content stringlengths 0 129k |
|---|
যা দেখে আমাদের সবার বিবেক নড়ে গেছে, ছিঃ ছিঃ করছি |
এই ভদ্রমহিলা আকাশ থেকে টুপ করে বাংলাদেশে পরে নি |
উনি আমাদের সমাজ ব্যবস্থার অংশ, আমাদের মানসিকতার প্রতিফলন |
রিকশাচালক, গৃহকর্মীদের তুই তোকারি করা, গায়ে হাত তোলা, অবলীলায় মাটিতে বসানো, গালি দেয়া, আমাদের মানবিকতাবিহীন শ্রেণি বিন্যস্ত সমাজের তিনি একজন প্রতিনিধি মাত্র |
আমাদের লুকানো মুখোশের একটি নির্লজ্জ প্রকাশ |
আগে নিজেকে বদলানোর চেষ্টা করি, হয়ত দেখবো, চারপাশ খানিকটা এমনিই বদলে গেছে ... বদলানো শুরু হয়েছে |
তানবীরা 12:00 : |
, 27 2020 |
শেষ "করোনা", শুরুতে খেল দিয়েছো খতম করে |
শেষ "করোনা", শুরুতে খেল দিয়েছো খতম করে |
রোগ পাঠিয়ে এখন ফাইজলামি "করোনা" |
চায়নীজরা প্রথমে সারা বিশ্বজুড়ে "করোনা" ছড়িয়েছে, এখন তারা গোটা পৃথিবীকে "মাস্ক", "কিট", "ট্রিটমেন্ট" এন্ড "টেকনোলোজী" সাপ্লাই ও সাপোর্ট দিচ্ছে |
পুরাই "চায়নীজ ট্রিক" |
একসময় ইউরোপীয়ানরা উপনিবেশ গড়েছে এখন চায়নীজরা রিভার্স খেলছে |
"এশিয়ান ফ্লু" নিয়ে যেহেতু ইউরোপীয়ানদের অভিজ্ঞতা আর জ্ঞান কম, এটা দিয়ে ইউরোপকে দখল করা ইজি হবে |
বছর বছর চায়না যদি বানিজ্যের প্রসারে নতুন নতুন "ফ্লু" এদিকে সাপ্লাই দিয়ে মার্কেট দখলে রাখে, অবাক হবার কিছুই থাকবে না |
আমার ধারনা, জাপান আফশোস করতেছে, হাতের কাছ থেকে বানিজ্য ফস্কে গেলো, এরপর তারাও কোমর বেঁধে লাগবে, টয়োটা, মিটসুবিশি, লীন-মুডা ট্রেইনিং এর পর আর নতুন কি প্রোডাক্ট রপ্তানী করা যায় |
ভারতীয়রাও পিছিয়ে থাকবে না |
আইটি সেক্টর তো পুরাই কব্জায় এখন মেডিক্যাল সেক্টর |
স্পেশালিস্টরা অন সাইট আর সাধারণরা অফ সোর |
ফ্লু হলে ব্যাঙ্গলোরে হেল্প লাইনে ভিডিও কল দিয়ে ট্রিটমেন্ট নেবো |
অর্থনীতি নতুন মোড় নেবে, এশিয়া নির্ভর ইউরোপ |
তবে সবদিক দিয়ে আমরা ধরা |
ইউরোপ যখন এশিয়াতে উপনিবেশ বানিয়েছিলো তখন ভুগেছে আমাদের পূর্বপুরুষ, এখন চায়নীজরা এসে ইউরোপকে ধরেছে এখন ভুগবো নিজেরা |
গরীব যেদিকে যায়, সাগর শুকাইয়া যায় |
বাংলাদেশ অবশ্য সবসময়ই দুধভাত, তারা কোন প্রতিযোগিতায় বা ট্রেন্ডে বিশ্বাসী নয় |
আন্তর্জাতিক অংগনের ক্রিকেট এক্সপিরিয়েন্স নেয়ার মত তাদের এই বিশ্বের বানিজ্যের ভাবগতিক বুঝতে বুঝতে কেটে যাবে আরও পঞ্চাশ বছর |
এমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঠোঁট গোল গোল করে যখন বলেন, "চায়নীজ ভাইরাস", খুবই কিউট লাগে, জাস্ট লাভিট |
করোনা প্রমাণ করলো, দিনের পর দিন অফিস, স্কুল, বাজার, সব বন্ধ থাকলেও জীবন চলে |
সবকিছু অনলাইনেই সম্ভব |
অফিস প্লেস হায়ার না করেও বিজনেস রান করা যাবে, এবং ভালই যাবে |
স্কুল চলবে এবং শপিং ও |
"কস্ট কাটিং" ইউরোপ এবার তাদের জীবন ব্যবস্থাকে আবার নতুন করে ঢেলে সাজাবে |
ওয়েটিং ইগারলি টু মীট দ্যা নিউ চেঞ্জেস হুইচ আই উইল কল "আফটার করোনা ইফেক্ট" অর "করোনা ইনভেশান" |
