content
stringlengths
0
129k
প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট গোলাম মুর্শেদ জানান, নগরীর অন্যতম ব্যস্ত এলাকা বর্ণালী মোড় সকাল-বিকেল অফিস সময়ে অত্যন্ত যানজট সৃষ্ট হয়
পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সময় অপেক্ষা করতে হয় অনেকক্ষণ
যানজট নিরসনে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নগরীর এ রকম ব্যস্ততম এলাকায় পর্যায়ক্রমে আরও কয়েকটি ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হবে
বর্নালীর মোড়ে উড়াল সেতুর নির্মাণ কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়া আগামী জানুয়ারিতে শুরু হবে
সভায় উপস্থিত ছিলেন রাসিকের প্যানেল মেয়র-১ ও ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সরিফুল ইসলাম বাবু, নগর অবকাঠামো নির্মাণ ও সংরক্ষণ স্থায়ী কমিটির সভাপতি ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিযাম উল আযীম, রুয়েটের প্রফেসর ড. মোঃ রবিউল আওয়াল, রাজশাহী মহানগরীর সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ নূর ইসলাম, প্রকল্পের ইঞ্জিনিয়ারিং এ্যাডভাইজার মোঃ আশরাফুল হক, সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী (সেতু) মোঃ শরিফুল আলম, পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের টিম লিডার চন্দন কুমার বসানকষাক, সিনিয়র স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার সাব্বির সিদ্দিক, সহকারী প্রকৌশলী তানজির রহমান, সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আসিফুল হাবিব
সর্বশেষ সংবাদ
প্রতিটি ডিভাইসে স্ক্রিনশট নেওয়ার নিয়ম
27, 2021
হাফ ভাড়ার বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ ছাড়ায় বৈঠক শেষ
27, 2021
করোনার বিস্তার ঠেকাতে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
27, 2021
প্রথমবার ওয়ানডে বিশ্বকাপে টাইগ্রেসরা
27, 2021
সুইডেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী'র একদিনের মাথায় পদত্যাগ
25, 2021
সঙ্গে থাকুন
.
জনপ্রিয়তায় শীর্ষে শ্যামপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী বশির
সারাদেশে রেড এলার্ট জারি
সংশ্লিষ্ট সংবাদ
বাবলাবন গণহত্যা দিবস উপলক্ষে রাজশাহী প্রেসক্লাবের কর্মসূচি গ্রহণ
মহানগর সংবাদ 24, 2021
আব্বাসকে গ্রেপ্তারের দাবি রাসিক কাউন্সিলরবৃন্দের
মহানগর সংবাদ 24, 2021
মেয়র লিটন প্রেসিডিয়াম সদস্য হওয়ায় রকি'র উদ্যোগে আনন্দ মিছিল
মহানগর সংবাদ 20, 2021
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত--২০২১
সম্পাদকঃ মোঃ ওদুদুজ্জামান (সুবাস)
কার্যালয়ঃ রেলওয়ে গোধুলী মার্কেট, ২য় তলা, শিরোইল, বোয়ালিয়া-৬১০০; রাজশাহী
মুঠোফোনঃ ০১৭৪৫২৯৭৯৬৪; ইমেইলঃ 24@.
আমাদের সবার দেখা করার কথা সকাল নয়টায়
প্ল্যানটা হুট করেই করা
গতকাল আমার মনটা মারাত্মক খারাপ ছিল
কিভাবে আশিক বুঝে ফেলল জানি না
দুজন অনেকক্ষণ ধরে টঙ্গে বসে চা সিগারেট খাচ্ছিলাম
তবে ব্যাপারটা ঠিক আমিও বুঝিনি
অমির সাথে আমার দেখা হয়েছে ছুটিতে আসার আগে
অনেকক্ষণ কথা বলেছি
তবে ঢাকায় ফেরার পর কেন জানি বেশী মনে পড়ছে
একবার দেখা করতে পারলে অনেক ভাল লাগত
ওর একটা ছবি চেয়ে আনলে ভাল হোত
তবে সাহস করে বলা হয়নি
ঈদের পর ভার্সিটিতে ফিরে দেখা করতে অনেক দেরী
এসব ভাবতেই আরো হতাশ হচ্ছি
আমার বন্ধুগুলো না বললেও বুঝে ফেলে
আশিক বললো, দোস্ত তোর দেখতে খুব ইচ্ছে করছে ?
আমি হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়ালাম
চা ঠাণ্ডা হয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে তাকিয়ে ছিলাম
- আশিক বলল, দোস্ত চল দেখা করে আসি" বাইকে ওঠ..
- তোর মাথা ঠিক আছে তো ? আমি ওর বাসার ঠিকানাও জানি না !
- জানিস না জেনে নে
ফালতু কথা না বলে সিগারেট শেষ কর
আমি সবুজকে ফোন দিচ্ছি
- দোস্ত একটু বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে, এবার না
আর এখন রাত দশটা বাজে
একটু পরে সবুজ এসেছে
বরাবরের মত সে সিরিয়াস
আসলে কিচ্ছু না
- কিরে ব্যাপার কি এত জরুরী তলব
- আশিক বলছে, "দোস্ত আমাদের কাল সকালে ময়মনসিংহ রওনা হতে হবে
সেই কেস আরকি
তোর কাজ আছে নাকি ?"
- বাসায় একটা কিছু বলে বের হব
আরে কোন কাজ নাই
সকাল নয়টায় যাচ্ছি মামা
আমিও না করতে চাইলাম না
ওকে আসলেই একবার দেখা খুব দরকার...
সকালে সবুজ যে একটা গেঞ্জাম করবে আমি নিশ্চিত ছিলাম
এই ছেলেটা দরকারি সব ঘটনায় ফোন করলে রিসিভ করবে না
ঘুম থেকে উঠছে কিনা কে জানে ?
আমি আর আশিক বাইক নিয়ে মাঠের কোনায় অপেক্ষা করছি
অবশেষে সবুজের দাঁত দেখা গেল
মেজাজ গরম থাকলেও আমরা নয়টা বিশে রওনা হলাম অজানার উদ্দেশ্যে
রাস্তায় অকারণে দাঁড়িয়ে থেকে চা সিগারেট খাওয়া আমাদের পুরানো অভ্যাস
তবে আজকে সব অকাজ বাদ দিলাম আমরা
পুরা রাস্তাটা হাসাহাসিতে কেটেছে
কয়েকবার জ্যামে পড়াও লাগলো
সবুজের মারাত্মক খিদে লাগায় আমরা বাইক থামালাম
তিনজনের মত বাইকেরও বিশ্রামের প্রয়োজন
তেল নেয়ার বাহানা করে আমরা খুব কাছাকাছিই বসলাম
আমাদের গন্তব্য যে কোথায় আমরা জানি না
আমি চাচ্ছিলাম অমিকে সারপ্রাইজ দেব
ওর বাসার ঠিকানা জানে একমাত্র দীপা
ওকে কিছুটা হালকা ইঙ্গিত দিলাম যে ঠিকানাটা জানা বেশ জরুরী
এক মামার হোটেলে আমরা কবজি ডুবিয়ে দুপুরের খাবার খেলাম
এত তাড়া ছিল তারপরও আমাদের খাওয়ার তৃপ্তিতে বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি
সবুজ তার পুরানো অভ্যাসের মত দোকানদারদের অহেতুক হয়রানি আর প্রশ্ন শুরু করেছিল
তাকে মুটামুটি টেনে আনা হোল
আজকের দিনা আর যাই হোক আমাদের স্বাভাবিক আড্ডাবাজীর দিনের মত না
একবার মনে হচ্ছিল বাসার ঠিকানাটা ভুল
পরে সেই ঠিকানা খুঁজে পেতে ময়মনসিংহ মেডিক্যালে পড়ে আমার এক বন্ধুকে ডাক দিলাম
বাবাজি বলল, সে জায়গাটা ভালভাবেই চেনে
এই কথা শুনে ভাবলাম আর যাই হোক ওর খুব কাছাকাছি তো যেতে পারব, দেখা হোক বা না হোক
আশিক ছেলেটার জন্য মায়া হচ্ছে, সে ঘেমে একেবারে শেষ
খুব ক্লান্ত দেখাচ্ছে
তবুও আমাদের মিশনে ওকে গুরুত্বপূর্ণ রোল করতে হচ্ছে
এতকিছু জেনে আসার পরও আবাসিক এলাকাটা গোলমেলে লাগছে
বাসার নাম্বারগুলো বেশ অগোছালো
আমি ভাবলাম এইবার অমিকে ফোন দেয়া যায়