content
stringlengths
0
129k
দ্বিতীয় বার পড়া হল
শুধুই মুগ্ধতা, সিম্পলি অসাধারণ
জোবায়েন সন্ধি জুলাই 11, 2012 5:08 পূর্বাহ্ন -
লেখাটি গত ৩ দিন ধরে পড়ছিতো পড়ছিই
লেখা পড়ে কমেন্ট করবো কী না ভেবে পাচ্ছিলাম না
কারণ বিজ্ঞানের এই বিষয়টা (কণা) আমার কাছে সম্পূর্ণ রহস্যজনক লাগে
তবে অভিজিৎ'দার সরলীকরণ লেখার কল্যাণে আমার জ্ঞানতৃষ্ণার্ত মনের বেশকিছু তৃষ্ণা পূরণ সম্ভব হয়েছে
এর জন্য আমি লেখকের নিকট কৃতজ্ঞ
আরও কৃতজ্ঞ এ কারণে যে, লেখাটি আমি এমএস ওয়ার্ডে কপি করে পিডিএফ করেছি আমার শিশু সন্তানদের পাঠ করানোর উদ্দেশ্যে
আমার চেয়ে আমার সন্তানের পাঠ করা বেশি জরুরী বলে আমি মনে করি
যদিও 'কণা' বিষয়ক জ্ঞান হজম করার মতো বয়স আমার সন্তানের হয়ে উঠে নি, তারপরও লেখাটি পড়ে তাদের মনের ভিতর একটি ধারণা জন্ম নিবে
চমৎকার এই লেখাটির জন্য আবারও অভিজিৎ দা'কে ধন্যবাদ জানাই
জোবায়েন সন্ধি জুলাই 11, 2012 5:10 পূর্বাহ্ন -
ভ্রম সংশোধন: লেখাটি গত ৩ দিন ধরে পড়ছিতো পড়ছিই এর স্থলে গত ২ দিন ধরে পাঠ করতে হবে
অভিজিৎ জুলাই 11, 2012 5:44 অপরাহ্ন -
@জোবায়েন সন্ধি,
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ
আমার এই সামান্য লেখাটি যদি আপনার সন্তানের সামান্য উপকারে আসে, তাহলেই পরিশ্রম সার্থক মনে করব
তার জন্য রইল অনেক আদর আর ভালবাসা
সৈকত চৌধুরী জুলাই 10, 2012 11:38 অপরাহ্ন -
একদম অসাধারণ!
বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে লেখাটায়
অকস্মাৎ শূন্যতা জুলাই 10, 2012 4:03 অপরাহ্ন -
বিজ্ঞান বিষয়ক লেখায় এতো প্রাঞ্জল ভাষা সত্যি অসাধারণ
অভিজিৎদা অনেক ধন্যবাদ
জুলাই 10, 2012 3:06 অপরাহ্ন -
৮৯ এর মধ্যভাগে স্টিফেন হকিং এর এ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম বইটা পড়ার পর আমার মনে হয়েছিল তাকে বিজ্ঞানের উপন্যাসিক আখ্যা দেয়া যায়
তিনি সম্ভবত: তার বইতে একটাই মাত্র সমীকরণ ব্যবহার করেছিলেন
যাহোক, আমার বক্তব্য হচ্ছে পদার্থ বিজ্ঞানের উপর একটা আর্টিকেলে কোন সমীকরণ ব্যবহার না করেও তা পাঠকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে আপনি বেশ মুন্সীয়ানা দেখিয়েছেন
এ কারণে অবশ্যই ধন্যবাদ প্রাপ্য আপনার
রাজেশ তালুকদার জুলাই 10, 2012 8:51 পূর্বাহ্ন -
অসাধারণ! এত প্রাঞ্জল ভাষায় লেখা, যুক্তি, উপমা কি করে দেন রে ভাই! আপনার লেখা পড়ে মুগ্ধতার হিংসায় অসার হয়ে পড়ে থাকতে হয় অনেকক্ষণ
মন্তব্য করাতে দূর্বলতা বোধ করি 🙂
উপমা হিসাবে শুধু বলা যেতে পারে মান্নাদের বিখ্যাত "যদি কাগজে লেখ" গানটির দু'টি অমূল্য কথা-
গভীর হয়গো যেখানে ভালোবাসা
মুখেতো সেখানে থাকেনা কোন ভাষা
(ভালোবাসার স্থলে ভালো লেখা বুইঝা লইয়েন কিন্তু) 😛
পরিশেষে গিগস বোসনকে তরল পানীয় হিসাবে উপস্থাপন করায় :
মনজুর মুরশেদ জুলাই 10, 2012 6:52 পূর্বাহ্ন -
খুবই চমৎকার লেখা
বিষয়টি জটিল, তারপরও সহজ করে লেখায় বেশ অনেকটাই বুঝতে পারলাম
এই আবিস্কারকে ঘিরে আমাদের দেশের পত্রপত্রিকায় কালজয়ী বিজ্ঞানী সত্যেন বসুর নাম বারবারই এসেছে
আমি আপনার সাথে একমত যে তিনি তাঁর কাজের যথার্থ স্বীকৃতি পেয়েছেন
উপমহাদেশের আরেক স্বনামধন্য বিজ্ঞানী প্রফেসর আবদুস সালামের নাম তেমন একটা আসেনি
শুনেছি ধর্মীয় কারনে নিজ দেশ পাকিস্তানেও তিনি অপাংক্তেয়
জুলাই 10, 2012 3:28 পূর্বাহ্ন -
!!!
