content
stringlengths
0
129k
যখন এই কার্য-কারণ সম্পর্কে কে পূর্বের অভিজ্ঞতা দিয়ে সম্পর্কিত করা সম্ভব হয় না তখন আমরা তাকে অযৌক্তিক বলে থাকি
আমার কথা হল- আমার অভিজ্ঞতায় যা নেই, তা অন্য কারো অভিজ্ঞতায় থাকবেনা এটি ধরে নেয়াটা চিন্তার সীমাবদ্ধতা
যুক্তি যাকে ব্যাখ্যা করতে পারেনা তা অসম্ভব- এটি মেনে না নিয়ে ঘটনাটি ব্যাখ্যায় যুক্তি অপারগ- এভাবে ভাবা যেতে পারে
রামকৃষ্ণ বিষয়ে যা ভাবি-
রামকৃষ্ণের ভক্তকূল তার অনেক কিছুকেই ভক্তিরসে ডুবিয়ে অতিরঞ্জিত করেছেন- আপনার এ বক্তব্যের সঙ্গে আমি একমত
তবে, এগুলো আমার কাছে গৌণ
আমার কাছে সবচেয়ে আবেদন রাখে ধর্মতত্ত্বের গভীর বিষয়ে তার সহজ ভাষ্য
আরেকটি বিষয় স্বীকার করা যাক
সৃষ্টি জগতের পেছনে কোন কারিগর আছেন কিনা এই প্রশ্ন আমাকে দ্বিধায় ফেলে দেয়
কিংবা রামকৃষ্ণের মত অনেক মানুষকে দিব্যপুরুষ জ্ঞানে দেখার বিষয়টি সেই দিব্যপুরুষদের সম্মোহন কিনা এই প্রশ্নও বার বার উদয় হয়
এই জায়গায় এসে একটি বিষয় আমাকে পক্ষপাতী করে তুলেছে ক্রমশ
নরেন্দ্রনাথ এর মত আধুনিক যুক্তিবাদী তরুণ, যিনি ঠাকুরকে মুখের উপর সরাসরি ভণ্ড বলেছিলেন, ঠাকুরের সংস্পর্শে তার জীবনের পথ গেল বদলে
এখানে এসে আমি সংশয়বাদী থেকে ক্রমশই আস্তিক
অক্টোবর 29, 2019 10:47 পূর্বাহ্ন -
একটা মানুষের দোষ ত্রুটি না থাকাটাই অস্বাভাবিক...রামকৃষ্ণ সম্পর্কে আমরা যা জানি তার অধিকাংশটাই শ্রীম রচিত কথামৃত থেকে...সেটা যে 100 ভাগ নির্ভরযোগ্য একটা ঐতিহাসিক নথি এর কোনো মানে নেই...বিবেকানন্দরও অনেক কথা পরস্পর বিরোধী..শুধু কথামৃত পড়ে আপাত ভক্তিতে মজে আমাদের ব্যাক্তিগত জীবনে যথার্থ ধর্মলাভ হয় না
হাঁ তিবে কিছু চরিত্র গঠন হইতে পারে মাত্র. বিদেশি তথা একজন মেয়ে(সিস্টার নিবেদিতা) হয়ে এই দেশের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এদেশের জন্য নিজের জীবন সমর্পন করে, সেই মেয়ে রামকৃষ্ণ মিশন এর কেউ হয়না বলে তারিয়ে দেয় সেই প্রতিষ্ঠানের পুরুষ লিঙ্গধারী ব্যক্তিরা কদর্য বিবেকহীন নয়তো কি ??!!
শিপ্রা মার্চ 27, 2019 10:01 অপরাহ্ন -
লেখকের ভেবে দেখা উচিত ছিল যে পরমপুরুষ শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের মা কুমারীও ছিলেন না বা স্বামী র সঙগে থাকতেন না এমনও নয় তাহলে তাঁর গর্ভবতী না হওয়ার কারণ কী? আর সন্দেহের অবকাশ কোথায় তা হলে কি উনি ওনার মায়ের গর্ভবতী হওয়ার ব্যাপারে ও সনদেহ করেন???
পল্লব জানুয়ারী 11, 2019 12:04 পূর্বাহ্ন -
দয়াকরে সম্পূর্ন লিখাটা পরবেন
আচ্ছা ধরে নিলাম উনি পাগল, অসুস্থ
তবে কেন তিনি বললেন "ছাদে যাবার যেমন অনেক পথ আছে তেমনি ঈশ্বরের কাছে পৌছানোর ও অনেক পথ আছে,কেন তিনি খৃষ্টান ও মুসলিম ধর্ম মতে সাধন করতে গেলেন?
কেনই বা তিনি সব ধর্মই যে মানবতাবাদী,ধর্মে ধর্মে যে কোন ভেদ নেই তা বলে গেলেন?আর কেনইবা রবীন্দ্রনাথ উনাকে উৎসর্গ করে লিখলেন " বহু সাধকের সাধনার ধারা ধ্যায়ানে তোমার মিলিয়াছে তারা,তোমার আগমনে নতুন তীর্থ জন্মিল এ ধরাতে
"-আমার জানা মতে রবীন্দ্রনাথ তো পাগল ছিলেন না
কি প্রয়োজন পরলো উনার কবিতা উৎসর্গিত করার
ততদিনে তো তিনি নোবেল পেয়ে গিয়েছিলেন? কেন অযথা অসুস্থ, পাগল, সামান্য মানুষের জন্য উনার প্রান কাঁদল? কেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর উনার সম্মূখে নত মস্তকে দারালেন
উনি তো বিদ্যাসাগর ছিলেন,তার পরও কি কুসংস্কার গেলো না বিদ্যাসাগরের????
নাকি সত্যিই কোন কারণ ছিল উনাদের এরূপ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করার????????????????????????
আর শেষ কথা মানুষ মাত্রই ভুল, আপনি কি উনার জীবনি ও বানী থেকে কিছুই পান নি যা শুধু হিন্দু নয় পুরো মানব জাতির জন্য শিক্ষনীয়? যদি আপনার উত্তর না হয় তবে আপনি পুনরায় উনার সম্পর্কেজানার চেষ্টা করুন
কারন জোর করে কিচ্ছু চাপানো সম্ভব না, যদি সম্ভব হয় ও তা হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয় না
কারন সত্য একদিন ঠিকই প্রকাশিত হয়
আর আমি একজন ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বিশ্বাস করি আল্লাহ / ভগবান বলে অবশ্যই একজন আছেন
যদি পৃথিবীর সব অঞ্চলের সংস্কৃতি ও ভাষা এক হতো তবে সব ধর্ম ও রীতি, এবং নাম ( আল্লাহ, ভগবান) একই হত
আগস্ট 7, 2018 10:36 পূর্বাহ্ন -
আপনার মতে কি ঈশ্বের যুক্তি আছে? তবে আমার দেখা একটি সাধারণভাবে রাখা ছোট পাথরের শিবলিঙগ কিভাবে মেঝের উপর সেটে যার? বহুচেষ্টার পর বহু লোকের চেষ্টাতে এটি নরেবসে, যা আর পরে কোনদিন এটি বসেনি
তবেকি এটা চু্মবক্ত না ,আলাদা কিছু? দাদা সঠিক যুক্তিদেবেন, কারণ আমি একজন .
তিতলি ডিসেম্বর 19, 2017 7:32 অপরাহ্ন -
লেখাটির মধ্যে উদারমানসিকতা নেই
পুরোটাই একজন যুগপুরুষকে পঙ্কিল করার চেষ্টা
এটা মুক্তমানসিকতার পরিচয় নয়
মুক্তমনা তিনি ছিলেন বলেই এতকাল তিনি বাঙালীর ঘরে ঈশ্বররূপে পূজিত
জুলাই 22, 2018 7:49 অপরাহ্ন -
তিতলি উদারমানসিকতা বলতে ঠিক কী বুঝিয়েছেন তা বোধগম্য নয়
মনুষ্য সমাজে ব্যক্তিপূজা প্রাচীন কাল থেকেই প্রচলিত
প্রাচীন সমাজে ক্যারিশম্যাটিক কিছু করে দেখাতে পারলেই তিনি হয়ে যেতেন নবী, ঈশ্বরের দূত, দেবতা ইত্যাদি ইত্যাদি
অথচ তারাও ছিলেন রক্তমাংসের মানুষ এবং সকল মানবিক দোষত্রুটি‌যুক্ত
কিন্তু তাদের ভক্তরা তাদের প্রতি এতোটাই অন্ধ ছিলেন যে, তাদের বিন্দুমাত্র দোষত্রুটিও তাদের চোখে ধরা পড়ত না, বরং তাদের ত্রুটি বিচ্যুতিগুলোর একটা অলৌকিক ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়ে তাদেরকে ঈশ্বরের পর্যায়ে নিয়ে যেতেন
অক্টোবর 23, 2017 2:00 অপরাহ্ন -
সবধর্ম চর্চাতেই ভুল আছে
তবে রামকৃষ্ঞ হিন্দুধর্মে উদারতার আহ্বানও করেছেন
ঈশ্বরের সঙ্গে আত্মিক মেলবন্ধন স্থাপন করেছেন
জীবকেই শিব বলেছেন
বলেছেন সব ধর্মই এক
যে যেমন ডাকে - - -ওয়াটার পানি জল
ধর্ম বিপ্লবে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য
তবে যুগ প্রভাবতো থাকবেই
