content stringlengths 0 129k |
|---|
কিন্তু লোকমান আর ভোলা এই শহরে টিকে গেলো |
এবং বিক্রমপুরের ঝি কমলাকে একদম ভুলে গেলো |
২রা এপ্রিল সারা বাংলাদেশে এক যোগে শুরু হয়েছে ২০১৭ সালের এইচ.এস.সি ও আলিম পরীক্ষা |
তারই অংশ হিসাবে আশাশুনির বিভিন্ন কেন্দ্রেতে শুরু হয়েছে এইচ.এস.সি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষা |
এ বছর এ পরীক্ষায় আশাশুনির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন সহকারি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোর্শারিফ হুসাইন |
এ সময় তিনি আশাশুনি কলেজ কেন্দ্র, আশাশুনি মহিলাকলেজ কেন্দ্র, আশাশুনি আলিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্র ও দরগাহপুর কলেজিয়েট কেন্দ্র পরিদর্শন করেন |
তাকে প্রথমদিনে পরীক্ষার পরিবেশ সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি জানান প্রথম দিন তিনি যতোগুলো কেন্দ্রে গিয়েছেন সবগুলো পরীক্ষাকেন্দ্রের পরিবেশ সন্তোষজনক |
কোন অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটেনি এবং আগামী পরীক্ষাগুলোতে যাতে এই ধরনের পরিবেশ বজায় থাকে তার জন্য সকলের কাছে অনুরোধ করেছেন |
করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে প্রায় তিন মাস ৬০ শতাংশ বাড়তি ভাড়া ছিল গণপরিবহনে |
তবে অনেক ক্ষেত্রেই অভিযোগ ছিল স্বাস্থ্যবিধি না মেনেও বাড়তি ভাড়া নেওয়া হয়েছে |
এবার আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে সেই ভাড়ার পরিবর্তে আগের ভাড়া কার্যকর করার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি |
সেই প্রস্তাব পেয়ে আগামী ৩১ আগস্টের পর গণপরিবহনে আর বর্ধিত ভাড়া নেয়া যাবে না- এমনকি প্রস্তাবনা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মন্ত্রিপরিষদে প্রস্তাবনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) |
এ প্রস্তাব ও সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় |
তবে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এখনও যেহেতু শেষ হয়ে যায়নি, তাই আগের মতো গাদাগাদি করে যাত্রী পরিবহন করা যাবে না |
এসব বিষয় সরকার এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি গুরুত্ব সহকারে দেখবে বলে আমরা আশা করি |
চ্যানেল আই অনলাইনের প্রতিবেদনে জানা যায়, 'বিআরটিএর উপ-পরিচালক (ইনফোর্সমেন্ট) আব্দুর রাজ্জাক বলেন, '৩১ আগস্টের পর সেপ্টেম্বর থেকে আগের ভাড়ায় বাসে যাতায়াত করা যাবে |
এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব তৈরি করে আমরা সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে পাঠাবো |
ভাড়া কমানোর প্রস্তাবের সঙ্গে দুই সিটে দুজন যাত্রী বসা, প্রত্যেকের মাস্ক পরা, গাদাগাদি করে যাত্রী না তোলাসহ কয়েকটি নির্দেশনা থাকবে |
এটা ঠিক যে, করোনাভাইরাস সংক্রমণে গণপরিবহন এখনও ঝুঁকির |
তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এছাড়া উপায়ও নেই |
কিন্তু সেক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোনো বিকল্প নেই |
বাস মালিক, শ্রমিক এবং যাত্রীরা যদি সচেতন না হন, তাহলে করোনাভাইরাস মোকাবেলা করা যাবে না |
সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকলে সংক্রমণ প্রতিরোধ সম্ভব |
এজন্য গণপরিবহনে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে হবে |
স্বাস্থ্যবিধি ও সুরক্ষা নীতি মানাসহ গাদাগাদি করে কোনো পরিবহনে যেন যাত্রী না ওঠে সেটা নিশ্চিত করার বিকল্প নেই |
স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহনে আগের ভাড়ায় চলাচলের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে আমরা সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি |
মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিসেনা আর দেশবাসীর মনোবল উদ্দীপ্ত রাখার পেছনে অসামান্য অবদান রেখেছিল যুদ্ধের গান |
'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে', 'জয় বাংলা, বাংলার জয়', 'তীরহারা এই ঢেউয়ের সাগর পাড়ি দিব রে', 'নোঙ্গর তোলো তোলো', 'পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে'- এমন সব গানে শরীরের রক্ত টগবগ করে উঠে না, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর |
গানগুলো মুক্তিযোদ্ধাদের বুঝিয়েছিল মা-মাটি-দেশ আমাদের জীবনের ভিত্তি |
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে মুক্তিকামী জনতাকে যুদ্ধে অনুপ্রেরণা ও সাহস যুগিয়েছে, মানসিকভাবে উদ্বুদ্ধ করেছে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের এইসব কালজয়ী গান: |
১৯৪৮ সালের ৬-১৪ ডিসেম্বর তারিখে তৎকালীন পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে অনুষ্ঠিত আন্তঃডোমিনিয়ন (ওহঃবৎ উড়সরহরড়হ) সম্মেলনে ভারতের সংশি¬ষ্ট রাজ্যের ভূমি রেকর্ড ও জরিপ বিভাগের সাথে তদানিন্তন পূর্ব পাকিস্তান এর ভুমি রেকর্ড ও জরিপ বিভাগের সীমানা নির্ধারন কাজের দায়িত্ব অর্পন করা হয় |
ভারতের ৫টি রাজ্য যথা পশ্চিমবংগ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম এর সাথে বাংলাদেশের আন্তঃর্জাতিক সীমানা রয়েছে |
সেক্টরের নাম |
বাংলাদেশ-পশ্চিমবঙ্গ সেক্টর |
২২৬২ কিঃ মিঃ |
ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর এর দায়িত্বে |
বাংলাদেশ-আসাম সেক্টর |
২৬৪ কিঃ মিঃ |
বাংলাদেশ-মেঘালয় সেক্টর |
৪৩৬ কিঃ মিঃ |
বাংলাদেশ-ত্রিপুরা সেক্টর |
৮৭৪ কিঃ মিঃ |
ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর এর দায়িত্বে বাংলাদেশ-ভারত মোট সীমানা |
৩৮৩৬ কিঃ মিঃ |
বাংলাদেশ-মিজোরাম সেক্টর |
৩২০ কিঃমিঃ |
বাংলাদেশ-ভারত মোট সীমানা |
৪১৫৬ কিঃমিঃ |
বাংলাদেশের মোট আর্ন্তজাতিক সীমানা |
৪৪২৭ কিঃমিঃ |
পশ্চিমবংগ, আসাম, মেঘালয় এবং ত্রিপুরা রাজ্যের সাথে সীমানা নির্ধারনের কাজ ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর করছে |
মিজোরাম রাজ্যের সীমানা নির্ধারনের কাজ ভূমি মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রনে বাংলাদেশ জরিপ অধিদপ্তর (সার্ভে অব বাংলাদেশ) করছে |
আর্ন্তজাতিক সীমানা সংক্রান্ত কোন বিরোধ আছে কিনা; থাকলে তার বিবরণ দিন এবং প্রতিকারের জন্য কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে কিনা? বর্তমানে আর্ন্তজাতিক সীমানা নিস্পত্তি সংক্রান্ত কোন কাজ চলমান আছে কিনা; থাকলে তার বিবরণ দিন |
বাংলাদেশ-ভারত আর্ন্তজাতিক সীমানার ৩টি স্থানে অমিমাংসিত সীমানা রয়েছে |
তার বিবরন নিম্নরুপঃ |
(ক) অমিমাংসিত এলাকাঃ |
বাংলাদেশ-পশ্চিমবঙ্গ(ভারত) সেক্টরঃ |
বাংলাদেশ-পশ্চিমবঙ্গ(ভারত) সেক্টরের আর্ন্তজাতিক সীমানার মোট দৈর্ঘ্য ২২৬২ কিঃ মিঃ |
এ সেক্টরের সাথে পঞ্চগড় জেলার পঞ্চগড় সদর উপজেলার দৈখাতা মৌজা এলাকায় ১.৫০ কিঃমিঃ ছাড়া সীমান্তের অবশিষ্ট অংশের সরজমিনে পিলার স্থাপনের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে |
তবে গত ১০-১১ নভেম্বর ২০১১ তারিখে ভারতের নতুন দিল¬ীতে অনুষ্ঠিত () জেবিডবি¬উজি'র ৪র্থ সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০১০-১১ জরিপ মৌসুমে যৌথ জরিপ করে দৈখাতা এলাকার ইনডেক্স ম্যাপ প্রস্তুত করে উভয় দেশের কারিগরী পর্যায়ে স্বাক্ষর করা হয়েছে |
বাংলাদেশ-আসাম(ভারত) সেক্টরঃ |
বাংলাদেশ-আসাম(ভারত) সেক্টরের আর্ন্তজাতিক সীমানার মোট দৈর্ঘ্য ২৬৪ কিঃ মিঃ |
এ সেক্টরে মৌলভীবাজার জেলার জুড়ি উপজেলার লাঠিটিলা ডুমাবাড়ী এলাকায় ৩.০০ কিঃমিঃ সীমানা ছাড়া অবশিষ্ট সকল সীমানায় সরজমিনে পিলার নির্মাণের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ সম্পন্ন হয়েছে |
গত ১০-১১ নভেম্বর ২০১১ তারিখে ভারতের নতুন দিল¬ীতে অনুষ্ঠিত ৪র্থ জেবিডবি¬উজি'র যৌথ সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০১০-১১ জরিপ মৌসুমে যৌথ জরিপ করে লাঠিটিলা ডুমাবাড়ী এলাকার ইনডেক্স ম্যাপ প্রস্তুত করে উভয় দেশের কারিগরী পর্যায়ে স্বাক্ষর করা হয়েছে |
বাংলাদেশ-মেঘালয়(ভারত) সেক্টরঃ |
বাংলাদেশ-মেঘালয়(ভারত) সেক্টরের আর্ন্তজাতিক সীমানার মোট দৈর্ঘ্য ৪৩৬ কিঃমিঃ |
এ সেক্টরে সম্পূর্ণ সীমানায় পিলার স্থাপনের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ সম্পন্ন হয়েছে |
এ সেক্টরে কোন সীমানা অমিমাংসিত নেই |
বাংলাদেশ-ত্রিপুরা(ভারত) সেক্টরঃ |
বাংলাদেশ-ত্রিপুরা(ভারত) সেক্টরের আর্ন্তজাতিক সীমানার মোট দৈর্ঘ্য ৮৭৪ কিঃমিঃ |
এ সেক্টরে ফেণী জেলার পরশুরাম উপজেলার মুহুরী নদী এলাকায় ২.০০ কিঃমিঃ ছাড়া অবশিষ্ট সকল সীমান্তে পিলার নির্মাণের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে |
গত ১০-১১ নভেম্বর ২০১১ তারিখে ভারতের নতুন দিল¬ীতে অনুষ্ঠিত ৪র্থ জেবিডবি¬উজি'র যৌথ সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০১০-১১ জরিপ মৌসুমে যৌথ জরিপ করে মুহুরী নদী এলাকার ইনডেক্স ম্যাপ প্রস্তুত করে উভয় দেশের কারিগরী পর্যায়ে স্বাক্ষর করা হয়েছে |
এ সেক্টরের মোট ২.০০ কিঃ মিঃ অমিমাংসীত মুহুরীর চর এলাকায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ভারতের বিদেশ মন্ত্রণালয়ের যৌথ অনুরোধের প্রেক্ষিতে ভারতের বিলোনিয়া শহর রক্ষা বাঁধের রক্ষণাবেক্ষণের নিমিত্ত ২০১৩-১৪ মাঠ মৌসুমে যৌথ জরিপ করে মোট ৪৪টি কাঠের/ বাঁশের খুঁটি স্থাপন করে সীমানা রিলে করা হয়েছে |
উভয় দেশের সরকারের সম্মতি পেলে সরজমিনে পাকা পিলার নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে |
তবে সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক পত্রের মাধ্যমে ভারতের সংসদে চুক্তি এবং প্রটোকল অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত অমিমাংসিত এলাকায় কোন ধরনের কর্মসূচী প্রনয়ণ না করার জন্য অনুরোধ করেছেন |
বাংলাদেশ-ভারত আর্ন্তজাতিক সীমানার অপদখলীয় ভূমির বিবরন নিম্নরুপঃ |
(খ) অপদখলীয় এলাকাঃ |
বাংলাদেশ-ভারত আর্ন্তজাতিক সীমানার ২৭৭৭.১৪ একর বাংলাদেশের ভূমি ভারতের অপদখলে এবং ২২৬৭.৮৮ একর ভারতের ভূমি বাংলাদেশের অপদখলে রয়েছে |
উভয় দেশের অপদখলীয় ভূমির বিবরন নিম্নরুপঃ |
বাংলাদেশ-পশ্চিমবঙ্গ(ভারত) সেক্টরঃ |
