content
stringlengths
0
129k
অভিজিৎ দা, লেখাটা যে কী চমৎকার হয়েছে তা বলে বোঝানো যাবে না! একরাশ মুগ্ধতা রইলো
সার্নে যাওয়ার ইচ্ছা আমার অনেকদিনের
লেখাটা পড়ে সেটাও বহুগুণে বেড়ে গেল
আপনার লেখাগুলো পড়লে এরকম গুছিয়ে লিখতে ইচ্ছা হয় খুব
অভিজিৎ জুলাই 14, 2012 1:54 পূর্বাহ্ন -
@তানভীরুল ইসলাম,
সার্নে গেলে নিঃসন্দেহে ভাল লাগবে, আসলে পুরো সুইজারল্যাণ্ড দেশটাই চমৎকার
আর আপনি যদি ম্যাকারনি আর সুইস-চিজ এর ভক্ত হন তো কথাই নাই 🙂
আপনার লেখাগুলো পড়লে এরকম গুছিয়ে লিখতে ইচ্ছা হয় খুব
আর আপনার গ্র্যাণ্ড ডিজানের অনুবাদ পড়ে আমার লেখা ছেড়ে দিতেই ইচ্ছা করেছিলো
🙂 এটুকু কেবল বলি - বিজ্ঞান বিষয়ক লেখা এবং বিশেষতঃ অনুবাদের ক্ষেত্রে বিশ্ব জয় করার ক্ষমতা ছিলো আপনার
আপনি যত লিখবেন, ততই বাংলায় বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণের ব্যাপারটা ফলপ্রসু হবে
ব্যাপারটা এখন থেকে মাথায় রাখবেন আশা করছি
দীপেন ভট্টাচার্য জুলাই 13, 2012 7:03 পূর্বাহ্ন -
অভিজিৎ রায় এমন একটি সুন্দর লেখা উপহার দিয়েছেন যার পেছনে অনেক দিনের শ্রম ও ভালবাসা আছে
অপার্থিবর লেখাটার সঙ্গে মিলে এটা একটা ভাল বই হতে পারে, বিশেষত এটা যখন হিগস সংক্রান্ত প্রায় প্রতিটি বৈজ্ঞানিক ও সামাজিক দিককে ছুঁয়েছে
অভিজিতের বাংলা বেশ চমকপ্রদ, "কণাদের নিয়ে কানাকানি" হচ্ছে একটা উদাহরণ
নিচের লাইনটিও
"যদি হিগ্‌স ক্ষেত্র বলে কিছু না থাকতো, তাহলে কোন বস্তুকণারই ভর বলে কিছু থাকতো না, তা সে রোগা পটকা ইলেকট্রনই হোক, আর হোৎকামুখো হিপোপটেমাস মানে টপ কোয়ার্কই হোক
টপ কোয়ার্ককে হোৎকামুখো জলহস্তী ভেবে মনে মনে খুব হাসলাম
এই প্রসঙ্গে দুটো কথা যোগ করি
হিগস ক্ষেত্র থেকে হয়তো বস্তুকণাকে তার স্থিত-ভর ( ) পায়
কিন্তু কণার গতিশক্তি জনিত একটা ভর আছে
যেমন ফোটনের স্থিত-ভর শূন্য হওয়া সত্ত্বেও তার একটা শক্তি জনিত ভর আছে
এবং ফোটন মহাকর্ষ ক্ষেত্রের দ্বারা প্রভাবিত হয় (অবশ্য সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব দিয়ে বলা যায় ফোটন শুধুমাত্র স্থান্-কালের বক্রতাকে অনুসরণ করে)
তেমনি প্রটোন বা নিউট্রনের মূল ভর সৃষ্টি হয় হিগস ক্ষেত্র থেকে নয়, বরং গ্লুয়োন ও কোয়ার্কের গতিশক্তি এবং গ্লুয়োন ক্ষেত্রে কোয়ার্কের বিচরণ থেকে
