content stringlengths 0 129k |
|---|
একই সেলের মধ্যে গর্ভবতী নারী, শিশু এমনকি নবজাতক শিশুকেও রাখা হয়েছে |
সেখানে শতাধিক বন্দিকে ব্যবহার করতে হচ্ছে একটি টয়লেট |
বুরকিনায় বন্দুকধারীদের হামলায় ২০ জন নিহত |
সোমালিয়ায় আইইডি বিস্ফোরণে আল-শাবাবের ১০ সদস্য নিহত |
নাইজেরিয়ায় তেল শোধনাগারে বিস্ফোরণ, নিহত ২৫ |
গৃহবন্দি সুদানের প্রধানমন্ত্রী আবদাল্লাহ হামদক |
নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ৪৩ |
নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় ২০ জন নিহত |
শীর্ষ সংবাদ |
প্রতি বছরই করোনার টিকা নিতে হবে: ফাইজার বিজয় দিবসে দেশবাসীকে শপথ পড়াবেন প্রধানমন্ত্রী করোনায় মৃত্যু ৩, শনাক্ত ২৬১ এলপি গ্যাসের দাম কমাল নারী নির্যাতনের আসামিকে জজ হিসেবে যোগদান স্থগিত কথা দিয়ে কথা রাখুন: ওবায়দুল কাদের যানজটে জিডিপির ক্ষতি ২.৫ শতাংশ 'মেধার সঙ্গে দেশাত্মবোধ ও মানবিক মূল্যবোধ থাকা জরুরি' দেশে বজ্রসহ ... |
প্রতি বছরই করোনার টিকা নিতে হবে: ফাইজার বিজয় দিবসে দেশবাসীকে শপথ পড়াবেন প্রধানমন্ত্রী করোনায় মৃত্যু ৩, শনাক্ত ২৬১ এলপি গ্যাসের দাম কমাল নারী নির্যাতনের আসামিকে জজ হিসেবে যোগদান স্থগিত কথা দিয়ে কথা রাখুন: ওবায়দুল কাদের যানজটে জিডিপির ক্ষতি ২.৫ শতাংশ 'মেধার সঙ্গে দেশাত্মবোধ ও মানবিক মূল্যবোধ থাকা জরুরি' দেশে বজ্রসহ ... |
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: দুলাল আহমদ চৌধুরী |
অনামিকা পাবলিকেশন্স লিমিটেডের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত প্রকাশক এস এম ফারুক কর্তৃক বরুয়া, খিলক্ষেত, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত ও অনামিকা পাবলিকেশন্স লিমিটেড, কাওলা, দক্ষিণখান, আশিয়ান সিটি, ঢাকা-১২২৯ থেকে মুদ্রিত |
ফোন: +৮৮-০২-৮৯৯৯৭৫২-৩, ফ্যাক্স: +৮৮-০২-৮৯৯৯৭৫৪ ই-মেইল : [ ] , [ ] |
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত |
মানবকণ্ঠে প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র ও অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি |
ঢাকায় চলমান মেট্রোরেল প্রকল্পের জন্য আরও দুটি ইঞ্জিন ও চারটি বগি নিয়ে বাগেরহাটের মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে পানামার পতাকাবাহী 'এম ভি ব্রাইটলি কোরাল' নামের একটি জাহাজ |
শুক্রবার রাতে মেট্রোরেলের মালামাল নিয়ে মোংলা সমুদ্রবন্দরের ৯ নম্বর জেটিতে নোঙর করে জাহাজটি |