সংশপ্তক জুলাই 10, 2012 2:29 পূর্বাহ্ন -
কি আর করা ? ফার্মিওনরা বাঘের মত একা ঘুরে বেড়ায় , আর বোসনরা পশুর পালের মত মাঠে থাকে
'হিগের কণা' এই পশুদের মধ্যে সবচেয়ে নাদুস নুদুস এবং মোটা তাজা
পদার্থবিদ্যার ওপর 'অর্থপূ্র্ন' লেখার আকাল মুক্তমনায় সুবিদিত
সেখানে আপনার লেখায় হিগের কণার প্রলয় নৃত্য এবং সুইসে অবকাশ যাপনের সম্পূর্ণ রঙ্গীন চিত্রায়ন পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহে একই সঙ্গে চলতে দেখে অত্যন্ত আনন্দিত হলাম
আশা করছি যে , পদার্থবিদ্যার উপর আপনার এরকম ব্লকবাস্টার লেখা অন্যদেরও দারুন ভাবে অনুপ্রাণিত করবে
অভিজিৎ জুলাই 14, 2012 10:43 অপরাহ্ন -
ফার্মিওনরা বাঘের মত একা ঘুরে বেড়ায় , আর বোসনরা পশুর পালের মত মাঠে থাকে
হাঃ হাঃ হাঃ ...
তা আপনার কাকে বেশি পছন্দ ? বাঘ না পশুর পাল? আমার ধারণা অনুযায়ী আপনার প্রথমটার দিকে ঝোঁক বেশি থাকার কথা
জুলাই 10, 2012 1:16 পূর্বাহ্ন -
খুব ভাল লেখা........... 🙂
জুলাই 10, 2012 12:26 পূর্বাহ্ন -
অসম্ভব সুন্দর একটি লেখা
অনার্য সঙ্গীত জুলাই 9, 2012 11:39 অপরাহ্ন -
অতি অসাধারণ! মুগ্ধতাও ছাড়িয়ে গেল আভিজিৎ দা 🙂
কাজি মামুন জুলাই 9, 2012 11:00 অপরাহ্ন -
পুরো লেখাটি বিরতিহীনভাবে পড়লাম! অপার্থিব ভাইয়ের বর্ননাকৃত জটিলতম একটা বিষয়ে ঢোকার আগে অনেক সুন্দর ভ্রমন গল্প উপহার দিলেন, ঝকঝকে মন মাতানো ছবিসহ! আপনার বিখ্যাত লেখাগুলির মতই পুরো লেখাটিতে ভ্রমনের আবহ ছিল, স্থান ভ্রমনের সাথে বিজ্ঞান রাজ্যে ভ্রমন, কনাদের আবিষ্কার থেকে শুরু হয়ে সাম্প্রতিক এর সাহায্যে হিগ্‌স কণার পরীক্ষ...
সঙ্গে রয়েছে মুক্তমনার চিরায়ত যুদ্ধ, সত্যেন বোসকে নিয়ে হুজুগে বাঙ্গালিপনার বিরুদ্ধে কড়া জবাব! আর 'গডস' পার্টিকেল নিয়ে বিজ্ঞানময় কিতাবধারীদের জন্যও সুস্বাদু জবাব!
কিন্তু বোসন কণা জিনিসটা কি? হিগসের সাথে তার সম্পর্কই বা কি?
এইখানেই লেখাটা অনন্য! বেশিরভাগ লেখাই এ বিষয়টাকে এড়িয়ে গেছে!
তাদের আছে হরেক রকমের (আসলে ছয় রকমের) চেহারা - আপ, ডাউন, চার্ম, স্ট্রেঞ্জ, টপ এবং বটম
এর মধ্যে প্রোটন তৈরি হয় দুটো আপ আরেকটা ডাউন কোয়ার্কের সমন্বয়ে, আর অন্যদিকে নিউট্রন তৈরি হয় একটা আপ আর দুটো ডাউন কোয়ার্ক মিলে
তাহলে চার্ম, স্ট্রেঞ্জ, টপ এবং বটম দিয়ে কোন কোয়ার্ক তৈরি হয়?
