content
stringlengths
0
129k
যথাযথ চিকিৎসা পেলে আর পাঁচটা মানুষের মতো গদাধর চট্টোপাধ্যায়ও সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারতেন
তিতলি ডিসেম্বর 19, 2017 7:15 অপরাহ্ন -
ধান্ধাপাণি শব্দটি আর যার সাথেই হোক এর ব্যাপারে খাটবেনা
তখনকার ভারতের সামাজিক পটভূমি জানলে এমন কথা আপনি বলতেননা
তাছাড়া তার পরিবার কোনদিন তাকে নিয়ে ঐ "ধান্দাপাণি" করেনি
কারণ তারা সৎ ছিলেন
তার হিস্টিরিয়া রোগ থাকতেই পারে
কিন্তু একজন তথাকথিত অশিক্খিত মানুষ ধর্মের উর্ধে যে মানবিকতার পাঠ দিয়েছিলেন সেটা বুঝতে গেলে মন লাগে
সেটা সবার থাকেনা
আর অবশ্যই মহাপুরুষের জীবনী পাঠ করতে হয়
পরের মুখের ঝাল খেলে চলেনা
অয়ন অক্টোবর 18, 2015 8:15 অপরাহ্ন -
আগে নিজে ভেবে দেখুন যে কথা গুলো আপনি বলছেন তার মানে টা কী ?
যীশু ও নিজের 12 জন শিষ্য কে পাহাড়ের ওপর নির্জনে সন্নাসী জিবনের কথা আলাদা করে বলেছিলেন . এ আছে আর সধারন মানুষ কে ভিন্ন কথা বলেছেন
একটি মানুষ দুটি যায়গায় দু রকম কথা বলতেই পারে যেমন নিজের বৌ কে স্ত্রী এবং জননী কে মা
যদিও দুজনই মহিলা কিন্তু ওধিকার আলাদা
তেমনই গৃহী আর সন্নাসী শিষ্য দের আলদা উপদেশ সব কথার উত্তর আমি দিতে পারি আগে নিজের মাথার চিন্তা গুলি উন্নত করুণ আশা করি আপনি বুঝতে পেরেছেন
বিক্রম মজুমদার জুলাই 25, 2015 1:13 অপরাহ্ন -
লেখকের লেখা পড়ে নিজকে একটু শুধরে নিতে চাই
কারন, যেকোন বিষয়ে বা কারো সম্বন্ধে কিছু বলতে গেলে আমাদের দেখা উচিত যেন কারো অস্নমান নাহয়
যুক্তি-ত্রকের দ্বারা নিজের জ্ঞান ও বিষ্যকে উপরে নেওয়া যেতে পারে, কিন্তু অপরজনকে অস্নমান করে নয়
লেখক তার লেখায় বলেছেন মানুষ ও সমাজ ঈশ্বর দ্বারা তৈয়ারী নয়
মানুষ এসেছে একটা বিবর্তনীয় ধারায় সেই দিক থেকে চিন্তা করলে সব মানুষই সমান, কেউ ঈশ্বর পেরিত সন্তান হতে পারে না
একে মেনে নিয়ে জিজ্ঞাসা করছি, "জীবের প্রাণ বা আত্মা" কোথাথেকে আসে? সেকি বিব্রত্নীয় ধারার কোন ধারা দিয়ে প্রাবাহিত হয়
ঈশ্বর বলে কেউ নেই, এ কথা ঠিক, কিন্তু সৃষ্ঠি হওয়ার কারন সঠিক ভাবে জানা দরকার
শুধু লেখকে র কাছে আবেদন, তিনি যেন এই জীব সৃষ্ঠির কারনটা সঠিক ভাবে ব্যাখ্যা করেন
তিনি একযায়গায় বলেছেন যে, 'হুট করে মানুষকে ঈশ্বর তৈরি করে নি' , এতে কি বুঝায়? লেখক কি ক্রম প্রয্যায়ে সেই ঈশব্রের উপর নিরভ্রশীল হয়ে গেলন না
আমার মনে হয় লেখক নিজে আত্মবিশ্বাসী নন
লেখক কি লিখতে গিয়ে কি লেখলেন তা একবার যেন ভালো করে ভাবেন
কোন কিছু লেখার উপর প্রমান স্বরূপ বিষয় উথপ্ন করা বা ব্যাখ্যা করা উচিত
না হলে বিষয়টি খেলো হয়ে জায়
আমি প্রথমে ব্লেছি যে, কাউকে অপমান করে কিছু বলা ঠিক নয়
লেখক যে ভাবে রামকৃষ্ণএর জন্ম সম্বন্ধে ইঙ্গিত করেছেন, সেটা ঠিক হয়নি বলে মনে হয়
অলৌকিক ভাবে কখনও গর্ভ সঞ্চার হয়না
মা একজন নারী, প্রকৃতি, তার সম্বন্ধে খারপ ইঙ্গিত করা একজন জ্ঞানী ব্যাক্তি হিসাবে শোভা পায়না
এরচেয়ে বেশী কিছু ব্লাটা ঠিক হবেনা মনে হয়
আর একটা বিষয়, রামকৃষনণের হিস্টিরিয়া রোগ ছিল, তা ধরে নিইয়ে বলছি, সেই সময় আনেক বড় বড় ডাক্তার এবং কবিরাজ তার সান্নিধ্যে এসেছিলেন, তারা কি এই ব্যাপারটি ধরতে পারেন নি
