content
stringlengths
0
129k
'তিনিই আল্লাহ, যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেন দুর্বল অবস্থায়
অতঃপর দুর্বলতার পর শক্তি দান করেন
অতঃপর শক্তির পর দেন দুর্বলতা ও বার্ধক্য
তিনি যা চান তাই সৃষ্টি করেন
তিনিই সর্বজ্ঞ ও সর্বশক্তিমান' (রূম ৩০/৫৪)
রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, عُمْرُ أُمَّتِيْ مِنْ سِتِّيْنَ سَنَةً إِلَى سَبْعِيْنَ سَنَة، 'আমার উম্মতের বয়স ৬০ থেকে ৭০ বছর'
[2] তবে এটা দ্বারা বৃদ্ধ বয়সের শুরু ও শেষ বুঝানো হয়নি
কারণ বিভিন্ন দেশের আবহাওয়ার কারণে বার্ধক্যও ভিন্ন বয়সে আসতে পারে
ইসলামে প্রবীণদের মর্যাদা :
আল্লাহ তা'আলা বনী আদমকে সম্মানিত করেছেন
মহান আল্লাহ বলেন,وَلَقَدْ كَرَّمْنَا بَنِيْ آدَمَ وَحَمَلْنَاهُمْ فِي الْبَرِّ وَالْبَحْرِ وَرَزَقْنَاهُمْ مِنَ الطَّيِّبَاتِ وَفَضَّلْنَاهُمْ عَلَى كَثِيْرٍ مِمَّنْ خَلَقْنَا تَفْضِيلًا- 'আমরা আদম সন্তানকে মর্যাদা দান করেছি এবং তাদেরকে স্থলে ও সাগরে চলাচলের বাহন দিয়েছি
আর আমরা তাদেরকে পবিত্র রূযী দান করেছি এবং যাদেরকে আমরা সৃষ্টি করেছি তাদের অনেকের উপর আমরা তাদেরকে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি' (বনী ইসরাঈল ১৭/৭০)
শুভ্রকেশী প্রবীণদের মর্যাদা : শুভ্র কেশ বিশিষ্ট মুসলিমের বিশেষ মর্যাদার কথা রাসূল (ছাঃ) বর্ণনা করেছেন
আমর বিন শু'আইব তার পিতা ও দাদা থেকে বর্ণনা করেন,
نَهَى رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ نَتْفِ الشَّيْبِ، وَقَالَ : هُوَ نُوْرُ الْمُؤْمِنِ، وَقَالَ : مَا شَابَ رَجُلٌ فِي الْإِسْلاَمِ شَيْبَةً، إِلاَّ رَفَعَهُ اللهُ بِهَا دَرَجَةً، وَمُحِيَتْ عَنْهُ بِهَا سَيِّئَةٌ، وَكُتِبَتْ لَهُ بِهَا حَسَنَةٌ-
'রাসূল (ছাঃ) সাদা চুল উঠাতে নিষেধ করেছেন
তিনি বলেছেন, এটা মুমিনের নূর
তিনি আরো বলেন, ইসলামে যদি কেউ সাদা চুল বিশিষ্ট হয় আল্লাহ তার একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন, একটি পাপ মোচন করে দেন এবং একটি পুণ্য লিখে দেন'
[3] রাসূল (ছাঃ) বলেন,مَنْ شَابَ شَيْبَةً فِي الْإِسْلاَمِ كَانَتْ لَهُ نُوْرًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ، 'যে মুসলিম সাদা চুল বিশিষ্ট হবে, ক্বিয়ামতের দিন এটা তার জন্য জ্যোতি বা আলো হবে'
[4]
প্রবীণদের দ্বারা সাহায্যপ্রাপ্ত হওয়া : রাসূল (ছাঃ) বলেন, اَلْبَرَكَةُ مَعَ أَكَابِرِكُمِ، 'প্রবীণদের সাথেই তোমাদের কল্যাণ, বরকত রয়েছে'
[5] অন্যত্র রাসূল (ছাঃ) বলেন,ابْغُوْنِي الضَّعِيفَ فَإِنَّكُمْ إِنَّمَا تُرْزَقُوْنَ وَتُنْصَرُوْنَ بِضُعَفَائِكُمْ، 'তোমরা আমাকে দুর্বলদের মাঝে খোঁজ কর
কেননা তোমাদের মধ্যে যারা দুর্বল তাদের অসীলায় তোমরা রিযিক ও সাহায্য প্রাপ্ত হয়ে থাক'
[6] তিনি আরো বলেন,إِنَّمَا يَنْصُرُ اللهُ هَذِهِ الْأُمَّةَ بِضَعِيْفِهَا بِدَعْوَتِهِمْ وَصَلَاتِهِمْ وَإِخْلَاصِهِمْ، 'নিশ্চয়ই আল্লাহ তা'আলা এই উম্মতকে তাদের দুর্বল লোকদের দো'আ, ছালাত ও ইখলাছের মাধ্যমে সাহায্য করে থাকেন'
[7] কারণ দুর্বলদের ইবাদতে ও দো'আয় প্রবল একনিষ্ঠতা থাকে, থাকে দুনিয়ার সৌন্দর্য থেকে অন্তরের পরিচ্ছন্নতা
