content
stringlengths
0
209k
"যাহা পাই তাহা ভূল করে চাই-
আনন্দ গান উঠুক তবে বাজি,
এবার আমার ব্যথার বাশিঁতে-
অশ্রু নদীর ঢেউয়ের পরে আজি,
পারের তরী থাকুক ভাসিতে
অঃটঃ রৌরব,কুলদা রায়,গীতাদাস হিন্দু মিথোলজীতে জলদেবতা কে?
একটু কষ্ট করে,
তাকে নিয়ে যে উপকথা, সেটা মুক্তমনায় দিলে আমার খুব উপকার হয়
আশা করি লেখাটা আপনাদের চোখে পরবে!
রৌরব জুলাই 27, 2010 3:31 পূর্বাহ্ন -
@লাইজু নাহার,
চোখে তো পড়ল, কিন্তু ঠিক বুঝতে পারছি না কার কথা বলছেন
বরুণ নাকি?
লাইজু নাহার জুলাই 27, 2010 3:47 পূর্বাহ্ন -
@রৌরব,
তাই হবে হয়ত!
বরুণকে নিয়ে কোন উপকথা থাকলে সংক্ষেপে কষ্ট
করে একটু লিখলে বড় ভাল হয়
চোখে পরার জন্য ধন্যবাদ!
রৌরব জুলাই 27, 2010 6:25 পূর্বাহ্ন -
@লাইজু নাহার,
দুর্ভাগ্যক্রমে, জানা নেই
দেখুন অন্য কেউ জানে কিনা
বরুণ বৈদিক দেবতা, কিন্তু পরে তাঁর দর পড়ে গেছে, এটুকুই জানি
ফরিদ আহমেদ জুলাই 27, 2010 7:24 পূর্বাহ্ন -
@রৌরব,
আপনার ধারণাই সঠিক
প্রাক-বৈদিক যুগে সবচেয়ে শক্তিশালী দেবতা ছিলেন বরুণ
শুধু আকাশ আর জলেরই দেবতা ছিলেন না তিনি, ছিলেন সমস্ত স্বর্গ, নরক, মহাকাশসহ সমস্ত বিশ্বজগতের স্রষ্টা
কিন্তু পরে তাঁর আর সেই গুরুত্ব ছিল না
যুগের সাথে সাথে পৌরাণিক দেবতাদেরও বিবর্তন ঘটেছে
এক যুগের মহা পরাক্রমশালী দেবতা অন্য যুগে এসে পরিণত হয়েছেন নখদন্তহীন কোনো দেবতায়
আবার আগের কোনো এক সময়ের পাত্তা না পাওয়া কেউ হয়তো বিপুল বিক্রমে ছড়ি ঘুরিয়েছেন অন্য যুগে এসে
বরুণের ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে
প্রাক-বৈদিক এবং ঋগ-বৈদিক যুগের শুরুর দিকের এই প্রবল পরাক্রান্ত দেবতা মহাভারতে এসে খর্বশক্তির এক সামান্য জলের দেবতায় পরিণত হয়েছেন
আকাশ রাজ্যও হাতছাড়া হয়ে গিয়েছে তাঁর
বিশ্বজগতের স্রষ্টার গৌরবতো আরো আগেই হারিয়েছেন তিনি ইন্দ্রের কাছে
@ লাইজু নাহার,
বরুণের প্রবল উত্থান এবং ক্রমান্বয়ে পতিত হতে হতে একেবারে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবার কাহিনি পাবেন এখানে
- 1
- 2
- 3
- 4
রৌরব জুলাই 27, 2010 7:40 পূর্বাহ্ন -
@ফরিদ আহমেদ,
এক যুগের মহা পরাক্রমশালী দেবতা অন্য যুগে এসে পরিণত হয়েছেন নখদন্তহীন কোনো দেবতায়
সব দেবতাই কবে নখদন্তহীন হয়ে পড়বেন, সেদিনের অপেক্ষায় আছি! বরুণ বিষয়ক সূত্রটির জন্য ধন্যবাদ, সুযোগ পেলে পড়ে দেখব
ফরিদ আহমেদ জুলাই 27, 2010 8:25 পূর্বাহ্ন -
@রৌরব,
সব দেবতাই কবে নখদন্তহীন হয়ে পড়বেন, সেদিনের অপেক্ষায় আছি!
অপেক্ষার আর বেশি দেরি নেই
অসুরদের রাজত্ব এখন, দেবতাদের বিদায় নেবার পালা শুরু হয়ে গিয়েছে
🙂
অমিত রায়ের কথাকেই একটু পালটে দিয়ে বলা যায়ঃ
এখন থেকে দেব-দেবতাদের দ্রুতনিঃশেষিত যুগ
লাইজু নাহার জুলাই 27, 2010 7:49 অপরাহ্ন -
@ফরিদ আহমেদ,
অনেক অনেক ধন্যবাদ!
আপনি দেখছি মহা দেবতাবিশেষজ্ঞ!
স্বাধীন জুলাই 27, 2010 2:49 পূর্বাহ্ন -
কেউ ভাবে না, আসলে কি চাই আমি
আদৌ কিছু চাই কি না
কাঠিন্য দিয়ে মোড়ানো যে স্বেচ্ছামোড়ক রয়েছে চারপাশে আমার, তার ভিতরে আসলে ঘুণপোকারা বাসা বেঁধেছে দলবেঁধে
উপরের শক্ত আবরণটুকু সরালেই দগদগে সত্যের মত প্রকাশিত হয়ে যাবে ঝুরঝুরে নরম কাদামাটির ভাঙা বসতবাড়ি
পুরো লেখাটিতেই নিজের ছবি দেখতে পেলাম, বিশেষ করে এই বাক্যগুলোতে
শুধু দুঃখ এভাবে প্রকাশের ক্ষমতা নেই
কত অপূর্ণতায় ভরা এই ছোট্ট জীবন
ভাল থাকুন সব সময়
স্বাধীন জুলাই 27, 2010 2:51 পূর্বাহ্ন -
মন্তব্য প্রথমটি কেন যেন মনে হল যায়নি, তাই দ্বিতীয়টি দিলাম
এখন দেখি দু'টোই গিয়েছে 😥
স্বাধীন জুলাই 27, 2010 2:48 পূর্বাহ্ন -
কেউ ভাবে না, আসলে কি চাই আমি
আদৌ কিছু চাই কি না
কাঠিন্য দিয়ে মোড়ানো যে স্বেচ্ছামোড়ক রয়েছে চারপাশে আমার, তার ভিতরে আসলে ঘুণপোকারা বাসা বেঁধেছে দলবেঁধে
উপরের শক্ত আবরণটুকু সরালেই দগদগে সত্যের মত প্রকাশিত হয়ে যাবে ঝুরঝুরে নরম কাদামাটির ভাঙা বসতবাড়ি
পুরো লেখাটিতেই নিজের ছবি দেখতে পেলাম, বিশেষ করে এই প্যারাটিতে
শুধু দুঃখ এভাবে প্রকাশের ক্ষমতা নেই
কত অপূর্ণতায় ভরা এই ছোট্ট এই জীবন
ভাল থাকুন সব সময়
ফরিদ আহমেদ জুলাই 28, 2010 10:51 অপরাহ্ন -
@স্বাধীন,
আপনার অবস্থাও কি আমার মতই নাকি? কিছু একটা হতে হবে এই সমুদ্রসম সামাজিক চাপটা না থাকলে জীবনটা মনে হয় অন্যরকম হতো, তাই না?
পথিক জুলাই 27, 2010 1:07 পূর্বাহ্ন -
ব্যক্তিগত অনুভূতির অসামান্য প্রকাশক এই লেখাটাতে স্বপ্নের আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়নের উপাখ্যান আছে
আর তার পেছনে স্বপ্নভঙ্গের আশংকার একটা করূণ সুর যেন শুনতে পাই
আশা করি, স্বপ্নভঙ্গের যাতনায় যেন আপনাকে না পুড়তে হয়
ফরিদ আহমেদ জুলাই 28, 2010 10:48 অপরাহ্ন -
@পথিক,
স্বপ্নভঙ্গের যাতনায় না পুড়ে কি আর স্বপ্নকে হাতের মুঠোয় ধরা যায় বলেন
স্বপ্নবিলাসী মানুষ আমি, জেগে জেগেও স্বপ্ন দেখি সারাক্ষণ
এত এত স্বপ্ন কি আর সত্যি হবে এই জীবনে
কাজেই, স্বপ্নভঙ্গরাও চলার পথের সাথী হবে আমার সেটাই স্বাভাবিক
তাদেরকে দূরে ঠেলে দেওয়াটা বোধহয় ঠিক না
বন্যা আহমেদ জুলাই 27, 2010 12:42 পূর্বাহ্ন -
ফরিদ ভাই,
প্রতিদিনের খুঁটিনাটি আর ক্ষুদ্রতার মাঝে ডুবে গিয়ে আমরা জীবনের অমূল্য পাওয়াগুলোর কথা প্রায়ই ভুলে যাই
জীবনটা খুব খুব বিরক্তিকর, প্রায়ই মনে হয় এই র‌্যান্ডম প্রকৃতিতে বড্ড বেমানান আমরা
একদিকে নিত্যদিনের ঝুটঝামেলা, ছোট ছোট চাওয়া পাওয়া, কামড়াকামড়ি, হীনতার থাবা আর আরেকদিকে মহাকালের বিশালতা যা আসলে এক সীমাহীন উদাসীনতা ছাড়া আর কিছুই নয়
এই দু'য়ের অবিশ্রাম টানাটানির মাঝে আমাদের নিজেদের অস্তিত্বটাই যেন আমাদের কাছে একটা সমস্যা