content stringlengths 0 129k |
|---|
পরবর্তীকালে আমি আমার এলাকায় স্কুল করেছি, কলেজ করেছি |
যখন যাকে যতটা পারি, সাধ্যমতো সাহায্য সহযোগিতাও করি |
কিন্তু সেই যে হাট থেকে তোলা ১৫০ টাকা; সেই ঋণ আজও শোধ হয়নি |
আমার সমগ্র জীবন উৎসর্গ করলেও সেই ঋণ শোধ হবে না! |
20, 2013 |
: |
••☞ |
হে আল্লাহ, আমাদের এ আমলটুকু কবুল করুন এবং আপনার রহমত ও মাগফেরাত দ্বারা আমাদেরকে ঢেকে নিন |
সবটুকু পড়ে আমার চোখে শিশির ঝরলো তাই আপনাদের জন্য পোস্ট করলাম ::'( |
. |
: |
, , . . |
.. |
& : . , . |
কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলাধীন মশান পূর্ব শাহপাড়া এলাকায় অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যায়নরত নিজ পাষণ্ড পিতা কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হয়েছে |
এলাকাবাসী জানান, মশান গ্রামের পূর্ব শাহপাড়া এলাকায় কুতুবউদ্দিন বিধবা মা, স্বামী পরিত্যাক্ত বোন ও স্ত্রী, কন্যা ও ছেলেকে নিয়ে বসবাস করে |
কুতুবউদ্দিন পেশায় একজন বিস্কুটের কারিগর |
এক সময় নিজ মেয়ের উপর কুনজর পড়ে |
ঘটনার দিন সন্ধ্যার সময় মেয়েটির মা ও ফুফু পাশের বাড়ীতে যায় |
মেয়েকে ঘরে একা পেয়ে জোর করে অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত হয় পিতা নামের নরপশু |
মেয়েটির শত মিনতি ও বাঁধা কোন কিছুই মানেননি পাষণ্ড পিতা কুতুবউদ্দিন |
মেয়েটির মা বাড়ী ফিরলে ঘটনাটি তার মায়ের নিকট জানায় |
পরে সাস্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পেরে ঐ রাতে কুতুবউদ্দিনকে মারধোর করে আটকিয়ে রাখে |
এক পর্যায়ে কৌশলে কুতুবউদ্দিন পালিয়ে যায় |
এই অবস্থা দেখে মেয়েটির মা মান-সম্মান ও লোক লজ্জার ভয়ে ঐ রাতে মেয়েকে সাথে নিয়ে বাবার বাড়ীতে চলে যায় |
পরের দিন মঙ্গলবার বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে এলাকায় মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় |
সেই সাথে এলাকাবাসী পাষন্ড পিতা কুতুবউদ্দিনের সুষ্ঠু বিচার ও শাস্তি দাবি করেন |
স্থানীয় ইউপি সদস্য আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, বিষয়টি আমি জানার পরে কুতুবউদ্দিন এর বাড়ীতে লোক পাঠীয়েছিলাম বাড়ি তালা মারা আছে বাড়ীতে কাউকে পাওয়া যায় নি |
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ঘটনাটি শুনেছি কিন্তু কোন অভিযোগ পায়নি |
অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবো |
২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে সারা দেশে শুরু হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর 'শুদ্ধি' অভিযান |
পাশাপাশি ওই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে অবৈধ সম্পদ অর্জনকারী এবং বিদেশে অর্থপাচারকারীদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) |
ক্যাসিনোসহ বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত এমন প্রায় ২০০ রাজনীতিবিদ, আমলা ও ব্যবসায়ীকে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা হয় |
তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক |
সংস্থাটির এমন উদ্যোগ সর্বমহলে বেশ সমাদৃত হলেও কোনো এক অজানা কারণে শেষ পর্যন্ত এসব উদ্যোগ অনেকটাই যেন মুখ থুবড়ে পড়েছে |
২ বছরেও অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগের সুরাহা হয়নি |
'অনুসন্ধানে' নেমেই যেন গতি হারাচ্ছে দুদক! 'অভিযুক্তের' তালিকায় নাম আসা প্রায় ৯০ ভাগের বিরুদ্ধে এখনো কার্যকর কোনা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি দেশ থেকে দুর্নীতি নির্মূলে শপথ নেওয়া সংস্থাটি |
কেন এই ব্যর্থতা? বিশ্লেষকরা বলছেন, অপরাধী চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে দুদকের সক্ষমতা ও কারিগরি দক্ষতার ঘাটতি এবং সদিচ্ছা ও সৎ সাহসের অভাব আছে |
এছাড়া অপরাধীরা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বলয়ে থাকাটাও একটা বাধা; তাদের 'ধরতে গেলে হাত পুড়ে যাবে' - এমন ভয় আছে |
তারপরও কিছু বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে দুদক দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা |
ক্যাসিনোসহ বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত এমন রাজনীতিবিদ, আমলা ও ব্যবসায়ীসহ মোট ২০০ জনের তালিকা নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) |
প্রাথমিক পর্যায়ে দুই সংসদ সদস্য, যুবলীগের শীর্ষনেতা ও গণপূর্তের চার প্রকৌশলীসহ ৪৩ জনের তালিকা নিয়ে অনুসন্ধান শুরু হলেও ধীরে ধীরে তা ২০০-তে দাঁড়ায় |
দুদকের অনুসন্ধানের তালিকায় আছেন যারা |
ক্যাসিনোসহ বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত এমন রাজনীতিবিদ, আমলা ও ব্যবসায়ীসহ মোট ২০০ জনের তালিকা নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) |
২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শুদ্ধি অভিযানের পাশাপাশি ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে অবৈধ সম্পদ অর্জনকারী এবং সেই অর্থ বিদেশে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নামে সংস্থাটি |
প্রাথমিক পর্যায়ে দুই সংসদ সদস্য, যুবলীগের শীর্ষনেতা ও গণপূর্তের চার প্রকৌশলীসহ ৪৩ জনের তালিকা নিয়ে শুরু হয় দুদকের অনুসন্ধান |
ধীরে ধীরে অভিযোগের তালিকা দীর্ঘ হতে থাকে |
সর্বশেষ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার এস এম শিবলী নোমানসহ ১৬ জনের একটি তালিকা সেখানে যুক্ত হয় |
ফলে অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সংখ্যা ২০০ পার হয়ে যায় |
সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন, মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, সামশুল হক চৌধুরী ও পঙ্কজ দেবনাথ |
অভিযুক্তের তালিকায় নাম আসে প্রভাবশালী পাঁচ সংসদ সদস্যের |
তারা হলেন, সুনামগঞ্জ- ১ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, ভোলা-৩ আসনের নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সামশুল হক চৌধুরী, বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ এবং নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের নজরুল ইসলাম বাবু |
অভিযুক্তের তালিকায় আছেন প্রভাবশালী পাঁচ সংসদ সদস্য |
তারা হলেন- মোয়াজ্জেম হোসেন রতন, নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন, সামশুল হক চৌধুরী, পঙ্কজ দেবনাথ ও নজরুল ইসলাম বাবু |
এছাড়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটসহ বেশ কয়েকজন সাবেক নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী, গণপূর্ত অধিদফতরের প্রকৌশলী, ঠিকাদার, কাস্টম ও পুলিশ কর্মকর্তাদের নামও রয়েছে এ তালিকায় |
এছাড়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটসহ বেশ কয়েকজন সাবেক নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী, গণপূর্ত অধিদফতরের প্রকৌশলী, ঠিকাদার, কাস্টম ও পুলিশ কর্মকর্তাদের নামও রয়েছে এ তালিকায় |
তাদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে- ক্যাসিনো ব্যবসাসহ অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা, সরকারি কর্মকর্তাসহ প্রভাবশালীদের ঘুষ দিয়ে বড় বড় ঠিকাদারি কাজ বাগিয়ে নিয়ে অর্থ আত্মসাৎ, পরে তা বিদেশে পাচার এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন |
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে অনুসন্ধানে নামার পর প্রায় দুই বছর পার হতে চললেও ওই তালিকার ৯০ ভাগের বিরুদ্ধে এখনো কোনো মামলা বা চার্জশিটের মতো আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেনি দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি |
ফলে ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছেন অনেকে |
উল্টো দুদকের এক অফিস আদেশে গণপূর্ত অধিদফতরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীসহ শীর্ষ পদে থাকা ১৩ জনকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি (দায়মুক্তি) দেওয়া হয়েছে! |
বসে নেই দুদক, সফলতাও আছে |
যদিও দুদক থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য বলছে, এখন পর্যন্ত ক্যাসিনোকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ও জি কে শামীমসহ শীর্ষ ২৪ জনের বিরুদ্ধে ২৩টি মামলা দায়ের করেছে সংস্থাটি |