তাদের আগ্রহ, মনোযোগ ও অভিপ্রায় একই দিকে হয়ে থাকে
সেকারণ তাদের দো'আ কবুল হয়ে থাকে
তাই প্রবীণ যেই হোক না কেন তাকে সর্বাবস্থায় সম্মানের চোখে দেখতে হবে
উপযুক্ত পানাহার, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, যথাযোগ্য পোষাক ও মানসম্মত আবাসনের ব্যবস্থা করে তাদের কাছ থেকে দো'আ নেওয়া প্রয়োজন
অধিক বয়সীদের বিশেষ মর্যাদা : রাসূল (ছাঃ) বলেছেন,
أَلَا أُنَبِّئُكُمْ بِخَيْرِكُمْ؟ قَالُوا : نَعَمْ يَا رَسُوْلَ اللهِ قَالَ : خِيَارُكُمْ أَطْوَلُكُمْ أَعْمَارًا، وَأَحْسَنُكُمْ أَعْمَالاً-
'আমি কি তোমাদের মধ্যে উত্তম ব্যক্তির সংবাদ দিব না? তারা বলল, হ্যাঁ আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি উত্তম যে দীর্ঘ আয়ু লাভ করে এবং সুন্দর আমল করে'
[8] অন্য হাদীছে রয়েছে, জনৈক ব্যক্তি প্রশ্ন করল,
يَا رَسُوْلَ اللهِ أَيُّ النَّاسِ خَيْرٌ؟ قَالَ : مَنْ طَالَ عُمْرُهُ وَحَسُنَ عَمَلُهُ، قَالَ : فَأَيُّ النَّاسِ شَرٌّ؟ قَالَ : مَنْ طَالَ عُمْرُهُ وَسَاءَ عَمَلُهُ-
'হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! উত্তম ব্যক্তি কে? তিনি বললেন, যে দীর্ঘ জীবন পেয়েছে এবং তার আমল সুন্দর হয়েছে
সে আবার প্রশ্ন করল, মানুষের মধ্যে নিকৃষ্ট কে? তিনি বললেন, যে দীর্ঘ জীবন পেয়েছে এবং তার আমল খারাপ হয়েছে'
[9]
রাসূল (ছাঃ) আরো বলেন,إِنَّ مِنْ إِجْلَالِ اللهِ إِكْرَامَ ذِي الشَّيْبَةِ الْمُسْلِمِ 'নিশ্চয় শুভ্র চুল বিশিষ্ট মুসলিমকে সম্মান করাই আল্লাহকে সম্মান করার শামিল'
[10]
যারবী (রাঃ) হ'তে বর্ণিত, তিনি বলেন, আনাস বিন মালিক (রাঃ)-কে আমি বলতে শুনেছি,
جَاءَ شَيْخٌ يُرِيدُ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَبْطَأَ الْقَوْمُ عَنْهُ أَنْ يُوَسِّعُوا لَهُ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَمْ يَرْحَمْ صَغِيْرَنَا وَيُوَقِّرْ كَبِيْرَنَا-
'একজন বয়স্ক লোক রাসূল (ছাঃ)-এর সাথে দেখা করতে আসল
লোকেরা তার জন্য পথ ছাড়তে বিলম্ব করে
তা দেখে রাসূল (ছাঃ) বললেন, যে ব্যক্তি আমাদের ছোটদের স্নেহ করে না এবং আমাদের বড়দের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে না সে আমাদের দলভুক্ত নয়'
[11]
তালহা বিন ওবায়দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, দু'জন মুসলমানের মধ্যে একজন শহীদ হ'ল এবং অপরজন এক বছর পরে মারা গেল
তালহা (রাঃ) স্বপ্নে দেখলেন, পরে মারা যাওয়া লোকটি শহীদের আগে জান্নাতে চলে গেল
তারা বিস্মিত হয়ে রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট ঘটনাটি বর্ণনা করলেন
তখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন,
أَلَيْسَ قَدْ مَكَثَ هَذَا بَعْدَهُ سَنَةً قَالُوْا بَلَى قَالَ وَأَدْرَكَ رَمَضَانَ فَصَامَ وَصَلَّى كَذَا وَكَذَا مِنْ سَجْدَةٍ فِي السَّنَةِ قَالُوْا بَلَى قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَمَا بَيْنَهُمَا أَبْعَدُ مِمَّا بَيْنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ-
