content stringlengths 0 129k |
|---|
ফলে আগামী দিনগুলোতে আম রপ্তানির পরিমাণ অনেক বাড়বে বলে আশার কথা শোনান মন্ত্রী |
কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাদু আম উপহারের বিষয়টি এবার বেশ আলোড়ন তুলেছিল |
শুধু প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত নয়, বিভিন্ন দেশের রাজা-বাদশাহ, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর জন্য উপহার হিসেবে পাঠানো হয়েছে ফলের রাজা আম |
এই আম উপহারের ফলে বাংলাদেশের সুস্বাদু আম নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছে |
আন্তর্জাতিক মিডিয়াতেও এসেছে বিষয়টি |
শেয়ার করুন |
করোনার নতুন ধরনের খবরে ভারতের পুঁজিবাজারে ধস |
আশিস গুপ্ত, নয়া দিল্লি |
২৬ নভেম্বর, ২০২১ ১৫:৩৩ |
আপডেট: ২৬ নভেম্বর, ২০২১ ১৫:৫৪ |
লিংকডইনে শেয়ার করুন |
ইমেইল করুন |
ওয়াটসঅ্যাপে শেয়ার করুন |
ব্লগস্পটে শেয়ার করুন |
পুঁজিবাজারে পতনে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ, এইচডিএফসি ব্যাংক, কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাংক, ইনফোসিস ও স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার শেয়ারের দরপতন হয়েছে |
অটো, মেটাল, কনজিউমার ডিউরেবলস, জ্বালানি, বিদ্যুৎ, শিল্পকারখানা, তথ্যপ্রযুক্তি, টেলিযোগাযোগ খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সূচকও ২ থেকে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ পড়েছে |
ভারতে করোনাভাইরাসের নতুন ধরনের উপস্থিতি নিশ্চিত না হলেও এর খবরেই ধস নেমেছে পুঁজিবাজারে |
সাউথ আফ্রিকায় শনাক্ত বি.ওয়ান.ওয়ান.ফাইভটুনাইন ভ্যারিয়েন্টটির বিষয়ে সতর্ক করে বৃহস্পতিবার সব রাজ্যকে চিঠি দেয় ভারত সরকার |
এরপর শুক্রবার সকালে কর্মদিবসের শুরুতেই সেনসেক্সের সূচকে প্রায় ১২০০ পয়েন্ট পতন হয় |
নিফটির সূচকও ১৭ হাজার পয়েন্টে নেমে যায় |
দিল্লির স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ সেনসেক্স সূচক ছিল ৫৭ হাজার ৫৫৪ পয়েন্টে এবং নিফটি সূচক ছিল ১৭ হাজার ১৬৬ পয়েন্টে |
শেয়ারবাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্টের খবরে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে |
নতুন ভ্যারিয়েন্ট প্রতিরোধে বিদ্যমান টিকা কার্যকর নয়- এমন আতঙ্কে নতুন করে বিনিয়োগে রাজি নন বিনিয়োগকারীরা |
এদিনের পুঁজিবাজারে পতনে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ, এইচডিএফসি ব্যাংক, কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাংক, ইনফোসিস ও স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার শেয়ারের দরপতন হয়েছে |
অটো, মেটাল, কনজিউমার ডিউরেবলস, জ্বালানি, বিদ্যুৎ, শিল্পকারখানা, তথ্যপ্রযুক্তি, টেলিযোগাযোগ খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সূচকও ২ থেকে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ পড়েছে |
নতুন ভ্যারিয়েন্টের প্রভাবে এশিয়ার অন্যান্য দেশের পুঁজিবাজারেও ব্যাপক দরপতন হয়েছে |
বিনিয়োগকারীরা নতুন বিনিয়োগের বদলে ডলার, ইয়েন বাঁচাতেই উদ্যোগী |
জাপান বাদে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পুঁজিবাজারে সূচক ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে |
হংকংয়ে ক্যাসিনো, পানীয় পণ্যের শেয়ারের মূল্য যেমন কমেছে, সিডনিতেও পর্যটন খাতে যুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমেছে |
জাপানের নিক্কেইয়ে আড়াই শতাংশ পতন হয়েছে |
যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের বাজারেও প্রায় ২ শতাংশ দরপতন হয়েছে |
শেয়ার করুন |
পণ্যমূল্য সমন্বয়ে আলাদা বিভাগ খোলার চিন্তা |
শাহ আলম খান, ঢাকা |
২৬ নভেম্বর, ২০২১ ১৩:৫৪ |
আপডেট: ২৬ নভেম্বর, ২০২১ ২০:২২ |
লিংকডইনে শেয়ার করুন |
ইমেইল করুন |
ওয়াটসঅ্যাপে শেয়ার করুন |
ব্লগস্পটে শেয়ার করুন |
দেশে পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে একক কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগ নেই |
ছবি: সংগৃহীত |
দেশে পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে একক কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগ নেই, যদিও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব মূলত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওপরেই বর্তায় |
তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এ ধরনের কার্যক্রমের সমন্বয় প্রতিষ্ঠায় পৃথক কোনো বিভাগ নেই |