সেইক্ষেত্রে আমাদের সমগ্র জাড্য ভরের ( ) কতখানি হিগস জনিত ও কতখানি গতি ও গ্লুয়োন ক্ষেত্র জনিত সেটার হিসাবটা দরকার
মুশকিল হল, কোয়ার্কের ভর যদি শূন্য হয় তবে সেটা সবল মিথষ্ক্রিয়ার ( ) অনেক কিছু বদলাবে, তখন কোয়ার্কের গতিজনিত ভরও বদলাবে
মহাবিশ্বের বর্তমান গঠন সৃষ্টিতে ডার্ক ম্যাটার অন্যতম ভূমিকা রেখেছে
হিগস ক্ষেত্রের সঙ্গে ডার্ক ম্যাটারের আদৌ কোন যোগ আছে কিনা আমরা জানি না
হতে পারে অন্য ধরণের আরো হিগস ক্ষেত্র আছে
একই কথা বলা যায় নিউট্রিনো ভর সম্পর্কেও
অভিজিৎকে লেখাটার জন্য আবারো ধন্যবাদ
অভিজিৎ জুলাই 13, 2012 11:17 পূর্বাহ্ন -
@দীপেন ভট্টাচার্য,
দীপেনদা, এই লেখার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি হচ্ছে আপনার এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্যটি
ভরের সবকিছুই যে আসলে হিগস কণা থেকে প্রাপ্ত নয়, সেটা পরিস্কার করা জরুরী ছিল
আপনি ঠিকই লিখেছেন -
প্রটোন বা নিউট্রনের মূল ভর সৃষ্টি হয় হিগস ক্ষেত্র থেকে নয়, বরং গ্লুয়োন ও কোয়ার্কের গতিশক্তি এবং গ্লুয়োন ক্ষেত্রে কোয়ার্কের বিচরণ থেকে
কিন্তু আমি সরাসরি না বললেও আমি ডঃ ডেভ গোল্ডবার্গের যে আর্টিকেলটি সবার নীচে দিয়েছিলাম সেখানেই এ নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে
আপনাকে আবারো অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি
মুক্তমনায় অনেকদিন ধরে আপনার লেখা পাই না
লিখলে বাধিত হব
জুলাই 16, 2012 9:32 পূর্বাহ্ন -
@দীপেন ভট্টাচার্য, ফোটনের ভর নেই তবে ভরবেগ আছে
ভাল কথা ভর না থাকলেও ভর বেগ থাকতে পারে,( অন্তত কোয়ান্টাম মেকানিক্সের জগতে)
আর ডার্ক ম্যাটার এর অস্তিত্ত নাও থাকতে পারে
এর সম্পর্কে এম -থিউরি একটা ব্যাখ্যা দেয়ে
আবার লুপ কোয়ান্টাম গ্রাভিতি নামে একটা তত্ত আর একটা ব্যাখ্যা দাড় করে
তানভীর হানিফ আগস্ট 24, 2012 2:17 পূর্বাহ্ন -
@দীপেন ভট্টাচার্য,
আপনি ঠিক বলেছেন
গড়পরতা কোন ব্যক্তির ওজনে হিগস্ ক্ষেত্রের অবদান মাত্র ১ কিলো
এখানে ওজন বলতে স্থিতিভর বুঝানো হয়েছে
মহন জুলাই 13, 2012 6:32 পূর্বাহ্ন -
বিষয় টি এত সহজ করে উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ
মিঠুন জুলাই 13, 2012 1:59 পূর্বাহ্ন -
সুনদ্র লাগ্ল
আমি এক্টা জিনিস বুজলাম না তিনটা কনার (2 , ) ভ্র এক্টা () এর স্মান না
ক্ম, তাহলে বাকি ভ্র আসে কিভাবে ?