তিনি বললেন, অপর লোকটি কি তারপর এক বছর বেঁচে থাকেনি? 'ছাহাবীগণ বললেন, হ্যাঁ
রাসূল (ছাঃ) এও বলেন, সে একটি রামাযান মাস পেয়েছে, ছওম পালন করেছে এবং এক বছর যাবত এত এত ছালাত কি পড়েনি? তারা বলল, হ্যাঁ
তখন আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) বললেন, আসমান-যমীনের মধ্যে যে ব্যবধান রয়েছে তাদের দু'জনের মধ্যে তার চেয়ে অধিক ব্যবধান রয়েছে'
[12] অত্র হাদীছ দ্বারা বুঝা যায়, বয়স বেশী পেয়ে বেশী ইবাদত করে শহীদের চেয়েও অগ্রগামী হওয়া সম্ভব
ইবাদতে বিশেষ মর্যাদা : প্রবীণদের ইবাদতের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে
যেহেতু শেষ ভাল যার সব ভাল তার
সাহল বিন সা'দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোন এক যুদ্ধে এক ছাহাবী বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করছিল
এক পর্যায়ে রাসূল (ছাঃ) বললেন, কেউ যদি কোন জাহান্নামীকে দেখতে চায় তবে সে যেন এই ব্যক্তির দিকে লক্ষ্য করে
এ কথা শুনে এক লোক তার পিছু নিয়ে দেখল, মুশরিকদের আঘাতে তার শরীরে ক্ষতের সৃষ্টি হওয়ায় সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করল
এজন্যই রাসূল (ছাঃ) বললেন,
إِنَّ الْعَبْدَ لَيَعْمَلُ عَمَلَ أَهْلِ النَّارِ وَإِنَّهُ مِنْ أَهْلِ الْجَنَّةِ وَيَعْمَلُ عَمَلَ أَهْلِ الْجَنَّةِ وَإِنَّهُ مِنْ أَهْلِ النَّارِ وَإِنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالْخَوَاتِيمِ-
'কোন বান্দা জহান্নামীদের কাজ করে অথচ সে জান্নাতী
আবার কেউ জান্নাতীদের কাজ করে অথচ সে জাহান্নামী
নিশ্চয়ই শেষ আমলের উপরই পরিণাম নির্ভরশীল'
[13] সেহেতু শেষ বয়সে ইবাদতের মাত্রা যথাসাধ্য বাড়িয়ে দিতে হবে
কারণ এ সময় ইবাদতে অনীহা এসে যাওয়ার ফলে কাফির হয়ে মারা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে
আব্দুল্লাহ বিন মাস'ঊদ (রাঃ) বলেন,
قَرَأَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ النَّجْمَ بِمَكَّةَ فَسَجَدَ فِيْهَا وَسَجَدَ مَنْ مَعَهُ غَيْرَ شَيْخٍ أَخَذَ كَفًّا مِنْ حَصًى أَوْ تُرَابٍ فَرَفَعَهُ إِلَى جَبْهَتِهِ وَقَالَ يَكْفِيْنِي هَذَا فَرَأَيْتُهُ بَعْدَ ذَلِكَ قُتِلَ كَافِرًا-
'নবী করীম (ছাঃ) মক্কায় সূরা নাজম তিলাওয়াত করে সিজদা করলেন
তখন এক বৃদ্ধ ব্যতীত সকলেই সিজদা করল
সে এক মুষ্টি কংকর বা মাটি তুলে নিয়ে তাতে কপাল ঠেকাল এবং বলল, আমার জন্য এরূপ করাই যথেষ্ট
ইবনে মাস'ঊদ (রাঃ) বললেন, পরবর্তীকালে আমি তাকে কাফের অবস্থায় নিহত হ'তে দেখেছি'
[14]
প্রবীণ পিতা-মাতার প্রতি করণীয় : মহান আল্লাহ পিতা-মাতার প্রতি যথাযোগ্য মর্যাদা প্রদানের নির্দেশ দিয়ে বলেন,
وَقَضَى رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا إِيَّاهُ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِنْدَكَ الْكِبَرَ أَحَدُهُمَا أَوْ كِلَاهُمَا فَلَا تَقُلْ لَهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا وَقُلْ لَهُمَا قَوْلًا كَرِيمًا, وَاخْفِضْ لَهُمَا جَنَاحَ الذُّلِّ مِنَ الرَّحْمَةِ وَقُلْ رَبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيْرًا-
