content
stringlengths
0
209k
তারা ও চিকিৎসক সেজে বসেন
আর এই শ্রেণীর অপচিকিৎসকদের কারনে এইসকল চিকিৎসা অপচিকিৎসা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে পরছে
হোমিওপ্যাথির সঠিক চিকিৎসায় যে অনেক অনেক রোগই ভাল হয় তা নিতান্তই দৈব ক্রমে ঘটে যাওয়া কোন ঘটনা হতে পারে না
হোমিওপ্যাথি উন্নত ও সময় উপযোগী করে তোলা প্রয়োজন
হোমিওপ্যাথিক দের অনগ্রসরতা এবং ভুয়া চিকিৎসক দের ভুয়া ঔষধের প্রসারে একটি কার্যকর সহজলভ্য চিকিৎসা পদ্ধতি দিনে দিনে হারিয়ে যাচ্ছে
মাহমুদ মিটুল অক্টোবর 5, 2011 1:31 পূর্বাহ্ন -
এ দেশে এখনো হোমিওপ্যাথির পসার আছে
শুধু গ্রামে নয়, অনেক শহুরে মানুষ এর উপর নির্ভরশীল
আসলে আমরা সত্যি যাচাই করি না এবং যাচাই করার খুব একটা সুজোগ পাই না
ফলে আদিম উদ্ভূত নানা কুসংষ্কার আজো বয়ে বেড়াচ্ছি উত্তারাধিকার সূত্রে
এই লেখার মাধ্যমে আমরা একটা সত্যকে চিনলাম এবং এ জন্য আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি...
সকলে জন্য শুভকামনা
মাহফুজ জানুয়ারী 9, 2011 9:21 পূর্বাহ্ন -
লেখাটি আমার প্রিয় পোষ্টে নিলাম
আমাদের ফ্যামিলিতে হোমিও চিকিৎসার স্থান নাই
বাড়ির আশে পাশে বেশ কিছু হোমিও ঔষধালয় রয়েছে
এক ডাক্তারকে দেখেছি, তার নিজের অসুস্থতার জন্য এলোপেথিক ঔষধ খেতে
এশিয়াটিক সোসাইটির বাংলা পিডিয়াতে হোমিও সম্পর্কে লেখা আছে এভাবে-
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি কখনই একান্তভাবে যাচাই করা হয়নি
হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় অত্যন্ত অল্প মাত্রার ওষুধ ব্যবহৃত হয় এবং বহু বছর অসংখ্য ওপর এগুলির প্রয়োগ বস্তত ব্যবহার ও নিরাময়ের মধ্যে এক ধরনের কার্যকারণ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেছে, আর এটিই পৃথিবীর বিভিন্ন অংশে প্রসার ঘটিয়েছে
১৮২৫ সালে আমেরিকায় হোমিওপ্যথি চিকিৎসা শুরু হয় এবং নিরুৎসাহ করা সত্ত্বেও আজ পর্যন্ত তা চালু আছে
উন্নয়নশীল দেশে এটি দরিদ্র জনগোষ্ঠির জন্য অন্যতম প্রধান বিকল্প চিকিৎসা
ভারত উপমহাদেশে হোমিওপ্যাথি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং বিশ শতকে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে
ইদানিং দেশের নগর ও শহরে আনুষ্ঠিক শিক্ষাদানের জন্য কয়েকটি হোমিও কলেজ প্রতিষ্ঠত হয়েছে
হোমিও ঔষধে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নাই
চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী সমাজে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গুরুত্ব না পেলেও পত্র পত্রিকা, এমন কি বিখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকীতেও মাঝে মাঝে তা উচ্চ প্রশংসিত হয়, যদিও এসব ঔষুধের সঠিন কার্যপ্রণালী আজও বহুলাংশেই অজ্ঞাত রয়েছে
