content
stringlengths
0
129k
এ পর্যন্ত সীমানা সংক্রান্ত কতটি স্ট্রিপ ম্যাপ প্রস্তুত হয়েছে এবং সংরক্ষিত আছে তার একটি বিবরন দিন
জেবিডবি¬উজি'র ৪র্থ সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক বাংলাদেশ-পশ্চিমবঙ্গ (ভারত) সেক্টরের ৬২৮টি স্ট্রিপ ম্যাপের মধ্যে ৬০৬ টি, বাংলাদেশ-আসাম (ভারত) সেক্টরের ৯৩টি স্ট্রিপ ম্যাপের মধ্যে ৮৯টি, বাংলাদেশ-মেঘালয় (ভারত) সেক্টরের ১৩৯টি স্ট্রিপ ম্যাপের মধ্যে ১৩২টি এবং বাংলাদেশ-ত্রিপুরা (ভারত) সেক্টরের ২৬৯টি স্ট্রিপ ম্যাপের মধ্যে ২৬৭টি ম্যাপসহ মোট ১০৯৪টি বাউন্ডারি স্ট্রিপ ম্যাপ উভয় দেশের পে¬নিপোটেনশিয়ারি কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উভয় দেশের মধ্যে বিনিময় সম্পন্ন হয়েছে
অমিমাংসিত এবং অপদখলীয় ভূমির কারণে মোট ৩৫টি বাউন্ডারি স্ট্রিপ ম্যাপ উভয় দেশের পে¬নিপোটেনশিয়ারি কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয় নাই
বিভিন্ন পিলারের বিবরন দিন
বাংলাদেশ -ভারত সীমানা নির্ধারন এর পর সীমান্তের শূন্য লাইনে বিভিন্ন প্রকারের পিলার নির্মান করা হয়
যেমনঃ মেইন পিলার, সাব-সিডিয়ারী পিলার, রেফারেন্স পিলার এবং টি শেপড পিলার
সাধারনত ২/৩ কিঃ মিঃ পর পর স্পষ্ট বাঁকে মেইন পিলার, দুইটি মেইন পিলাররে মাঝে সাব-সিডিয়ারী পিলার এবং আরো ছোট ছোট বাঁকে কোথাও কোথাও টি শেপড পিলার নির্মান করা হয়
এ ছাড়া নদী এলাকায় যেখানে নদীর মাঝখান দিয়ে সীমানা চলে গেছে সেখানে উভয় দেশের অভ্যন্তরে রেফারেন্স পিলার নির্মান করা হয়
এ ছাড়া নদী এলাকায় যেখানে নদী শুকিয়ে গেছে সেখানে শূন্য লাইনে পোল টাইপ পিলার নির্মান করা হয়
বিভিন্ন চুক্তির বিবরন দিন
বাংলাদেশ-ভারত সীমানা নির্ধারনের কাজ নিম্ন বর্ণিত চুক্তি সমূহের উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হচ্ছে -
[- -]
1948 (6-14 1948)
[ , ]
- 1958
- 1959
(- 1959)
1951( )
1974
1975
1974
26 , 30 1974
7 1982
26 1992
10. 1974 6 2011
প্রটোকল সংক্রান্ত তথ্যের বিবরণ দিন
গত ৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ খ্রিঃ তারিখে ভারতের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঢাকা সফরকালে উভয়দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ১৯৭৪ সালের স্থল সীমানা চুক্তির (1974) একটি প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়
উক্ত প্রটোকল বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন তৎকালীন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডাঃ দিপু মনি এবং ভারতের পক্ষে সে দেশের তৎকালীন পররাষ্ট্র মন্ত্রী এস এম কৃষ্ণা
প্রটোকলের আলোকে উভয় দেশের ৩১ টি স্ট্রিপ সিটের ১৬টি অপদখলীয় স্থানে সীমানা পূনঃনির্ধারন এবং ৪টি স্ট্রিপ সিটের ৩ টি অমিমাংসিত স্থানে সীমানা নির্ধারন করতে হবে
এই অপদখলীয় স্থানসমূহের সীমানা পূনঃনির্ধারন এবং অমিমাংসিত স্থানের সীমানা নির্ধারনেনর পর স্ট্রিপ সিটসমূহ পে¬নিপোটেনশিয়ারী কর্তৃক স্বাক্ষর ছিটমহল বিনিময়ের সাথে যুগপৎভাবে () করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত রয়েছে
প্রটোকলে গৃহীত সিদ্ধান্ত নিুরূপঃ
" .
