content
stringlengths 0
129k
|
|---|
এখানে শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে কারন শুরু হয় কোন বড় ঘটনার সূচনা দিয়ে
|
কিন্তু আমাদের কোরানে বিজ্ঞ আলেমগন যারা বিজ্ঞানের ব না জেনেই এই সব আয়াতের ব্যাখ্যা করেছেন এবং আমাদের মত অন্ধ-বিশ্বাসীরা সেই ভাবেই যুগ যুগ পার করে যাচ্ছি
|
মওদুদী এই শব্দটিকে () ৪৮ ঘন্টা হিসেবে ব্যবহার করেছেন
|
কোরান জীবন সৃস্টির সময়টাকে ভাগ করেছেন তে
|
তাই বলা হয় বিবর্তন চলেছে তে (32:4)
|
তে উল্লেখ আছে এই পৃথিবী ছয় দিনে তৈরী হয়েছে আরেকদিন আল্লাহ বিশ্রাম () নিয়েছেন যার জন্য ইহুদীরা শনিবারে বিশ্রাম নেয়; আর ব্যাখ্যাকারীরাও ছয়দিনে পৃথিবী সৃস্টি হয়েছে ধারনাটা মেনে নিতে একটুও দেরি করেনি
|
প্রচলিত কোরান ব্যাখ্যাকারীদের আরো একটা বিষয় প্রভাবিত করেছে, আর তা হলো ইহুদীদের বর্তমান ধর্মঅপুস্তকের কাহিনী
|
সেক্ষেত্রে উদাহরন হিসেবে ৩৮ নম্বর সূরার দাউদ (আঃ) এর ঘটনাটি উল্লেখ করতে পারি
|
এখানে ২১থেকে ২৪ আয়াতে একটি এর বর্ননা আছে যেখানে তৎকালীন সময়ের আর্থ-সামকজিক অব্যস্হার কথা উল্লেখ আছে এবং দাউদ (আঃ) কিভাবে সেখানে সুব্যবস্হা করেছিলেন অর্থাৎ তখনকার প্রচলিত ব্যবস্হা না মেনে নিয়ে আল্লাহ নির্দেশিত পথে এগিয়ে ছিলেন
|
কিন্তু ব্যাখ্যাকারীরা এই আয়াতগুলো ইহুদী গল্পের প্রভাবে ব্যাখ্যা করেন যে তিনি কোন এক আর্মি অফিসারের স্ত্রীকে ধর্ষন করেন এবং আরো পরিকল্পনা করেন সেই অফিসারকে খুন করে তার স্ত্রীকে বিয়ে করবেন
|
কিন্তু পরবর্তীতে তার ভুল বুঝতে পারেন এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান
|
এই মিথ্যে ঘটনা - ( 11-12) এ উল্লেখ আছে
|
এমন কি মওদুদীর 'তাফহিমুল-কোরানে' এর বর্ননা করেছেন এবং সাদরে ঘটনাটি গ্রহন করেছেন
|
অন্যানরা এই ঘটনার কিছু অংশ গ্রহন করেছেন এবং ঘটনা মিথ্যা বলে বাদ না দিয়ে তাকে দোষমুক্ত করার জন্য দীর্ঘ আলোচনার অবতারনা করেছেন
|
কোরানেতো এই ঘটনার উল্লেখ নেই
|
তবে কি কোরানের ব্যাখ্যা কোরানের বাইরে বর্ননাকৃত ঘটনা দিয়ে ব্যাখ্যা করা উচিত? কোরানের মতে, দাউদ (আঃ) একজন ছিলেন যিনি সর্বদা আল্লাহর দেয়া মেনে চলতেন
|
কোরান একটি ঘটনার মাধ্যমে তার সময়ের রাজত্বকালে একটা অর্থনৈতিক অব্যবস্হার কথা বলেছেন যার জন্য তিনি অনুতপ্ত ছিলেন এবং সঠিক পথে তা বিচার করে আল্লাহর পথে ( )অনুগামী হয়েছেন
|
কোরান ব্যাখ্যায় মওদুদীর কি এ বিষয়টি কি একবারও বিবেচনায় আনেন নি? এতেই বোঝা যায় মওদুদীর মত আলেমরা কোরান নিয়ে কি খেলাই না খেলেছেন
|
বিঃদ্রঃ আমার এই লেখার মূল বক্তব্য, উদাহরণ . এর , এবং এর - ও - আর্টিকেল থেকে সংগৃহিত
|
আমি শুধু বাংলায় সংক্ষিপ্তকারে বিষয়টি তুলে ধরার চেষ্টা করেছি মাত্র
|
পোস্ট শেয়ার করুন
|
: আইভি
|
এক মানবিক পৃথিবীর পথ
|
এক মানবিক পৃথিবীর পথ
|
সেপ্টেম্বর 23, 2021 | 1
|
আইন করে ধর্মনিরপেক্ষতা হয়না, দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন দরকার...
