content
stringlengths
0
129k
বিজ্ঞানের সাথে হিসেবে গাণিতিক তত্ত্ব কাজ করে, যাতে অনাগত পর্যবেক্ষণের উপরেও একটা আভাস দেয়া যায়
এখন গণিত কিন্তু অ্যাসাম্পশন নির্ভর
বিজ্ঞানের আলোচনায় অবধারিত ভাবেই গণিতকে নিয়ে আসা হয় এবং এটা দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয় তত্বগুলো যেহেতু গাণিতিক হিসাব অনুযায়ী করা হয়েছে , সেকারনে এটাতে কোন ভুল নেই
তাই কি? যে সমস্ত তত্ব বর্তমানে বাতিল হয়েছে , সেগুলো ও কিন্তু গাণিতিক মডেল নির্ভর ছিল
থমাস কুহনের বলা সম্পর্কে কিছু জানেন? উনার বই পড়ে দেখলে বুঝবেন , বিজ্ঞান কতটা অ্যাসাম্পশন নির্ভর
রৌরব এপ্রিল 18, 2011 10:15 অপরাহ্ন -
@ফারুক,
বিজ্ঞানের আলোচনায় অবধারিত ভাবেই গণিতকে নিয়ে আসা হয় এবং এটা দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয় তত্বগুলো যেহেতু গাণিতিক হিসাব অনুযায়ী করা হয়েছে , সেকারনে এটাতে কোন ভুল নেই
তাই কি? যে সমস্ত তত্ব বর্তমানে বাতিল হয়েছে , সেগুলো ও কিন্তু গাণিতিক মডেল নির্ভর ছিল
গণিত বিজ্ঞানের ভাষা ও পদ্ধতির অংশ, "প্রমাণ" নয় - যদিও কথ্য ভাষায় গাণিতিক প্রমাণের কথা বলা হয় বটে
বিজ্ঞানের একমাত্র প্রমাণ পর্যবেক্ষণের সাথে মিল
আপনি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির বর্ণনা যেকোন জায়গা থেকে পড়ে দেখতে পারেন, এগুলো বহু পুরোনো জিনিস
রূপম (ধ্রুব) এপ্রিল 18, 2011 11:28 অপরাহ্ন -
@ফারুক,
বর্ণনা নিয়ে কি কোন আপত্তি বা মানা না মানার প্রশ্ন আছে এই পোস্টে?
না পোস্টে হয়তো নেই
আপনি রৌরবকে বলেছেন -
ব্যাখ্যা (কেন'র জবাব) ছাড়া কোন কিছু মেনে নেয়ার সাথেই তো বিশ্বাসের সম্পর্ক
ওই কথাটা মাথার আটকে গেছিল
আমার মনে হয়েছিল আপনি ইঙ্গিত দিচ্ছেন যে রূপকথার গল্প আমি মানি না ব্যাখ্যাহীন বলে, কিন্তু সেই ব্যাখ্যাহীন স্ট্যাটাসসমৃদ্ধ বিজ্ঞানকে আমরা ঠিকই মেনে নেই, যেটা একটা বিশ্বাস ছাড়া কিছু না
আপনি কী বোঝাতে চেয়েছেন ওই বাক্যে আপনিই ভালো বলতে পারবেন
বিজ্ঞানের আলোচনায় অবধারিত ভাবেই গণিতকে নিয়ে আসা হয় এবং এটা দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয় তত্বগুলো যেহেতু গাণিতিক হিসাব অনুযায়ী করা হয়েছে , সেকারনে এটাতে কোন ভুল নেই
তাই কি?
