content stringlengths 0 129k |
|---|
জীবনের স্বাভাবিক সম্পর্ক গুলোতেও নিজের অজান্তে বিকৃতি খোঁজে তাদের চোখ |
✭ ফ্যান্টাসির দুনিয়া: নিয়মিত পর্নো ছবি দেখতে দেখতে বাস্তব জগৎ ছেড়ে পুরুষরা ফ্যান্টাসি দুনিয়াতে চলে যায় |
অর্থাৎ বাস্তব জীবনেও তারা পর্ণ সিনেমার মত সঙ্গী আশা করে এবং তারা স্বপ্ন দেখে তাদের যৌন জীবনটাও পর্নো সিনেমার মতই হবে |
তাই ফ্যান্টাসি দুনিয়ার স্বপ্নে বিভোর হয়ে তারা বাস্তব জীবনের সুখ শান্তি হারায় |
সাধারণ নারীদেরকে তখন আর তাদের যথেষ্ট মনে হয় না |
✭ নারীরা ঘৃনার চোখে দেখে: পর্নো আসক্ত পুরুষদেরকে সাধারণ রুচিশীল নারীরা হীনমন্য ও চরিত্রহীন মনে করে |
নারীরা যখন জানতে পারে যে তার পরিচিত কোনো পুরুষ নিয়মিত পর্নো ছবি দেখে তখন তার সম্পর্কে খারাপ মনোভাব জন্ম নেয় এবং তাঁকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে |
বিশেষ করে আমাদের সমাজের নারীরা তো অবশ্যই |
✭ নিঃসঙ্গতা: অতিরিক্ত পর্নো নেশার কারণে সাধারন নারীদের প্রতি বিতৃষ্ণা চলে আসে পর্নো আসক্তদের |
তারা পর্ণ সিনেমার নায়িকাদের মত আকর্ষনীয় দেহ ও চেহারার নারী খোঁজে বাস্তব জীবনে |
কিন্তু পর্নো সিনেমার নায়িকাদের সৌন্দর্য মূলত কৃত্রিম সৌন্দর্য, তাদের আচরণও কৃত্রিম |
মেকআপ, লাইট ও ক্যামেরার কারসাজিতে তাদেরকে মোহনীয় ভাবে দেখানো হয় যা বাস্তব জীবনে খুঁজে পাওয়া সম্ভব না |
তাই পর্নো আসক্তরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নিঃসঙ্গ থেকে যায় অথবা সংসারে অসুখী হয় |
✭ শারীরিক ক্ষতি: নিয়মিত পর্নো ছবি যারা দেখে তাদের মধ্যে হস্ত মৈথুনের অভ্যাসটাও বেশি থাকে |
অতিরিক্ত হস্ত মৈথুন করার ফলে তাদের স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বাড়ে এবং যৌন জীবনে নানান সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় |
✭ ভয়াল নেশা: পর্নো সিনেমার নেশা মাদকের নেশার মতই ভয়ংকর |
মাদকাশক্তি থেকে মুক্তি পাওয়া যেমন কষ্টসাধ্য, পর্নো আসক্তি থেকে মুক্তি পাওয়াও দূরহ ব্যাপার |
পর্নো আসক্তির কারণে পরিবারের সাথে সম্পর্ক খারাপ হয়, পড়াশোনায় ক্ষতি হয় এমনকি নিজের মধ্যেও হীনমন্যতার সৃষ্টি হয় |
✭ সামাজিক ভাবে হেয় হতে হয়: পর্নো আসক্তদের মোবাইলে, কম্পিউটারে, পেন ড্রাইভে সব খানেই পর্ণ ছবি থাকে অধিকাংশ সময় |
অনেক সময় এসব অনৈতিক বিষয় গুলো পরিবারের কাছে ধরা পড়ে যায় |
ফলে পরিবারের কাছে হেয় হতে হয় পর্নো আসক্তদেরকে |
এছাড়াও সমাজের মানুষজন, বন্ধুবান্ধব বিষয়টি জেনে গেলে তাদের কাছেও হেয় হতে হয় তাদেরকে |
[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য |
: + |
, 13, 2014 |
যে ৬টি কারণে বাঁধাকপি খাবেন! |
. 6:31 ভেষজ গুণাগুণ |
বাঁধাকপি একটি সুস্বাদু শীতকালীন সবজি |
স্বাদে ও গুণে অতুলনীয় এই সবজিটি অবশ্য এখন বিশেষ পদ্ধতিতে চাষ করার কারণে মোটামুটি সারা বছরই পাওয়া যায় |
শীত কালীন বাঁধাকপির স্বাদ তুলনামূলক ভাবে অন্য সময়ের বাঁধাকপির চাইতে বেশি |
বাঁধাকপি ভাজি আমাদের দেশের ঘরে ঘরে একটি জনপ্রিয় খাবার |
এছাড়াও বাঁধাকপি কাঁচা কিংবা রান্না করে খাওয়া যায় |
পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম বাঁধাকপিতে রয়েছে ১.৩ গ্রাম প্রোটিন, ৪.৭ গ্রাম শর্করা, ০.০৬ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি১, ০.০৫ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি২ ও ৬০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি |
তাছাড়া প্রতি ১০০ গ্রাম বাঁধাকপিতে ৩১ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ০.৮ মিলিগ্রাম লৌহ, ৬০০ মাক্রোগ্রাম ক্যারোটিন ও ২৬ কিলোক্যালোরী খাদ্যশক্তি থাকে |
আসুন জেনে নেয়া যাক কোন ৬টি কারণে বাঁধাকপি খাওয়া উচিত |
প্রচুর ভিটামিন আছেঃ অনেকেই শরীরে ভিটামিনের অভাব দূর করার জন্য নিয়মিত মাল্টি ভিটামিন ট্যাবলেট খান |
আপনি কি জানেন নিয়মিত বাঁধাকপি খেলে আপনার আর মাল্টি ভিটামিন খাওয়ার প্রয়োজন হবে না |
কারণ বাঁধাকপিতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় সব ভিটামিনই আছে |
বাঁধাকপিতে আছে রিবোফ্লাবিন, প্যান্টোথেনিক এসিড এবং থিয়ামিন |
হাড় ভালো রাখেঃ বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও কে আছে |
ভিটামিন সি হাড়ের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে |
এছাড়াও বাঁধাকপিতে উপস্থিত ভিটামিন কে হারকে মজবুত রাখে |
যারা নিয়মিত বাঁধাকপি খায় তারা বয়স জনিত হাড়ের সমস্যা থেকে রক্ষা পায় |
ওজন কমাতে সহায়ক খাবারঃ বাঁধাকপিতে খুবই সামান্য কোলেস্টেরল ও সম্পৃক্ত চর্বি আছে |
এছাড়াও বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার আছে |
ওজন কমাতে চাইছেন যারা তাদের জন্য নিয়মিত সালাদ খাওয়ার বিকল্প নেই |
আর প্রতিদিনের সালাদের রাখুন বাঁধাকপি |
সালাদে প্রচুর পরিমাণে বাঁধাকপি থাকলে অতিরিক্ত ক্যালোরি বাড়ে না বললেই চলে |
তাই ওজন কমাতে চাইলে নিয়মিত খাবার তালিকায় প্রচুর পরিমাণে বাঁধাকপি রাখুন |
আলসারের সমস্যা কমায়ঃ যারা আলসারের সমস্যায় ভুগছেন তাঁরা নিয়মিত বাঁধাকপি খাওয়ার অভ্যাস করুন |
কারণ গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে বাঁধাকপি আলসার প্রতিরোধ করে |
পাকস্থলির আলসার ও পেপটিক আলসার প্রতিরোধে বাঁধাকপির জুড়ি নেই |
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে বাঁধাকপির রস আলসারের জন্য সবচেয়ে উপকারী প্রাকৃতিক ওষুধ |
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়ঃ বাঁধাকপি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে |
আপনি যদি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে নিজেকে সুস্থ্য রাখতে চান তাহলে প্রতিদিনের খাবার তালিকায় বাঁধাকপি যোগ করুন |
গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা নিয়মিত বাঁধাকপি খান তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি |
বাঁধাকপিতে উপস্থিত ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে |
ত্বক ভালো রাখেঃ ত্বক ভালো রাখতে ভিটামিন ই এর জুড়ি নেই |
আর বাঁধাকপিতে আছে প্রচুর ভিটামিন ই |
বাঁধাকপির ফ্রি র্যাডিকেল ফাইটিং প্রোপার্টি আছে যা ত্বকের যে কোনও সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম |
এছাড়াও নিয়মিত বাঁধাকপি খেলে ত্বকে সহজে বয়সের ছাপ পড়ে না |
তাই যারা ত্বক ভালো রাখতে চান তাঁরা বেশি করে বাঁধাকপি খান |
[আপনাদের সুখী জীবন আমাদের কাম্য |
: + |
, 8, 2014 |
শীতেও কোমল ঠোঁট পেতে চাইলে! |
. 2:03 ত্বক ও চুলের সমস্যা |
শীতে ঠোঁট ফেটে যাওয়া, চামড়া ওঠা সাধারণ ব্যাপার |
এর ফলে ঠোঁটের স্বাভাবিক কোমলতা নষ্ট হয়ে যায় |
এসব সমস্যা সমাধানে বাজারে পাওয়া যায় নানা ধরনের লিপজেল, চ্যাপস্টিক, লিপগ্লস ইত্যাদি |
তবে এসব ঠোঁটের জন্য কতটা উপকারী? কিভাবে শীতের রুক্ষ আবহাওয়াতেও ঠোঁটকে কোমল রাখা যায় |
আসুন দেখে নিই এক নজরে |
ঠোটের বিশেষ যত্নঃ দুধ, মধু ও গোলাপের পাপড়ির পেস্ট তৈরি করে রাতে ঠোঁটে লাগিয়ে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন |
এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে লিপজেল লাগান |
এই ম্যাসাজ এক দিন পর পর করা ভালো |
এতে ঠোঁট নরম ও কোমল থাকবে |
তৈরি করে ফ্রিজে রেখে দেওয়া যায় |
এ ছাড়া শীতে ঠোঁটের কোমলতা ধরে রাখতে যা করতে পারেনঃ |
★ গোসলের আগে অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে হবে |
★ শীতে ঠোঁটের জন্য সবচেয়ে উপকারী হচ্ছে গ্লিসারিন ব্যবহার |
★ কিছুক্ষণ পর পর চ্যাপস্টিক ব্যবহার করতে হবে |
লিপজেলও ব্যবহার করতে পারেন |
★ পার্টিতে লিপস্টিক ব্যবহার করলে অবশ্যই তার ওপর লিপগ্লস ব্যবহার করতে হবে |
★ বাজারে কিছু কালার চ্যাপস্টিক পাওয়া যায় |
পার্টিতে কালার চ্যাপস্টিক ব্যবহার করলেও তার সঙ্গে লিপগ্লস ব্যবহার করতে হবে |
না হলে মেকআপের টানে এবং শীতের রুক্ষতায় ঠোঁট শুকিয়ে যাবে |
★ শীতে ঠোঁটের কোমলতার জন্য চ্যাপস্টিক, লিপজেল, অলিভ অয়েল, গ্লিসারিন, লিপগ্লস ইত্যাদি যা-ই ব্যবহার করা হোক না কেন, তা যেন অবশ্যই ভালো ব্র্যান্ডের হয় |
★ কখনোই নিজে নিজে চামড়া ওঠানো যাবে না |
এতে ঠোঁট থেকে রক্ত ঝরা শুরু হবে এবং ফাটা দাগ বসে যেতে পারে |
চ্যাপস্টিক, লিপজেল ইত্যাদি ব্যবহারের ফলে ঠোঁটের ফাটা চামড়া নরম হয়ে এমনিতেই উঠে যাবে |
★ প্রতি রাতে বিট অথবা লেবুর রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে লাগালে কালো দাগ দূর হতে পারে |
★ ঠোঁটে ন্যাচারাল ময়েশ্চারাইজার হিসেবে মাখন লাগানো যেতে পারে, যা ত্বক ফাটা দূর করে ও নরম রাখে |
শুষ্ক ঠোঁটের প্রতিকারঃ |
★ ভালো মানের লিপস্টিক অনেক সময় ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করে |
এ ক্ষেত্রে লিপস্টিকের উপাদান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে |
★ টুথপেস্টের কারণেও অনেক সময় ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যায় |
এ রকম হলে টুথপেস্ট বদলে ফেলুন |
সাদা রঙের টুথপেস্ট সাধারণত ঠোঁটের জন্য ভালো |
★ সাবান ও ফেসওয়াশ ঠোঁটে লাগাবেন না |
★ সূর্যমুখীর তেল শুষ্ক ঠোঁটের জন্য ভালো |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.