ইতিমধ্যে পলিসি মেকাররা হয়ত লেগে পরেছে |
নদীর একূল ভেঙেছে ওকূল গড়া হচ্ছে |
হাজার লোকের যেমন চাকুরী যাবে তেমনি শত লোক আবার ওভারটাইমও কাজ করবে, তাদের মরার সময় নেই, বাজারে আসবে নতুন পলিসি |
লেসন অফ করোনাঃ অল্প কিবা বেশি, সবভাবেই জীবন কেটে যায় |
সব পরিস্থিতিই একসময় স্বাভাবিক লাগে |
মানুষ মানিয়ে নেয়ার অদ্ভূত ক্ষমতা নিয়ে জন্মেছে |
প্রথমে ভেবেছিলাম, আড্ডা, পার্টি, মুভি, রেস্টুরেন্ট এগুলো ছাড়া কি করে বাঁচবো? কিন্তু এই যে জামা-কাপড় ইস্ত্রি করার কোন তাড়া নেই, নেলপালিশ ম্যাচ করার টেনশান নেই, বেশ ভালই বেঁচে আছি |
জানুয়ারী মাসে হলিডে বুক করার সময় বললাম, আগস্টের পর আর কোন হলিডে করি নি, নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে |
এখন হলিডে ক্যান্সেল, আবার কবে হবে তার কোন সম্ভাব্য পরিকল্পনার ও সুযোগ আপাতত নেই, কিন্তু দিব্যি ফোঁস ফোঁস নিঃশ্বাস নিচ্ছি |
আপাতত জুন পর্যন্ত সব বন্ধ তারপর কি হবে সেটা এখনো কেউ জানে না |
অবাক করার ব্যাপার বেশ ভালই কাটছে দিন, অফিস করছি, রান্না করছি, মুভি দেখছি, ফেবু করছি রোজদিন একই রুটিন তারপরও বেশ লাগছে |
একটা অন্যরকম সময় পার করছি, চেনা জীবনের সাথে এর তেমন কোন মিল নেই |
অনেকটা প্রেগন্যান্ট থাকার অনুভূতি, সাবধানে থাকতে হবে, এটা ধরো না, ওটা করো না টাইপ ব্যাপার |
বিশ্বজুড়ে "হোম কেয়ারান্টিন" চলছে, এমেরিকা, ইউরোপ, এশিয়া |
পরিবারের সবাই ধরতে গেলে একসাথে আছি কিন্তু যার যার বাসায় |
ভিডিও কলে গল্পসল্প শেষ হয়ে গেলে শুরু হয় গানের আসর |
কবে এমন রুপকথার দিন কাটিয়েছি! |
ইহা একটি অতিশয় লেইম পোস্ট |
03/25/2020 |
তানবীরা 14:03 : |
, 26 2020 |
"তবুও বৃষ্টি নামে" |
নাহি বর্ণনার ছটা ঘটনার ঘনঘটা নাহি তত্ত্ব নাহি উপদেশ, |
অন্তরে অতৃপ্তি রবে, সাঙ্গ করি মনে হবে- শেষ হইয়াও হইলো না শেষ..." |
-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর |
"তবুও বৃষ্টি নামে" নূরুন নাহার জুঁই যাকে আমরা ছোট করে ডাকি জুঁই, এর লেখা ছোট গল্প সংকলন |
ওপরে উল্লেখ করা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার সার্থক রুপায়ন |
ছোট জুঁইয়ের লেখা বইটির কলেবরও ছোট, প্রচ্ছদ, সূচী, উৎসর্গ সব মিলিয়ে মাত্র সাইত্রিশ পৃষ্ঠা |
গল্প আছে মোট সাতটি |
কেউ যদি ভাবেন, এক ঘন্টা কোয়ালিটি টাইম স্পেন্ড করবেন, এক কাপ ধূমায়িত গরম পানীয় নিয়ে বসে যান, "বিফলে মূল্য ফেরত" গ্যারান্টি |
প্রতিটি গল্পেই টুইস্ট আছে |
ঝরঝরে বর্ননা, গল্পের নির্মান, পড়তে কোথাও থামতে হবে না, ধাক্কা খেতে হবে না |
ধাক্কা থাকবে প্রতিটি গল্পের শেষ লাইনটিতে |
যেমন, বইয়ের দ্বিতীয় গল্পটি "পরিপ্রেক্ষিত" তাতে বাসে অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুই পুরনো বন্ধুর দেখা হয়, যারা এখন সম্পর্কে "দেবর-ভাবি" |
ক্লান্তি কাটিয়ে দুই বন্ধু জমে ওঠে ফেলে আসা দিনের গল্পে |
