content stringlengths 0 129k |
|---|
24. |
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না |
আন্তর্জাতিক বিভাগের সর্বোচ্চ পঠিত |
'ভুল করে' ১৩ শ্রমিককে গুলি করে হত্যা, উত্তপ্ত নাগাল্যান্ড |
আরও শক্তি হারিয়ে 'জাওয়াদ' এখন নিম্নচাপ |
ছাইয়ের নিচে ১১ গ্রাম, দেখুন ছবিতে |
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানকে 'হত্যার চেষ্টা' |
ইন্দোনেশিয়ায় অগ্ন্যুৎপাতে ১৩ জন নিহত |
রোগীর গোপনাঙ্গে বোমা, ডাকা হলো বোম্ব স্কোয়াড |
পুরো শহরে চাদর বিছিয়ে পিকনিক! |
পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা নারী আর নেই |
২৬ কোটি ৫৬ লাখ ছাড়ালো করোনা আক্রান্তের সংখ্যা |
আন্তর্জাতিক এর সর্বশেষ |
ছাইয়ের নিচে ১১ গ্রাম, দেখুন ছবিতে |
ইন্দোনেশিয়ায় অগ্ন্যুৎপাতে ছাইয়ের নিচে তলিয়ে গেছে ১১ গ্রাম |
পুরো শহরে চাদর বিছিয়ে পিকনিক! |
পৃথিবীর সবচেয়ে লম্বা নারী আর নেই |
চীনকে যে হুঁশিয়ারি দিলো যুক্তরাষ্ট্র |
বাইডেন-পুতিনের ভার্চ্যুয়াল বৈঠক মঙ্গলবার |
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানকে 'হত্যার চেষ্টা' |
রোগীর গোপনাঙ্গে বোমা, ডাকা হলো বোম্ব স্কোয়াড |
'ভুল করে' ১৩ শ্রমিককে গুলি করে হত্যা, উত্তপ্ত নাগাল্যান্ড |
এই বিভাগের সব খবর |
প্রচ্ছদ |
মোবাইল সার্ভিস |
সালতামামি |
খেলা |
ইসলাম |
পিএসআই |
বিজ্ঞাপন |
সম্পাদক : জুয়েল মাজহার |
ফোন: +৮৮০ ২ ৮৪৩ ২১৮১, +৮৮০ ২ ৮৪৩ ২১৮২ আই.পি. ফোন: +৮৮০ ৯৬১ ২১২ ৩১৩১ নিউজ রুম মোবাইল: +৮৮০ ১৭২ ৯০৭ ৬৯৯৬, +৮৮০ ১৭২ ৯০৭ ৬৯৯৯ ফ্যাক্স: +৮৮০ ২ ৮৪৩ ২৩৪৬ |
অভিজিৎ|2012-03-1411:15:58+06:00জুলাই 11, 2010|: জৈব বিবর্তন, বিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান, সমাজ, সামাজিক বিজ্ঞান|: ডারউইন, বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞান, ভায়োলেন্স, যুদ্ধ|18 |
পূর্ববর্তী পর্বের পর ... |
ধর্মীয় সহিংসতা |
আমি আগের পর্বটি শেষ করেছিলাম এই বলে যে, আজ আমরা যখন সমবেতভাবে গ্লোবাল ওয়ার্মিং নিয়ে দুশ্চিন্তা করছি, বিলুপ্তপ্রায় পান্ডা কিংবা মেরু ভল্লুকদের রক্ষার ব্যাপারে সচেতন হচ্ছি, এই ষোড়শ শতকে আমাদের 'মহা শান্তিপ্রিয়' পূর্বপুরুষেরাই প্যারিসের রাস্তায় জীবন্ত বিড়াল দড়িতে ঝুলিয়ে দিতো, তারপর তাতে তেল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিতো |
সেই জীবন্ত বিড়াল যখন আগুনে পুড়ে ব্যাথায় কোঁকাতে থাকতো, সেটা ছিলো তাদের বিনোদনের উৎস |
বিড়ালের চারপাশে সমবেত জনতা হাততালি দিয়ে চিৎকার করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতো |
তাদের চোখের সামনে অসহায় বিড়ালটি একদল পাষন্ড লোকের বিনোদনের খোড়াক যোগাতে পুড়ে অঙ্গার হয়ে যেতো |
বিড়ালের দুর্ভাগ্যের খবর শুনেই যদি আপনার চোখে পানি চলে আসে তবে এক সময় হিন্দুদের একসময় খুব ভক্তিভরে পালন করা সতীদাহের কথা কি বলা যাবে? সেখানেও দেহ পুড়ে অঙ্গার হয়ে যেতো, তবে সেখানে বিড়ালের জায়গায় থাকতো জীবন্ত নারীদেহ! শুধুমাত্র ১৮১৫ সাল থেকে ১৮২৮ সালের মধ্যে ভারতবর্ষে সতীদাহের স্বীকার হয়েছে ৮১৩৫ জন নারী |
এমনকি ১৯৮৭ সালেও রূপ কানোয়ার নামে একটি মেয়েকে রাজস্থানে পুড়িয়ে মারা হয়েছে 'সতী মাতা কী জয়' ধ্বনি দিয়ে |
সারা গ্রামের মানুষ তাকিয়ে তাকিয়ে দেখেছিল ঘটনাটি - কেউ টু শব্দটি করে নি |
কথিত আছে, ১৭২৪ সালে মারয়ারের রাজা অজিত সিংহের চিতায় উঠেছিল ৬৪ জন সতী, পানিতে ডুবে বুন্দির রাজা বুধ সিং মারা গেকে তার চিতায় উঠে ৮৪ জন; ১৬২০ সালে এক রাজপুত রাজা মারা গেলে তার চিতায় উঠেছিল নাকি ৭০০ জন সতী |
এগুলো সবই ঘটেছিল হিন্দু ধর্মের আনুষ্ঠানিকতার প্রতি অন্ধ আনুগত্যের কারণে |
চিন্তা করুন পুরো ব্যাপারটা - জীবন্ত নারী মাংস জ্বলছে, ছটফট করছে, অনেক সময় বেঁধে রাখতে কষ্ট হচ্ছে, মাঝে মাঝে পালাতে চেষ্টা করছে - আফিম জাতীয় জিনিস গিলিয়ে দিয়ে লাঠি দিয়ে খুঁচিয়ে আবার চিতায় তুলে দেওয়া হচ্ছে হিন্দু ধর্মের মাহাত্ম্যের দোহাই দিয়ে- কী চমৎকার মানবিকতা ছিলো সেসময় ! |
ছবি - হিন্দু ধর্মের সতীদাহ প্রথার শিকার হয়ে একসময় অসংখ্য নারী প্রাণ হারিয়েছিল |
তবে হিন্দু ধর্মকে আলাদাভাবে একঘরে করার কিছু নেই |
সব ধর্মই কম বেশি এরকম সহিংস |
ইহুদী এবং খ্রীষ্টানদের পবিত্রগ্রন্থের দিকে তাকালে দেখা যায়, পুরো বাইবেলটিতেই ঈশ্বরের নামে খুন, রাহাজানি, ধর্ষনকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে |
কিছু উদাহরণ তো দেওয়া যেতেই পারে |
যুদ্ধজয়ের পর অগনিত যুদ্ধবন্দিকে কব্জা করার পর মুসা নির্দেশ দিয়েছিলেন ঈশ্বরের আদেশ হিশেবে সমস্ত বন্দী পুরুষকে মেরে ফেলতে, আর কুমারীদের বাঁচিয়ে রাখতে যাতে তারা ইচ্ছে মত ধর্ষণ করতে পারে: |