নাহ
একই জিনিসের ব্যাপারে আপনি দুটো ভিন্ন অ্যাসাম্পশান এর উপর ভিত্তি করে দুটো ভিন্ন এমন কি পারস্পরিক সাংঘর্ষিক গাণিতিক তত্ত্ব তৈরি করতে পারেন
তার মানে কি জগতে দুইটাই ঘটবে? যদি এদের কেবল একটা ঘটে, অন্যটা তো ভুল
ফলে "আমি বিজ্ঞানে গণিত ব্যবহার করেছি বলে এটা নির্ভুল" এমন ছেলে মানুষি দাবী কেউ করার কথা না
এখন ওই সাংঘর্ষিক দুটো তত্ত্বের মধ্যে কোনটা বাস্তব ঘনিষ্ঠ, সেটা যাচাই করা হয় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে
পর্যবেক্ষণ তখন ইঙ্গিত দেয় যে দুটো তত্ত্বের মধ্য প্রথমটা বা দ্বিতীয়টা জগতকে বেশি প্রেডিক্ট করতে পারছে
অন্যটাকে তখন ধরা হয় যে, ভুল অ্যাসাম্পশান বা বাস্তবতা-অঘনিষ্ঠ অ্যাসাম্পশানের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে
ওটাই হচ্ছে আপনি যেটা বললেন, "যে সমস্ত তত্ব বর্তমানে বাতিল হয়েছে , সেগুলো ও কিন্তু গাণিতিক মডেল নির্ভর ছিল
"
পর্যবেক্ষণ বর্জিত অবস্থায় গণিত বাস্তবতার ব্যাপারে কোন সত্যাসত্য বহন করে না
যেকোন অ্যাসাম্পশানের উপর ভিত্তি করে আপনি পুরো এক সেট নতুন গণিত তৈরি করতে পারেন, যেটার সূত্রগুলো আপনার জানা সূত্রগুলোর সাথে সাংঘর্ষিক
যেমন আপনি জানেন যে ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি ১৮০ ডিগ্রি
কিন্তু এটার পেছনে আছে ইউক্লিডিয় তলের অ্যাসাম্পশান
এই অ্যাসাম্পশানটা পরিবর্তন করে দিলে কোণের সমষ্টি আর ১৮০ থাকবে না
থমাস কুহনের বলা সম্পর্কে কিছু জানেন? উনার বই পড়ে দেখলে বুঝবেন , বিজ্ঞান কতটা অ্যাসাম্পশন নির্ভর
বিজ্ঞান অ্যাসাম্পশান নির্ভর বলতে কী বোঝাচ্ছেন? অ্যাসাম্পশান ভিন্ন হলে পর্যবেক্ষণ ভিন্ন হয়ে যাবে? আমি পড়ি নাই
আপনি এটা নিয়ে একটা পোস্ট দিতে পারেন
বেশ ইন্টারেস্টিং মনে হচ্ছে
কিন্তু ওতে তিনি কী বলেছেন না জেনে ওর কোন তত্ত্ব এই তর্কে আনয়ন করা যাচ্ছে না
বিজ্ঞানের ক্ষমতা, সীমাবদ্ধতা, আকার প্রকার নিয়ে আমার বেশ আগ্রহ
এটাকে কাজের বস্তু ছাড়া ভিন্ন কিছু আমি ভাবি না
তবে আপনি আগে যা জানতেন, এখন যে সে জানা পাল্টে গেল, তাতে কী কী ইম্প্লিকেশান হলো একটু বললেন না? ধরেন রকেট, কম্পিউটার এগুলো কী নাই হয়ে গেল হঠাৎ? নাকি বিবর্তন ঘটা বন্ধ হয়ে গেলো? নাকি অদেখা রাক্ষস খোক্ষসেরা আবার অস্তিত্বশীল হয়ে ওঠার সম্ভাবনা তৈরি হলো? একটু হাল্কা চালে প্রশ্নগুলো করলাম
উত্তর দিয়েন
🙂
রৌরব এপ্রিল 19, 2011 3:34 পূর্বাহ্ন -
@রূপম (ধ্রুব),
ফারুকের অস্পষ্ট অ-থিসিস অগ্রাহ্য যদি করিও, প্লাটোনিস্ট দের সম্বন্ধে আপনার মত কি? বহু কট্টর বিজ্ঞানবাদী চিনি যারা আবার বৈজ্ঞানিক সূত্রের পর্যবেক্ষণ-ঊর্দ্ধ সত্যতায় বিশ্বাসী, এদের অনেকেই আবার গাণিতিক
রূপম (ধ্রুব) এপ্রিল 19, 2011 4:02 পূর্বাহ্ন -
@রৌরব,
প্লেটোনিস্টদের সাথে চাইলে তর্ক লম্বা করা যায়
আমার শিক্ষাগুরু তাদেরকে সংক্ষেপে উত্তর করেন এটা বলে - "অবশ্যই সত্য
খালি বাস্তব নয়, এই যা!"
