content
stringlengths
0
129k
এটাই একজন ভক্ত হিন্দুকে চরম আনন্দ প্রদান করে যা সে শুধু নিজেই অনুভব করে, অন্যকে প্রকাশ করতে পারে না
বিষয়টাকে মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে যেভাবেই ব্যখ্যা করা হোক না কেন, হিন্দুদের ধর্ম ঠিক এরকমই
ইসলাম শুধু উপর দিয়ে দেখে উপহাস করে বলে হিন্দুরা মূর্তি পূজা করে
সেখানে ইসলামের আল্লাহ এরকম বহু রূপ ধারন করতে পারে না, অন্তত: কোরান হাদিসে তার কোন উল্লেখ নেই
আর তাই সে তার ভক্তের কামনা বাসনা মিটাতে অক্ষম
একই সাথে এক ব্যক্তি একই সময়ে বিচারক ও দয়ালু হতে পারে না
কোন বিচারক একজন ক্রিমিনালকে বিচার করে সঠিক ভাবে ফাসির রায় দিলে সেটা তার চুড়ান্ত ন্যয় বিচার হতে পারে কিন্তু তখন তিনি আ র অভিযুক্তের প্রতি দয়ালু থাকেন না
সুতরাং একই সাথে আল্লাহ কিভাবে তার সৃষ্ট কোটি কোটি মানুষের বিচার করে কাউকে ফাসি কাউকে করুনা করে একই সময়ে সবার প্রতি পরম ন্যয় বিচারক ও দয়ালু থাকেন ? এটা সম্ভব শুধুমাত্র আল্লাহ বহু রূপ ধারন করে তখনই
ইসলামের আল্লাহর এ ধরনের বহু রূপ ধারনের ক্ষমতা নেই
আর সে কারনেই দেখা যায় কোরানে আল্লাহর প্রকৃত রূপ হলো - একজন ভীষণ রাগী, ক্রুদ্ধ, হিংস্র, প্রতিশোধ পরায়ন কোন অস্তিত্বের , তার মধ্যে ভালবাসা, করুনা, ক্ষমার কোন লক্ষন দেখা যায় না
যদিও মাঝে মাঝে উল্লেখ আছে সে নাকি ক্ষমাশীল কিন্তু তার রাগ ও হিংস্রতার কথা যদি ৫০ বার উল্লেখ করা হয়েছে তো ক্ষমাশীলতার কথা বলা আছে মাত্র ১ বার
অর্থাৎ সার্বিক ভাবে কোরানের আল্লাহ একজন হিংস্র কোন জন্তু বা জীব
পরম করুনাময় সৃষ্টি কর্তা নয় কোনমতেই
একারনেই সম্ভবত কোন মুসলমান ইসলামের সব ধরনের বিধান অনুসরণ করেও কখনো আল্লাহর সাথে নৈকট্য অনুভব করে না
যেহেতু ইসলামের আল্লাহর তার ভক্তের সাধ পূরনের কোন ক্ষমতা নেই, তাই এ ধরনের রূঢ় ও ক্রুদ্ধ সৃষ্টিকর্তার কোন অস্তিত্ব থাকতে পারে না, থাকলেও সেটা ঈশ্বর না হয়ে হবে নিশ্চিত ভাবে শয়তান
কারন শয়তানই একমাত্র এভাবে ক্রুদ্ধ ও হিংস্র হতে পারে কোন পরম করুণাময় ঈশ্বর নয়
আর হিন্দুদের ঈশ্বর জগতের সব জায়গাতেই বিরাজমান, তাই তাদের কোন নির্দিষ্ট কিবলার দরকার পড়ে না
যে কোন দিকে বসেই তারা তাদের ঈশ্বর বা দেব দেবীকে ডাকতে পারে
ইসলামের আল্লাহর এ বিষয়ে সীমাবদ্ধতা রয়েছে
আল্লাহ শুধুমাত্র কাবা নামক একটা দালান ও তার ভিতরের কাল পাথরের দিকে না তাকিয়ে ডাকলে সে কোন ডাক শোনে না, যদিও সে তার মধ্যে বাস করে না
এভাবে জড় বস্তুর প্রতি মাথা নত করতে বা জড় বস্তুকে পুজা দেয়ার জন্য মানুষকে প্ররোচিত করে তাদেরকে বিভ্রান্ত ও বিপথে নিয়ে যাওয়ার চক্রান্ত করতে পারে একমাত্র শয়তান , কোন সৃষ্টিকর্তা নয়