বিপ্লব রহমান জুলাই 12, 2012 5:31 অপরাহ্ন -
বান্দরবানের চিম্বুক পাহাড়ের কাছে আপনার দেখা পাহাড় কিছুই না
আহা রে, কি জিনিষ যে মিসাইলেন! 😉
[]://--../--3/540049_388249167866442_1570219167_.[/]
চিম্বুক, ছবি () - জান্নাতুল ফেরদৌস
তবে লেখাটা রাম বয়ানসহ জোস হৈছে
আপ্নে রে ধইন্যা
অভিজিৎ জুলাই 11, 2012 8:34 অপরাহ্ন -
আমার লেখাটায় কয়েকটা আপডেট আছে
কিছু ব্যাপার যোগ করলাম লেখাটায়
১) লিওন ল্যাডারম্যানের 'গড পার্টিকেল' শিরোনামের বইটা আমার কাছে আছে, সেটা ২০০৬ সালে পুনর্মুদ্রিত
সেটার জন্য আলাদা করে ভূমিকাও লিখেছেন তিনি
বইটা এমনিতে খুবই দুর্দান্ত, সহজ সরল এবং সাবলীল ভাষায় রসিকতা করে বইটা লেখা
আমি জানিনা পাঠকেরা বইটি পড়েছেন কিনা, বইটা কিন্তু খুব মজাদার একটা বই
এমন নয় যে ঈশ্বর কিংবা ঈশ্বর কণা সম্বন্ধে শ্রদ্ধায় মরে গিয়ে কিংবা ভাবে বিগলিত হয়ে বইটি লিখেছেন, বরং বইটি পড়লে বোঝা যায়, এগুলো নিয়ে ঠাট্টা তামাসাই করেছেন বেশি
যেমন একটা জায়গায় (পৃষ্ঠা ২২) তথাকথিত ঈশ্বর কণাকে 'সবচেয়ে বড় শয়তান/ খলনায়ক' আখ্যায়িত করে লিখেছেন ...
. ' - , .
! !....
এ ধরণের রসিকতা আছে সাড়া বইটা জুড়েই
আর মিডিয়া বইটা না পড়েই এতে ঈশ্বরে বিশ্বাসের উপাদান খুঁজে পেয়েছেন
২) সত্যেন বোসকে নিয়ে মায়াকান্নার জিকির ভেবেছিলাম শুধু ব্লগেই হয়েছে ভেবেছিলেম, পরে খুঁজে দেখলাম ভুল ভাল বিভিন্ন বিষয় সংবাদপত্রেও এসেছে
যেমন, বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম নামের পত্রিকাটিতে নতুন বিতর্কে 'ঈশ্বরকণা' শিরোনামের কলামে সাব্বিন হাসান, আইসিটি এডিটর আমাদের জানিয়েছেন -
...পিটার হিগসের সঙ্গে উপমহাদেশের ভারতীয় বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু এ কণার গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা দেন
এ দুই বিজ্ঞানীর নাম থেকেই 'হিগস-বোসন' কণা তত্ত্বের সৃষ্টি
আজ 'ঈশ্বরকণা' নামে পরিচিত
উদ্ধৃতিটা সম্পূর্ণই ভ্রান্ত
পদার্থবিজ্ঞানে বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর অসামান্য অবদান আছে, কিন্তু তিনি এ কণার (হিগস কণার) গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে কোন ধারনা আসলে দেননি
ভুল প্রথম আলোও করেছে
' ,' লেখাটার ভুল ম্যাসেজে উদ্বুদ্ধ হয়ে ৫-০৭-২০১২ তারিখে অনলাইন ডেস্কের বরাত দিয়ে প্রথম আলো শিরোনাম করেছে -'উপেক্ষিত বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু'
৩) এ ব্যাপারটা হয়তো বলার দরকার ছিলো না
সবাই জানেন যে, 'প্রলয়-নাচন নাচলে যখন আপন ভুলে' শিরোনামের অংশটা রবীন্দ্রনাথের একটা বিখ্যাত গানের বাণী থেকে ধার করা
তবে অনেকে এটা নিয়েও ত্যানা প্যাচাতে পারেন বলে পুরো গানটাই যোগ করে দিলাম লেখার শেষে
পাঠকদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি
তাদের বিনীত ভাবে জানাই - ব্যস্ততার কারণে অনেককেই আলাদা ভাবে উত্তর দিতে পারছি না
ব্যস্ততা কমলে উত্তর দিতে চেষ্টা করব অবশ্যই
আব্দুল হক জুলাই 12, 2012 10:02 পূর্বাহ্ন -
আমার মত অপদার্থেরাও বেশ ভালই বুঝতে পারবে বলে আমার ধারণা
অনেক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন অভিজিৎকে
এভাবেই মানুষদের বিজ্ঞান মনষ্ক করে তুলতে হবে
তাপস শর্মা জুলাই 11, 2012 6:00 অপরাহ্ন -