এই প্লেটোনিস্টরা সাধারণত সাধারণ বিজ্ঞান সম্বন্ধে বিজ্ঞান-পাঠক আর পপুলার বিজ্ঞান লেখকদের মনজয় এবং বিভ্রান্ত করে থাকেন
জীবনের একটা পর্যায়ে গিয়ে যখন ভুল ভাঙে, ততদিনে সব কিছু ব্যাড়াছ্যাড়া লেগে যায়
ফলে ভুল জানার পরীক্ষিত চর্চার কারণে ভুল ভাঙতে ভাঙতেই আরও দশটা ভুল তৈরি হয় চোখের সামনে
রৌরব এপ্রিল 19, 2011 4:36 পূর্বাহ্ন -
@রূপম (ধ্রুব),
আপনার শিক্ষাগুরু সত্যিই গুরু :: পছন্দ হয়েছে টা আমার
রূপম (ধ্রুব) এপ্রিল 19, 2011 1:31 অপরাহ্ন -
@রৌরব,
🙂
জয় এপ্রিল 21, 2011 6:36 অপরাহ্ন -
রূপম (ধ্রুব) ভাই, এর লেখা আপনার হয়তো ইন্টারেস্টিং লাগবে কারন বিজ্ঞানের দর্শনে আগ্রহ আপনার
আমার মোটামুটি লেগেছে, কারন তেমন কিছু পাইনি
আর, বিজ্ঞানের দর্শনেও খুব একটা আগ্রহ ছিল না আমার
-এর উপরে ছোট কিছু লেকচার নোট ছিল
করে দিবো?
রূপম (ধ্রুব) এপ্রিল 24, 2011 3:14 পূর্বাহ্ন -
@জয়,
আলবত, দ্যান পা‌ঠাইয়া‌‌
[ ]
রূপম (ধ্রুব) এপ্রিল 24, 2011 5:59 পূর্বাহ্ন -
@জয়,
ধন্যবাদ
পেয়েছি
সকল প্রশংসাই আল্লাহর
কিংবা তার অবর্তমানে ফারুক ভাইয়ের
ওনার পোস্টের জন্যেই কিনা এটা পেলাম
খালি পোস্টগুলো যদি আরেকটু গুছিয়ে বিস্তারিত করতেন
সোনার বাংলাতেও তো দু চার পাতা বেশি লেখেন
এখানে এমনভাবে লেখেন, ভাবসাবে মনে হয় এই বুঝি ঈশ্বরের অনস্তিত্ব নাই করে দিবেন
:-
একটু ধৈজ্জ ধরে বিস্তারিত বলা যায় না? কী জানতেন, আর কী জানলেন? ব্যাখ্যাবুখ্যাসমেত?
নিটোল এপ্রিল 18, 2011 1:54 পূর্বাহ্ন -
@ফারুক,
আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্বমানার পূর্বশর্ত হলো আলোর গতিবেগ সর্বোচ্চ এবং অনাপেক্ষিক এইটা মানা বা বিশ্বাস করা
:- :-
আলোর গতি যে মহাবিশ্বে সর্বোচ্চ এটা আপেক্ষিকতা তত্ত্বের পুর্বশর্ত নয়, এটা হল বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের গাণিতিক বিশ্লেষণে বেরিয়ে আসা অনুসিদ্ধান্ত
স্পেশাল থিওরি অফ রিলেটিভিটিতে করেক রকম গাণিতিক সমীকরণ বেরিয়ে পড়ে
ধরা যাক,তার একটি হল ভর সমীকরণ
এই সমীকরণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে দেখা যায়, আলোর বেগের চেয়ে বেশি বেগে যদি কোনো বস্তু চলে তাহলে তার ভর হয় অসীম,দৈর্ঘ্য হয় শুন্য ইত্যাদি
তাছাড়া বহুবার পরীক্ষা করে আলোর বেগের অনাপেক্ষিকতা নিশ্চিত করা হয়েছে
ভাই, আপনি কোথায় পেলেন যে আলোর বেগ সর্বোচ্চ আর অনাপেক্ষিক এটা আমাদেরকে বিশ্বাস করতে হবে??
কমেন্ট করবার পূর্বে একবার প্রিভিউ বাটিনে ক্লিক করে দেখে নেবেন আপনি কী লিখেছেন
সেটা করলে বোধ হয় আপনারই লাভ
(বিঃদ্রঃ- এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান বইটি স্টাডি করে আসলে ভালো হয়
)