গত ২৫ অক্টোবর জাপানের কোবে বন্দর থেকে জাহাজটি মোংলা বন্দরের উদ্দেশে যাত্রা করে |
জাহাজটিতে মেট্রোরেলের চারটি বগি ও দুই পাশের দুটি ইঞ্জিন ছাড়াও বিভিন্ন সরঞ্জাম আছে |
শনিবার সকাল থেকে সব মালামাল খালাস শুরু হয়েছে জানিয়ে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দীন বলেন, গত ৩১ মার্চ এমভি এসপিএম ব্যাংকক প্রথম মেট্রোরেলের চারটি কোচ ও দুটি ইঞ্জিন নিয়ে বাংলাদেশে আসে |
এরপর ধারাবাহিকভাবে মোংলা বন্দর দিয়ে মেট্রোরেলের ইঞ্জিন, কোচসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ আসছে |
এর আগে গত ৫ মে এমভি ওশান গ্রেস জাহাজে দুটি ইঞ্জিন ও চারটি কোচ, ২০ জুলাই এমভি হরিজন-০৯ জাহাজে আটটি বগি ও চারটি ইঞ্জিন, ১২ সেপ্টেম্বর চারটি বগি ও দুটি ইঞ্জিন নিয়ে এমভি প্রেসার্স কোরাল এবং ২ অক্টোবর চারটি ইঞ্জিন ও আটটি কোচ নিয়ে এমভি এসপিএম ব্যাংকক মোংলা বন্দরে ভেড়ে |
মেট্রোরেলের মালামাল নিয়ে আসা জাহাজটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট এনশিয়েন্ট স্টিম শিপ কোম্পানির ব্যবস্থাপক মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, জাহাজটিতে চারটি বগি, দুটি ইঞ্জিনসহ বেশ কিছু সরঞ্জাম আছে |
চারটি বগি ও দুই পাশে দুটি ইঞ্জিন মিলে একেকটি ট্রেন/কোচ |
এ নিয়ে মোংলা বন্দর দিয়ে মোট ছয়টি জাহাজে করে মেট্রোরেলের মোট আট সেট ট্রেন (৪৮টি বগি ও ইঞ্জিন) এবং বিভিন্ন মালামাল দেশে এসেছে |
আগামী মাসে মেট্রোরেলের আরও একটি চালান দেশে আসার কথা |
এমভি ব্রাইটলি কোরাল জাহাজে করে আসা বগি-ইঞ্জিন ও যন্ত্রাংশ খালাস করে এগুলো নদীপথে ঢাকার উত্তরার দিয়াবাড়িতে অবস্থিত মেট্রোরেলের ডিপোতে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে |
সুমিত দেবনাথ|2012-04-0523:26:02+06:00এপ্রিল 5, 2012|: ধর্ম, ব্লগাড্ডা, যুক্তিবাদ|105 |
আমরা যারা বিবর্তনবাদ, যুক্তিবাদ নির্ভর চিন্তাধারা রাখি, আমাদের জানা যে এই জীবকুল,মানব সমাজ ভগবানের দ্বারা তৈরি নয় |
হুট করে মানুষকে ঈশ্বর তৈরি করে নি |
মানুষ এসেছে একটা বিবর্তনীয় ধারায় সেই দিক থেকে চিন্তা করলে সব মানুষই সমান, কেউ ঈশ্বর পেরিত সন্তান হতে পারে না |
কিন্তু যুগে যুগে বিভিন্ন ধর্মে লক্ষ্য করেছি কিছু ধূর্ত, অতিচালাক, মানব সমাজে প্রভাব সৃষ্টিকারী ব্যক্তি নিজেকে ঈশ্বরের পেরিত সন্তান হিসাবে দাবী করে নানা অলৌকিক কাহিনী সৃষ্টি করে মানব সমাজে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করে গেছে |
সেই অলৌকিক কাহিনীগুলি যীশু, হজরত মহম্মদ থেকে শুরু করে অনেক ধর্ম পুরুষদের সাথে জড়িয়ে আছে |
তবে আজ আমি যাকে নিয়ে আলোচনা করব তিনি বাংলার হিন্দুদের মধ্যে প্রভাব সৃষ্টিকারী তথাকথিত অলৌকিক শক্তিধর পুরুষ রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব |
উনাদের নিয়ে আমি তেমন আলোচনা করার মতো তেমন প্রয়োজনবোধ করি না |
কারণ আমি যখন উনাদের জীবনী পড়তে যাই তখন অলৌকিক ঘটনাগুলি বিন্দুমাত্র বিশ্বাস হওয়া তো দূরে থাক রীতিমত হাস্যকর পাগলামি বলে মনে হয় |
অথচ সাধারণ মানুষ তো বটেই অনেক উচ্চ শিক্ষিত ডক্টরেট ডিগ্রিধারী মানুষও যখন এদের অলৌকিক ক্রিয়াকলাপগুলি বিশ্বাস করে তখন দু:খই হয় |
রামকৃষ্ণ যখন তার ধর্মীয় ভাবধারা প্রচার করতে শুরু করেন, তখন বাংলা তথা ভারতে ধর্ম বিপ্লব চলছে |
ধর্মীয় গুড়ামী, কুসংস্কার, অমানবিকতার বিরুদ্ধে এবং যুক্তিবাদী সমাজ গঠনের লক্ষ্যে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ব্রাক্ষ সমাজ সহ অনেক সংগঠন সক্রিয় ছিল |
রামকৃষ্ণ কিভাবে এই সংগঠনগুলিকে ধ্বংসের পরিকল্পনা করেন তা পরবর্তীতে আলোচনা করব |
যাইহোক, যার কর্মময় জীবনটাই অলৌকিকতায় ভরা তার জন্মকে অলৌকিকতায় ভরে দেওয়া হবে তা তো স্বাভাবিকই |
যেমন যিশুর বেলায় দেখি কুমারী মায়ের গর্ভে জন্ম নেওয়া যীশুকে ঈশ্বরের পুত্র বলে চালানোর চেষ্টা, সেইরকম রামকৃষ্ণের বেলায় ও ব্যতিক্রম নয় |
যাইহোক প্রথম জন্ম দিয়ে শুরু করি তারপর না হয় কর্মে যাব |
১৮৩৫ খ্রী: রামকৃষ্ণের বাবা ক্ষুদিরাম তীর্থ ভ্রমণে যান |
স্বামীর অবর্তমানে রামকৃষ্ণের মা চন্দ্রাদেবী স্বপ্ন দেখলেন একটি জ্যোতির্ময় মূর্তি তার শয্যায় রয়েছেন! তার ঘুম ভেঙ্গে গেল |
কিন্তু তখনও তিনি যেন ঐ জ্যোতির্ময় মূর্তি দেখতে পেলেন |
মনে হল কে যেন দরজা ভেঙ্গে তার শয়ন কক্ষে ঢুকছে |
তিনি তাড়াতাড়ি উঠে আলো জ্বালেন |
কিন্তু দেখলেন, দরজায় খিল দেওয়া আছে, ঘরে কেউ নেই |
এরপর একদিন তিনি প্রতিবেশী ধ্বনি কামরানী সঙ্গে শিব মন্দিরে শিব বিগ্রহের সম্মুখে দাঁড়িয়েছিলেন |
শিব বিগ্রহ থেকে একটি জ্যোতির্ময় শিখা বিচ্ছুরিত হয়ে তীর-বেগে তার দিকে ছুটে আসলো |
এ সম্পর্কে ধ্বনীকে তিনি কিছু বলার আগেই তিনি সংজ্ঞা হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন |
ধ্বনি তার চোখে মুখে জল দিয়ে তার মূর্ছা ভাঙ্গিয়ে তাকে ঘরে আনলো |
সে তার কাছে আনুপূর্বক ঘটনা শুনে ভাবলো চন্দ্রার মাথায় অসুখ হয়েছে |
কিন্তু চন্দ্রাদেবী ভাবলেন তিনি সন্তান সম্ভব্য হয়েছেন |
এইভাবে অলৌকিকতার মধ্য দিয়ে ১৮৩৬ খ্রী: ১৮ই ফেব্রুয়ারি তারিখে জন্ম হয় গদাধরের (রামকৃষ্ণের) (ঠাকুর রামকৃষ্ণের জীবন ও বাণী - স্বরূপানন্দ - পৃ: ৮) |
এইবার বুঝুন ঠেলা, গর্ভসঞ্চারের কি সুন্দর ব্যাখ্যা! এইভাবে যদি ভগবানের গর্ভসঞ্চারের ক্ষমতা থাকতো তাহলে পৃথিবীতে পুরুষ প্রাণীর কোন প্রয়োজন থাকত না |
সব পুরুষ প্রাণীগুলি প্রাকৃতিক নির্বাচনে বিলুপ্তির পথে ধাবিত হত |
আমার মনে হয় এইসব ধর্ম-পুরুষদের পাশে এইসব কাহিনী জুড়ে তাদের অপমানিত করেছে তাদের শিষ্যরা |
উপরিউক্ত ঘটনা হাস্যকর তো বটেই |
আর যদি তা বিন্দুমাত্র সত্যি হয় তা হলে নারীর কোকিলা-চরণের একটা আভাস পাওয়া যাচ্ছে |
যীশু বা রামকৃষ্ণের জন্মের অলৌকিকতা দান করতে গিয়ে রীতিমত তাদের অবৈধ সন্তানের পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন তাদের শিষ্যরা |
রামকৃষ্ণকে যেভাবে দয়ালু সবধর্মে বিশ্বাসী বলে সর্বস্তরে প্রচার করা হয় |
আসলে তিনি কতটুকু দয়ালু ছিলেন যথেষ্ট সন্দেহের অবকাশ রাখে |
উনার জীবনী পড়তে গিয়ে আমার মনে হয়েছে তিনি ছিলেন চরম বর্ণ বিদ্বেষী, ব্রাহ্মণ্যবাদী |
দু একটা ঘটনা দিয়ে উদাহরণ দেই - |
রামকৃষ্ণ ছিলেন দারিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারের ছেলে |
চরম দারিদ্র্যের কারণে তার ভাই রামকুমার দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দিরের পৌরহিত্য গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেন |
অথচ সেই মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা রাণী রাসমণি ছিলেন তথাকথিত শূদ্র বংশের |
ভাইয়ের শূদ্রের মন্দিরের পৌরহিত্য গ্রহণ করার তীব্র বিরুধী ছিলেন রামকৃষ্ণ |
প্রতিবাদ করতে গিয়ে তিনি রামকুমারকে বলেছিলেন - "আমার পিতা ও পূর্বপুরুষরা কেউ শূদ্রের অন্ন গ্রহণ করেনি, এই মন্দিরে পৌরহিত্য গ্রহণ করে তিনি সর্বপ্রথম একাজ করবেন এবং তাতে চাটুজ্জে পরিবারের কলঙ্ক হবে |
তারপরও রামকুমার ঐ মন্দিরের পুরোহিত হয়েছিলেন এবং রামকৃষ্ণকে সেখানে নিয়ে যান |
অনিচ্ছা সত্ত্বেও রামকৃষ্ণ ভাইয়ের মনযোগাতে সেখানে যান ঠিকই কিন্তু রীতিমত বেঁকে বসেন |
তিনি মন্দিরের প্রসাদ গ্রহণ করতে অস্বীকার করেন এবং স্বহস্তে রান্না করে খেতেন |
শেষে অনেকটা বাধ্য হয়ে মন্দিরের পৌরহিত্য গ্রহণ করেন এবং কালী সাধক হয়ে উঠেন |
আরেকটা ঘটনাবলি - একদিন তিনি সম্পূর্ণ উলঙ্গ অবস্থায় একগাছের তলায় বসে সাধনা করতে বসেছেন |