লেখকের এই সম্বন্ধে কি প্রামান আছে, তা দেওয়া উচিত
তার উপর তার হ্রমহ্নের যে সমস্যা ছিল, সেই বিষয়ে লেখকে প্রামান দেওয়া উচিত
তবে পাঠক সমাজ সঠিক ভাবে গ্রহণ করতে পারবে
সব সমালোচকই রামকৃষ্ণ মিশনে থেকে পড়াশুনা বা প্রতিপালিত হ্ননি
কেউ কেউ ছদ্মনামে নিজকে জাহির করতে গিয়ে, শুকনো ডালা ভেঙে পড়ে হাত-পা ভাংবে
ব্লগে লেখা সহজ, কিন্তু প্রকাশ্যে তা পারা যায়না
সর্ব শেষে বলব যখন লিখেছেন, তার উত্তর যারা চাইবেন , তাদের দিতে হবে
শ্তদ্রু ব্যানারজ্জীর ক্তহাগুলি র স্টহিকভাবে উত্তর দিবেন বলে আশা রাখি
সোজাকথা জুলাই 25, 2015 1:35 পূর্বাহ্ন -
তথ্য সমৃদ্ধ লেখা
তথ্য আর একটু ভরপুর হলে আরও ভাল লাগত
লেখার প্রসঙ্গে কিছু কথা
আমি দেখেছি যারা মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিত তারা মহম্মদ এবং আল্লার বিশ্বাসে অটল
যারা হিন্দু মঠের শিক্ষায় শিক্ষিত তারা ভগবান বা ভগবানের কোন চ্যালার ওপর বিশ্বাস করে
তেমনি বৌদ্ধ মঠে শিক্ষিত ব্যক্তিরা ভগবান বুদ্ধকে বিশ্বাস করে
খ্রিষ্টানদের ক্ষেত্রে তেমনি, খ্রিষ্টান মিশনারিরা প্রভু যিশু এবং গডে বিশ্বাস করে
আল্লা,ভগবান,গড বা এদের কোন শাগরেদ নামে পরিচিত মহান ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন কথা তুললেই, এইসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তিরা রে রে করে ওঠে
কার্যক্ষেত্রে কিছু কিছু সময় ধারালো অস্ত্র নিয়ে নাস্তিক বলে ঘাড়ে লাফিয়ে পড়েন
আপনি আপনার লেখার শেষপাতে একজন একজন ডক্টরেট ডিগ্রিধারী ব্যক্তির সাথে আপনার বিতন্ডার কথা শুনিয়েছেন
যতদূর জানি আমার কথা মিলে যাবে - আপনি খোঁজ নিয়ে দেখুন উনি কত ছোটবেলা থেকে রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠে পড়াশুনা করেছে, ধুতি পরে প্রেয়ার করেছে,মিশনের চন্নমেত্ত খেয়েছে এবং দিনের পর দিন কুসংস্কারের নিগড়ে ডুবেছে
এই ধরনের মানুষের ডিগ্রি দেখে চমকাবার কিছু নেই
কারন- প্রকৃত শিক্ষা নিশ্চয়ই অন্যের দ্বারা চালিত হওয়া নয়, নিজের বুদ্ধির উন্নয়ন ঘটিয়ে বাস্তববোধ নিয়ে চলাই প্রকৃত শিক্ষা
রামকৃষ্ণদেব সম্বন্ধে যে অলৌকিক মিথ্যে কাহিনিগুলো প্রচলিত আছে তা নিয়ে এরকম বিভিন্ন ডিগ্রিধারী লোক বিভিন্ন বই লিখেছেন
ওইসব অপরিচিত ডিগ্রিধারী লেখক এবং আপনার পরিচিত ডিগ্রিধারী ব্যক্তিটি বাস্তব জীবনে কারুর মধ্যে ওই অলৌকিক ঘটনার যেকোন একটি ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছেন ? ওনারাও জানেন সত্যি ঘটনাগুলো বাস্তবিকই ঘটা সম্ভব নয়
কিন্তু কি করা যাবে ছোট থেকে মহারাজের অঙ্গুলিহেলনে মানুষ, মহারাজের চাপকানিতে শেখা কথাগুলো নিশ্চয়ই ভুল হতে পারে না
তাই পরের মুখে শেখাবুলি নিয়ে যুক্তিতে না পেরে অগত্যা হাতাহাতি করতে হয়
সেজন্য ডিগ্রি দেখে কিছু ভাববেন না
কালের স্রোতে ভেসে পূঁথি মুখস্ত করলে , , ........ডিগ্রি বাড়তেই থাকে
প্রকৃত শিক্ষা হয় কী ? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, টমাস আলভা এডিসন, ষ্টিভ জোবস প্রভৃতি বরেন্যে ব্যক্তিবর্গের বিশেষ কোন প্রতিষ্ঠানিক ডিগ্রি ছিল না
