content
stringlengths 0
129k
|
|---|
বলা যায় ল্যামার্কের মতবাদের কিছুটা পূনর্বাসন হচ্ছে, যদিও এর জন্যে ল্যামার্কের অন্তর্দৃষ্টিকে কৃতিত্ব দেয়া মুশকিল
|
সাইদের আচরন একদম ক্লাসিক বিবর্তনের সেক্সুয়াল জেলাসীর কেস
|
তবে বিপ্লব পালকে যেমন বলেছিলেন 'ইজ' এবং 'অট' এর পার্থক্য আমাদের বুঝতে হবে
|
মানুষের সভ্যতা সাংষ্কৃতিক বিবর্তনের ফল এবং সাংষ্কৃতিক বিবর্তন অতি দ্রুততায় ডারউইনীয় বিবর্তনকে ছাড়িয়ে গেছে অনেক আগেই
|
অভিজিৎ জুন 27, 2011 6:55 পূর্বাহ্ন -
|
সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
|
সংশপ্তককে উদ্দেশ্য করে যে কথাগুলো বলেছিলাম তা আপনার জন্যও
|
শুধু মন্তব্য করলে চলবে না, পাশাপাশি মুক্তমনায় লেখা দিন
|
বিপ্লব রহমান জুন 30, 2011 1:50 অপরাহ্ন -
|
পরকীয়া তো দূরের কথা, কোন ধরণের অবিশ্বস্ততার আলামত পেলে খুন জখম কিংবা চোখ খুবলে নেয়ার শাস্তিও সামাজিকভাবে লঘু হয়ে যায়
|
কারণ পুরুষেরা স্ত্রীদের অবিশ্বস্ততাকে প্রজননগতভাবে অধিকতর মূল্যবান বলে মনে করে
|
যেহেতু পিতৃতন্ত্রের মূল লক্ষ্য থাকে 'সুনিশ্চিত পিতৃত্বে সন্তান উৎপাদন' সেজন্য, পিতৃতান্ত্রিক সমাজে জৈবিক এবং সামাজিক কারণেই স্ত্রীর পরকীয়াকে 'হুমকি' হিসেবে দেখা হয়
|
এখনো গেলো না আঁধার! 🙁
|
অভিজিৎ দা'র আরেকটি চমৎকার বিশ্লেষনী লেখা
|
আল্লাচালাইনা জুন 27, 2011 10:09 পূর্বাহ্ন -
|
এমনকি এপিজেনেটিক পরিবর্তন গুলো পরবর্তীপ্রজন্মে প্রবাহিত হওয়ারও কিছু প্রমান মিলছে
|
যেমন? দুই একটা সুনির্দিষ্ট উদাহারণ শুনি?
|
সফিক জুন 27, 2011 6:01 অপরাহ্ন -
|
@আল্লাচালাইনা, মাত্র কয়েকদিন আগেই ম্যাগাজিন এ এপিজেনেটিক্স নিয়ে একটি লেখা পড়েছিলাম
|
://..//2296986///#2
|
আপনার যদি ডাচ এবং সুইডিশ ফেমিন স্টাডিগুলো নিয়ে আরো আগ্রহ থাকে তবে এনিয়ে ইন্টারনেটে অনেক তথ্য পাবেন
|
://...///.08.
|
://..////0,8599,1951968,00.
|
আল্লাচালাইনা জুন 28, 2011 7:22 পূর্বাহ্ন -
|
@সফিক, তৃতীয় লিঙ্কটিতে বলা আছে সাদাম্পটন স্টাডির কথা যেইটা কিনা খুবই খুবই বিখ্যাত একটা স্টাডি, এইটা সম্পর্কে আমি ভালো করেই জানি
|
জেনেটিক্স হচ্ছে জীবের ট্রেইট সমুহের অধ্যয়ন, আর এপিজেনেটিক্স হচ্ছে জীবের ননহেরেডিটরি ট্রেইটগুলোর অধ্যয়ন
|
যা ননহেরেডিটরি সেটা কোনভাবেই ভবিষ্যত প্রজন্মে সঞ্চালন হতে যাচ্ছে না
|
সাদাম্পটন স্টাডিতে এটা এস্টাব্লিশ করা হয় যে- অপুষ্ট, অন্ডারওয়েইট নারীর গর্ভে জন্ম নেওয়া শিশুদের মাথা অপেক্ষাকৃত বড় হয় এবং সেইসকল নারীরাও অপেক্ষাকৃতি বড় প্লাসেন্টা প্রসব করে থাকে; এবং এই শিশুগুলো বড় হয়ে হাইপারটেনশনে বেশী ভোগে
|
এর কারণ হচ্ছে- অপুষ্ট নারীর রক্তশ্রোত থেকে এম্ব্রিয়ো পর্যাপ্ত পুষ্টি সংগ্রহ করতে পারে না, ফলে সার্ফেস এরিয়া বাড়ানোর জন্য প্লাসেন্টা বড় হয় একই কারণে যেই কারণে কিনা পর্যাপ্ত আয়োডিন সংগ্রহ করতে না পারলে মানুষের থাইরয়েড বড় হয়ে গলগন্ড জন্ম দেয়
|
বড় প্লাসেন্টা তারা এই কারণেই প্রসব করে
|
আর শিশুর মাথা বড় হয় কেননা মাথায় কয়েকসেকেন্ড রক্তসঞ্চালন বন্ধ থাকলেই মৃত্যু কিংবা সিরিয়াস ইঞ্জুরি ঘটতে পারে বিধায় মাথার মেকানিজম রয়েছে নিজের ভাগের রক্ত ঠিকঠাক আদায় করে নেওয়ার, শরীরের অন্যান্য অংশগুলোকে অপুষ্ট রেখে
|
ফলে, অন্যান্য অংশগুলো শুকিয়ে পড়ে কিন্তু মাথার আকৃতি সবাভাবিক থাকে বলে মাথা বড় দেখায়
|
আর এই শিশুদের কার্ডিওভাস্কুলার রোগ বেশী হয় কেননা এম্ব্রিয়নিক ডিভেলপমেন্টের সময় আর্টারির ইলাস্টিসিটি নির্ধারিত হয় ব্লাডপ্রেসার দ্বারা
|
অপুষ্ট মাতৃগর্ভে জন্ম নেওয়া অপুষ্ট শিশু নিন্মব্লাডপ্রেসারের কারণে ডিভেলপ করে পাতলা আর্টারি যেগুলা কিনা মোটেও ইলাস্টিক নয়
|
হাইপারটেনশন তারা ডিভেলপ করে এইভাবেই
|
এই স্টাডি ডেমন্সট্রেট করেছিলো যে- হাইপারটেনশনের জেনেটিক ভিত্তি নির্ধরণের ক্ষেত্রে শুধু জিনের কথা চিন্তা করলেই হবে না বরং যেই মাতৃগর্ভে শিশুটি বেড়ে উঠেছে সেই মায়ের স্বাস্থের কথাও চিন্তা করতে হবে
|
এইটা ঠিক এপিজেনেটিক ট্রেইট হেরিটেবল হবার উদাহারন নয়
|
এপিজেনেটিক ট্রেইট হেরিটেবল হবার উদাহারণ হবে গিয়ে- কেউ তেত্রিশ বছর ধরে হাত ঝাপটিয়ে যদি দেখতে পায় যে হাতের যায়গায় ডানা গজিয়ে গিয়েছে এবং যদি সেই ডানা তার সন্তানেও সে ইনহেরিট করতে পারে
|
সফিক জুন 28, 2011 9:28 পূর্বাহ্ন -
|
@আল্লাচালাইনা,বায়োলজী আমার ফিল্ড নয় সুতরাং এবিষয়ে আপনার মতকে অবশ্যই অগ্রাধিকার দেবো
|
কিন্তু আমার পড়ায় যতটুকু পেলাম তাতে তো কিছু কিছু আলামত দেখা যাচ্ছে
|
এপিজেনেটিক ইনহেরিটেন্স নিয়ে গত ৫-৬ বছরে অজস্র পাব্লিকেশন বেড়িয়েছে
|
এখানে এপিজেনেটিক ইনহেরিটেন্স বলতে বোধহয় হাত ঝাপটাতে ঝাপটাতে ডানা হোয়ার মতো ক্রুড কিছু বলা হয় হচ্ছে না
|
বলা হচ্ছে পরিবেশগত স্ট্রেস এর কারনে জিন এর বাইরে যেসব লক্ষ লক্ষ এপিজেনেটিক মার্কার আছে সেগুলো, মিথাইলেশন এবং এরকম কিছু রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জিনের উপরে ইমপ্রিন্ট করে এবং এই জেনোমিক ইমপ্রিন্ট গুলো যে কয়েক প্রজন্মে প্রবাহিত হতে পারে তার আলামত পাওয়া গেছে
|
এপিজেনেটিক পরিবর্তনের সবচেয়ে আগ্রহদ্দীপক দিকটি হলো ্যে এর জন্যে অনেক জেনারেশন লাগে না, খুব দ্রুতই এই পরিবর্তনগুলি ঘটে
|
এই পরিবর্তন গুলি সামগ্রীক বিবর্তনে কি ভূমিকা রাখে, এটা নিয়ে বিতর্ক চলছে
|
আপনি যদি দ্বীতিয় লিংক (পিডিএফ) এ ইদুর এর উপরে করা স্টাডি টার ব্যপারে কিছু মন্তব্য করেন তবে আলোকিত হই
|
এছাড়া (২০০৬) এর স্মোকার পিতা এবং তাদের পুত্রের উপরে করা স্টাডিটা নিয়েও কিছু বলতে পারেন
|
এপিজেনেটিক ইনহেরিটেন্স এর উপরে আরেকটি ওভারভিউ আর্টিকেল
|
://../////2009.
|
সেন্টু টিকাদার জুলাই 1, 2011 4:39 অপরাহ্ন -
|
যে বংশানুগুলোকে কয়েক বছর আগেও মনে করা হত একদমই অনমনীয়, মনে করা হত বংশানুর গঠনের সিংহভাগই ভ্রূণে থাকা অবস্থায় তৈরী হয়ে যায়, ভাবা হত পরবর্তীকালের পরিবেশে এদের রদবদল হয় সামান্যই, আধুনিক 'এপিজেনেটিক্স'এর গবেষণা হতে পাওয়া ফলাফল এর বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে বলেই এখন মনে করা হচ্ছে
|
তাই পরিবর্তন একেবারেই করা যাবেনা তা নয়, তবে সেটা পরবর্তী প্রজন্মে পৌছাবে কিনা সেতা আবার আরেক প্রশ্ন
|
অতি সুন্দর ব্যখ্যা
|
অতি সুন্দর
|
অপার্থিব জুলাই 1, 2011 8:35 অপরাহ্ন -
|
@সেন্টু টিকাদার,
|
তবে একটা ব্যাপার পরিষ্কার করা উচিৎ সেটা হল, বংশাণু () পরিবর্তনীয় বা নমনীয় নয়, বংশাণুর পরিস্ফুটন ( ) নমনীয়
|