উল্লেখ্য যে ১৯৭৪ সালের স্থল সীমানা চুক্তি (1974) ও প্রটোকল ২০১১ ভারত সরকার এখনও রেটিফাই করে নাই
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের স্থল সীমানা চুক্তি রেটিফাই করলেও প্রটোকল ২০১১ এখনো রেটিফাই করে নাই
কক্সবাজারে 'শুটকিখাতে বিদ্যমান শিশুশ্রম নিরসনে করণীয় নির্ধারনে' আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতিনিধি, শুটকিখাতের মালিক ও মালিক সমিতির প্রতিনিধিত্বমুলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে
চাইল্ড লেবার ইমপ্রুভমেন্ট ইন বাংলাদেশ (ক্লাইম্ব প্রকল্প) বাস্তবায়নে এনজিও সংস্থা 'ইপসা' 'উইনরক ইন্টারন্যাশনাল' এর সহযোগিতায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়
সোমবার দুপুর ১২টায় কক্সবাজার শহরের এক হোটেলের হলরুমে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো: হাসানুজ্জামান
কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মুনীর-উল-গীয়াস, উইনরক ইন্টারন্যাশনাল এর প্রকল্প পরিচালক এএইচএম জামান খান, ইপসা'র প্রকল্প কো-অডিনেটর এডভোকেট বিশ্বজিৎ ভৌমিক, প্রকল্প কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন মাসুম, কক্সবাজার পৌরসভার কাউন্সিলর শাহেনা আক্তার পাখি ও আকতার কামাল
একটা ছারপোকা তোষকের ওপর হন্যে হয়ে ছুটছিল
ধূসর সেই তোষকের গা জুড়ে সবুজ ডোরাকাটা এবং তার ওপরে ছুটন্ত এই লাল ধনুক-পায়ের ছারপোকাটির নাম প্রোকোপিচ
প্রোকোপিচ, আজও রোজকার মতই সেই কালো দাগটার ধার ঘেঁষে বাম দিকে মোড় নিয়ে, উঁচু ঢিবির মত জায়গাটায় চড়েছিল
এরপর নিচে নামতে গিয়েই অন্য ছারপোকাটার গায়ে প্রায় পড়ে আর কি! এই জনের নাম সিডর কুইযমিচ
'আরে ঠিক আছে প্রোকোপিচ
কিন্তু তোমায় ফিরতে হবে যে! কেউ নেই এদিকে
আমাদের খাদ্যবাহক আজ খাদ্য সরবরাহ করছেন না', সিডর জানালো
আঁতকে উঠলো প্রোকোপিচ, 'কী?!'
'মিথ্যে বললে আমার যেন নরকবাস হয়', বুকে ক্রুশ এঁকে দিব্যি কাটলো কুইযমিচ
'বেড়ার ওধারে সবাই জড়ো হয়েছে
চ'ল দেখে আসি কী ভাবছে অন্যেরা'
দুশ্চিন্তাগ্রস্ত প্রোকোপিচ মাথা নিচু করে কুইযমিচের পেছন পেছন চলছিল
পথে ভাসিয়া গুবা'র সঙ্গে দেখা হয়ে গেলো ওদের
'কী ব্যাপার ব'ল তো, আমাদের রেশন নাকি বন্ধ হয়ে গেছে?', উদ্বিগ্ন ভাসিয়া জানতে চাইলো
প্রোকোপিচ নিজের মনেই বিড়বিড় করলো, 'গোল্লায় যাক সব'
'ব্যাপারটা খানিকটা তেমনই ভাসিয়া', কুইযমিচ উত্তর দিল, 'বেলাগ্রুদভকে পাওয়া যাচ্ছে না
ও ওর বিছানাতে ঘুমাচ্ছিল না আজ'
অতঃপর ওরা তিনজন মাথার ওপরে বিষণ্ণতার মেঘ ভাসিয়ে ছারপোকাদের সভাস্থলের উদ্দেশ্যে পা চালালো
বেড়ার ওপারে তখন ছারপোকাদের হল্লা, ধোঁয়া, সব মিলে সে এক হুলস্থুল অবস্থা! সমস্ত জায়গা জুড়ে পায়ের ছাপের অগুন্তি রেখা এবং সিগারেটের খোসায় ছেয়ে আছে
ওদের দেখতে পেয়েই মিশা চুচিন হাত বাড়ালো, 'আরে ব'স ব'স প্রোকোপিচ, একটা সিগারেট নাও,'
মিশা এমনভাবে হাঁটুমুড়ে পাছা ঝুলিয়ে দুলেদুলে ধোঁয়া ছাড়ছিল, মনে হচ্ছিলো যেন 'প্রকৃতির ডাক' উদ্‌যাপন করছে সে
'কী ঘটছে বলতো', উদ্বিগ্ন প্রোকোপিচ হাত ছড়িয়ে জানতে চাইলো
'আমিই বলছি', রোগাপটকা ইভান বুরাকভ চোখ পিটপিটিয়ে শুরু করলো, 'হয়েছে কি আজকে সবচে' আগে আমিই বেরিয়েছিলাম
বিছানা ফাঁকা দেখে ভেবেছিলাম ছুঁচোটা বোধহয় ঘুমায়নি এখনো, দেখতে পেলেই টিপে মারবে
কিন্তু ঝুঁকি তো নিতেই হবে
তাছাড়া আমিও বেড়াল পায়ে শব্দ লুকিয়ে হাঁটতে জানি
চারপাশে যাকে বলে পিনপতন নিরবতা
সেই নরম জায়গাটা, যেখানে স্প্রিং থাকে, সেইখানে কান পাতলাম
আশ্চর্য কোনো ক্যাঁচক্যাঁচ নেই! কী একটা ছ্যাড়াব্যাড়া জীবন আমাদের! মাদারচোত, নিশ্চিত কোথাও ঘাপটি মেরে আছে! তাও ঝুঁকিটা নেবার সিদ্ধান্ত নিলাম
হামা দিয়ে বেরিয়ে এলাম
চোখনাক বন্ধ করে দিলাম ছুট! যদিও পেছনে কিছুই ক্যাঁচক্যাঁচ করছিল না, তাও প্রমাদ গুনছিলাম
আমি জানি ওর কারসাজি, ধর তুমি অবিরাম জপতে জপতে ভাবছো এ যাত্রায় বুঝি রক্ষা পেলে, ঠিক তখুনি ও খপ করে তুলোয় চেপে ধরে তোমায় জ্যান্ত আগুনে পুড়িয়ে মারবে
এটাই নতুন ফন্দি ওর; তুলো দিয়ে টিপে ধরা
সেই আতঙ্কেই বেদম ছুটছিলাম
মাথা নিচু ক'রে তোষকের ফাঁকফোকরে নিজেকে লুকোচ্ছিলাম
হঠাৎ মনে হ'লো, আরে! তোষকের কিনারে ওর গোড়ালি জোড়া দেখলাম না তো! তার মানে ও নেই ওখানে
এই নিয়ে আমার খানিক কুসংস্কার আছে
দেখো, ও বিছানায় শুলেই তোষকের কিনারে কালো সুতোয় সেলাই করা জায়গাটা আছে না, ঠিক সেইখানে ওর গোড়ালি জিরোবেই
আমি ফের ফিরলাম
খুঁটিয়ে দেখলাম ; যা ভেবেছি তাইই, ওর পায়ের পাতাজোড়া নেই ওখানে!'
'হায় যিশু!', প্রোকোপিচ হাহাকার করে উঠলো
'সত্যি! ব্যাপারটা আমার মগজেও ঘাই দিয়েছিল
সেই কারণে নিজেকে আর আড়াল করিনি
যতদূর চোখ যায় সবখানে খুঁজেছি
তোষকের খাঁজে, আনাচ-কানাচে, পুরো বিছানার কাঠামোর চারধার- কিস্‌সু বাদ রাখিনি
জীবন বাজি রেখেই বলছি, কোত্থাও নেই বেলগ্রুদভ
এমনকি ওর সেই ড্রেসডেন ড্রাম, সেটাও বাদ দিই নি
বেয়ে উঠেছি
ভাবা যায়? হাঁপ ধরে গেছে আমার! আর তখনই মিশার সঙ্গে দেখা হয়ে গেলো - '
'এই যে সিমন!' মিশা চুচিনের কান নেই এইদিকে, হাত বাড়িয়ে নতুন একজনকে স্বাগত জানাতে ব্যস্ত সে, 'আরে সিগারেট নাও একটা
পা তুলে আরাম করে ব'স'
'না না, একটা সিদ্ধান্তে আসুন আপনারা
এরপর কী করার আছে,কী করবো আমরা সেটা বলুন!', অল্পবয়েসী ছারপোকাটা তড়বড়িয়ে বললো
'আমার স্থির বিশ্বাস ও বিছানার নিচেই আছে', সালভা পেন গোমড়ামুখে রায় দিল
বেড়ার গায়ে এক কাঁধ ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে ও শুনছিল সব
আনকোরা সবুজ টুপিটা মাথার চারধারে অবিরাম ঘোরাচ্ছিলো ; একবার পেছন থেকে সামনে, পরক্ষণেই সামনে থেকে সা্মনে
'সে তো অবশ্যই
কোথাও না কোথাও তো ঘাপটি মেরেই আছে,' গা চুলকাতে চুলকাতে সায় দিলো প্রোকোপিচ
'আচ্ছা ও কি প্যান্ট ছেড়েছিলো?'
'কী বলছো প্রোকোপিচ! আমরা কীভাবে জানবো?', চোখের পাতা তিরতির করে কাঁপছে ইভান বুরোকভের
'ও বাতি নিভিয়েছিল, আমরা সবাই দেখেছি এবং ও ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করেছিল, তাও দেখেছি আমরা
কিন্তু প্যান্ট ছেড়েছিল কিনা তা কীভাবে জানবো?'