অথচ এরা নিজ নিজ পরিসরে দিকপাল
আমার চেনা জানার মধ্যে দেখেছি বড় বড় ডিগ্রিধারী ব্যক্তি বিগ্রহকে সাষ্টাঙ্গে প্রনাম করছে, অন্ধ কুসংস্কার হাতে বেঁধে গলায় ঝুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, ধর্মের মতো অন্ধকারকে নিয়ে তর্ক করছে
এদের দেখে লজ্জিত হই, কিন্তু এগিয়ে যেতে ভয় পাই না
ঈশ্বর দেখা বা ঈশ্বরের সাথে কথা বলা মনোবিজ্ঞানের ভাষায় একটি মানসিক রোগ
এই বিশেষ মানসিক রোগকে সিজোফ্রেনিয়া বলে
শ্রী শ্রী ঠাকুর রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব এই মানসিক রোগে আক্রান্ত ছিলেন
শুধু রামকৃষ্ণদেব নয়, বহু সিদ্ধ পুরুষ এই মানসিক রোগে আক্রান্ত ছিলেন
ঠিকমতো চিকিৎসা হলে এই রোগ সেরে যায়
রামকৃষ্ণদেবের শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দের বহুচর্চিত একটি বাণী হল - "গীতা পাঠ অপেক্ষা ফুটবল খেলা অনেক বেশী শ্রেয়"
প্রশ্ন হলো এই কথাটি বিবেকানন্দ নিজে বিশ্বাস করতেন ? কিংবা তার গুরুজী ? শিকাগো মহাধর্ম সভায় বিশ্বের মাঝে হিন্দুধর্মের প্রানপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন যে ব্যক্তিটি তিনি বিবেকানন্দ
এহেন ব্যক্তির মুখে গীতার অবমাননা অবাক হতে হয়
যেখানে গীতা হিন্দুধর্মের প্রধান ধর্মগ্রন্থ গুলির মধ্যে অন্যতম
কট্টর হিন্দুবাদীরা প্রমাদ গুনলেন, হঠাৎ করে কিছু বললেন না
কারন তারা জানতেন বিবেকানন্দ হিন্দুত্ববাদী, হিন্দুত্বের বরপূত্র- নিশ্চয়ই বিবেকানন্দের এমন উক্তির পেছনে গূঢ় অভিসন্ধি আছে
তাই তা না বুঝে কিছু হঠাৎ বলা যাবে না
কী ছিলো এই গূঢ় অভিসন্ধি ? অতি বুদ্ধিমান বিবেকানন্দ বুঝতে পেরেছিলেন আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত, বিশেষত নবযৌবন প্রাপ্ত যুব সমাজ প্রাচীন ঘোরতর অন্ধকার কাটিয়ে নবজাগরন দেখতে চাইছে
এদের আয়ত্ত করা খুবই মুশকিল
ঈশ্বর দিয়ে এদের আর আটকানো যাবে না
এরা নতুন কথা চাইছে, নতুন সমাজ চাইছে
বুদ্ধিমান বিবেকানন্দ এহেন চটকদারী মন্তব্য করে যুব সমাজকে বিভ্রান্ত করে আশ্রমে আনতে লাগলেন
কট্টর হিন্দুত্ববাদীরা অলক্ষ্যে হাসলেন
যুব সমাজ ভাবল বুঝি নতুন কিছু পেয়েছি
কিন্তু কিছুদিন পর তাদের অনেকেরই মোহভঙ্গ হয়েছে
এতো নতুন গ্লাসে পূরনো মদ
গিয়ে দেখা গেল সেই ভগবানে প্রনাম, সেই বই পড়া (বইগুলি রামকৃষ্ণ ও বিবেকানন্দ সম্বন্ধীয়, গীতাকে একটু পাশে সরিয়ে রেখে আর কী),কিন্তু ফুটবল বলে কিছু নেই
তাহলে আমরা গিয়ে কী দেখলাম -
সেই তো রানী, সেই তো রাজা, সেই তো একই ঢ়াল তলোয়ার,
সেই তো একই রাজার কুমার পক্ষীরাজে,
শুনব না যা, ওসব বাজে
তিতলি ডিসেম্বর 19, 2017 7:27 অপরাহ্ন -
যে চ্যালার কথা আপনি বললেন সেই চ্যালার স্ত্রী একদিন বলেছিলেন যে যদি গুরুর কোন কথা নিয়ে দ্বিধা থাকে তাহলে তাকে মুখোমুখি প্রশ্ন করো
গুরু বলে তার কথা অন্ধভাবে মেনে নিওনা
আর বিবেকানন্দ একদা দেখেন যে যুবসমাজ ধর্মচর্চা করে যেন নিজেদের স্বাভাবিক বৃত্তিকে ধ্বংস করে ফেলছে
তাই তিনি একথা বলেছেন যেটি স্বাধীনতা সংগ্রামে বিপ্লবীদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল