content
stringlengths 0
129k
|
|---|
সেজন্যই মনে করা হয় পুরুষেরা যৌনতার বিশ্বস্ততার ক্ষেত্রে অধিকতর ঈর্ষাপরায়ণ
|
অন্ততঃ ডেভিড বাস সহ অধিকাংশ বিবর্তন মনোবিজ্ঞানীদের তাই অভিমত!
|
আপনার বাকি অংশগুলোর উত্তর সংশপ্তক আগেই পরিস্কার করেছেন
|
শ্রাবণ আকাশ জুন 28, 2011 6:24 পূর্বাহ্ন -
|
সঙ্গীর পরকীয়া নারীর জন্য ক্ষতিকর হলেও সেটা সাধারণতঃ সেক্সুয়াল জেলাসিতে রূপ নেয় না, তার মধ্যে দ্বন্দ্ব থাকে রিসোর্স শেয়ার নিয়ে
|
পুরুষের স্বভাবত বহুগামিতার ক্ষেত্রে এই ব্যাপারটা কোনো ভূমিকা রাখে কি?
|
ইফতি জুলাই 1, 2011 8:59 অপরাহ্ন -
|
"বিজ্ঞান কি এখানে কিছু করতে পারে
|
জেনেটিক এঞ্জিনিয়ারিং?"
|
কিছু করতে পারবে কিনা এখনই বলা যাচ্ছে না
|
যেকোন অনুভতির জন্য শুধুমাত্র কোন একক জীন দায়ী থাকবে না
|
থাকবে অনেকগুলো
|
বলা হয়ে থাকে ঈর্ষার সাথে অক্সিটোসিন হরমোনের একটা ভূমিকা আছে
|
এই হরমোন তো এক ধরনের প্রোটিন
|
এখন দেখতে হবে ডিএনএ'এর কোন অংশ এই প্রোটিন কে কোড করছে
|
এমনিতেই বিশাল ডিএনএ'এর মাঝে ছোট্ট একটা অংশ(জীন) বের করা সহজ কাজ না,তার উপর অনেকগুলো জীন খুজতে হলে আরো জটিল হয়ে যায়
|
এই হয়মোনের উপর অন্য কারো প্রভাব থাকলে সেগুলোও খোজা লাগবে
|
সবকিছু মিলিয়ে একটা জালের মত,একটার সাথে আরেকটা সম্পর্কযুক্ত
|
, আর 'এর উপরও অনেকটা নির্ভরশীল
|
নিটোল জুলাই 1, 2011 11:38 অপরাহ্ন -
|
@ইফতি, হুমম
|
অনেক জটিল কাজ দেখছি
|
তবে আশা করি ভবিষ্যতে হয়ত কিছু হতে পারে
|
আর আমি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রসঙ্গ টানায় দেখি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ার সাহেব হাজির
|
:)) তোমার বিষয় নিয়ে অনেকেরই জানার ইচ্ছে আছে
|
একটা লেখা লিখেই ফেল না কেন? অপেক্ষায় আছি
|
ইফতি জুলাই 2, 2011 8:48 অপরাহ্ন -
|
বেশিরভাগ লেখা আমি বিছানায় শুয়ে শুয়ে মাথার নিউরাল নেটওয়ার্কে লিখি
|
এইতো দুইদিন আগেও সেরোটোনিন নিয়ে লিখলাম
|
বিষয় সংশ্লিষ্ট সব তথ্য জোগাড় করে লিখা মনে মনে শেষ হবার পর কাগজে-কলমে লেখার আর আগ্রহ থাকে না
|
এখনও কিন্তু লিখছি
|
সুমিত দেবনাথ জুন 27, 2011 1:10 পূর্বাহ্ন -
|
রোমানা মঞ্জুরের ঘটনাটা জানার পর আপনার একটা লেখা আমি আশা করেছিলাম
|
মন মতো পেয়েছিও
|
রোমানা মঞ্জুরের মতো হাজার হাজার ঘটনা পৃথিবীতে ঘটে চলেছে
|
যা সব সময় পরিসংখ্যানে আসে না
|
আর তা আসলেই বেদনাদায়ক এবং কাম্য নয়
|
আসলে আমার মনে হয় এই বিবর্তনীয় মনোবৈজ্ঞানিক বিষয়গুলি যদি সাধারণ মানুষের কাছে সহজ সরল ভাষায় পৌছানো যেতো তাহলে মানুষ তার আচার আচরণকে অনেকখানি সংযত রাখতে পারত
|
আমার এই ধারণা কতটুকু সত্যি জানি না?
|
অভিজিৎদা, আপনার কাছে আমার একটা প্রশ্ন, আচ্ছা আমরা যদি আমাদের আচরণ বদলানোর চেষ্টা চালাই
|
তা কি জেনিটিকভাবে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মে পৌঁছাবে? যদি পৌঁছায় তাহলে এইভাবে একটা পরিবর্তন ঘটা সম্ভব নয় কি আজ না হোক কয়েক প্রজন্ম পরে?
|
অভিজিৎ জুন 27, 2011 3:52 পূর্বাহ্ন -
|
@সুমিত দেবনাথ,
|
রোমানা মঞ্জুরের ঘটনাটা জানার পর আপনার একটা লেখা আমি আশা করেছিলাম
|
মন মতো পেয়েছিও
|
আপনাকেও ধন্যবাদ লেখাটি পড়বার আর মন্তব্য করার জন্য
|
রোমানা মঞ্জুরের মতো হাজার হাজার ঘটনা পৃথিবীতে ঘটে চলেছে
|
যা সব সময় পরিসংখ্যানে আসে না
|
আর তা আসলেই বেদনাদায়ক এবং কাম্য নয়
|
আসলে আমার মনে হয় এই বিবর্তনীয় মনোবৈজ্ঞানিক বিষয়গুলি যদি সাধারণ মানুষের কাছে সহজ সরল ভাষায় পৌছানো যেতো তাহলে মানুষ তার আচার আচরণকে অনেকখানি সংযত রাখতে পারত
|
আমার এই ধারণা কতটুকু সত্যি জানি না?
|
হ্যা, সেজন্যই আমি ইদানিং চেষ্টা করছি বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোন থেকে সামাজিক বিশ্লেষণ হাজির করতে
|
ব্যাপারটি বাংলায় তো বটেও এমনকি ইংরেজীতেও নতুন
|
তবে, যারা খোঁজ খবর রাখেন তারা জানেন, গত শেষ দশকে বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞান নিয়ে খুব ভাল কিছু কাজ হয়েছে
|
প্রতি বছরই বিজ্ঞানীরা নতুন নতুন গবেষণার আলোকে ফলাফল হাজির করেছেন এবং এর প্রেক্ষিতে শাখাটি সমৃদ্ধ থেকে সমৃদ্ধতর হয়ে উঠছে
|
আমার ধারণা - - একটা সময় পর 'বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞান' বলে আলাদা কিছু আর থকবে না
|
পুরো শাখাটিকে স্রেফ মনোবিজ্ঞান নামেই অভিহিত করা হবে
|
আর আপনি যে বলেছেন, বিবর্তনীয় মনোবৈজ্ঞানিক বিষয়গুলি যদি সাধারণ মানুষের কাছে সহজ সরল ভাষায় পৌছানো যেতো তাহলে মানুষ তার আচার আচরণকে অনেকখানি সংযত রাখতে পারত - এ ব্যাপারটা আমিও সঠিক বলেই মনে করি
|
আন্তন চেখভের একটা চমৎকার উক্তি আছে এ প্রসঙ্গে -
|
.
|
আমি এর সাথে পুরোপুরি একমত
|
অভিজিৎদা, আপনার কাছে আমার একটা প্রশ্ন, আচ্ছা আমরা যদি আমাদের আচরণ বদলানোর চেষ্টা চালাই
|
তা কি জেনিটিকভাবে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মে পৌঁছাবে? যদি পৌঁছায় তাহলে এইভাবে একটা পরিবর্তন ঘটা সম্ভব নয় কি আজ না হোক কয়েক প্রজন্ম পরে?
|
এই ব্যাপারটা বিশ্লেষণ করা একটু জটিল
|
মানুষ আসলে ব্ল্যাঙ্ক স্লেট হয়ে জন্মায় না
|
জন্মায় কিছু জেনেটিক বৈশিষ্ট নিয়ে
|
এখন সেগুলো আপনি রদ বদল করতে পারবেন কিনা তা নির্ভর করবে সেই মডিউলগুলো কতটা 'ফ্লেক্সিবল' তার উপর
|
আপনি চাইলেই কোন বৈশিষ্ট পরবর্তী প্রজন্মে পৌঁছে দিতে পারবেন না
|
ল্যামার্ক এক সময় ভাবতেন যে, পরিবেশের প্রভাবে বৈশিষ্ট বোধ হয় প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে পড়ে
|
কিন্তু সেই ধারনা আসলে ভুল ছিলো
|
যেমন, জার্মান জীববিদ আগস্ট ভাইজমান জন্মের সাথে সাথে সাদা রঙের ছোট জাতের ইদুর ছানার লেজ কেটে দিয়ে বাইশটি প্রজন্মে সদ্য-ভূমিষ্ট ছানার লেজের দৈর্ঘ্য কমে কিনা তা মেপে দেখলেন
|
দেখা দেল, সদ্যভূমিষ্ট ছানার লেজের দৈর্ঘ্য কমেনি বা বাড়েনি
|
এ পরিক্ষা থেকে ভাইজমান পরিস্কারভাবে দেখালেন, জীবদেহে পরিবেশ দ্বারা উৎপন্ন প্রভাব বংশানুসৃত হয় না
|
এভাবে তিনি ল্যামার্কবাদের মূল-ভিত্তিটি ধ্বসিয়ে দেন
|
ভাইজম্যানের পরীক্ষাটির পুনরাবৃত্তি করেছিলেন বিজ্ঞানী বস এবং শেফার্ডসও
|
তারাও যথাক্রমে ইদুর এবং কুকুরের কান কেটে কেটে পরীক্ষাটি চালিয়েছিলেন
|
তারাও একই রকম ফলাফল পেয়েছিলেন
|
এরকম পরীক্ষা কিন্তু মানুষ বহুকাল ধরেই করে এসেছে
|
যেমন, ডোবারম্যান কুকুরের লেজ কেটে ফেলা, ইহুদী এবং মুসলমান বালকদের খৎনা করা, চীনদেশে একসময় প্রচলিত প্রথা অনু্যায়ী মেয়েদের পা ছোট রাখার জন্য লোহার জুতো পড়ানো, অনেক আফ্রিকান দেশে মেয়েদের ভগাঙ্গুর কেটে ফেলা, উপমহাদেশে মেয়েদের নাকে এবং কানে ছিদ্র করা ইত্যাদি
|
কিন্তু এর ফলে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে আকাংকিত লক্ষণটির আবির্ভাব হয় নি
|
ল্যামার্কের তত্ত্ব সঠিক হলে তাই ঘটার কথা ছিলো
|
কিন্তু তার মানে এই নয় যে পরিবেশের কোনই ভুমিকা নেই, সব কিছুই জিনগত
|
বেশ কিছু সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে বংশানুগুলো আমাদের মানসপটের বিনির্মাণ করলেও সেগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই লোহার দরাজের মত অনড় নয়, বরং অনেকক্ষেত্রেই কাদামাটির মতই নরম
|
পরিবেশের প্রভাবে এদের সক্রিয়করণ () বা নিষ্ক্রিয়করণ () ঘটানো যায় - অনেকটা বিদ্যুতের বাতির সুইচ অন অফ-এর মতই
|
যে বংশানুগুলোকে কয়েক বছর আগেও মনে করা হত একদমই অনমনীয়, মনে করা হত বংশানুর গঠনের সিংহভাগই ভ্রূণে থাকা অবস্থায় তৈরী হয়ে যায়, ভাবা হত পরবর্তীকালের পরিবেশে এদের রদবদল হয় সামান্যই, আধুনিক 'এপিজেনেটিক্স'এর গবেষণা হতে পাওয়া ফলাফল এর বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে বলেই এখন মনে করা হচ্ছে
|
তাই পরিবর্তন একেবারেই করা যাবেনা তা নয়, তবে সেটা পরবর্তী প্রজন্মে পৌছাবে কিনা সেতা আবার আরেক প্রশ্ন
|
আর এটাও মনে রাখতে হবে - মানব প্রকৃতি গঠনে জিন যেমন ভূমিকা রাখে, তেমনি রাখে পরিবেশ
|
অনেক সময় প্রকৃতিকে পরিবেশ থেকে আলাদাও করা যায় না; আলাদা করার চেষ্টাও হয়ত অনেক ক্ষেত্রে ভ্রান্ত
|
ম্যাট রিডলী তার 'এজাইল জিন' বইয়ে সেজন্যই বলেছেন -
|
'আমার কথা আরো একবার স্পষ্ট করে বলি
|
আমি মনে করি, মানুষের ব্যবহার বিশ্লেষণ করতে হলে প্রকৃতি এবং পরিবেশ দুটোকেই গোনায় ধরতে হবে
|
... নতুন আবিস্কারের আলোকে বোঝা যাচ্ছে কিভাবে জিনগুলো মানুষের ব্যবহারকে প্রভাবিত করে, আবার কিভাবে মানুষের ব্যাবহার জিনগুলোর প্রকাশভঙ্গিকে প্রভাবিত করে
|
কাজেই বিষয়টা আর প্রকৃতি বনাম পরিবেশ ( ) নয়, বরং পরিবেশ দিয়ে প্রকৃতি ( )
|
ধন্যবাদ, সুন্দর মন্তব্যের জন্য
|
সফিক জুন 27, 2011 6:35 পূর্বাহ্ন -
|
@অভিজিৎ, খুবই সংহত এবং প্রান্জল লেখা হয়েছে
|
বিবর্তনের আলোকে সেক্সুয়াল জেলাসী নারী-পুরূষের অনেক আচরনেরই মোটাদাগের ব্যখা করতে পারে
|
ইদানিং কিন্তু এপিজেনেটিক্স এর প্রতি মনো্যোগ ক্রমেই বাড়ছে
|
অন্যান্য শারীরিক প্রতিক্রিয়া ছাড়াও সাইকোলজি ও সাইকোপ্যাথলজিতে এপিজেনেটিক পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে অনেক গবেষণা হচ্ছে
|
এমনকি এপিজেনেটিক পরিবর্তন গুলো পরবর্তীপ্রজন্মে প্রবাহিত হওয়ারও কিছু প্রমান মিলছে
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.