এখন তোমরা এই সব ছেলেদের এবং যারা কুমারী নয় এমন সব স্ত্রী লোকদের মেরে ফেল; কিন্তু যারা কুমারী তাদের তোমরা নিজেদের জন্য বাঁচিয়ে রাখ' (গণনা পুস্তক, ৩১: ১৭-১৮) |
এই ভার্সের মূলকথা হল,সবাইকে মেরে ফেল, কেবল কুমারীদের বাঁচিয়ে রাখ যাতে ইচ্ছে মত ধর্ষণ করা যায় |
একটি হিসেবে দেখা যায়, মুসার নির্দেশে প্রায় ১০০,০০০ জন তরুন এবং প্রায় ৬৮,০০০ অসহায় নারীকে হত্যা করা হয়েছিল[1] |
এছাড়াও নিষ্ঠুর, আক্রামনাত্মক এবং অরাজক বিভিন্ন ভার্সসমূহের বিবরণ পাওয়া যায় যিশাইয় (২১: ৯), ১ বংশাবলী (২০:৩), গণনা পুস্তক (২৫: ৩-৪), বিচারকর্তৃগন (৮: ৭), গণনা পুস্তক (১৬: ৩২-৩৫), দ্বিতীয় বিবরণ (১২: ২৯-৩০), ২ বংশাবলী (১৪:৯, ১৪:১২), দ্বিতীয় বিবরণ (১১: ৪-৫), ১ শমূয়েল (৬:১৯), ডয়টারনোমি (১৩:৫-৬, ১৩:৮-৯, ১৩:১৫), ১ শমূয়েল (১৫:২-৩), ২ শমূয়েল (১২:৩১), যিশাইয় (১৩: ১৫-১৬), আদিপুস্তক (৯: ৫-৬) প্রভৃতি নানা জায়গায় |
বিশ্বাসী খ্রীষ্টানরা সাধারণতঃ বাইবেলে বর্ণিত এই ধরনের নিষ্ঠুরতা এবং অরাজগতাকে প্রত্যাখান করে বলার চেষ্টা করেন, এগুলো সব বাইবেলের পুরাতন নিয়মের (ইহুদীদের ধর্মগ্রন্থ) অধীন, যীশু খ্রীষ্টের আগমনের সাথে সাথেই আগের সমস্ত অরাজগতা নির্মূল হয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে |
এটি সত্য নয় |
বাইবেলের নতুন নিয়মে যীশু খুব পরিস্কার করেই বলেছেন যে তিনি পূর্বতন ধর্মপ্রবর্তকদের নিয়মানুযায়ীই চালিত হবেন : |
এ কথা মনে কোর না, আমি মোশির আইন-কানুন আর নবীদের লেখা বাতিল করতে এসেছি |
আমি সেগুলো বাতিল করতে আসি নি বরং পূর্ণ করতে এসেছি' (মথি, ৫: ১৭) |
খ্রীষ্ট ধর্মের অনুসারীরা যেভাবে যীশুকে শান্তি এবং প্রেমের প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করে থাকেন, সত্যিকারের যীশু ঠিক কতটুকু প্রেমময় এ নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায় |
যীশু খুব স্পষ্ট করেই বলেছেন যে : |
'আমি পৃথিবীতে শান্তি দিতে এসেছি এই কথা মনে কোর না |
আমি শান্তি দিতে আসি নাই, এসেছি তলোয়ারের আইন প্রতিষ্ঠা করতে |
আমি এসেছি মানুষের বিরুদ্ধে মানুষকে দাঁড় করাতে; ছেলেকে বাবার বিরুদ্ধে, মেয়েকে মায়ের বিরুদ্ধে, বৌকে শাশুড়ীর বিরুদ্ধে দাঁড় করাতে এসেছি' (মথি, ১০: ৩৪-৩৫) |