হিন্দুদের ঈশ্বর তাই এ ধরনের শয়তানের প্রভাব মুক্ত
ঠিক তেমনি ভাবে খৃষ্টানরা বিশ্বাস করে ত্রিত্ব বাদ() তে
পিতা, পূত্র ও পবিত্র আত্মা যারা মূলত একই ঈশ্বরের তিনটি রূপ
এখানে ঈশ্বর পিতা হিসাবে বিচারকের ভূমিকায় আর পূত্র হিসাবে দয়াবানের ভুমিকায়, মানুষকে জ্ঞান দান করে সৎ পথে থাকার কাজটি করে পবিত্র আত্মা
ঈশ্বরের দয়ার রূপ হলো তার রূপক পূত্র যীশু
বাস্তবে তো যীশু ঈশ্বরের পূত্র নয় বরং স্বয়ং নিজেই
ঈশ্বর যেহেতু তার সৃষ্ট মানব কুলকে ভালবাসে, কিন্তু মানব কুল মাঝে মাঝে বিপথগামী হয়ে পড়ে তাই তাদেরকে উদ্ধারের জন্য স্বয়ং ঈশ্বর তার পূত্রের রূপ ধারন করে পৃথিবীতে আগমন করেছিল
ক্রুশ বিদ্ধ অবস্থায় সে অশেষ যন্ত্রনা ভোগ করে মারা যাওয়ার অভিনয় করেছিল
কেন এ অভিনয়? এ যন্ত্রনা ভোগ করে মারা যাওয়ার মধ্যে সে প্রমান করতে চায় যে সে তার সৃষ্ট মানবকুলকে সীমাহীন ভালবাসে
এটা যখন মানুষ বুঝতে পারবে তখন মানুষ অনুতপ্ত হয়ে যীশুর বানী অনুসরণ করবে
আর ঈশ্বর পবিত্র আত্মার ভূমিকা পালন করে সকল মানুষের মনে শুভাশুভ জ্ঞান দান করে যাতে তারা সঠিক পথে চলতে পারে কারন ঈশ্বর প্রতিটি মানুষকে স্বাধীন ইচ্ছা শক্তি দিয়ে তৈরী করেছে
অথচ মোহাম্মদ ত্রিত্ববাদের এ গভীর মাহাত্ম ধরতে পারেন নি
তার কতিপয় প্রশ্ন- ঈশ্বর কিভাবে তিনটি হয় ? ঈশ্বরের পূত্র কিভাবে একই সাথে ঈশ্বর হয়? যদিবা ঈশ্বরের পূত্র ঈশ্বর হয়ে থাকে তাহলে সে কিভাবে ক্রুশে মারা যেতে পারে? অর্থাৎ ঈশ্বর কি মরণশীল ? এসবের উত্তর - ঈশ্বর তিনটি নয় একটি , ত্রিত্ব () হলো ঈশ্বরের তিনটি রূপ যার তার ভিন্ন ভিন্ন গুণাবলীর বহি:প্রকাশ
স্বয়ং ঈশ্বর মানুষ হিসাবে পৃথিবীতে আগমন করেছে আর তার জন্মদানের জন্য কোন পিতার ঔরসের দরকার পড়ে নি বা পড়েও না এবং ঈশ্বর তার নিজ আত্মা কে কুমারী মরিয়মের গর্ভে প্রবেশ করিয়ে তাকে গর্ভবতী করে ও পরে যীশু রূপে পৃথিবীতে জন্মগ্রহন করে
বাহ্যিকভাবে দেখলে কুমারী মরিয়মের গর্ভে তাঁর জন্ম কিন্তু তার গর্ভধারন ঈশ্বরের মাধ্যমে, তাই যীশু নিজেকে ঈশ্বরের পূত্র বলেছেন
আবার যেহেতু যীশুর আত্মা স্বয়ং ঈশ্বরের আত্মা তাই তিনি স্বয়ং ঈশ্বরও
যীশুর ঈশ্বরের পূত্র বলে নিজের পরিচয় দেওয়াটা ছিল সম্পূর্ণ রূপক, বাস্তব নয় অর্থাৎ যীশু ঈশ্বরের ঔরসজাত কোন পূত্র নয়
যীশুর মানব রূপে আগমনের কারনেই নিজেকে ঈশ্বরের পূত্র বলেছিলেন, তিনি নিজেকে ঈশ্বর বলতে পারতেন না , কারন তিনি মানুষকে শাসন বা শাস্তি দিতে আসেন নি, এসেছিলেন ভাল কিছু শিক্ষা দিতে, মানুষকে ভালবাসা দিতে ও শেখাতে, ক্ষমা করা শেখাতে অর্থাৎ যীশু ছিল ঈশ্বরের দয়ার বাস্তব প্রতিরূপ
তিনি নিজেকে তাহলে ঈশ্বর পরিচয় কেন দেন নি? কারন নিজেকে ঈশ্বর পরিচয় দিলে মানুষরা তার শিক্ষাকে অস্বীকার করলে সাথে সাথেই তাদেরকে শাস্তি দিতে হত তাদেরকে ধ্বংস করে দিতে হতো, না হলে তাকে অসীম শক্তিশালী বলা যেত না এ বিষয়টি এড়ানোর জন্যই যীশু নিজেকে ঈশ্বর হিসেবে পরিচয় দেয় নি
এটাই হলো ঈশ্বরের ত্রিত্ববাদের ব্যখ্যা আর যার অর্থ মোটেই খৃষ্টানদের ঈশ্বর তিন টি নয় , একটিই যা মোহাম্মদ মোটেই বুঝতে পারে নি, অত গভীরে বোঝার মত যে বিদ্যা ও জ্ঞান থাকা দরকার মোহাম্মদের তা ছিল না
না থাকার কারনেই কোরানে বলছে-
আল্লাহ এমন নন যে, সন্তান গ্রহণ করবেন, তিনি পবিত্র ও মহিমাময় সত্তা, তিনি যখন কোন কাজ করা সিদ্ধান্ত করেন, তখন একথাই বলেনঃ হও এবং তা হয়ে যায়
সুরা মারিয়াম, ১৯:৩৫
তারা বলেঃ দয়াময় আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন
এ কারণে যে, তারা দয়াময় আল্লাহর জন্যে সন্তান আহবান করে
অথচ সন্তান গ্রহণ করা দয়াময়ের জন্য শোভনীয় নয়
সূরা মারিয়াম, ১৯: ৮৮-৯১
আয়াতগুলি পরিস্কার বোঝাচ্ছে যে খৃষ্টানরা যীশুকে যে ঈশ্বরের পূত্র বলে তার অর্থ ঈশ্বরের ঔরসেই যেন যীশুর জন্ম কিন্তু ঈশ্বরের এ ধরনের কোন পূত্রের দরকার পড়ে না
অর্থাৎ মোহাম্মদ বুঝতেই পারে নি যে ঈশ্বরের পূত্র বলতে খৃষ্টানরা এটা মোটেই বোঝায় না যে তার জন্ম হয়েছিল ঈশ্বরের ঔরসেই
এ থেকে বোঝা যায় মোহাম্মদ যীশু যে ঈশ্বরের পূত্র- এ বিষয়টা স্থূল অর্থে গ্রহণ করেছে
মোহাম্মদ মোটেই ত্রিত্ববাদ বুঝতে না পের যীশু সম্পর্কে উল্টা পাল্টা কথা বলছে তার প্রমান নীচের আয়াত-
فَاتَّخَذَتْ مِن دُونِهِمْ حِجَابًا فَأَرْسَلْنَا إِلَيْهَا رُوحَنَا فَتَمَثَّلَ لَهَا بَشَرًا سَوِيًّا (17
অতঃপর তাদের থেকে নিজেকে আড়াল করার জন্যে সে পর্দা করলো
অতঃপর আমি তার কাছে আমার রূহ প্রেরণ করলাম, সে তার নিকট পুর্ণ মানবাকৃতিতে আত্নপ্রকাশ করল
সূরা মরিয়াম, ১৯:১৭
উক্ত আয়াতে আল্লাহ বলছে আমার রুহ ( আল্লাহর রূহ) প্রেরণ করলাম, তো এখানে আমার অর্থ তো আল্লাহর
অর্থাৎ স্বয়ং আল্লাহ নিজেই মরিয়মের কাছে আগমন করেছে
قَالَتْ إِنِّي أَعُوذُ بِالرَّحْمَن مِنكَ إِن كُنتَ تَقِيًّا (18
মারইয়াম বললঃ আমি তোমা থেকে দয়াময়ের আশ্রয় প্রার্থনা করি যদি তুমি আল্লাহভীরু হও
সুরা মারিয়াম, ১৯:১৮
قَالَ إِنَّمَا أَنَا رَسُولُ رَبِّكِ لِأَهَبَ لَكِ غُلَامًا زَكِيًّا (19
সে বললঃ আমি তো শুধু তোমার পালনকর্তা প্রেরিত, যাতে তোমাকে এক পবিত্র পুত্র দান করে যাব
