content
stringlengths
0
129k
মানে এক ঘণ্টা/এক দিন/এক মাস-বছরের কথা বলা হচ্ছে না
অনন্ত বিজয় দাশ এপ্রিল 17, 2012 1:48 অপরাহ্ন -
ধন্যবাদ আপনার এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জন্য
এই বিষয়টি প্রজাতি-গঠন বা স্পেসিয়েশনের সাথে জড়িত
জীববিজ্ঞানীরা সাধারণত ৪ ধরনের স্পেসিয়েশনের কথা জানিয়েছেন আমাদের
যেমন ১. ২. ৩. ৪.
জীবের বিবর্তন আসলে ইন্ডিভিজুয়াল ব্যক্তির উপর ক্রিয়াশীল নয়
একটা গোটা প্রজাতি বা পপুলেশনের জিনপুলের উপর ক্রিয়াশীল
জীববিজ্ঞানীরা প্রাকৃতিকভাবে স্পেসিয়েশনের জন্য কোনো একটা মূল প্রজাতি থেকে এক বা একাধিক পপুলেশনের ভৌগলিক বিচ্ছিন্নতাকে ( ) গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে দেখেন
যাতে মূল প্রজাতির সাথে ওই বিচ্ছিন্ন পপুলেশনের যেন জনন বিচ্ছিন্নতা তৈরি হয়
[কারণ প্রজাতির যে বায়োলজিক্যাল ডেফিনেশন রয়েছে তাতে বলা হচ্ছে, একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক জীব যারা শুধুমাত্র নিজেদের মধ্যে আন্তঃ যৌনসম্পর্ক স্থাপন করতে সক্ষম ও সফলভাবে প্রজন্ম সৃষ্টি করতে পারে
কিন্তু তারা অন্য আরেকটি এরকম গোষ্ঠীবদ্ধ জীব থেকে যৌনপ্রজননে অক্ষম
] এখন মূল প্রজাতি থেকে ভৌগলিক বিচ্ছিন্নতার ফলে যদি এক বা একাধিক পপুলেশনের জনন বিচ্ছিন্নতা দেখা দেয় এবং এটা হয়তো স্থায়ী রূপ নিতে পারে ওই পপুলেশনের জীবের জননকোষে সংঘটিত মিউটেশনের মাধ্যমে
এই মিউটেন্ট ট্রেইট বংশপরম্পরায় ছড়িয়ে পড়ে
এভাবে প্রজাতি গঠন এগিয়ে যায়
কিন্তু শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির জনন কোষে মিউটেশন হলেও সেটা যদি বংশপরম্পরায় ছড়িয়ে পড়তে না পারে তবে এই নতুন মিউটেন্ট ট্রেইট (বৈশিষ্ট্য) প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পারবে না
বিলুপ্ত হয়ে যাবে
আস্তরিন এপ্রিল 18, 2012 1:15 পূর্বাহ্ন -
@অনন্ত বিজয় দাশ,
প্রশ্নটি যদিও আ মারই ছিল এর কাছেও একই প্রশ্নের গুরুত্ত দেখে ভালো লাগল, যাইহোক উত্তরটা ঠিক- বুঝতে পারলাম না আরেকটু বিস্তারিত কি লেখা যায় ?
অনেক ধন্যবাদ
আকাশ মালিক এপ্রিল 18, 2012 7:50 পূর্বাহ্ন -
প্রশ্নটি যদিও আ মারই ছিল এর কাছেও একই প্রশ্নের গুরুত্ত দেখে ভালো লাগল
এপ্রিল ১৫, ২০১২ সময়: ১০:৫২ অপরাহ্ণ | লিঙ্ক
অনেকদিন ধরে একটা প্রশ্ন মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে প্রশ্নটি হলো বিবরতনের ধারা অনুযায়ী মিউটেশনের ফলে যে নতুন প্রানীটির উদ্ভব হয় তা নিশ্চয় একটি হয় পুরুষ অথবা নারী সে ক্ষেত্রে প্রজনন কি করে হয় ?
এপ্রিল ১৫, ২০১২ সময়: ৭:১১ অপরাহ্ণ | লিঙ্ক
অনেকদিন ধরে একটা প্রশ্ন মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে প্রশ্নটি হলো বিবরতনের ধারা অনুযায়ী মিউটেশনের ফলে যে নতুন প্রানীটির উদ্ভব হয় তা নিশ্চয় একটি হয় পুরুষ অথবা নারী সে ক্ষেত্রে প্রজনন কি করে হয় ?
কপি পেষ্ট কে করলেন, আপনি না উনি? না কি উনিই আপনি? প্রোফাইল পিকচার সহ একটা অক্ষর, আকার-ইকারও তো বদলায় নি
আস্তরিন এপ্রিল 19, 2012 2:39 পূর্বাহ্ন -
@আকাশ মালিক,
কপি পেষ্ট কে করলেন, আপনি না উনি? না কি উনিই আপনি? প্রোফাইল পিকচার সহ একটা অক্ষর, আকার-ইকারও তো বদলায় নি
সময়ের হিসাবে দেখা যাচ্ছে আমিই প্রশ্নটি আগে করেছি , এখানে একই মন্তব্য আমি দুই নামে দিয়ে আমার লাভ কি ? এক্ষেত্রে ই সঠিক জবাব দিতে পার
যাইহোক আপনার পরামর্শ অনুযায়ি মুক্তমনার
বিবর্তন আর্কাইভে খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছি এখনও উত্তর পাব
অনেক ধন্যবাদ
এপ্রিল 19, 2012 3:59 অপরাহ্ন -
@আকাশ মালিক, কপি পেষ্ট আমি করেছি
আসলে আমি বাংলা ভাল লিখতে পারি না্‌
একই প্রস্ন আমার মনে অনেক দিন থেকে ছিল কিন্ত বাংলা লিখার ভয়ে করতে পারসিলাম না
@আস্তরিন আপনার দেখে নিজেখে আর করতে পারি নি
গুরুত বাড়ানুর জন্ন কপি করে পেস্ট করে দিয়েছিলাম
@অনন্ত বিজয় দাশ,@প্রতিফলন,@আকাশ মালিক ,@প্রতিফলন আপনাদের সবাইকে আনেক ধন্যবাদ আপনাদের গুরুত্বপূর্ণ এর জন্য
@অনন্ত বিজয় দাশ .
"জীবের বিবর্তন আসলে ইন্ডিভিজুয়াল ব্যক্তির উপর ক্রিয়াশীল নয়
একটা গোটা প্রজাতি বা পপুলেশনের জিনপুলের উপর ক্রিয়াশীল
জীববিজ্ঞানীরা প্রাকৃতিকভাবে স্পেসিয়েশনের জন্য কোনো একটা মূল প্রজাতি থেকে এক বা একাধিক পপুলেশনের ভৌগলিক বিচ্ছিন্নতাকে ( ) গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হিসেবে দেখেন
যাতে মূল প্রজাতির সাথে ওই বিচ্ছিন্ন পপুলেশনের যেন জনন বিচ্ছিন্নতা তৈরি হয়
[কারণ প্রজাতির যে বায়োলজিক্যাল ডেফিনেশন রয়েছে তাতে বলা হচ্ছে, একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক জীব যারা শুধুমাত্র নিজেদের মধ্যে আন্তঃ যৌনসম্পর্ক স্থাপন করতে সক্ষম ও সফলভাবে প্রজন্ম সৃষ্টি করতে পারে
কিন্তু তারা অন্য আরেকটি এরকম গোষ্ঠীবদ্ধ জীব থেকে যৌনপ্রজননে অক্ষম
] এখন মূল প্রজাতি থেকে ভৌগলিক বিচ্ছিন্নতার ফলে যদি এক বা একাধিক পপুলেশনের জনন বিচ্ছিন্নতা দেখা দেয় এবং এটা হয়তো স্থায়ী রূপ নিতে পারে ওই পপুলেশনের জীবের জননকোষে সংঘটিত মিউটেশনের মাধ্যমে
এই মিউটেন্ট ট্রেইট বংশপরম্পরায় ছড়িয়ে পড়ে
এভাবে প্রজাতি গঠন এগিয়ে যায়
কিন্তু শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির জনন কোষে মিউটেশন হলেও সেটা যদি বংশপরম্পরায় ছড়িয়ে পড়তে না পারে তবে এই নতুন মিউটেন্ট ট্রেইট (বৈশিষ্ট্য) প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পারবে না
বিলুপ্ত হয়ে যাবে
সংশপ্তক এপ্রিল 15, 2012 10:02 অপরাহ্ন -
ডিবোয়ার দৃষ্টিতে মানুষের বিবর্তনীয় সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার জন্য ফসিল-ই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ
উনার ধারণা যে কতটা ভুল সেটা নিয়ালদারথালদের জিনোম সিকোয়েন্স করে বোঝা যায়
যে নিয়ালদাথালদের এক সময় জীবাশ্মবিদেরা মানুষ বলে মানতেই চান নি , সে নিয়ালদাথালদের মানুষ বলে ঘোষণা দেয়া এখন সময়ের ব্যপার মাত্র
বিবর্তনীয় ইতিহাস প্রতিষ্টায় ফসিল গুরত্বপূর্ণ সন্দেহ নেই , তবে বিবর্তনীয় সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়া যাবে শুধুমাত্র জিনোম সিকোয়েন্স পর্যালোচনা করার পর
জীবের জিনোম নিজেই একটা ইতিহাসের মহাফেজখানা- যেখানে বিবর্তনীয় ইতিহাসের আদ্যোপান্ত সব কিছুই লিপিবদ্ধ রয়েছে
অনন্ত বিজয় দাশ এপ্রিল 17, 2012 12:41 অপরাহ্ন -
ধন্যবাদ আপনাকে
ডিবোয়ার ধারণা বা দৃষ্টিভঙ্গি ভুল সেটা সত্যি
কিন্তু ডিবোয়ার সময় তো কেউ জিনোম সিকুয়েন্সের নামগন্ধ শুনে নাই
তবে বিবর্তনীয় সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়া যাবে শুধুমাত্র জিনোম সিকোয়েন্স পর্যালোচনা করার পর
নিঃসন্দেহে জিনোম সিকুয়েন্সের বিশ্লেষণ ছাড়া বিবর্তনীয় ইতিহাস চূড়ান্তভাবে প্রতিষ্ঠা করা দুঃসাধ্য
তবে এটা তো আপনি নিশ্চিৎভাবে জানেন লক্ষ লক্ষ বছর পুরাতন ফসিলের গায়ে ডিএনএ'র অস্তিত্ব খোঁজে পাওয়া কতটুকু দুর্লভ বা দুঃসাধ্য!
জেরি কোয়েনের একটা বইয়ে (হোয়াই ইভোলুশন ইজ ট্রু) বোধহয় পড়েছি এখন পর্যন্ত প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার জীবাশ্ম-প্রজাতি উদ্ধার হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে
আর কয়েক শতাধিক হোমিনিড ফসিল স্পেসিমেন পাওয়া গেছে
এর মধ্যে কয়টি হোমিনিড ফসিলের ডিএনএ পাওয়া গেছে? খুব নগন্য সংখ্যক
যাহোক নগন্য না বেশি বিষয়টি সেটি না
ফসিল থেকে ডিএনএ না পাওয়া গেলে কি করা হয়ে থাকে
মরফোলজিক্যাল এভিডেন্স, বায়োক্যামিকেল এভিডেন্স, বায়োজিওগ্রাফিক্যাল এভিডেন্সসহ আরো বেশ কিছু এভিডেন্সের উপরই বিজ্ঞানীদের নির্ভর করতে হয় তখন
এবং এগুলোর প্রত্যেকটিই ফসিলের বিবর্তনীয় সাক্ষ্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ
আস্তরিন এপ্রিল 15, 2012 7:11 অপরাহ্ন -
অনেকদিন ধরে একটা প্রশ্ন মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে প্রশ্নটি হলো বিবরতনের ধারা অনুযায়ী মিউটেশনের ফলে যে নতুন প্রানীটির উদ্ভব হয় তা নিশ্চয় একটি হয় পুরুষ অথবা নারী সে ক্ষেত্রে প্রজনন কি করে হয় ?
