content stringlengths 0 129k |
|---|
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী আজ |
- : 4, 2021 0 |
আজ (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী |
১৯৬৪ সালে আজকের এই দিনে রাশিদা খানমের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন... |
! |
! |
, , . |
22,042 |
0 |
0 |
- - |
পুনর্গঠিত হলো বঙ্গবন্ধু প্রজন্মলীগ |
- : 20, 2021 0 |
সভাপতি আলহাজ্জ্ব ফেরদৌস স্বাধীন ফিরোজ : সাধারণ সম্পাদক এড. মো: ফারুক উজ্জামান ভূইয়া টিপু আকাশ বাবু:বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একটি রাজনৈতিক সহযোগী সংগঠন মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক স্বাধীন... |
-: 20/10/2021 |
- : 20, 2021 0 |
-: 20/10/2021 |
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী আজ |
- : 4, 2021 0 |
আজ (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের ৫৭তম বিবাহ বার্ষিকী |
১৯৬৪ সালে আজকের এই দিনে রাশিদা খানমের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন... |
কৃষি ও কৃষক |
'আইএমইডি'র নিবিড় পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন করোনা দূর্যোগেও ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে 'জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প' |
- : 2, 2021 0 |
তিন দশকে দেশে মাছের উৎপাদন বেড়েছে ২৫ গুণজাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালে গণভবন লেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাছের পোনা অবমুক্ত করে মৎস্য চাষকে... |
অভিজিৎ|2016-12-2723:14:23+06:00আগস্ট 13, 2010|: জৈব বিবর্তন, বিজ্ঞান, বিবর্তনের প্রশ্নোত্তর, মনোবিজ্ঞান, সমাজ, সংস্কৃতি, সামাজিক বিজ্ঞান|: অভিজিৎ বিজ্ঞান, বিবর্তন মনোবিজ্ঞান, বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞান, মানব প্রকৃতি, মার্গারেট মিড, মার্গারেট মীড, সার্বজনীন সংস্কৃতি|50 |
নৃপেনদা (নৃপেন্দ্র সরকার) একটি চমৎকার লেখা লিখেছেন বিবর্তনের চোখে চোখের জল শিরোনামে |
তিনি লেখাটিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করেছেন |
আমি কিছু উত্তর দিয়েছি এখানে |
উত্তর দিয়েছি মূলত মানবীয় আবেগের সাথে বিবর্তনের সম্পর্ক নিয়ে |
বিবর্তনের চোখে আবেগের উৎস সন্ধান বিষয়ে আবছা অবতারণা করা হয়েছে, কিন্তু সাংস্কৃতিক ভিন্নতা নিয়ে নৃপেনদার প্রশ্নগুলোর উত্তর উহ্যই থেকে গিয়েছিল |
একটু আগে উত্তর দিতে বসলাম |
উত্তর দিতে গিয়ে দেখছি উত্তরটা ক্রমশ বড় হয়ে উঠছে |
তাই আলাদা লেখা হিসেবে দেওয়াটাই সমীচীন মনে হল |
সচেতন পাঠকেরা ধরে ফেলতে পারেন যে, লেখাটির কিছু অংশ আগেকার বিবর্তন মনোবিদ্যা ই-বইয়ে (মানব প্রকৃতির জৈববিজ্ঞানীয় ভাবনা) প্রকাশিত হয়েছে |
পুনরুক্তির জন্য আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি |
নৃপেনদা একটি প্রশ্ন করে শেষ করেছেন তার লেখা, |
বিভিন্ন সংস্কৃতির প্রভাব ভিন্ন ভাবে কাজ করে আমাদের জৈবিক প্রক্রিয়ায় |
বিবর্তন কী ব্যাখ্যা আনে এখানে? |
বিভিন্ন সংস্কৃতির যে আপাত পার্থক্যের কথা নৃপেনদা বলছেন তা বুঝতে হলে আমাদের আগে মানবপ্রকৃতি নিয়ে বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞানীদের আধুনিক গবেষনাগুলোর কথা জানতে হবে |