ব্যভিচার করার জন্য শুধু ব্যভিচারিনী নন, তার শিশুসন্তানদের হত্যা করতেও কার্পন্য বোধ করেন না যীশু: |
'সেইজন্য আমি তাকে বিছানায় ফেলে রাখব, আর যারা তার সঙ্গে ব্যভিচার করে তারা যদি ব্যভিচার থেকে মন না ফিরায় তবে তাদের ভীষণ কষ্টের মধ্যে ফেলব |
তার ছেলেমেয়েদেরও আমি মেরে ফেলব '(প্রকাশিত বাক্য, ২: ২২-২৩) |
শুধু বাইবেল নয়, মুসলিমদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ কোরাণের বেশ অনেকটা জুড়েই রয়েছে অনর্থক উত্তেজক নির্দেশাবলীর ছড়াছড়ি, সেখানে খুব স্পষ্টভাবেই আছে অমুসলিম, মুশরিক, ইহুদী, খ্রীষ্টান, কাফেরদের হত্যা এবং নির্যাতনের নির্দেশ (কোরান : ২:১৯১, ৯:৫, ৯:১২৩, ৮:৬৫, ৯:২৯, ৩:৮৫, ৫:১০, ৯:২৮, ২:১৯৩, ১৪:১৭, ৫:৩৪, ২২:১৯, ৫:৫১, ৯:২৩, ৩:২৮, ৪৮:১৩, ৬৯:৩০-৩৩, ২:২১৬, ৪৭:৪, ৮:১২, ৯:৩৯ ইত্যাদি দ্রঃ) |
মহানবী মুহম্মদ নিজেই এ ধরণের আয়াতগুলোর সার্থকতা দিতে গিয়ে ৬২৪ খ্রীস্টাব্দে বনি কুয়ানুকা, ৬২৫ খ্রীস্টাব্দে বনি নাদির আর ৬২৭ খ্রীস্টাব্দে বনি কুরাইজার ইহুদী ট্রাইবকে আক্রমণ করে তাদের হত্যা করেন |
বনি কুয়ানুকার ইহুদীদের সাতশ জনকে এক সকালের মধ্যে হত্যা করতে সচেষ্ট হন[2] , আর বনি কুরাইজার প্রায় আটশ থেকে নয়শ লোককে হত্যা করেন, এমনকি তারা আত্মসমর্পণ করার পরও[3] |
হত্যার ভয়াবহতা এতোই বেশি ছিলো যে, ক্যারেন আর্মস্ট্রং-এর মতো লেখিকা, যিনি মুসলিম সমাজের পছন্দের তালিকায় শীর্ষস্থানীয় হিসবে গন্য হন, তিনি পর্যন্ত মুহম্মদের কর্মকান্ডকে নাৎসী বর্বরতার সাথে তুলনা করেছেন[4] |
মহানবীর জীবনী থেকে এধরণের অনেক উদাহরণই দেওয়া যায় |
যেমন, খাইবার দখলের পর মুহম্মদ (দঃ) সাফিয়া নামের ১৭ বছরের সুন্দরী ইহুদী নারীকে অধিগ্রহণ করেন, এবং তা করেন তার বাবা, মা, ভাই বোন এবং আত্মীয় স্বজনকে হত্যার পরপরই |
রায়হানাকে অধিগ্রহণ করেন বনি কুরাইজা দখলের পর |
মুক্তমনা সদস্য আকাশ মালিক তার 'যে সত্য বলা হয়নি' ই-গ্রন্থে তার এসব 'মানবিক' কর্মকান্ডের সমালোচনা করতে গিয়ে বলেন[5], |
'(মহানবীর) এই কাজকর্ম কোন 'শান্তির' বাণী বয়ে আনে না, বরং কোরানের 'পরমত সহিষ্ণুতা'র যে আলামত হাজির করার চেষ্টা করেন মুসলিম স্কলারেরা, তাকে প্রতিনিয়ত যেন ব্যাঙ্গ করে |
ইবনে সাদের প্রথম দিককার জীবনী-সঙ্কলন কিতাব আত তাবাকাত ( ) থেকে জানা যায়, মহানবী তার শেষ দশ বছরে অন্ততঃ ৭৪ টি হামলা যুদ্ধ (আরবীতে গাজওয়া) সম্পন্ন করেছিলেন[6] |
আল তাবারি নবী মুহাম্মদ (দঃ) তাঁর জীবনে ঘটা যে ষাটটি যুদ্ধের কাহিনি লিপিবদ্ধ করেছিলেন তার 'তারিক আল রসুল ওয়া আল মুল্লুক' গ্রন্থে, এর মধ্যে উহুদ ও খন্দকের যুদ্ধ ছাড়া সবগুলোই ছিল আক্রমণাত্মক[7] |
মুহম্মদের প্রথম জীবনীকার ইবনে ইসহাক তার 'সিরাত রসুলাল্লাহ' গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, মুসলমানরা বানু হাওয়াজিন গোত্রকে পরাজিত করার পরে প্রায় ৬ হাজার নারী ও শিশুকে মুসলমানদের হাতে |
যুদ্ধ থেকে সংগৃহীত নারীরা ইসলামী যোদ্ধাদের মধ্যে বন্টিত হয় |
যেমন, রায়হানা নামের এক সুন্দরী ইহুদিনীকে নবী নিজের জন্যেই নির্বাচিত করেন |
রায়তা নামের সুন্দরী বন্দিনীটি হযরত আলী তার জন্য নেন, জয়নাব নামের আরেক যুদ্ধবন্দী নারী পড়ে আবার হযরত ওসমানের ভাগে |
হযরত ওমর আবার তিনি নিজে না নিয়ে ভোগ করার জন্যে তা প্রিয় পুত্র আব্দুল্লাহর হাতে তুলে দেন বলে কথিত আছে |
শুধু রায়হানা নয়, জাওয়াহিরা এবং সাফিয়া নামের আরও দুই রক্ষিতা ছিল নবীর |
জওয়াহিরা তার হাতে আসে বানু আল-মুস্তালিক অভিযান থেকে, সাফিয়া আসে খায়বারের বানু নাজির গোত্রের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযান থেকে |
এমনকি কিছু হাদিসে উল্লিখিত আছে যে, যুদ্ধজয়ের পর স্বামীর সামনে স্ত্রীকে ধর্ষনেরও নির্দেশ দিয়েছিলেন মহানবী[8] |
মহাভারত থেকে আমরা পাই কীভাবে শ্রীকৃষ্ণ তার সখা অর্জুনকে ভাতৃঘাতি যুদ্ধে প্ররোচিত করেছিলেন |
গুরুজ্ঞাতিদের বিনা দ্বিধায় হত্যা করতে উৎসাহ দিতে গিয়ে কৃষ্ণ অর্জুনকে সে সময় বলেছিলেন[9], |
দেহিনোহস্মিন যথা দেহে কৌমারং যৌবনাং জরা |
তথা দেহান্তরপ্রাপ্তির্ধীরস্তত্র ন মুহাতি |
অর্থাৎ, দেহীর দেহে যেমন কৈশোর, যৌবন, জরা অনিবার্য, তেমনি পরজন্মে ভিন্ন দেহপ্রাপ্তিও অনিবার্য, সুস্থিত ব্যক্তিরা তাতে মোহগ্রস্থ হয় না |
এই মূল বক্তব্যকে কৃষ্ণ আরো পল্লবিত করে অর্জুনকে বলেছিলেন, আত্মা অবিনাশী, এর জন্ম মৃত্যু নেই, ইনি কাউকে হত্যা করেননা, বা কারো দ্বারা হত হন না |
ইনি অক্ষয় ও অনাদি |
যে এ সত্য জেনেছে, সে কাউকে প্রকৃতপক্ষে হনন করতে পারে না |
গীতায় বর্ণিত শ্রীকৃষ্ণের মুখঃসৃত বিখ্যাত শ্লোকটি এখানে প্রাসঙ্গিক - |
বাসাংসি জীর্ণানি যথা বিহায় |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.