সব মানুষেরই বংশাণু-সমষ্টি () অনন্য ও অপরিবর্তনীয়
|
এটাই তার এককত্বের চিহ্ণ
|
যেহেতু একজনের জীনোম আরেকজনের জীনোম থেকে আলাদা তাই একজনের বংশাণু পরিস্ফুটন (বা পরিস্ফুটনের হেরফের) আরেকজনের বংশাণু পরিস্ফুটন (বা পরিস্ফুটনের হেরফের) থেকে আলাদা হতে বাধ্য
|
কাজেই মানুষে মানুষে তফাৎটা মৌলিকভাবে বংশাণুগতই, পরিবেশগত নয়
|
পরিবেশের প্রভাব (বা বংশাণু পরিস্ফুটন কি হবে) সেটাও জীনোমের উপরই নির্ভর করছে
|
টেকি সাফি জুন 26, 2011 11:58 অপরাহ্ন -
|
ধুরো মিয়া আপ্নের সব পোষ্টের লিঙ্ক বারে বারে আমারে ঠিক করতে বলতে হয় ক্যান? প্রথমেই মাইনাচ! ()
|
হেঃহেঃ পড়ার আগেই লিঙ্ক চেক করসি কারন জানি অভিজিৎ ভাইয়ের লিঙ্কে গন্ডগোল থাকবে :))
|
রাতে পড়বোনে তখন আরেকটা কমেন্ট করবো, আপাতত আগাম শুভেচ্ছা () এই সিরিজটা আমার খুব প্রিয় 😉
|
অভিজিৎ জুন 27, 2011 12:51 পূর্বাহ্ন -
|
@টেকি সাফি,
|
ধুরো মিয়া, তোমারে নিয়া মুশকিল
|
পোস্ট পাব্লিশের এক মিনিটের মধ্যেই লিঙ্কগুলা ঠিক করছি, তাও দেখি তোমার শকুন চোখ এড়ায় নাই
|
লেখাটা কেমন লাগলো পইড়া বইলো
|
টেকি সাফি জুন 27, 2011 1:06 অপরাহ্ন -
|
তাও দেখি তোমার শকুন চোখ এড়ায় নাই
|
বড় কষ্ট পাইলাম, ভালবাইসা একটা ইরোর রিপোর্ট করলাম আর এই প্রতিদান ;-(
|
লেখাটা পড়লাম, এই পর্বটা বুঝছি না, লোক খাবে ভাল বলে লিখলেন নাকি? 😀
|
যাক খানিক অফটপিক হলেও আমার একটা বিষয় জানতে ইচ্ছে করছে
|
প্রাকৃতিক নির্বচন সবসময় ভালো অপশন যে দেইনা তা জানি, আবার অপশন ভাল না হলে ধীরে ধীরে সেটা আইদার ওমিট করে অথবা এই প্রজাতির অস্তিত্ত্বকেই হুমকির মুখে ফেলে দেয়, এটুকু ঠিক বলেছি? যদি তাই হয় তাহলে পুরুষালী জিঘাংসার যে উৎপত্তির কথা বললেন, সেলফিস জিন তাতে আমার দ্বিমত নেই তবে আমি বুঝছিনা এই সেলফিসগিরির ঠিক উপযোগীতাটা কী?
|
আমি কোথাও পড়ি টড়ি নি এ নিয়ে তবে আমার ধারণা (ভূল হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টি :)) ) এ ব্যাপারটা এসেছে সন্তানের প্রতি "হু কেয়ারস!" ভাব ঠেকাতে মনে হয় নাকি? কারন এই সেলফিস জিন নিশ্চিত করছে আমিই বাবা (বাবা হইতে মন চায় 😛 ) তাই তখন আমার "ধুরো আমার কী" ভাব থাকবে না, এবং যেটা আমার প্রজাতি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ন
|
ব্যাপারটা কী এরকম?