|
আইন করে ধর্মনিরপেক্ষতা হয়না, দৃষ্টিভঙ্গীর পরিবর্তন দরকার...
|
এপ্রিল 20, 2021 | 1
|
নিজেদের মঙ্গল মনে মনে চাইলেই কী পাওয়া যাবে?
|
নিজেদের মঙ্গল মনে মনে চাইলেই কী পাওয়া যাবে?
|
মার্চ 8, 2021 | 4
|
ঘুণে ধরা বাংলাদেশের সমাজ
|
ঘুণে ধরা বাংলাদেশের সমাজ
|
মার্চ 7, 2021 | 7
|
সকলের হৃদয় ডঃ অভিজিৎ রায়ের বাসস্থান
|
সকলের হৃদয় ডঃ অভিজিৎ রায়ের বাসস্থান
|
ফেব্রুয়ারী 27, 2021 | 3
|
87
|
সেপ্টেম্বর 4, 2009 6:31 অপরাহ্ন -
|
'কেন আমি একজন ভাল মানুষ হব? আজ যদি আমি এখন মরে যাই- এই ভালত্ব দিয়ে কি হবে আমার (জনগনের না হয় উপকার হলো)? জন্তু-জানোয়ার কি ভাবে অথবা ভাবে কি না আমি জানি না, আমি তো মানুষ, তাই জীবনের উদ্দেশ্য নিয়ে ভাবি
|
, ?
|
, , '' ?.. .
|
'আপনি আমার সম্বন্ধে মন্তব্য করে ফেললেন-আমার সম্বন্ধে না জেনেই
|
, / . ' /
|
আইভি সেপ্টেম্বর 4, 2009 8:45 অপরাহ্ন -
|
@ ,
|
প্রশ্ন তো সেটাই, কেন আমাকে ছাড়া অন্যকে নিয়ে ভাবব?
|
, ?
|
এই উদ্দেশ্যটাই বা কে ঠিক করে দিল?
|
অভিজিৎ সেপ্টেম্বর 4, 2009 8:58 অপরাহ্ন -
|
এই উদ্দেশ্যটাই বা কে ঠিক করে দিল?
|
কে করা আপনার এই প্রশ্নের উত্তর আমি বিবর্তনীয় দৃষ্টি কোণ থেকে উপরে দেয়ার চেষ্টা করেছি
|
জানিনা আপনার মনঃপুত হয়েছে কিনা
|
আপনি প্রাসঙ্গিকভাবে 'বিজ্ঞান ও ধর্ম : সংঘাত নাকি সমন্বয়?' বইটির পঞ্চম অধ্যায় : ধর্ম, নৈতিকতা ও মূল্যবোধ অধ্যায়টি পড়ে দেখতে পারেন
|
সেপ্টেম্বর 5, 2009 2:37 অপরাহ্ন -
|
আপনার পাশের বাড়ীর ছেলেটা বখে গেলে আপনি ও আপনার পরিবারের জন্য সেটা সমস্যা
|
তার মধ্যে বখে জাবার লক্ষন যদি আপনার চোখে পড়ে তবে তার অবিভাবককে সেটা আপনার জানানো উচিৎ
|
কারন সমস্যাটা আসলে আপনারও
|
সুতরাং আপনি উন্যের ভাল চাইবেন যাতে আপনি নিজে ভাল থাকতে পারেন
|
আগন্তুক সেপ্টেম্বর 4, 2009 6:21 অপরাহ্ন -
|
@অভিজিৎদা,
|
আপনার মানসিক অবস্থার সাথে একমত পোষন করার পরেও আপনার বক্তব্যের প্রতি দ্বিমত পোষণ করতে বাধ্য হলাম
|
আরে আমি নিজেই তো আমার মতামত পরিস্কার করেছি
|
🙂 আমি বলতে চেয়েছিলাম যে, এ ধরনের ছদ্মবৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ প্রকাশ হলে প্রথম পড়তে এসে যে কেউ আমাদের সম্পর্কে ভুল ধারনা পোষণ করতে পারে
|
আর আমার মতে আমাদের উপমহাদেশে এ মতবাদগুলো ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠতে পারে
|
আপনি যে পয়েন্টটা বলছেন সেটাও একদম ঠিক
|
কিন্তু মনে হয় সেটা আরেকটু লিবারেল এবং সেক্যুলার সমাজের জন্য প্রযোজ়্য
|
ভালো থাকবেন
|
আর এভাবে 'আপনি-আজ্ঞে' করতে থাকলে আমিও 'স্যার স্যার' করে উল্টাইয়া বল্টাইয়া দিতে জানি
|
কারণ দিন-রাত স্যার স্যার না করলে আমাগো পাশ হয় না
|
আবার শুরু করুম নাকি? 😉
|
সৈকত চৌধুরী সেপ্টেম্বর 4, 2009 2:08 অপরাহ্ন -
|
বর্তমান কোরান সংস্কারকদের মতে, কোরানের আক্ষরিক ব্যখ্যা করা উচিত না, কারন আরবীতে এমন অনেক শব্দ আছে যার সমরুপ অন্য ভাষায় নেই
|
তাই কোরান ব্যখ্যায় এ ফিরে যাওয়া উচিত
|
-ম্যাডাম, এটা শুধু আরবি ভাষা নয় যেকোনো ভাষা অনুবাদের সময় দুয়েকটি শব্দের সটিক অর্থ খুজে পেতে সমস্যা হতে পারে
|
এক্ষেত্রে অনুবাদের সাথে সাথে একটি ব্যাখ্যা জুড়ে দেয়া যেতে পারে
|
বলাবাহুল্য কোরানের অনেক অনুবাদে এমনটি করা হয়েছে
|
যাই হোক কোরানে এমন কি কিছু আছে যা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়? যদি তা সম্ভব হয় তবে অবশ্যই কোরানকে বাংলা বা ইংরেজি এরকম যেকোনো আধুনিক ভাষায় অনুবাদ করতে পারার কথা এবং বস্তুত তাই হয়েছে
|
কোরানকে যদি অন্য ভাষায় অনুবাদ করা না যায়, কোরানের কিছু অংশ যদি বোধগম্য না হয় তবে তা কোরানেরই দুর্বলতা
|
পৃথিবীর যাবতীয় জ্ঞান মানুষ অনুবাদের মাধ্যমেই পরস্পরের সাথে বিনিময় করেছে -কোথাও কোনো সমস্যা হয়েছে বলে শুনা যায় নি
|
কোরানের ক্ষেত্রেও কোনো সমস্যা হয় নি, তবে হ্যা তখনই সমস্যাটি দাড়ায় যখন কেউ অপছন্দের প্রশ্ন শুনিয়ে বসেন
|
তবে মজার বিষয় হলো আমাদের কারো কারো আরবি ভাষা শেখা আছে
|
তাই আমরা যখন উপরোক্ত ধরণের ওজর শুনি তখন হাসব না কাঁদব ভেবে পাই না
|
এছাড়া , , কিছু বিষয়ের এমনভাবে আমাদের মাঝে মিশে গেছে যে সত্য-মিথ্যার বিবেচনা না করেই কোরান ব্যখ্যায় সেগুলো ব্যবহার করা হয়
|
- -আপনি খেয়াল করলে দেখতে পাবেন মুহাম্মদ নিজেই কোরান রচনার সময় বুঝে না বুঝে অনেক , , এর অনেক বিষয়ই ঢুকিয়ে দিয়েছেন
|
তাই যতই আমরা প্রকৃতিকে আবিস্কার করব ততই আমরা কোরানের প্রকৃতি বিষয়ক আয়াতগুলো পরিস্কার ভাবে বুঝতে পারব
|
-আর এজন্যই নতুন কিছু আবিষ্কারের পরেই তা কোরানে পাওয়া যায়, আগে নয়
|
আমি একবার বলছিলাম কোরানে যখন সবজ্ঞানই খুজে পাওয়া যাচ্ছে তবে দয়া করে আগেভাগেই অনাবিষ্কৃত বিষয়গুলোকে খুজে বের করে দিতে
|
ধর্মবিশ্বাসীরা পূর্বসংস্কার বশত তাদের ধর্মগ্রন্থকে যাচাই না করেই একে পরম সত্য বলে ধরে নেন
|
তাই এর মধ্যে কোনো অসংলগ্নতা খুজে পেলে তার কোনো এক গোজামিল ব্যাখ্যা দিয়েই কাজ সারেন(আধুনিক অনুবাদ ও তফসিরগুলোতে যা ঘটছে)
|
কেউ যদি এভাবে কোনো গ্রন্থকে পরম সত্য বা ঐশ্বরিক বলে ধরে নেন তবে এগ্রন্থের কোনো দোষত্রুটি তাকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখালেও দেখবে না -এটাই স্বাভাবিক
|
আতিক রাঢ়ী সেপ্টেম্বর 4, 2009 1:48 অপরাহ্ন -
|
অস্তিকদের একটা সাধারন ধারনা হলো নাস্তিক হলে নিতীর কোন বালাই থাকেনা
|
মনের সুখে যা খুসি তাই করা যায়
|
আসলেই কি তাই ? ইচ্ছা করলেই কি আমি একজন আস্তিককে চড় মারতে পারবো ? আমার কি জানের মায়া নাই ? মানে ইচ্ছা করলেই সব করা সম্ভব না
|
এখানে অনন্ত জীবনের প্রেরনা থাকুক আর নাই থাকুক
|
এই ক্ষুদ্র জীবনেই পুরষ্কার ও শাস্তির অনেক ব্যাবস্থা আছে
|
আইভি প্রশ্ন করেছেন ভাল হয়ে লাভ কি ? চুরি, ডাকাতি ইত্যাদি খারাপ কাজ করলে একজনকে সাধারন ভাবে শাস্তি পেতে হয়
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.