এখানে মনে রাখতে হবে, বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞানীরা রঙ্গমঞ্চে হাজির হবার আগে সার্বজনীন 'মানব প্রকৃতি' বলে কিছু আছে কিনা সেটাই ঠিকমত আমাদের কাছে পরিস্কার ছিলো না |
যেমন, স্প্যানিশ লিবারেল দার্শনিক হোসে ওর্তেগা গ্যাসেট মানব প্রকৃতির অস্তিত্ব অস্বীকার করে বলতেন, ' , ' |
ব্রিটিশ-আমেরিকান নৃতত্ত্ববিদ অ্যাশলে মন্টেগু বলতেন, 'মানুষের সহজাত স্পৃহা () বলে কিছু নেই; কারণ তার সব কিছুই তার চারপাশের সমাজ-সংস্কৃতি থেকেই শেখা' |
কেউ বা আবার মানব প্রকৃতিকে স্বীকার করে নিলেও তাকে একেবারেই কাঁচামালের মত আদিম মনে করতেন |
যেমন প্রখ্যাত নৃতাত্ত্বিক মার্গারেট মীড বলতেন, ' , ' |
বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞানীরা এসে মানব প্রকৃতি নিয়ে এই প্রচলিত ছকটিকেই উলটে দিয়েছেন |
ব্যাপারটা একটু খোলাসা করা যাক |
একজন সার্জন যখন হাসপাতালে অপারেশনের জন্য আসা কোন রোগীর পেটের ভিতর ছুরি চালাবেন বলে ঠিক করেন তখন তিনি জানেন যে, পেট কাটলে এর ভিতরে কি পাওয়া যাবে |
পাকস্থলি, বৃহদান্ত্র, ক্ষুদ্রান্ত্র, অগ্ন্যাশয় ইত্যাদি |
পাকস্থলির জায়গায় পাকস্থলি থাকে, আর অগ্ন্যাশয়ের জায়গায় অগ্ন্যাশয় |
অন্য রোগীর ক্ষেত্রেও পেট কেটে চিকিৎসক পাকস্থলির জায়গায় পাকস্থলি দেখবার প্রত্যাশাই করেন |
এটাই স্বাভাবিক |
বিভিন্ন রোগীর পাকস্থলিতে পার্থক্য থাকতে পারে - কারোটা মোটা, কারোটা চিকন, কারোটা দেখলেই হয়ত বোঝা যাবে ব্যাটা আমাশা রুগি, কারোটা আবার স্বাস্থ্যকর |
বৈশিষ্ট্যে পার্থক্য যাই থাকুক না কেন, মানুষের পাকস্থলি দেখে কারো গরুর কিংবা ঘোড়ার পাকস্থলি বলে ভুল হবে না |
কারণ মানুষের পাকস্থলির একটা প্রকৃতি আছে, যেটা গরুর পাকস্থলি থেকে আলাদা |
আমি অবশ্য গরুর পাকস্থলি বিশেষজ্ঞ নই, যিনি বিশেষজ্ঞ - যেমন পলাশি বাজারের সলিমুল্লাহ কসাই- তিনি খুব ভাল করেই আমাদের দেখিয়ে দিতে পারবেন গরুর পাকস্থলি কেমন হয়, খাসিরটা কেমন, ভেড়ারটা কেমন আর মুরগীরটা কেমন |
ঠাটারিবাজারের নিত্যানন্দ কসাই হলে তার লিস্টে শুয়োরের পাকস্থলিও চলে আসতে পারে |
সলিমুল্লা কিংবা নিত্যানন্দ কসাইয়ের অভিজ্ঞ চোখকে খাসির পাকস্থলির নামে শুয়োরের পাকস্থলি বলে চালানোর চেষ্টা করে ধোঁকা দেয়া যাবে না |
কারণ তারা জানেন, খাসির পাকস্থলির প্রকৃতি শুয়োরেরটা থেকে সম্পূর্ণ আলাদা |
একই কথা মানুষের পাকস্থলির জন্যও প্রযোজ্য |
একথা বলা ভুল হবে না যে, মানুষের পাকস্থলির প্রকৃতিই অন্যপ্রানীর পাকস্থলি থেকে তাকে আলাদা করে দিচ্ছে |
বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, পেটের ভিতরে পাকস্থলির যেমন একটা প্রকৃতি আছে, তেমনি মানুষের মনেরও আলাদা একটা প্রকৃতি আছে - যেটা অন্য প্রানী থেকে আলাদা |
উদাহরণ দেয়া যাক |
মানুষের খুব কাছাকাছি প্রজাতি শিম্পাঞ্জি |
শিম্পাঞ্জির সাথে মানুষের জিনগত মিল শতকরা ৯৯ ভাগ |
কাজেই ধরে নেয়া যায় শিম্পাঞ্জির সাথে মানুষের অনেক কিছুতেই মিল থাকবে |
কিন্তু যতই মিল থাকুক না কেন - সার্বজনীনভাবে মানব প্রকৃতি শিম্পাঞ্জির প্রকৃতি থেকে আলাদা হবে বলে আমরা ধরে নিতে পারি, অনেকটা উপরের উদাহরণের পাকস্থলির প্রকৃতির মতই |
কিছু উদাহরণ হাজির করি |
শিম্পাঞ্জি সমাজে মেয়ে শিম্পাঞ্জিরা বহুগামী হয় - তারা যত ইচ্ছা ছেলেদের সাথে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করে - তাদের আসলেই কোন বাছ বিচার নেই |