ঐতিহাসিক ও অর্থনৈতিক কারণে এবং দেশের ঐতিহ্যে আত্তীভূত বিধায় এই ধরনের চিকিৎসার প্রতি মানুষের আগ্রহ যথেষ্ঠ রয়েছে
অধিকতর উন্নয়নের জন্য একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে ওঠার সুবাদে বহু উদ্যমী চিকিৎসক হোমিওপ্যাথির প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন
(সংক্ষেপিত)
হোমিও-র পক্ষে সাফাই গাইতে গিয়ে মিষ্টি মধুর চাতুরীপূর্ণ কথা লিখেছেন প্রবণব বন্ধ্যোপাধ্যায় তার 'আধুনিক চিকিৎসা' নামে বইতে
বইটির ভূমিকা সাপ্তাহিক অমৃত, ৩১ আগস্ট ১৯৭৯ প্রকাশিত হয়েছিল
ভূমিকাটি লিখেছেন প্রশান্ত বন্ধ্যোপাধ্যায়
(বইটি কলিকাতা থেকে প্রকাশিত, ১৯৬৬ থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত ১৫ বার মুদ্রণ হয়েছে
) কিছু অংশ নিচে তুলে দিলাম
আধুনিক বিজ্ঞানে চরম সত্য বলে কোন কথা নেই
কারণ বহু বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরেও দেখা যায় যে সিদ্ধান্ত এতদিন সম্পূর্ণ ভাবা হচ্ছিল তা হয়তো হয়তো অসম্পূর্ণ এবঙ তা হয়তো ত্রুটিমুক্ত নয়
বিজ্ঞানের কোন নিয়মই একেবারে নির্ভূল নয়
এমন কি নিউটনের গতিসূত্র যা নির্ভূল কিনা সে সম্পর্কে এতদিন সন্দেহের অবকাশ ছিল না, তাও আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা মতবাদ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে
কে বলতে পারে যে অদূর ভবিষ্যতে আইনস্টাইনের মতবাদও পরিশোধিত হবে না? তাই বলে পদার্থ বিজ্ঞানী বা গণিতবিদ কিন্তু আইনস্টাইনকে দোষারোপ করবেন না, নিউটনের মত একজন প্রাচীন মনীষীর অসাধারণ বৈজ্ঞানিক সৃষ্টির পরিমার্জনার জন্য
পক্ষান্তরে তাঁরা নিউটনকে হেয় করবেন না তিনি তার যুগে বসে ভবিষ্যতের জ্ঞাত তথ্যগুলি সব অনুধাবন করতে পারেন নি বলে
এই বিশেষ দৃষ্টান্ত দিয়ে এই কথাটা জোর করে বলতে চাই যে, হ্যানেমানের আবিষ্কৃত তথ্য ও চিকিৎসাধারায় উত্তরকালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে যতি কিছু কিছু পরিমার্জন ও পরিবর্ধন করতে হয়, তা হলে তা অবৈজ্ঞানিক হয়ে যায় না
আসরাফ জানুয়ারী 9, 2011 12:32 পূর্বাহ্ন -
হোমিওপ্যাথি নিয়ে সকল তর্কে এই লেখাটা ব্যাবহার করি
তাই এই লেখার লিংকা যক্ষের ধনের মতো মনে রাখি
::
রনবীর সরকার সেপ্টেম্বর 28, 2010 7:58 অপরাহ্ন -
যেভাবে হোমিওপ্যাথি ওষুধ তৈরি করা হয়; বারবার জলে বা স্পিরিটে দ্রবীভূত করে ঝাঁকিয়ে, তার থেকে দশভাগ নিয়ে আবার সেটাকে আরও তরল করে তারপর আবার...আবারও...এভাবে আরও দশবারNতাও অর্থহীন
এতকিছু করার দরকারটা কি? এক বালতি জলে এক ফোটা দিয়ে তারপর ইচ্ছামতো নাড়ালেই তো হয়ে যায়
অর্থাৎ একটাকে আরেকটার থেকে আলাদা করে কোনটা সালফার আর কোনটা ন্যাট্রিয়াম বুঝতে পারলেন না
তাহলে আমরা ধরে নিতে পারি দুটোই এক
কোনওটাতেই আর ওষুধের অণুমাত্রও নেই
তাহলে কী আছে? কোন দাওয়াইটা কাজ করে শরীরের ওপর ?
প্রত্যেকটা দ্রবণে দুই, চারটা বা দশটা অণু থাকলে রসায়ন , ক্লিনিক্যাল টেস্ট এগুলাতে কেমনে ধরা যাবে বলেন
উনার (হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের কথা বলছি) ঘটে একটু বুদ্ধি থাকলেই রোগীর উপর টেস্ট করেই ধরে ফেলতে পারতেন, কোনটা ন্যাট্রিয়াম মিউরিয়েটিকাম থার্টি সি আর কোনটা সালফার থার্টি সি
২০০৫-এ নতুন একরকমের স্পেকট্রোস্কোপিক পদ্ধতির সাহায্যে দেখানো হয়েছে যে 'স্মৃতি' বা যেটুকু 'রেশ' থাকে জলে দ্রবীভূত পদার্থের একটিও অণু না থাকার থাকার পরে সেটিও মুছে যায় 'এক ফেমটো সেকেন্ড'-এর মধ্যে (ফেমটোসেকেন্ড হলো ১০-১৫ সেকেন্ড)
কাজেই সেই 'মারাত্মক' ক্ষমতাকে বোতলবন্দি করে ধরে রাখার কোনও প্রশ্নই উঠছে না
দয়া করে এটি যদি একটু বুঝিয়ে বলতেন, 10-15 সেকেন্ড অণুর স্মৃতি টিকে থাকে এর মানে কি?
একটা জিনিস বুঝতে পারছি না
শুধুমাত্র প্ল্যাসিবো চিকিৎসায় রোগী ভাল হলেতো , হোমিওপ্যাথি ডাক্তাররা আসলে একটা ওষুধই সবরোগের ক্ষেত্রে দিতে পারতেন
আমি আসলে বলতে চাচ্ছি তারা বিভিন্ন রোগের জন্য যে রাসায়নিকগুলো প্রয়োগ করতে হবে তা কি প্রথমে আন্দাজে নির্বাচন করেছিলেন?
ফারুক সেপ্টেম্বর 28, 2010 2:58 পূর্বাহ্ন -
কি বিচিত্র এই বিজ্ঞানমনস্কতা!! বিজ্ঞানে ব্যাখ্যা নেই , তাই হোমিওপ্যাথি বিজ্ঞানসম্মত নয়
উপকার না পেয়ে ও লক্ষ লক্ষ মানুষ হোমিওপ্যাথিকে টিকিয়ে রেখেছে , ভাবতেও আশ্চর্য হতে হয়
আমি নিজে একজন হোমিওপ্যাথির সুফল ভোগকারী
কি জানি বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে আমি হয়তো বা মিথ্যাবাদী!!
নৃপেন্দ্র সরকার সেপ্টেম্বর 28, 2010 5:08 পূর্বাহ্ন -
@ফারুক, একজন হোমিওপ্যাথিও ডাক্তারের সাফল্য নির্ভর করে তার বাকচাতুর্যের উপর
সময়ের সাথে অনেক অসুখ নিজে থেকেই সেরে যায়
রোগী যদি হোমিওপ্যাথিক অষুধ খেয়ে থাকে, ডাক্তার এই গল্প তার কৃতিত্ব বলে দাবী কররে আজীবন
নতুন রোগীদের এই গল্প দিনের পর দিন শুনে যেতে হবে
ডাক্তাররা বায়োকেমিক ওষুধ গুলোর আকর্ষনীয় ব্যাখ্যা বের করেছে
আমি হোমিওপ্যাথি অষুধে বিশ্বাস করি না
কিন্তু ব্যাখ্যাটা ভাল লেগেছে
ফারুক সেপ্টেম্বর 28, 2010 5:43 পূর্বাহ্ন -
@নৃপেন্দ্র সরকার,ধন্যবাদ , আমার কমেন্টের জবাব দেয়ার জন্য
আমি হোমিওপ্যাথি অষুধে বিশ্বাস করি না
আমার তো মনে হয় না এটা বিশ্বাসের ব্যাপার
কেউ আধুনিক (এলোপ্যাথি) চিকিৎসা নেয়ার পরেও ভাল না হলে , তারপরে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিয়ে ভাল হয়ে গেলে তাকে কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন? সকল রোগ যে এমনি এমনি ভাল হয় তা কিন্তু নয়, আর মানুষ ও এত বোকা নয়
সুফল পেলে তাকে কিভাবে অস্বীকার সম্ভব? বিজ্ঞানে এর কার্যপ্রনালীর ব্যাখ্যা নেই বলে , হোমিওপ্যাথিকে ভুল বলার দর্শনটাই ভুল
বৃষ্টির বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা যখন মানুষ জানত না , তখন কি বৃষ্টি হোত না?
দেবাশিস্‌ মুখার্জি সেপ্টেম্বর 28, 2010 11:33 পূর্বাহ্ন -
@ফারুক,
বিজ্ঞানে এর কার্যপ্রনালীর ব্যাখ্যা নেই বলে , হোমিওপ্যাথিকে ভুল বলার দর্শনটাই ভুল
বৃষ্টির বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা যখন মানুষ জানত না , তখন কি বৃষ্টি হোত না?
::
আল্লাচালাইনা সেপ্টেম্বর 28, 2010 6:51 পূর্বাহ্ন -
@নৃপেন্দ্র সরকার, আমিও হোমিওপ্যাথি ট্যাথি এইসব মানি না এক্কেবারেই 😀
অভিজিৎ সেপ্টেম্বর 28, 2010 8:33 পূর্বাহ্ন -
@ফারুক,
উপকার না পেয়ে ও লক্ষ লক্ষ মানুষ হোমিওপ্যাথিকে টিকিয়ে রেখেছে , ভাবতেও আশ্চর্য হতে হয়
আমি নিজে একজন হোমিওপ্যাথির সুফল ভোগকারী
কি জানি বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে আমি হয়তো বা মিথ্যাবাদী!!
অনেক জিনিসই পৃথিবীতে টিকে আছে
জ্যোতিষশাস্ত্র, কোরবানী, পশুবলি, খৎনা করা, পানি পড়া, মাদুলী, জোকের তেল, মাণ্ডার তেল, সাইবাবার ভস্ম থেকে শুরু করে কোয়ান্টাম হিলিং পর্যন্ত
বিভিন্ন কারণেই নানা সংস্কার টিকে আছে পৃথিবীতে
বহুজনকেই পাওয়া যাবে জ্যোতিষীর কাছে গিয়ে কিংবা রত্ন পাথর আঙ্গুলে পরে উপকার পেয়েছেন, কেউবা হারানো যৌনশক্তি ফিরে পেয়েছেন রাস্তার ধারের মাণ্ডার তেল মেখে
এরা কেউই মিথ্যেবাদী নন, তারা মানসিকভাবে ওগুলোতে বিশ্বাস করেই উপকার পেয়েছেন (বিজ্ঞান এটাকে বলে প্ল্যাসিবো এফেক্ট)
কিন্তু মিথ্যেবাদী না বলেই মেডিকেলের পাঠ্যপুস্তকে সর্বরোগহর ওষুধ হিসেবে মাণ্ডার তেলকে অন্তর্ভুক্ত করা যেমন হাস্যকর হবে, তেমনি অন্যায় হবে হোমিওপ্যাথিকে বিজ্ঞান বলা
কন্ট্রোল্ড সায়েন্টিফিক স্টাডিতে ফলাফল রেপ্লিকেট করা গেলে হোমিওপ্যাথিকে বিজ্ঞান বলতে কারোরই আপত্তি থাকতো না
ফারুক সেপ্টেম্বর 28, 2010 9:13 পূর্বাহ্ন -