দেশে পেঁয়াজ বা ভোজ্যতেলের দাম বাড়লে নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় |
চালের দাম বাড়লে এর সরবরাহ বৃদ্ধি এবং মূল্য নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেয় খাদ্য মন্ত্রণালয় |
একইভাবে আলুর দাম বাড়লে দায় কৃষি মন্ত্রণালয় এবং লবণের ক্ষেত্রে শিল্প মন্ত্রণালয় |
পণ্যমূল্যে স্থিতিশীলতা অর্জন অথবা ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রতারণা প্রতিরোধের গুরুদায়িত্ব পালন একক কোনো মন্ত্রণালয়ের কাজ নয় |
এ কারণে বাজারে পণ্যের দামে স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাণিজ্য, কৃষি, খাদ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় ছাড়াও মৎস্য ও পশুসম্পদ, যোগাযোগ, রেল, নৌপরিবহন ও অর্থ মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ব্যাংক, মাঠ-প্রশাসন এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীরও বিশেষ ভূমিকা থাকে |
দেশে পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে একক কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগ নেই, যদিও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব মূলত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওপরেই বর্তায় |
তবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এ ধরনের কার্যক্রমের সমন্বয় প্রতিষ্ঠায় পৃথক কোনো বিভাগ নেই |
অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য বিশ্লেষকরা দাবি করছেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সার্বিক মূল্য পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সার্বক্ষণিক সব ধরনের কার্যক্রমের সমন্বয় এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে আগাম করণীয় নির্ধারণ ছাড়া কোনো বিকল্পও নেই |
স্বাধীনতা-উত্তরকালেই দেশ পুনর্গঠনের সময় এটি উপলব্ধি করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান |
এ কারণে তিনি অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক বাণিজ্যের জন্য মন্ত্রণালয়ে বিজনেস অ্যাফেয়ার্স এবং কনজ্যুমারস অ্যাফেয়ার্স নামে পৃথক দুটি ডিভিশন সৃষ্টি করেছিলেন |
প্রতিবেশী দেশ ভারতও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ সন্তোষজনক এবং মূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে 'কনজ্যুমার অ্যাফেয়ার্স, ফুড অ্যান্ড পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন' নামে পৃথক একটি মন্ত্রণালয় সৃষ্টি করেছে |
দেশেও কনজ্যুমারস অ্যাফেয়ার্স ডিভিশন খোলার প্রস্তাব |
এমন প্রেক্ষাপটে পণ্যমূল্যের স্থিতিশীলতা রক্ষায় সরকারকে স্বাধীনতা-উত্তরকালীন বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণকারী বেসরকারি সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ক্যাব) |
সম্প্রতি সংগঠনের সভাপতি গোলাম রহমান এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশিকে চিঠি পাঠিয়েছেন |
চিঠিতে তিনি কনজ্যুমারস অ্যাফেয়ার্স ও বিজনেস অ্যাফেয়ার্স নামে মন্ত্রণালয়ে পৃথক দুটি ডিভিশন সৃষ্টি করার প্রস্তাব রেখেছেন |
দাবি করেছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য কনজ্যুমারস অ্যাফেয়ার্স ডিভিশন নামে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে একটি ডিভিশন সৃষ্টি করা হলেই কেবল মন্ত্রণালয়ের পক্ষে এসব দায়িত্ব সমন্বয়ের মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হতে পারে |
প্রস্তাবের যৌক্তিকতা উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশে প্রথাগতভাবে পণ্যমূল্যের স্থিতিশীলতা ও ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়টি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয় |
গত কয়েক বছরে ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে সরকার ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯, প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২, নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এবং ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৫ তৈরি করেছে |
একই সঙ্গে এসব আইন বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নতুন বিভাগ, কমিশন ও কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে |
কিন্তু এসব উদ্যোগের পরও ভোক্তাদের অধিকার, বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যমূল্যের স্থিতিশীলতা রক্ষা হয়নি, ব্যবসায়িক প্রতারণা রোধ করা যায়নি |
উল্টো নিয়ন্ত্রণ দিনদিন দুরূহ হয়ে পড়ছে |
এ পরিস্থিতিতে মন্ত্রণালয়ের সক্ষমতা বাড়ানো দরকার |
কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, 'স্বল্প আয় ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত ভোক্তারা যাতে বঞ্চিত না হয়, সে জন্য ১৫ থেকে ২০টি অতি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা সময়ের দাবি |
মুক্তবাজার পরিবেশে ভোক্তাদের কল্যাণ ও জীবনমানের উন্নয়নের বিষয়টি বহুলাংশে পণ্যমূল্যের স্থিতিশীলতা ও ব্যবসায়িক নৈতিকতার ওপর নির্ভরশীল |
আবার মন্ত্রিপরিষদে গৃহীত বিভিন্ন সিদ্ধান্তের সাথেও অনেক ক্ষেত্রে ভোক্তা স্বার্থ জড়িত থাকে |
নেপথ্যে থেকে এসব কাজ সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় |
কিন্তু এ মন্ত্রণালয়ে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক বাণিজ্যের জন্য পৃথক ডিভিশন না থাকায় তা সম্ভব হচ্ছে না |
এ পরিস্থিতিতে কনজ্যুমারস অ্যাফেয়ার্স ডিভিশন ও বিজনেস অ্যাফেয়ার্স নামে মন্ত্রণালয়ে পৃথক ডিভিশন সৃষ্টি করা হলে পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা জনস্বার্থমূলক হবে |
সরকার কী ভাবছে |
বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিচালনায় রপ্তানি শাখা, এফটিএ, আইআইটি, ডিটিও, প্রশাসন এবং ডব্লিউটিও সেলসহ ছয়টি উইং রয়েছে |
মূলত দ্রব্যমূল্য নিয়ে কাজ করে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও আমদানি অনুবিভাগ (আইআইটি) |
এর অধীনে আরও একটি সেল (দ্রব্যমূল্য পর্যালোচনা ও পূর্বাভাস) রয়েছে, যারা দেশে তেল, চিনি, পেঁয়াজ, চালসহ অত্যাবশ্যকীয় ১৭ পণ্যের অভ্যন্তরীণ চাহিদা, উৎপাদন, আমদানি, মজুত পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এবং এসব পণ্যের সংকটের পূর্ভাবাস দেয় |
এ ছাড়া ট্যারিফ কমিশনও পণ্যভিত্তিক মাসিক গবেষণা প্রতিবেদন দেয় |
এভাবে বর্তমানে মন্ত্রণালয় দেশে দ্রব্যমূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে কাজ করে |
কনজ্যুমারস অ্যাফেয়ার্স ডিভিশন খোলার প্রস্তাব সম্পর্কে মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা জানতে চাইলে বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ নিউজবাংলাকে বলেন, 'ভোক্তা ও ব্যবসায়িক উভয় স্বার্থের ভারসাম্য রক্ষার মাধ্যমে দ্রব্যমূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে মন্ত্রণালয়ও চায় যেকোনো ভালো উদ্যোগের সঙ্গে থাকতে |
সেই লক্ষ্য অর্জনের কার্যক্রমকে গতিশীল করে তুলতে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে |
'বর্তমানে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও আমদানি অনুবিভাগের (আইআইটি) কার্যক্রম একই সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে |
এটি আরও গতিশীল ও সম্প্রসারিত করার উদ্দেশ্যে মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও আমদানি এই দুই কার্যক্রমকে পৃথক করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছে |
এখন ক্যাবের কনজ্যুমারস অ্যাফেয়ার্স নামে পৃথক ডিভিশন খোলার প্রস্তাবটিও অনেকটা একই রকম |
আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব |
তবে পুরো মন্ত্রণালয়কে দুই ভাগে বিভক্ত করার প্রক্রিয়াটি অনেক উচ্চতর প্রক্রিয়ার বিষয় |
আমরা সেখানেও আলোচনা তুলে ধরব |
শেয়ার করুন |
গ্রামীণফোন এবারও সেরা করদাতা |
আবদুর রহিম হারমাছি , ঢাকা |
২৬ নভেম্বর, ২০২১ ০২:২০ |
আপডেট: ২৬ নভেম্বর, ২০২১ ০৯:১১ |
লিংকডইনে শেয়ার করুন |
ইমেইল করুন |
ওয়াটসঅ্যাপে শেয়ার করুন |
ব্লগস্পটে শেয়ার করুন |
সেরা করদাতার পুরস্কার নিচ্ছেন গ্রামীণফোনের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) ইয়েন্স বেকার |
ছবি: সংগৃহীত |
অনুষ্ঠানে ২০২০-২১ অর্থবছরে জাতীয় কোষাগারে সর্বোচ্চ পরিমাণ কর দিয়েছে এমন ৭৫ জন ব্যক্তি ও ৬৬ প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সর্বোচ্চ করদাতার স্বীকৃতি দেয় |
সেখানেই গ্রামীণফোনের চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) ইয়েন্স বেকারকে ট্যাক্স কার্ড, ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট দেয়া হয় |
দেশে এবারও সেরা করদাতার পুরস্কার পেয়েছে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.