শরীরের রং সাদা কালো আবহাওয়া থেকে নির্ধারিত হয় কিন্তু শারীরিক ঘটন চাইনিজ বা আফ্রিকান এটা তো আবহাওয়া থেকে হতে পারে না না-কি ?
প্রশ্ন দুটির উত্তরের অপেক্ষায় থাকলাম , অনেক অনেক ধন্যবাদ
আকাশ মালিক এপ্রিল 17, 2012 4:29 পূর্বাহ্ন -
বুঝলাম না, আপনার একই মন্তব্য দুই নামে আসলো কী ভাবে? যাক এ রকম প্রশ্ন মনে উদ্রেক হওয়া ভাল
বিবরতনের ধারা অনুযায়ী মিউটেশনের ফলে যে নতুন প্রানীটির উদ্ভব হয় তা নিশ্চয় একটি হয় পুরুষ অথবা নারী সে ক্ষেত্রে প্রজনন কি করে হয় ?
শরীরের রং সাদা কালো আবহাওয়া থেকে নির্ধারিত হয় কিন্তু শারীরিক ঘটন চাইনিজ বা আফ্রিকান এটা তো আবহাওয়া থেকে হতে পারে না না-কি ?
আরো কিছু প্রশ্ন আমাকে প্রায়ই ভাবাতো-
এক মানব বা মানবী থেকে আসা মানুষের হাজার প্রকার ভাষা এলো কোত্থেকে?
গায়ের লোম কবে উধাও হলো? কেন হলো?
পুরাতন অবস্থায় কোনদিন ফিরে যাওয়া কি সম্ভব?
যে বিবর্তন প্রক্রীয়ায় আমরা এসেছি, আবার কি একই প্রক্রীয়ায় একই পরিবেশে কোনদিন নতুন মানব সদৃশ প্রাণীর উৎপত্তি সম্ভব?
চলুন, মুক্তমনার বিবর্তন আর্কাইভে আমরা আমাদের প্রশ্নের উত্তর খোঁজে বের করি
অনন্ত বিজয় দাশ এপ্রিল 17, 2012 3:32 অপরাহ্ন -
@আকাশ মালিক,
মালিক ভাই, খুব সংক্ষেপে কয়েকটি মন্তব্য করলাম আপনার প্রশ্নগুলি নিয়ে
এক মানব বা মানবী থেকে আসা মানুষের হাজার প্রকার ভাষা এলো কোত্থেকে?
ভাষা মানুষের তৈরি
অঞ্চলভেদে ভাষার পরিবর্তন ঘটিয়েছে মানুষ বিভিন্ন সময়
তবে একদম আদি ভাষা এক না একাধিক সে সম্পর্কে আমি নিশ্চিৎ নই
তবে আমার মতে একাধিক হওয়ার সম্ভবনা বেশি
গায়ের লোম কবে উধাও হলো? কেন হলো?
সম্ভবত মানুষের গায়ের লোম বিলুপ্ত হওয়া শুরু হয়েছে মানুষের পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে
উইকিপিডিয়াতে বোধহয় দেখেছিলাম প্রায় ২ লক্ষ ৪০ হাজার বছর আগে এই পরিবর্তন শুরু হয়
এর পিছনে মানব দেহের জিনের মিউটেশনকে চিহ্নিত করা হয়েছে