'আর তোমার প্রতিপালক আদেশ করেছেন যে, তোমরা তাঁকে ছাড়া অন্য কারু উপাসনা করো না এবং তোমরা পিতা-মাতার প্রতি সদাচরণ কর
তাদের মধ্যে কেউ অথবা উভয়ে যদি তোমার নিকট বার্ধক্যে উপনীত হন, তাহ'লে তুমি তাদের প্রতি উহ শব্দটিও কর না এবং তাদেরকে ধমক দিয়ো না
আর তাদের সাথে নরমভাবে কথা বল
আর তাদের প্রতি মমতাবশে নম্রতার পক্ষপুট অবনমিত কর এবং বল, হে আমার প্রতিপালক! তুমি তাদের প্রতি দয়া কর যেমন তারা আমাকে ছোটকালে দয়াবশে প্রতিপালন করেছিলেন' (বনী ইসরাঈল ১৭/২৩-২৪)
অনেক সন্তান বৃদ্ধ পিতা-মাতার সাথে খারাপ আচরণ করে থাকে
এমনকি মারধর পর্যন্ত করে
স্ত্রীকে খুশী করার জন্য বৃদ্ধ পিতা-মাতাকে অচেনা জায়গায় ফেলে আসা, দূরপাল্লার গাড়ীতে তুলে দিয়ে পালিয়ে আসা, ডাক্তার দেখানোর কথা বলে জমি দলীল করে নিয়ে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে রাস্তায় বের করে দেয়া, হাসপাতালে ভর্তির কথা বলে বৃদ্ধাশ্রম নামক কারাগারে বন্দী করে রাখার মতো ন্যক্কারজনক ঘটনার কথা মাঝে-মধ্যে পত্র-পত্রিকায় দেখা যায়
অথচ মহান আল্লাহর নির্দেশ হ'ল তাদের সাথে এমন আচরণ তো দূরের কথা 'উহ' শব্দও করা যাবে না
বরং শ্রদ্ধাভরে নম্রভাবে তাদের সাথে কথা বলতে হবে
সর্বক্ষণ তাদের জন্য আল্লাহর শেখানো দো'আ করতে হবে; যেন তাদের উভয়ের প্রতি মহান আল্লাহ রহম করেন
পিতা-মাতার হক বুঝাতে নিম্নোক্ত হাদীছটির প্রতিও লক্ষ্য করা যেতে পারে
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (ছাঃ) বলেন,
جَاءَ رَجُلٌ إِلَى رَسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ يَا رَسُوْلَ اللهِ مَنْ أَحَقُّ النَّاسِ بِحُسْنِ صَحَابَتِيْ قَالَ أُمُّكَ قَالَ ثُمَّ مَنْ قَالَ ثُمَّ أُمُّكَ قَالَ ثُمَّ مَنْ قَالَ ثُمَّ أُمُّكَ قَالَ ثُمَّ مَنْ قَالَ ثُمَّ أَبُوْكَ-
'এক লোক রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার কাছে কে উত্তম ব্যবহার পাওয়ার বেশী হকদার? তিনি বললেন, তোমার মা
সে বলল, তারপর কে? তিনি বললেন, তোমার মা
সে বলল, তারপর কে? তিনি বললেন, তোমার মা
সে বলল, তারপর কে? তিনি বললেন, তোমার পিতা'
[15]
এ পর্যন্তই শেষ নয়; পিতা-মাতা অমুসলিম হ'লেও তাদের সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রাখার নির্দেশ ইসলামে রয়েছে
যেমন আসমা বিনতে আবু বকর (রাঃ) বলেন,
قَدِمَتْ عَلَيَّ أُمِّيْ وَهِيَ مُشْرِكَةٌ فِيْ عَهْدِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَاسْتَفْتَيْتُ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قُلْتُ وَهِيَ رَاغِبَةٌ أَفَأَصِلُ أُمِّيْ قَالَ نَعَمْ صِلِيْ أُمَّكِ-
'রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর যুগে আমার মা মুশরিক অবস্থায় আমার নিকট এলেন
আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট ফৎওয়া চেয়ে বললাম, তিনি আমার প্রতি খুবই আকৃষ্ট, আমি কি তার সঙ্গে সদাচরণ করব? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তুমি তোমার মায়ের সাথে সদাচরণ কর'
[16]
আমর বিন শু'আইব তার পিতা ও দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে,