content
stringlengths
0
129k
ফের বললেন, নরহরিবাবুকে খতমের প্ল্যান রাত্রেই করেছিলেন সত্যেন্দ্রনাথ
তোমাকে দেখিয়েছিলাম, মন্দিরের ঘাটের দরজায় সামনে ঝোপঝাড় দুমড়ে-মুচড়ে বাঁকা করা হয়েছে
কিছু ডালও ভাঙা হয়েছে
হুড়কো খুলে এমনভাবে রাখা আছে, তাতে মনে হবে খুনী ওই পথেই চলে গেছে
কিন্তু মাকড়সার জালের দিকে চোখ পড়তেই বুঝতে পেরেছিলাম, খুনী দরজা খুলে পালায়নি
ক্লিয়ার?
কিন্তু ফোনে আপনাকে হুমকি দিচ্ছিল কে?
কুমারবাহাদুর
বোঝা যাচ্ছে, নরহরিবাবু ফিরে গিয়ে ছন্দাকে আমার কথা চুপিচুপি জানিয়েছিলেন
কুমারবাহাদুর তো সত্যিই পক্ষাঘাতগ্রস্ত রোগী নন
ওত পেতে তা শুনে থাকবেন
জয়ন্ত! এ অনুমান যুক্তিসিদ্ধ
কারণ দ্বিতীয় বার হুমকির ফোন আমি স্বকর্ণে শুনেছি
কুমারবাহাদুরের কণ্ঠস্বর আমার কানকে ফাঁকি দিতে পারেনি
তবে তোমার চোখে পড়া উচিত ছিল, ছন্দার ঘরের টেলিফোনের একটা এক্সটেনশন লাইন কুমারবাহাদুরের ঘরেও ছিল
তিনি আড়ি পেতে আমার সঙ্গে ছন্দার বাক্যালাপ শুনতেন, এটা স্পষ্ট
এইসময় টেলিফোন বাজল
কর্নেল রিসিভার তুলে সাড়া দিয়ে বললেন, হ্যাঁ
বলো ছন্দা! ...হাওড়া স্টেশন থেকে? কী ব্যাপার? ...ঠিক আছে
উইশ ইউ গুডলাক
...সেটাই ভালো, তোমাদের আর মোহনপুর প্যালেসে থাকার উচিত নয়
মোহনপুরেই...তো শোনো! আমি তোমার শ্বশুরমশাইকে নকল বিষ্ণুমূর্তিটা ফেরত দিতে চেয়েছিলাম
..দিতে হবে না? ...উনি ফেরত চান না? ঠিক আছে
এগেন উইশ ইউ গুডলাক
টেলিফোন রেখে কর্নেল হাসতে হাসতে বললেন, কুমারবাহাদুর তার বউমা আর নাতনিকে নিয়ে মোহনপুরে পাড়ি জমালেন
সঙ্গে আসল বিষ্ণুমূর্তি নিয়ে যাচ্ছেন
বাহাদুর মোহনপুর প্যালেসের কেয়ারটেকার হয়ে রইল
অ্যামব্যাসাডর গাড়িটা ছন্দা অগত্যা দুর্গাপ্রসাদকে মাত্র তিরিশ হাজার টাকায় বেচে দিয়েছে
পরে বাড়িটা বেচে দেওয়ার ব্যবস্থা হবে
কিন্তু একজন খুনীকে আপনি ছেড়ে দিলেন, এটা ঠিক হল না
ডার্লিং! আবার বলছি, এ একটা বিচিত্র কেস
খুনী কে, তা জানা সত্ত্বেও আমি প্রমাণ করতে পারব না
কী আর করা যাবে? তবে এ তো ঠিক, আমাদের দেশের অমূল্য সব মূর্তি যারা বিদেশে পাচার করছে, তাদের ক্ষমা করা যায় না
বিশেষ করে লোক নরহরিবাবু আমার সাহায্য নিতে কেন এসেছিলেন, তোমার তো বোঝা
উনি আমার সাহায্যে আসল মূর্তিটা হাতাতে চেয়েছিলেন, তাই নয় কি? আমি আসল মূর্তি উদ্ধার করে দিলে তা উনি বীরেশ্বরকে দিতেন
বৃদ্ধ রহস্যভেদী কফিতে শেষ চুমুক দিয়ে চুরুট ধরালেন
তারপর অভ্যাস মতো চোখ বুজে ইজিচেয়ারে হেলান দিলেন
চুরুটের নীল ধোঁয়ার একটা রেখা আঁকাবাঁকা হয়ে ওঁর টাক ছুঁয়ে ফ্যানের বাতাসে মিলিয়ে গেল
কিছুক্ষণ পরে চুরুটের এক টুকরো ছাই ওঁর দাড়িতে যথারীতি খসে পড়ল
সাদা ঝকমকে দাড়িতে ছাইটুকু পড়ামাত্র বলে উঠলাম, সভ্যতার ওপর বর্বরতা!
কর্নেল চোখ খুলে বললেন, কী?
হাসতে হাসলে বললাম, সেদিন বিকেলে আপনি বলছিলেন, সভ্যতার সঙ্গে বর্বরতার সম্পর্ক যেন অচ্ছেদ্য
বর্বরতা ছাড়া সভ্যতা হয়তো টেকে না
কর্নেল নীলাদ্রি সরকার হাসলেন না
গম্ভীর মুখে বললেন, হ্যাঁ
বর্বরতা দিয়ে সভ্যতাকে রক্ষার প্রয়োজন মাঝে-মাঝে দেখা দেয়
একটা নরহত্যার বর্বরতার একটা সভ্যতার সম্পদকে রক্ষা করেছে
'''নরনারায়ণ সেতু''' অসমের বঙাইগাও জেলার যোগীঘোপায় অবস্থিত
এইটি দোতালা বিশিষ্ট সেতু
নরনারায়ণ সেতুতে রেল ও গাড়ি চলার সুবিধা আছে
১৯৮৩ সনের ১১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী [[ইন্দিরা গান্ধী]] পঞ্চরত্ন ও যোগীঘোপাকে সংযুক্ত করার উদ্যেশে নরনারায়ণ সেতুর আধারশিলা স্থাপন করেছিলেন
এই সেতু নির্মানের পর [[অসম]] ও মেঘালয়ের মধ্যে দ্রুত বানিজ্যিক ব্যবস্থা গঢ়ে উঠেছে
নরনারায়ন সেতু রেলপথে গুয়াহাটিকে সম্পূর্ণ ভারতের সহিত সংযুক্ত করেছে
১৯৮৭ সনের ডিসেম্বর মাসে এই সেতু নির্মানের সন্মতি পেয়েছিল তার ১১ বৎসর পর ১৯৯৮ সনের ১৫ এপ্রিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী [[অটল বিহারী বাজপেয়ী]] অনুষ্ঠানিক ভাবে নরনারায়ণ সেতুর উদ্ধোধন করেছিলেন
নরনারায়ণ সেতুর দৈর্ঘ্য প্রায় ২.২৮ কিলোমিটার ও প্রস্থ ১১.৫০ মিটার এবং গভীরতা ১৮.৫০ মিটার
এই সেতু নির্মানের মোট ব্যয় ছিল ৩৬৮ কোটি ভারতীয় টাকা
< =" ">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|= |=://.9./9/--59154.|=9|=9|=10 2011}}</><>{{ওয়েব উদ্ধৃতি|= ://...////.?=812:12.|= |= |= 8 2013}}</>
রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য সমন্বিত প্রকল্প (সম্প্রসারণ, গবেষণা, প্রশিক্ষণ, উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ইত্যাদি)
তৃতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৮৫-৯০)
রেশম শিল্পের উন্নয়নের জন্য সমন্বিত প্রকল্প (সম্প্রসারণ, গবেষণা, প্রশিক্ষণ, উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ইত্যাদি) (দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা থেকে স্পীল্ড ওভার)
রেশম শিল্পের সম্প্রসারণ, রেশম বীজগুটির উৎপাদন কেন্দ্র সহাপন ও জাতীয় রেশম গবেষণা উন্নয়ন (জুলাই,১৯৯০-নভেম্বর,১৯৯৬)
রেশম শিল্পের সম্প্রসারণ, রেশম বীজগুটির উৎপাদন কেন্দ্র সহাপন ও জাতীয় রেশম গবেষণা উন্নয়ন
(২য় পর্যায়) (জুলাই'৯৭- জুন ২০০১)
ইতোপূর্বে সমাপ্ত রেশম শিল্পর সম্প্রসারণ, রেশম বীজগুটির উৎপাদন কেন্দ্র সহাপন ও জাতীয় রেশম গবেষণা উন্নয়ন প্রকল্পর বন্যায় ক্ষতিগ্রসহ অংগসমূহের পূনর্বাসন প্রকল্প
(ডিসেম্বর'৯৮-জুন ২০০০)
১৯৯৮ সালর বন্যায় ক্ষতিগ্রসহ ক্ষূদ্র রেশম চাষী, রেশম সূতা ও রেশম বসএ উৎপাদনকারীদের পুনর্বাসন কর্মসূচী প্রকল্প
(ডিসেম্বর'৯৮-জুন ২০০১)
রাজশাহী রেশম কারখানার বিএমআরই প্রকল্প
(জুলাই'৯৫-জুন'৯৯)
ঠাকুরগাঁও রেশম কারখানার বিএমআরই প্রকল্প
(জুলাই'৯৬-জুন'৯৯)
পাবর্ত্য রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় বিশেষ রেশম চাষ সম্প্রসারণ প্রকল্প (জুলাই'৯৩-জুন'৯৯)
বাংলাদশ রেশম গবেষনা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটকে শক্তিশালী করার মাধ্যম রেশম শিল্প যথাযথ প্রযুক্তি প্রবর্তন ও প্রচার
(জুলাই-৯৭-জুন ২০০৩)
বাংলাদেশে রেশম চাষ সম্প্রসারণ ও রেশম শিল্পের উন্নয়ন
(জুলাই'২০০১--জুন'২০০৬) জুলাই'২০০১--জুন'২০০৬পর্যন্ত
পার্বত্য চট্রগ্রাম জেলাসমুহে রেশম চাষ সম্প্রসারণ (২য় পর্যায়)
(জুলাই'২০০৬ থেকে জুন'২০০৮ পর্যন্ত)
পার্বত্য চট্রগ্রাম জেলাসমুহে রেশম চাষ সম্প্রসারণ (২য় পর্যায়)
(জুলাই'২০০৮ থেকে জুন'২০১১ পর্যন্ত)
রেশম চাষ ও শিল্পের সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন
(১ম সংশোধিত)
(জুলাই'২০০৮ থেকে জুন'২০১১ পর্যন্ত)
১৯ বাংলাদেশে সরকারী ও বেসরকারী খাতে রেশম চাষ সম্প্র্রসারণ ও উন্নয়ন (জুলাই ২০০৯-জুন ২০১৪) ৩০০০.০০ ২৯১০.১৫ ৯২.৪৭%
২০ পার্বত্য চট্টগ্রাম লো সমুহে রেশম চাষ সম্প্রসারণ (৩য় পর্যায়) (জুলাই'২০১৩-জুন'২০১৬) ৩০০.০০ ১২৯.৭২ ৩৫%
২১ বাংলাদেশে রেশম চাষ ও শিল্পের সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের জন্য সমন্বিত পরিকল্পনা (২য় সংশোধন) (জুলাই-২০১৩-জুন ২০২০) ৪৭২৮.০০ ৪৩৪৫.০৭ ৯৫%
ভারতে উগ্রবাদীরা এক মুসলমান কিশোরকে মারলো
বাংলাদেশে এক ধর্ষক, খুনি হিন্দু ছেলেকে মারলো
কিছু মানুষের কথা শুনে মনে হচ্ছে দুই জায়গায় কোন মানুষ মরে নাই, দুইটা ধর্মের লোক মরছে
দুই কারণই পরস্পরের সাথে অতুলনীয়
এবার আপনাদের ঠিক ধরে, আসেন একটা হিসাব মিলিয়ে দেন
এ জেহাদ-জেহাদ খেলায় আপনারা মন্দির ভাঙেন
ধরেন প্রতিশোধ স্বরূপ ভারতে মসজিদ ভাঙা শুরু করলো
কি করবেন? ভারতে ১৩০ কোটি জনগণের ১৭ কোটি মুসলিম
বাংলাদেশে ১৬ কোটি
১৭+১৬= ৩৩ কোটি
দুই দেশের মুসলমান মিলিয়েও তো রক্ষা করতে পারবেন না (যদি ভারতীয় মুসলিমরা যোগ দেয় আপনাদের সাথে
বাংলাদেশে একটা হিন্দু ধর্মের কিশোরকে মারা হয়েছে
খুন করা হয়েছে
আপনারা পৈশাচিক আনন্দে মত্ত