পুরুষ শিম্পাঞ্জিরা আবার অন্য মেয়ে শিম্পাঞ্জি (যাদের সাথে এখনো দৈহিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় নাই) - তাদের বাচ্চাকে ধরে নিয়ে মেরে ফেলে |
এ ধরণের কোন প্যাটার্ন আমাদের মানব সমাজে চোখে পড়ে না |
চোখে না পড়াই স্বাভাবিক, কারণ মানুষের প্রকৃতি শিম্পাঞ্জিদের প্রকৃতি থেকে আলাদা |
বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞানীদের কথামত আমরা জানলাম 'মানব প্রকৃতি' বলে একটা কিছু তাহলে আছে, যেটা অন্য প্রাণীদের থেকে আলাদা |
কিন্তু কেমন সে প্রকৃতি? সমাজ বিজ্ঞানী কিংবা নৃতাত্ত্বিকরা অনেকদিন ধরেই এর উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছেন |
তারা বলেন এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে রয়েছে মানব সমাজের সংস্কৃতিতে |
সমাজবিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠাতা এমিল ডার্খেইম কোন সার্বজনীন মানব প্রকৃতির জন্মগত প্রকরণকে অস্বীকার করে তাকে ব্ল্যাঙ্ক স্লেটের সাথে তুলনা করেছিলেন |
তার মতে সাংস্কৃতিক বিভাজনই মানব প্রকৃতিকে তুলে ধরার একমাত্র নিয়ামক |
কাজেই মানব প্রকৃতি বিষয়ে যে প্রশ্নই করা হোক না কেন - এর উত্তর আমাদের খুঁজে নিতে হবে সংস্কৃতিতে |
মেয়েদের তুলনায় ছেলেরা বেশি সহিংস কেন - এর উত্তর হল - সংস্কৃতিই এর কারণ |
ছেলেরা কেন সত্তুর বছরের বুড়ির চাইতে বিশ বছরের ছুঁড়ির প্রতি বেশি লালায়িত হয় - এর উত্তর হচ্ছে সংস্কৃতি |
ছেলেরা কেন মেয়েদের চেয়ে বেশি পর্ণগ্রাফি দেখে, কিংবা বহুগামী - উত্তর একটাই - 'সংস্কৃতি'! ! |
সমাজবিজ্ঞানের পুরোধা এমিল ডার্খেইম যে ইটের গাথুঁনি দিয়ে গিয়েছিলেন তাতে 'সংস্কৃতির প্রাসাদ' বানাতে এবারে এগিয়ে এলেন নৃতাত্ত্বিকেরা |
নৃতত্ত্ববিদের জনক বলে যাকে অভিহিত করা হয় সেই - ফ্রানজ বোয়া এবং মার্গারেট মীড ছিলেন এদের মূল কান্ডারী |
ফ্রানজ বোয়া যে মতবাদ প্রচার করলেন তাতে সকলের মনে হল, মানুষের প্রকৃতি বুঝি একেবারেই নমনীয় |
এতে জন্মগত কোন বৈশিষ্ট্যের কোন ছাপ নেই, কোনদিন ছিলোও না |
সব কিছুই সংস্কৃতিনির্ভর |
আর বোয়ার প্রিয় ছাত্রী 'নৃতত্ত্বের রাণী' মার্গারেট মীড আদিম 'স্যামোয়া' জাতির মেয়েদের নিয়ে এমন এক আদর্শিক সমাজ কল্পণা করে ফেললেন, যার বাস্তব অস্তিত্ব আসলে পৃথিবীর কোথাওই নেই |
মীডের 'স্যামোয়া' যেন আক্ষরিক অর্থেই হচ্ছে স্বর্গের প্রতিরূপ |
সেখানে কারো মধ্যে নেই কোন ঝগড়া, নেই কোন ঘৃণা, ঈর্ষা কিংবা হিংসা |
যৌনতার ক্ষেত্রে তাদের আচরণ একেবারে স্বতস্ফুর্ত |
সেখানকার মেয়েরা বহুগামী, যৌনতার ব্যাপারে পুরোপুরি স্বাধীন - যখন ইচ্ছে স্বামীর সাথে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে প্রিয় মানুষের সাথে সম্পর্ক করে নিতে পারে |
তারা স্বাধীনভাবে যেটা চায় সেটা করতে পারে |
মীডের অনুকল্প ছিলো, স্যামোয়া জাতির সংস্কৃতিই তাদের মেয়েদের এমন স্বতস্ফুর্ত আর স্বাধীন করে তুলেছে |
তিনি সেসময় ফাপুয়া ('') এবং ফোফোয়া () নামের দুজন স্যামোয়ান নারীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য তার গবেষোনায় ব্যবহার করেন |
তাদের দেয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে মীড সিদ্ধান্তে আসেন, বংশগতি নয় বরং সংস্কৃতিই ব্যক্তিত্বকে প্রভাবিত করে |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.