জুলাই 22, 2018 7:52 অপরাহ্ন -
সব ধর্মই যদি এক হয় তবে, কোরান আর বেদ একই জিনিস
কিন্তু কোরান এবং বেদের অনুসারীরা কি তা স্বীকার করেন? সব ধর্ম এক-এটা সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার জন্য এক সস্তা শ্লোগান
ক্যাপ্টেন নিমো অক্টোবর 1, 2020 2:08 অপরাহ্ন -
১০০ বছর পড়ে দেখবেন, রাম রহিম, আল্লামা সফিদেরকে এভাবেই মাথায় তুলে নাচা হবে
তখন তাদের নিয়েও এসব মিথ তৈরি হবে
ধর্ম এভাবেই টিকে থাকে
অক্টোবর 20, 2017 3:45 অপরাহ্ন -
আপনার জ্ঞানচক্ষু খোলার প্রয়োজন আছে
জুলাই 22, 2018 7:55 অপরাহ্ন -
জ্ঞান আপেক্ষিক জিনিস
বলুন তো কে বেশী জ্ঞানী, ইসকনের শ্রীল প্রভুপাদ নাকি স্বামী বিবেকানন্দ? কিন্তু শ্রীল প্রভুপাদ তো স্বামী বিবেকানন্দকে একটা রাস্কেল বলে অভিহিত করেছেন, আর ইন্দিরা গান্ধীকে বেশ্যা
দিব্যজ্যোতি আগস্ট 8, 2017 5:18 অপরাহ্ন -
রেফারেন্সগুলো না দিলে চলে?
অক্টোবর 30, 2016 2:12 পূর্বাহ্ন -
আর ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি ঠিক না
যার যার ধর্ম তার তার কাছে
জুলাই 22, 2018 7:58 অপরাহ্ন -
এটা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি নয়, মানুষের মধ্যকার ধর্মান্ধতাকে দূর করে আলো জ্বালার প্রচেষ্টা
মানুষের ধর্মান্ধতাকে পুঁজি করে ভারতে বহু ধর্মগুরুরা এখন ধর্ষণের দায়ে কারাগারে আছেন
ধর্ষণের শিকার যারা তারা যদি ধর্ম কি তা আসলেই বুঝতে পারতো তাহলে ওই গুরুদের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হতে হতো না
অক্টোবর 30, 2016 2:08 পূর্বাহ্ন -
ভাই. ভালো লাগলো
অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অক্টোবর 20, 2015 11:59 পূর্বাহ্ন -
বিক্রম মজুমদার, আপনি বলছেন - "সেই সময় আনেক বড় বড় ডাক্তার এবং কবিরাজ তার সান্নিধ্যে এসেছিলেন, তারা কি এই ব্যাপারটি ধরতে পারেন নি
" আপনাকে বলি - থাকতেই পারে
ডাক্তার-কবিরাজ কেন, বিজ্ঞানীরাও থাকতে পারে
তাতে কী হল ? তাঁরা তো রামকৃষ্ণের চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে যাননি
তাঁরা ভক্ত
ভক্তের চোখ বন্ধ থাকে, কিংবা অর্ধ-নিন্মীলিত
তাঁরা রামকৃষ্ণের হিস্টিরিয়া নির্ণয় করতে আসতেন না, আসতেন ধর্মকথা শুনে পুণ্যার্জন করতে
আগ বাড়িয়ে কেন বলতে যাবে 'উনি হিস্টিরিয়া রোগী'
রামকৃষ্ণের যে হিস্টিরিয়া ছিল তা বুঝতে ডাক্তার-কবিরাজ লাগে না
রামকৃষ্ণের পরিবার কখনো নিজেদের উদ্যোগে মানসিক ডাক্তারকে দেখিয়েছেন ? দেখাননি
উলটে রামকৃষ্ণের এই অস্বাভাবিকতাকে তোল্লা দিয়ে ধান্ধাপানি করে নিয়েছেন
শুধু পরিবারই নয়, তাঁর চারপাশে সবসময় ঘিরে থাকা আপ্ত্য-সহায়করাও এ সুযোগ হাতছাড়া করেননি
এখনও চোখ-কান খোলা রাখলে দেখতে পাবেন শিশুর অস্বাভাবিক জন্মকে কাজে লাগিয়ে ঈশ্বর বানিয়ে তার পরিবারেরা ধান্ধাপানি করে চলেছেন
সময় বদলেছে
রামকৃষ্ণের যুগ আর নেই
এই ধান্ধাপানির ব্যবসা কিছুদিন পর হুমড়ি খেয়ে পড়ে
সঠিক চিকিৎসায় সেরে ওঠে
রামকৃষ্ণের দুর্ভাগ্য ! তিনি পরিবার এবং স্তাবকদের লালসার শিকার
তাঁর আরও বেশি সর্বনাশ হয়েছে বিবেকানন্দ আসার পর থেকে
সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা পাননি