জেবিডবি¬উজি'র ৪র্থ সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০১০-১১ জরিপ মৌসুমে বাংলাদেশ-পশ্চিমবঙ্গ(ভারত) সেক্টরে জরিপ করে বাংলাদেশের ৫টি স্থানে ২৩৯৮.০৫ একর ভূমি ভারতের অপদখলে এবং ভারতের ৩টি স্থানে ১৯৫৭.৫৯ একর ভূমি বাংলাদেশের অপদখলে রয়েছে |
জরিপকৃত অপদখলীয় ভূমির ইনডেক্স ম্যাপ প্রস্তুত করে উভয় দেশের কারিগরী পর্যায়ে স্বাক্ষর করা হয়েছে |
বাংলাদেশ-আসাম(ভারত) সেক্টরঃ |
জেবিডবি¬উজি'র ৪র্থ সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০১০-১১ জরিপ মৌসুমে বাংলাদেশ-আসাম(ভারত) সেক্টরে ভারতের ২টি স্থানে ২৬৮.৫৯ একর ভূমি বাংলাদেশের অপদখলে রয়েছে |
এ সেক্টরে বাংলাদেশের কোন ভূমি ভারতের অপদখলে নেই |
জরিপকৃত অপদখলীয় ভূমির ইনডেক্স ম্যাপ প্রস্তুত করে উভয় দেশের কারিগরী পর্যায়ে স্বাক্ষর করা হয়েছে |
বাংলাদেশ-মেঘালয়(ভারত) সেক্টরঃ |
জেবিডবি¬উজি'র ৪র্থ সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০১০-১১ জরিপ মৌসুমে বাংলাদেশ মেঘালয় (ভারত) সেক্টরে বাংলাদেশের ৭টি স্থানে ২৪০.৬৮ একর ভূমি ভারতের অপদখলে এবং ভারতের ১টি স্থানে ৪১.৭০ একর ভূমি বাংলাদেশের অপদখলে রয়েছে |
জরিপকৃত অপদখলীয় ভূমির ইনডেক্স ম্যাপ প্রস্তুত করে উভয় দেশের কারিগরী পর্যায়ে স্বাক্ষর করা হয়েছে |
বাংলাদেশ-ত্রিপুরা(ভারত) সেক্টরঃ |
জেবিডবি¬উজি'র ৪র্থ সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০১০-১১ জরিপ মৌসুমে বাংলাদেশ-মেঘালয় (ভারত) সেক্টরে বাংলাদেশের ১টি স্থানে ১৩৮.৪১ একর ভূমি ভারতের অপদখলে রয়েছে |
এ সেক্টরে ভারতের কোন জমি বাংলাদেশের অপদখলে নেই |
জরিপকৃত অপদখলীয় ভূমির ইনডেক্স ম্যাপ প্রস্তুত করে উভয় দেশের কারিগরী পর্যায়ে স্বাক্ষর করা হয়েছে |
গ) ছিটমহল () হস্তান্তর সংক্রান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন ঃ |
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ১১১টি ছিটমহলের মোট ১৭১৬০.৬৩ একর ভূমি রয়েছে এবং ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের ৭,১১০.০২ একর ভারতের ভূমি রয়েছে |
ছিটমহলসমূহ উভয় দেশের মধ্যে বিনিময়ের লক্ষ্যে জেবিডবি¬উজি'র ৪র্থ সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০১০-১১ জরিপ মৌসুমে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ১১১টি এবং ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলে হেড কাউন্টিং এর কাজ সম্পন্ন হয়েছে |
যৌথ হেডকাউন্টিং এর সার্বিক তথ্য/ রেকর্ড বিভাগীয় কমিশনার, রংপুর এর কার্যালয়ে রক্ষিত আছে |
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ১১১টি ছিটমহলের জনসংখ্যা ৩৭,৩৬৯ জন এবং ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের জনসংখ্যা ১৪,০৯০ জন |
৬ সেপ্টম্বর, ২০১১ তারিখে স্বাক্ষরিত ১৯৭৪ সালের স্থল সীমানা চুক্তির ( 1974) প্রটোকলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অপদখলীয় ভূমি জরিপ এবং সংশ্লিষ্ট বাউন্ডারি স্ট্রিপ ম্যাপসমূহ দুই দেশের প্লে¬নিপোটেনশিয়ারি কর্তৃক স্বাক্ষর ছিটমহল বিনিময়ের সাথে যুগপৎভাবে হবে |
অমিমাংসিত, অপদখলীয় এলাকার সীমানা নির্ধারনসহ ছিটমহল বিনিময়সহ সীমানা সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিস্পন্ন বিষয়ের নিস্পত্তির জন্য সরকারের উচ্চ পর্যায়ে কাজ চলমান রয়েছে |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.