সেই সময় উনার ভাগ্নে এই অবস্থায় দেখতে পেয়ে জিজ্ঞেস করল - "মামা তুমি পৈতে খুলে রেখেছে? অথচ ব্রাহ্মণদের পৈতে খুলে রাখা অনুচিত |
এর উত্তরে রামকৃষ্ণ ভাগ্নেকে বললেন - "আমি ব্রাহ্মণ, সকলের চেয়ে বড়' - এই অভিমানের চিহ্ন এবং একটা পাশ, মাকে ডাকতে হলে ঐ সব ফেলে রেখে একমনে ডাকতে হয় |
তাই পৈতে খুলে রেখেছি |
ধ্যান করা শেষ হলে ফিরবার পথে আবার পরব |
এখানে প্রশ্ন থাকে ব্রাহ্মণ, সকলের চেয়ে বড় এটা যদি অভিমানের চিহ্ন এবং পাশ হয় তবে ধ্যান শেষে পৈতে পরবার প্রয়োজন কি? না কি অদৃশ্য ভগবানের কল্পনা করার সময় আমি ব্রাহ্মণ নই সাধারণ মানুষ আর মানব সমাজে ফিরে আসলে "আমি ব্রাহ্মণ, সকলের চেয়ে বড়" ? তাই মনে হয় আসল কথা |
ছোটবেলা থেকেই রামকৃষ্ণ ছিলেন হিষ্টিরিয়ার রোগী |
হঠাৎ হঠাৎ তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়তেন |
আর এই রোগকে পল্লবিত করতে গিয়ে তার শিষ্যরা বলেন তিনি নাকি মাঝে মধ্যে ভাব সমাধিতে চলে যেতেন |
তাছাড়া ছিল উনার হরমোনের সমস্যা যার জন্য উনার মধ্যে পুরুষালি ভাবগুলি কম ছিল |
এই কারণই হয়তো উনাকে বিবাহিত জীবন থেকে ব্যর করেছিল |
এই প্রসঙ্গে স্বরূপানন্দ তার ঠাকুর রামকৃষ্ণের জীবন ও বাণী বইতে বলেছেন - |
"সাধন-কালে রামকৃষ্ণ মাঝে মাঝে মথুরবাবুর(রাণী রাসমণির জামাতা) বাড়ীতে মেয়েদের সঙ্গে সময় কাটাতেন |
মেয়েরা রামকৃষ্ণের সান্নিধ্যে কোনরূপ সংকোচ করত না |
রামকৃষ্ণ তাদেরই একজন এই বোধ তাদের মধ্যে সঞ্চারিত হয়েছিল |
বাল্যকাল থেকে যখন কলসি কাঁধে জল নিয়ে বাড়ী ফিরতেন তখন কেউ তাকে পুরুষ বলে বুঝতেই পারতো না |
এখানেও অন্ধবিশ্বাসী শিষ্যরা উনার মহত্ব বাড়াতে এই হরমোনের সমস্যাকে কালীর ভর বলে এখনও চালায় |
যাইহোক রামকৃষ্ণের লোক দেখানো গরীব দরদ সম্পর্কে একটু দৃষ্টিপাত করি - |
তিনি একবার দেওঘরের বৈদ্যনাথ মন্দির দর্শনে গিয়েছিলেন |
রামকৃষ্ণ একদিন পার্শ্ববর্তী একটি গ্রাম দিয়ে যাওয়ার সময় এখানকার গ্রামবাসীদের দারিদ্র করুন অবস্থা দেখে কাতর হলেন এবং জমিদার মথুর বাবুকে এই সব দারিদ্র লোকদের অন্ন বস্ত্র দিতে বললেন |
মথুর বাবু ইতস্তত করে বললেন |
"এই তীর্থ যাত্রায় অনেক টাকা লাগবে |
তাই এদের সাহায্যে করা আমার দ্বারা সম্ভব নয় |
কিন্তু রামকৃষ্ণ এদের শোচনীয় দু:খ দারিদ্র দেখে কাঁদতে লাগলেন "ছি: ছি:! তুমি কি বলছো? আমি এদের ছেড়ে বারানসিও যেতে চাই না |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.