|
আল্লাচালাইনা জুন 27, 2011 1:57 অপরাহ্ন -
|
@টেকি সাফি, এইটা সঠিক ক্যারেক্টারাইজেশন না মোটেও
|
সেলফিস জিন তত্ব বলে- আপাত দৃষ্টিতে ইন্ডিভিজুয়াল জীবের উপর মনে হলেও সিলেক্সন কিন্তু বাস্তবে কাজ করে জীবের উপর নয় বরং জিনের উপর
|
এইটা ব্যাখ্যা করে রিসিপ্রোকাল অলচ্রুইজম, কিন সিলেক্সন ইত্যাদি ব্যাপার-স্যাপার, যেগুলো কিনা ইথোলজি বা বিহেইভিওরাল বায়োলজির অধ্যয়নের বিষয়
|
এগুলো প্রকৃতিতে দেখা যায়
|
অপরপক্ষে ইভলিউশনারি সাইকোলজি প্রকৃতি নিয়ে কোন আলোচনায় বসে না
|
তারা টেনশিত মানুষ নিয়ে, এইটা একটা হিউম্যান সায়েন্স বা হিউম্যানিটিস, এইটা কোন ন্যাচারাল সায়েন্স না
|
সেলফিস জিন তত্ব রিচার্ড ডকিন্সের যেটার সাথে কিনা ইভলিউশনারি সাইকোলজির সম্পর্ক আমি মনে করি সামান্যই
|
অভিজিৎ জুন 29, 2011 8:25 পূর্বাহ্ন -
|
@আল্লাচালাইনা,
|
সেলফিশ জিনের সংজ্ঞা নিয়ে মোটামুটিভাবে আপনার সাথে একমত হলেও আপনি প্রাণীজগৎ আর মানুষকে যেভাবে পৃথক করে বলেছেন রিসিপ্রোকাল অলচ্রুইজম, কিন সিলেক্সন ইত্যাদি ব্যাপার-স্যাপার কেবল বিভেভিয়রাল বায়লজির অংশ, আর ইভলিউশনারি সাইকোলজি মানুষের - এই কৃত্রিম বিভাজনের সাথে হয়তো অনেকে একমত হবেন না
|
প্রানীজগতের মধ্যে যে রেসিপ্রোকাল অল্ট্রুইজম এবং কিন সিলেকশনের ব্যাপার আছে, সেটা মানব সমাজের জন্যও একইভাবে সত্য (এ নিয়ে আমি লিখেছিলাম আগে একটা লেখা - বিবর্তনের দৃষ্টিতে নৈতিকতার উদ্ভব (১, ২))
|
মানুষ তো প্রানীজগৎ থেকে আলাদা কিছু নয়, তাই ডারউইনীয় দৃষ্টিভঙ্গি প্রানীজগতে একরকম হবে আর মানুষের জন্য আলাদা হবে তা নয়
|
এমনকি রিচার্ড ডকিন্সও তার বইয়ের বড় একটা অংশে জিনগত দৃষ্টিভঙ্গি থেকে প্রানীজগতের (এবং সেই সাথে মানুষের) আচরণ নিয়েই কথা বলেছেন
|
তার 'হোয়াই আর পিপল', 'ব্যাটেল অব জেনেরেশন', 'ব্যাটেল অব সেক্স', কিংবা শেষ পর্যন্ত 'মিমস - দ্য নিউ রেপ্লিকেটরস' সব চ্যাপ্টারগুলোই সেই জেনেটিক দৃষ্টিকোন থেকেই লেখা, মানুষের আচরণও এসেছে পাশাপাশি
|
ম্যাট রিডলীর রেড কুইন বইটাও তাই
|
আর ইভলিউশনারি সাইকোলজির সাথে সম্পর্ক আছে বলেই যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ইভ্লুশনারী সাইকোলজি পড়ান হয়, সেখানে সেলফিশ জিন সম্বন্ধেও ধারণা দেয়া হয়, এবং সেটা শুরুতেই (উদাহরণ হিসেবে ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসের ইভলুশনারী সাইকোলজির পেইজ থেকে একটা লিঙ্ক দিলাম)
|
আল্লাচালাইনা জুন 29, 2011 11:47 অপরাহ্ন -
|
@অভিজিৎ, বাংলাদেশের কালো জঙ্গলে আপনি ভাল্লুক দেখবেন মিশমিশে কালো, আবার একই প্রজাতির জীব মেরুতে দেখবেন ধবধবে সাদা
|
তো এইটা দেখে আপনি বল্লেন- শিকারীর হাত থেকে বাঁচার জন্য জীবেরা চামড়া কিংবা লোমের রঙ্গ ব্যাকগ্রাউন্ডের সাথে সামঞ্জস্যপুর্ণ রাখে, এইটা জীববিদ্যার একটি অন্যতম মৌলিক নিয়ম বিধায় এই পর্যবেক্ষীত ট্রেইটটি ভাল্লুকের একটি মিমেটিক এডাপ্টেশন
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.