কি ধরনের আজগুবি ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ কথা বার্তা কোরানে বলা হয়েছে যা দেখা যায় ১৯:১৯ আয়াতে
১৯:১৭ বলছে আল্লাহ নিজের রুহ বা আত্মা তথা স্বয়ং নিজেই মরিয়মের কাছে আগমন করেছে অথচ এর এক আয়াত পরেই ১৯:১৯ তে বলছে আমি তো তোমার পালন কর্তা প্রেরিত
এ থেকে বোঝা যায় যীশু সম্পর্কে মোহাম্মদ সম্পুর্ণ একটা অস্পষ্ট ও ধোয়াসার মধ্যে ছিলেন
যীশুকে তিনি অবজ্ঞা করতেও পারছিলেন না আবার তাকে ঈশ্বরের পূত্র বা ঈশ্বর হিসাবে গ্রহন করতেও রাজী ছিলেন না
আর এসবের ব্যখ্যা করতে গিয়ে তথাকথিত ইসলামি পন্ডিতদের লেজে গোবরে অবস্থা তারা এখানে ১৯:১৭ আয়াতের আমার রুহ বলতে নাকি আল্লাহ জিব্রাইলকে বুঝিয়েছে তার কারন ১৯:১৯ আয়াতে বলছে আমি তো শুধু তোমার পালন কর্তা প্রেরিত
তাদেরকে যদি প্রশ্ন করা হয়- আল্লাহর রুহ কিভাবে জিব্রাইল হয়, তখন তারা শুরু করে আগডুম বাগডুম যত সব অর্থ হীন পাগলের প্রলাপ
তার উক্ত আয়াত গুলো পড়ে বুঝতেই পারে না যে বস্তুত মোহাম্মদ যীশু সম্পর্কে কোন সঠিক ধারনা করতে ব্যর্থ হয়েই এ ধরনের অসাঞ্জস্যপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেছেন
আদম কে জীবন দেয়ার ব্যপারেও মোহাম্মদ অবাস্তব ও আজগুবি বক্তব্য প্রদান করেছেন যা দেখা যায় নিচের আয়াতে -
فَإِذَا سَوَّيْتُهُ وَنَفَخْتُ فِيهِ مِن رُّوحِي فَقَعُواْ لَهُ سَاجِدِينَ (29
: ( ) , ." , 15:29
যখন আমি তাকে (আদম ) সাজাব ও তার ভিতর আমার রুহ ফুকে দেব, তোমরা সবাই তার সামনে সেজদায় পড়ে যেও
সুরা হিজর, ১৫:২৯ (মক্কায় অবতীর্ণ)
وَالَّتِي أَحْصَنَتْ فَرْجَهَا فَنَفَخْنَا فِيهَا مِن رُّوحِنَا وَجَعَلْنَاهَا وَابْنَهَا آيَةً لِّلْعَالَمِينَ (91
এবং সেই নারীর কথা আলোচনা করুন, যে তার কামপ্রবৃত্তিকে বশে রেখেছিল, অতঃপর আমি তার মধ্যে আমার রূহ ফুঁকে দিয়েছিলাম এবং তাকে তার পুত্রকে বিশ্ববাসীর জন্য নিদর্শন করেছিলাম
সূরা আম্বিয়া, ২১:৯১ (মক্কায় অবতীর্ণ)
খেয়াল করতে হবে , ১৫:২৯ অনুযায়ী, আল্লাহ যদি তার নিজের রুহ ( আত্মা) আদমের দেহে ফুকে দেয় ও তার ফলে আদম জীবিত হয়ে ওঠে, তাহলে আদমের আত্মাটা কার হবে ? নিশ্চয়ই আল্লাহর হবে অর্থাৎ আদম আল্লাহর সমান হয়ে যাবে
একই প্রক্রিয়া আল্লাহ করেছে যীশুর ক্ষেত্রেও
আর এ পয়েন্ট টা ধরেই ইসলামি পন্ডিতরা বলতে চায়, আদমের দেহে আল্লাহর রূহু(আত্মা) প্রবেশ করিয়ে তাকে জীবন দিলে যেমন আদম আল্লাহ হয়ে যায় নি , ঠিক সেভাবেই যীশুকেও আল্লাহ তার আত্মা দ্বারা জীবন দান করাতে যীশু আল্লাহ বা ঈশ্বর হয়ে যায় নি
অর্থাৎ তারা একটা ভুল যুক্তি দিয়ে একটা সত্য বিষয়কে ভুল প্রমান করতে চায়
তাদের সেই ভুল যুক্তি টা কি ? সেটা হলো - আল্লাহ প্রতিটি জীবন্ত প্রানীর শরীরে নিজের আত্মা প্রবিষ্ট করিয়ে দিয়ে তাদেরকে জীবন দান করে
অথচ এই আল্লাহর কিন্তু কাউকে জীবন দিতে শুধুমাত্র হও বললেই হয়ে যায় নিজের আত্মা প্রবেশ করানোর দরকার পড়ে না
আর আল্লাহ যদি নিজের আত্মাকে কোন প্রানীর শরীরে ঢুকিয়ে দেয়, তাহলে সেই প্রানী হুবহু আল্লাহর মত কেউ হয়ে যাবে
এ থেকে বোঝা যাচ্ছে সৃষ্টি সম্পর্কিত মোহাম্মদের ধারনা ছিল খুবই সীমিত
তবে শুধুমাত্র এ পয়েন্টে ইসলামি পন্ডিতরা যীশুর ঈশ্বরত্বকে উড়িয়ে দিতে চাইলেও তা সম্ভব নয় কারন কোরান হাদিসে আরও বহু বক্তব্য আছে যা যীশুর ঈশ্বরত্বের সমার্থক
এবার সৃষ্টি সম্পর্কিত ধারনা তৌরাত কিতাবে কেমন তা দেখা যাক,
প্রভু পরমেশ্বর মাটি থেকে ধুলো নিয়ে মানুষকে গড়লেন ও তার নাকে ফু দিয়ে তার প্রান সঞ্চার করলেন, আর মানুষ সজীব প্রাণী হয়ে উঠল
জেনেসিস, অধ্যায়-২, বাক্য-৭
খুবই যৌক্তিক বক্তব্য
মানুষকে জীবিত করতে আল্লাহর তো তার নিজের রুহ বা আত্মা মানুষের দেহে ঢুকানোর দরকার নেই, কারন সেটা করলে মানুষ তো আল্লাহর মত কেউ একজন হয়ে যাবে
বরং সোজা পথ হলো- হয় আল্লাহ বলতে পারে - জীবিত হও, অথবা তার দেহের যে কোন অংশে শুধুমাত্র একটা ফু দিয়েই সেটা করতে পারে
বিষয়গুলো আরও ভালভাবে বোঝা যাবে নিচের আয়াতে-
إِذْ قَالَتِ الْمَلآئِكَةُ يَا مَرْيَمُ إِنَّ اللّهَ يُبَشِّرُكِ بِكَلِمَةٍ مِّنْهُ اسْمُهُ الْمَسِيحُ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ وَجِيهًا فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ وَمِنَ الْمُقَرَّبِينَ (45
যখন ফেরেশতাগণ বললো, হে মারইয়াম আল্লাহ তোমাকে তাঁর এক বানীর সুসংবাদ দিচ্ছেন, যার নাম হলো মসীহ-মারইয়াম-তনয় ঈসা, দুনিয়া ও আখেরাতে তিনি মহাসম্মানের অধিকারী এবং আল্লাহর ঘনিষ্ঠদের অন্তর্ভূক্ত
সূরা- আল ইমরান, ৩:৪৫
يَا أَهْلَ الْكِتَابِ لاَ تَغْلُواْ فِي دِينِكُمْ وَلاَ تَقُولُواْ عَلَى اللّهِ إِلاَّ الْحَقِّ إِنَّمَا الْمَسِيحُ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ رَسُولُ اللّهِ وَكَلِمَتُهُ أَلْقَاهَا إِلَى مَرْيَمَ وَرُوحٌ مِّنْهُ فَآمِنُواْ بِاللّهِ وَرُسُلِهِ وَلاَ تَقُولُواْ ثَلاَثَةٌ انتَهُواْ خَيْرًا لَّكُمْ إِنَّمَا اللّهُ إِلَـهٌ وَاح...
হে হে আহলে-কিতাবগণ! তোমরা দ্বীনের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করো না এবং আল্লাহর শানে নিতান্ত সঙ্গত বিষয় ছাড়া কোন কথা বলো না
নিঃসন্দেহে মরিয়ম পুত্র মসীহ ঈসা আল্লাহর রসূল এবং তাঁর বাণী যা তিনি প্রেরণ করেছেন মরিয়মের নিকট এবং রূহ-তাঁরই কাছ থেকে আগত