এর মধ্যে ১২ মামলায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে |
অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট ২৪ আসামির প্রায় ৫৮২ কোটি টাকার সম্পদও জব্দ করেছে দুদক |
তবে, তালিকায় থাকা প্রভাবশালী পাঁচ সংসদ সদস্যের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি কমিশন |
জি কে শামীম, ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, প্রশান্ত কুমার হালদার (পি কে হালদার) ও লোকমান হোসেন ভূঁইয়া |
২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে অনুসন্ধানে নামার পর প্রায় দুই বছর পার হতে চললেও ওই তালিকার ৯০ ভাগের বিরুদ্ধে এখনো কোনো মামলা বা চার্জশিটের মতো আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেনি দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি |
ফলে ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছেন অনেকে |
সার্বিক বিষয়ে জানতে ঢাকা পোস্টের পক্ষ থেকে দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় |
তিনি বলেন, ক্যাসিনোকাণ্ডে ইতোমধ্যে ২৩টির মতো মামলা হয়েছে |
১০টির বেশি মামলার চার্জশিট দাখিল হয়েছে |
এসব মামলায় সম্পৃক্তদের অবৈধ সম্পদও জব্দ হয়েছে |
বেশকিছু আসামি গ্রেফতার হয়েছে |
কাউকে কাউকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে |
সবমিলিয়ে আইনের নিখুঁত প্রয়োগ চলছে |
'আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন, কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না' উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আমরা কাউকে ছাড় দিচ্ছি না |
তবে, নিরপরাধ কাউকে জোর করে যেন আসামি করা না হয়, সেদিকে আমাদের সতর্ক দৃষ্টি রয়েছে |
পাশাপাশি কোনো অপরাধী যাতে ছাড় না পায়, সে বিষয়েও আমরা সচেষ্ট |
অপরাধ ও অপরাধী শনাক্তে আমরা শতভাগ নির্মোহভাবে দায়িত্ব পালন করছি |
রাগ-অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী হয়ে আমরা কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি না, করবও না |
১৩ প্রকৌশলীকে অব্যাহতি |
'শতভাগ নির্মোহভাবে দায়িত্ব পালনের' কথা বলা হলেও দুর্নীতিবিরোধী প্রতিষ্ঠানটির এক অফিস আদেশ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে |
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি এক অফিস আদেশে গণপূর্ত অধিদফতরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলীসহ শীর্ষপদে থাকা ১৩ জনকে দুর্নীতির অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয় সংস্থাটি |
তারা হলেন- গণপূর্ত অধিদফতরের (আজিমপুর) নির্বাহী প্রকৌশলী ইলিয়াস আহমেদ, ঢাকা গণপূর্ত জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. মোসলেহ উদ্দীন আহাম্মদ, নগর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ শওকত উল্লাহ, গণপূর্ত অধিদফতরের তদন্ত কোষ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফজলুল হক, মহাখালী গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আফ... |
এ কে এম মমিনুল হক সাঈদ ওরফে ক্যাসিনো সাঈদ, মো. তারেকুজ্জামান রাজীব, প্রকৌশলী উৎপল কুমার দে ও এনামুল হক আরমান |
আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নন, কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না |
তবে, নিরপরাধ কাউকে জোর করে যেন আসামি করা না হয়, সেদিকে আমাদের সতর্ক দৃষ্টি রয়েছে |
পাশাপাশি কোনো অপরাধী যাতে ছাড় না পায়, সে বিষয়েও আমরা সচেষ্ট |
অপরাধ ও অপরাধী শনাক্তে আমরা শতভাগ নির্মোহভাবে দায়িত্ব পালন করছি |
রাগ-অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী হয়ে আমরা কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি না, করবও না দুদক কমিশনার ড. মোজাম্মেল হক খান |
দুদক সচিব মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার স্বাক্ষরিত ওই অফিস আদেশে অভিযোগ থেকে তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয় |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.