযোগ্য একটা ব্যাপার বলে পরিগণিত হতে পারে |
বাবা মা মধ্যে বন্ধন দৃঢ় করার সাথে একগামীতার একটা প্রত্যক্ষ সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে হয় |
এক্ষেত্রেও শিশুরা এত অসহায় হয়ে না জন্মালে হয়তো বাবার কাছ থেকে এই সাহায্যটুকুর প্রয়োজন পড়তো না এবং একগামীতারও হয়ত প্রচলন ঘটার প্রয়োজন পড়তো না |
তবে মানছি যে এগুলো্র কোনটাই হাতে কলমে প্রমাণিত অনুকল্প নয়, ফসিল রেকর্ড বা ডিএনএ থেকে এগুলোর প্রমাণ বের করা সম্ভব হবে বলে তো মনে হয় না |
অপার্থিব সেপ্টেম্বর 16, 2010 5:09 পূর্বাহ্ন - |
@বন্যা আহমেদ, |
হ্যা জিনকে প্রভাবিত করে বলেই তো সেটা তার বয়সের উপর প্রভাব ফেলতে পেরেছে এং রিপ্রোডাক্টিভ এজের পরেও মানুষ এতদিন বেঁচে থাকছে |
গড় আয়ু বৃদ্ধিতে কি সাংস্কৃতিক বিবর্তনের বেশি (বা আদৌ) অবদাল আছে না কি চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতি? আমি নিশ্চিত না |
রেফারেন্স দিলে সুবিধা হয় |
নানা নানী দাদা দাদী যদি খুব সক্রিয় ভূমিকা রাখেন নাতি নাতিনীদের বেঁচে থাকার ক্ষেত্রে তাহলে তো তাদেরও বৈবর্তনিক প্রয়োজন থাকলো, আমি এখানে কি ভুল বুঝছি? |
এখানেই বোধহয় মূল বিতর্ক |
আমার মনে হয় না নানা নানী দাদা দাদী দের বেঁচে থাকার প্রয়োজনটা বৈবর্তনিক |
এটা কালচারাল |
অর্থাৎ যেটা বলতে চাইছি এমন কোন জীন কি নির্বাচিত হয় যা দাদা দাদী নানা নানীদের নাতি নাত্নীদের জন্ম না হয়া পর্যন্ত বাঁচিয়ে রাখে? দাদা নানীরা না থাকলেও সন্তান বাচত শুধু বাবা মায়েদের লালন পালনে |
এমনও তো হতে পারে যে গড় আয়ু বাড়ার জন্য মানুষ তার নাতি নাত্নীদের দেখতে পাচ্ছে আর সেই কারণে তাদের সাথে সময় কাটাতে পারছে |
যার সাইড এফেক্ট হিসেবে নাতি নাত্নীদের বেড়ে ওঠায় বাড়তি সুবিধা হচ্ছে |
এ সবই একজ্যাক্ট সাইন্স না হওয়াতে বা রেফারেন্স না জানাতে আমি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছি না |
হয়ত তুমিই ঠিক |
বাবা মা মধ্যে বন্ধন দৃঢ় করার সাথে একগামীতার একটা প্রত্যক্ষ সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে হয় |
এক্ষেত্রেও শিশুরা এত অসহায় হয়ে না জন্মালে হয়তো বাবার কাছ থেকে এই সাহায্যটুকুর প্রয়োজন পড়তো না এবং একগামীতারও হয়ত প্রচলন ঘটার প্রয়োজন পড়তো না |
বাবা মা মধ্যে বন্ধন দৃঢ় করার মূল কারণ তাহলে শিশুর অসহায়ত্ব |
অর্থাৎ বাবা মা মধ্যে বন্ধন দৃঢ় করার সাথে প্রত্যক্ষ সম্পর্কটা শিশুর অসহায়ত্ব |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.