এ পর্যন্ত পড়লে মনে হবে একটা জাস্ট গল্প পড়ছি, তারপর জুঁইয়ের ভাষায় লেখা শেষ বাক্যটি, "বাসায় ফিরে যখন ফাল্গুনী বরকে শোনাচ্ছিল দেবরের সাথে দেখা হবার গল্প, কিংবা রুদ্র ফোনে মার সাথে বলছিল ভাবীর সাথে দেখা হবার কথা, তখন দুজনের কেউ কি জানতো, ঠিক ঠিক বারো বছর আগে দুজনের কেউ একজন আর অল্প একটু সাহসী হলে আজকের গল্পটা হয়ত অন্যরকম হতো?" তখন আবার অন্য ভাবনা কি মাথায় আসে না? কল্পনা অনেকদূর ডানা মেলে দেয় না? |
পাঠকের পছন্দের বিচারে আমার কাছে সবচেয়ে মিষ্টি লেগেছে সবচেয়ে কলেবরে ছোট গল্পটা "কথার গান" |
আবারও সেই শেষ বাক্যটিই, "মানুষ যা চায়, তার সব কিছু যে এক জীবনে পাওয়া হয় না!" |
অনেক অনেক ধন্যবাদ জুঁই, বইটি আমাকে উপহার পাঠানোর জন্যে |
পড়ে ফেলেছি অনেক আগেই প্রায় এক নিঃশ্বাসে কিন্তু রিভিউ লিখতে দেরী হলো, চিরাচরিত সেই আলসেমী |
রেগে যাবে না, সেই আশা ছিলো |
ভালবাসা অফুরান তোমার জন্যে, তোমার উত্তরাত্তর সাফল্য কামনা করছি |
আমাদের প্রবাসী বাংলাদেশী পরিবারে তুমি নতুন সদস্য, নেদারল্যান্ডস বসবাস আনন্দদায়ক হোক |
তানবীরা 14:37 : |
সেই ছোটবেলায় যখন উইলামস্ট্রাট এর ফ্ল্যাটে পা রেখেছিলাম প্রায় প্রতিটি দিনই ছিলো বিভীষিকা |
বাড়িতে মা-বাবা, ভাই-বোন, দাদু, বাড়ি থেকে দু'পা ফেললেই কাজিন, বন্ধু |
এছাড়া আজকে ক্রিকেট তো কালকে ফুটবল, পরশু কনসার্ট তারপর দিন হরতাল |
কি নেই, ভরপুর ছিলো জীবন |
আর এখানে নিস্তব্ধতা, শুধু আমি আর আমি |
কোথাও যাওয়ার নেই, করারও কিছু নেই |
টিভি বলতে বিবিসি, সিএনএন, এমটিভি, ন্যাশনাল জিওগ্রাফি নয়তো ডিস্কোভারী |
পেপার পড়ার কোন সুযোগ নেই, ফ্রীতে পেপার দিয়ে যায়, উল্টেপাল্টে ছবি দেখে রেখে দেই |
ফ্ল্যাটের বাইরের পৃথিবীতে কি হচ্ছে তার কোন আঁচ ঐ ফ্ল্যাটের ভেতরে এসে লাগে না |
বাইরের পৃথিবী বলতে ডাচ ক্লাশ |
তখনও বাংলাদেশের কোন সংবাদপত্রের কোন ওয়েবসাইট নেই |
সেসময় কোথাও থেকে বেশ সস্তায় অনেক রঙ পেন্সিল কিনেছিলাম |
প্রতিদিন একটু পর পর ঘড়ি দেখতাম, কতটা সময় গেলো, দিনটা কি শেষ হলো? সোমবার কি মংগলবারে গড়ালো? দেয়ালে ঝোলানো ক্যালেন্ডারের তারিখগুলো দুপুরে এক কালার দিয়ে ক্রস করতাম, দুপুর কেটে গেলে সন্ধ্যায় আবার অন্য কালার দিয়ে ক্রস করতাম তারপর আবার রাত |
বেশীর ভাগ দিন চারটা রঙের ক্রস থাকতো, একটা দিন কাটলো |
সেই থেকেই রঙ পেন্সিল অনেকটা সাথী |
তবে এখন আর সময় নিয়ে এত ভাবতে হয় না |
একাকীত্বও খানিকটা অভ্যাসের ব্যপার |
সাঁতার শেখার মত, একবার পানি খেয়ে শিখে গেলে, তারপর ভেসে থাকা যায় |
একা থাকা একবার অভ্যাস হয়ে গেলে, কিছুক্ষণ রঙ, কিছুক্ষণ বই সময় বেশ যায়, মন্দ না |
তানবীরা 14:36 : |
কেয়ারন্টিনে থাকা অবস্থায় কি কি করতে পারেনঃ |
যতবার হাত ধোবেন, সাথে দুটো করে বাসন ধুয়ে ফেলতে পারেন |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.