কিন্তু যে মুহূর্তে হিগ্‌স বাবাজির ঠাণ্ডা লাগা শুরু হল, অমনি সাম্য টাম্য সব ভেঙ্গে পড়তে শুরু করল
রাতারাতি কণাদের ভর গজাতে শুরু করল, কারো কম কারো বেশি
কেউ চিকণা পটকা হালকা হয়ে রইলো, আর কেউ বা হিগ্‌স ক্ষেত্রের সাথে বেশি করে মিথস্ক্রিয়ায় গিয়ে আর রসদ খেয়ে হয়ে উঠলো হোদল কুতকুত
হিগস কণা ঠান্ডা লেগে আগে নিজে ভারি হল? আর তারপর অন্যদের ভর প্রদান করল, যারাই তার মিথস্ক্রিয়ায় এল?
আগেই বলেছি হিগসের সমুদ্র যদি থেকে থাকে আর সেই সমুদ্র যদি হিগ্‌স কণাদের দিয়ে তৈরি হয়, তাহলে প্রচণ্ড বেগে ধাক্কা দিলে সেখান থেক কিছু কণা বেরিয়ে আসতে পারে
কই অভিজিৎদা, আগে তো বরং বললেন, যে হিগস সমুদ্রে ঢুকে অনেক কনা হাতিসম ভর লাভ করে
হিগস সমুদ্রে প্রচন্ড ধাক্কায় কি করে নতুন কনা বেরিয়ে আসতে পারে? ভর বাড়ানোর সাথে এর সম্পর্ক আছে?
যেসব কণিকা সমষ্টি এই সংখ্যায়ন মেনে চলে ওদের ধর্ম হলো ভর শূন্য অথবা সীমিত, স্পিন শূন্য বা পূর্ণসংখ্যক- আর এদেরকে এখন বলা হয় বোসন
বলা বাহুল্য বোসের নামেই এই নামকরণ
কিন্ত তাহলে যে বলা হয়, হিগস একটি বোসন কনা! এর ভর কি সীমিত?
সুতরাং দেখা যাচ্ছে শোষণ ও নিঃসরণকালে বিকিরণকে গুচ্ছ গুচ্ছ শক্তি কণিকা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে , অন্যদিকে বিবর অভ্যন্তরে একে তরঙ্গ রূপে বিবেচনা করা হচ্ছে
এই জায়গায় আইসা মনে হইল আমি সত্যি বিজ্ঞানের ছাত্র না!
অবশ্য যারা রাম বললেই রামছাগল বোঝেন তাদের পদবী থেকে রাম শব্দটা কেটে ফেলাই বাঞ্ছনীয় ঠিক যেমন বাঞ্ছনীয় গড পার্টিকেল থেকে গড শব্দটা ছেঁটে ফেলার
:: ::
অভিজিৎ জুলাই 10, 2012 10:44 অপরাহ্ন -
@কাজি মামুন,
আপনার মন্তব্যের যে ব্যাপারটা আমার খুব ভাল লাগে সেটা হল আপনি কেবল অনেকের মত 'ভাল লেগেছে' বা 'খারাপ লেগেছে' বলে বিদায় হন না
খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে প্রবন্ধটি পড়েন এবং যেখানে যেখানে প্রশ্ন আছে সেটা করেন
এই মন্তব্যটিও ব্যতিক্রম নয়
চমৎকার কিছু প্রশ্ন হাজির করেছেন
আমার সীমিত জ্ঞান থেকে এ নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করব
তবে সবকিছু যে আমিও জানি তা নয়
এই ব্লগেই পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে অনেক হাতে কলমে কাজ করা লেখক আছেন, তারাও হয়ত প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে পারবেন আমার চেয়ে অনেক ভাল করেই
আপনার প্রসংশাবাক্যগুলো এড়িয়ে গিয়ে কেবল আপনার প্রশ্নগুলোতেই আপাতত: আত্মনিয়োগ করছি -
তাহলে চার্ম, স্ট্রেঞ্জ, টপ এবং বটম দিয়ে কোন কোয়ার্ক তৈরি হয়?
আমি খুব বেশি এ ব্যাপারে বলতে পারব না
আপ এবং ডাউন কোয়ার্কের কথা বলেছি, কারণ তারা মহাবিশ্বে স্টেবল ফর্ম-এ থাকতে পারে
চার্ম, স্ট্রেঞ্জ, টপ এবং বটম কণা কেবলমাত্র উচ্চশক্তির সংঘাতে দৃশ্যমান হয়, যেমন পার্টিকেল এক্সিলেটরে
হ্যাড্রন বলে উপপারমানবিক কণা আছে, যেগুলো চার্ম এবং স্ট্রেঞ্জ কোয়ার্ক দিয়ে তৈরি হয় বলে জানি