content
stringlengths
0
129k
জুন 26, 2021 | 5
জাত-পাত-বর্ণ ও ধর্ম নিরপেক্ষ করোনা(-19)নিয়ে ধর্মান্ধতা ও নোংরা রাজনীতি বন্ধ করুন
জাত-পাত-বর্ণ ও ধর্ম নিরপেক্ষ করোনা(-19)নিয়ে ধর্মান্ধতা ও নোংরা রাজনীতি বন্ধ করুন
মে 5, 2021 | 3
86
ইমরান আগস্ট 25, 2014 12:02 পূর্বাহ্ন -
অনেক কিছু জানলাম
লেখককে ধন্যবাদ জানাই
রফিকুল ইসলাম এপ্রিল 18, 2014 3:46 অপরাহ্ন -
আপনার প্রতিটি লেখার মত অসম্ভব ভালো একটা লেখনি,অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানলাম
এই বিষয়টি নিয়ে দেশে বিদেশের কিছু লেখা পড়ার সৌভাগ্য হয়েছে
কিছু লেখনী এটা উল্লেখ আছে যে হিগস বোসন কণার সাথে জড়িত সত্যেন্দ্রনাথ বসুকে যথাযথ সম্মান করা হয় নি বা অমর্যাদা করা হয়েছে
আবার কেউ কেউ উল্লেখ করেছেন যেহেতু প্রাপ্ত কণার ধর্ম বোসন কণার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ সেই স্বার্থে তার নাম উল্লেখ করাই (হিগস-বোসন) তার প্রতি যথেষ্ট সম্মান প্রদর্শন অর্থাৎ কোন অসম্মান করা হয় নি
এই বিষয়ে আপনার মন্তব্য কি?
রফিকুল ইসলাম
মহাশূণ্য ভ্রমণে সুযোগ পাওয়া প্রথম বাঙালী ছাত্র
টাপোশ জানুয়ারী 15, 2014 12:03 অপরাহ্ন -
বোস এর নামটা কেনো জুরে ডিলো বোলুনটো ?
শাহেদ নভেম্বর 3, 2012 11:12 অপরাহ্ন -
সুন্দর পোস্ট 🙂
অদ্ভুত ছেলে অক্টোবর 13, 2012 3:44 পূর্বাহ্ন -
আসলে কোয়ান্টাম শূন্যতা অস্থিতিশীল বলেই সেখানে 'স্বতঃস্ফূর্তভাবে উৎপত্তি'র মাধ্যমে বস্তু কণার উদ্ভব অবশ্যম্ভাবী
আমার প্রশ্ন হচ্ছে- কোয়ান্টাম শুন্যতা থেকে হিগস বোসন কিভাবে এলো?
অসম্ভব সুন্দর হয়েছে লিখাটি
হিগস বোসন সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলাম
আশিস বড়ুয়া সেপ্টেম্বর 24, 2012 9:01 পূর্বাহ্ন -
বার বার পড়ার পরেও ইচ্ছে হয়েছে আবারো পড়ি
কঠিন, নীরস পদার্থবিজ্ঞানকে সহজ, সাবলীল এবং সরসভাবে উপস্থাপন করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে
অনেকদিন ধরেই আপনার লেখাগুলোর গুণমুগ্ধ পাঠক আমি
এতো সমস্ত লেখাগুলো একটা বই আকারে প্রকাশের ব্যবস্থা করুন না, প্লীজ! ()
সৈকত আগস্ট 6, 2012 3:21 অপরাহ্ন -
আমি বিজ্ঞানের ছাত্র নই তবে এই সম্বন্ধে বুঝতে আমার খুব একটা কষ্ট হয়নি, লেখাটা যে খুবই সাবলীল সে বিষয়ে সন্দেহ নেই
তবে আর একটা ব্যাপার বুঝতে পেরেছি যে আমারা বঙ্গ+আল-রা বিজ্ঞান বিষয়ে বিদেশিদের চাইতে কম বুঝি না বরঞ্চ তাদের চাইতেও এই বিষয়ে আমাদের আগ্রহ অনেকখানি বেশি
বিশ্বাস না হলে লেখাটাতে কতগুলো মন্তব্য এসেছে গুনে দেখতে পারেন
দৃশ্য বাংলা জুলাই 23, 2012 1:28 পূর্বাহ্ন -
কি অসাধারণ লেখা
এটাকে একটা সুন্দর বই অবিলম্বে করা প্রয়োজন
সাদিয়া জুলাই 14, 2012 1:28 পূর্বাহ্ন -
অভিজিৎ দা কে ধন্যবাদ এই সুন্দর লেখাটির জন্য
সাদিয়া জুলাই 14, 2012 1:23 পূর্বাহ্ন -
অনেকদিন পর টা হাতে পেয়েই মুক্তমনায় ধুক্লাম
আর ঢুকেই পেয়ে গেলাম এই চমতকার লেখা
ধন্যবাদ অভিজিৎ দা কে
তাছারা মন্তব্য থেকেও অনেক কিছু শিখলাম তাই অন্যদেরও ধ্নবাদ
আর কেউ যদি হিগস-বোসনের ভর পাওয়ার প্রক্রিয়াটা আরেকটু বুঝিয়ে বলতেন তাহলে বড় উপকার হয়
অভিজিৎ জুলাই 14, 2012 10:47 অপরাহ্ন -
বস্তুর ভর ব্যাপারটাকে যতটা সহজ মনে হয়, আসলে সেটা অত সহজ নয় মোটেই
আমরা ছোটবেলায় বিজ্ঞানের বইতে শিখেছিলাম 'কোন বস্তুতে অবস্থিত মোট পদার্থের পরিমাণকে ঐ বস্তুর ভর বলে'
আসলে নিউটনীয় দৃষ্টিতে ভর এটাই
তিনি তার প্রিন্সিপিয়া গ্রন্থে ভরের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেছিলেন - ' , '
পদার্থের ভরের এই সংজ্ঞায়ন দুশ বছর ধরে প্রবল প্রতাপে রাজত্ব করেছে
আইনস্টাইনের আপেক্ষিক তত্ত্ব রঙ্গমঞ্চে আসার পরে ভর সম্বন্ধে আমাদের ধারনা অনেক বদলেছে
যেমন আইনস্টাইনের আপেক্ষিক তত্ত্বের প্রয়োগ থেকে দেখা গেছে বস্তুর ভর তার বেগের উপরেও নির্ভরশীল
বস্তুর বেগ যত বাড়ানো হবে তার ভর তত বাড়তে থাকবে
বস্তু কণা আলোর বেগে চলতে পারলে তার ভর হয়ে যায় অসীম
আসলে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানে বস্তুর ভরকে একটা ল্যাগ্রাঞ্জিয়ান ফাংশন হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে
মৌল বা প্রাথমিক কণিকাগুল কীভাবে বর প্রাপ্ত হয় সেটা একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন
কণিকার যেমন স্থিতি ভর বলে একটা জিনিস থাকে (যেটাকে পদার্থবিজ্ঞানে রেস্ট ম্যাস বা ইন্ট্রিন্সিক ম্যাস বলে) তেমনি থাকে গতীয় ভর বা কাইনেটিক ম্যাস
এই ভর আসে কোত্থেকে ? আইনস্টাইনের একটা বিখ্যাত সমীকরণ আছে - = 2 বলে
মানে শক্তি = বস্তুর ভর এবং আলোর গতির বর্গের গুণফল
কাজেই এই সমীকরন থেকে আমরা দেখছি ভরকে যেমন শক্তিতে রূপান্তরিত করা যায় ঠিক তেমনি শক্তিকেও ভরে রূপান্তরিত করা যায়
কাজেই শক্তি থাকলে ভর পাওয়া যায়, সমীকরণটাকে একটু রদবদল করে দিলেই : = /2
প্রোটন এবং নিউট্রনে এই গতীয় শক্তির পুরোটুকুই আসে কোয়ার্ক এবং গ্লুয়নের মধ্যকার বিচরণ এবং তাদের মধ্যকার গতিশক্তি থেকে, যেটা উপরের মন্তব্যে দীপেন দা বলেছেন
তাই প্রটোন আর নিউট্রনের ভরের ক্ষেত্রে আমাদের হিগস কণার দ্বারস্থ না হলেও চলে
কিন্তু কেউ যদি গভীরে ঘুরে আরেক কদম এগিয়ে প্রশ্ন করেন - কোয়ার্ক আর ইলেকট্রনই বা ভর পায় কোত্থেকে
তাহলেই কিন্তু সমস্যা
এতদিন আমরা বলতাম ' ওসব প্রশ্ন কখনো করো না, বোবা কালা হয়ে থাক'!
এখন কিন্তু আমরা হিগসের কল্যাণে সেটার উত্তর দিতে পারছি
এই কণাগুলো হিগস ক্ষেত্র ( ) সাথে মিথস্ক্রিয়ায় ভর অর্জন করে
হিগস ক্ষেত্রটাকে আলকাতরার মতো একটা আঠালো পদার্থের সমুদ্র ধরে নিতে পারেন, তবে আলকাতরার মতো কালো থকথকে নায়, একেবারে অদৃশ্য
যারা এই সমুদ্রের সাথে বেশি মিথস্ক্রিয়ায় জড়ায় তারা বেশি ভারী, বা বেশি ভর বিশিষ্ট হয়ে উঠে, আর যারা আলকাতরার গা বাঁচিয়ে চলতে পারে তারা থেকে যায় ভর হীন কিংবা খুবই হালকা
এর চেয়ে আর বিস্তৃত ভাবে বোঝাতে হয়ত আমি আর পারব না
সায়েন্টিফিক আমেরিকান থেকে এই প্রবন্ধটি পড়তে পারেন
কিংবা এই ভিডিও গুলো দেখে নিতে পারেন -
://../?=23
://../?=17
://../?=1
সাদিয়া জুলাই 18, 2012 9:45 অপরাহ্ন -
@অভিজিৎ,ধন্যবাদ
কিন্তু আসলে আমি জানতে চেয়েছিলাম হিগস-বোসনএর নিজের ভর প্রাপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াটার ব্যাখ্যা
আর অভিজিৎ দা,আমাকে "আপনি" বলে ডেকেন না
আমি কেবল একাদশ শ্রেণীর ছাত্রী আর আসলে আপনি কথা কেন জানি গায়ে সয় না
অসস্তি লাগে
অভিজিৎ জুলাই 23, 2012 9:35 অপরাহ্ন -
সরি, প্রশ্নটা বুঝতে ভুল হয়েছিল
হিগস কণার কেন ভর আছে, কিংবা কীভাবে ভরপ্রাপ্ত হল সেটা একটা জটিল আলোচনা
সহজ ব্যাখ্যা হল - হিগস ফিল্ড একটি কোয়ান্টাম ফিল্ড
স্ট্যান্ডার্ড মডেলের প্রেডিকশন অনুযায়ী সিস্টেমকে একদম লোয়ার এনার্জি লেভেলে রাখতে হলে (যেখানে আমাদের মহাবিশ্ব রয়েছে বলে ধারনা করা হয়) এক ধরণের 'নন-জিরো ফিল্ড স্ট্রেন্থ' দরকার
যদি হিগসের ফিল্ড স্ট্রেন্থ শূন্য হতো, তবে আমাদের মহাবিশ্ব এক ধরনের মেটাস্টেবল অবস্থায় থাকতো (অনেকটা নিবের উপর পেন্সিলের দাঁড়িয়ে থাকার মত ব্যাপার - যে কোন সময় সেটা হেলে পড়তে পারে)
গণনা করে দেখা গেছে - সেই মেটাস্টেবল অবস্থার চেয়ে হিগস ফিল্ড যদি একটা নির্দিষ্ট মান ধারণ করে, তাহলে মহাবিশ্ব অনেক সুস্থিত অবস্থায় থাকবে
সেজন্যই হিগস কণার ভর রয়েছে
আর কীভাবে সে ভরপ্রাপ্ত হয় সেটা এক লম্বা আলোচনা
আমিও যে পুরোটুকু বুঝি তা নয়
তানভীর হানিফ আগস্ট 24, 2012 2:53 পূর্বাহ্ন -
সহজভাবে বলতে গেলে হিগস্ ক্ষেত্রের আলোড়ন একটি নয়-চারটি স্কেলার কণিকা
এর তিনটিকে (যারা গোল্ডস্তোন কণিকা নামে পরিচিত) ভরবিহীণ উইক ভেক্টর বোসোনত্রয় খেয়ে ফেলে ভরপ্রাপ্ত হয়-অন্যকথায় এরা কণিকাত্রয়ের ট্রান্সভার্স ডিগ্রীস্ অব ফ্রিডমে রূপান্তরিত হয়
অবশিষ্ট আলোড়নটি হিগস্ ক্ষেত্রের সাথে বিক্রিয়ায় ভরপ্রাপ্ত হয়
এটিকেই হিগস্ বোসোন বলা হচ্চে
ফার্মিয়নসমূহের ক্ষেত্রে এই মেকানিজমটি অতীব জটিল-কারণ সেক্ষেত্রে প্রতি জেনারেশানের সর্বমোট ১২ টি ফার্মি কণিকার জন্য ইউকাওয়া কাপ্লিং আছে
তানভীরুল ইসলাম জুলাই 13, 2012 1:27 অপরাহ্ন -