content
stringlengths
0
129k
মিরপুর টেস্টের দলে সাকিব-তাসকিনের সঙ্গী নাঈম শেখ
সাকিবকে ছেড়ে দিল কলকাতা, মুস্তাফিজকে রাজস্থান
জীবন দেবে অনেক, নেবেও: মাশরাফি
অপরাপর নিবন্ধ
প্রজাপতিদের কবরস্থান
রোকন রেহান-এর কবিতা: শিকার ও লোভী
সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের বার্ষিক পরীক্ষা কেমন হচ্ছে
অপরুপ হেমন্ত
সমাজের অন্ধকার দিকের গল্প 'মহানগর'
রাঙ্গামাটিতে রিইউজেবল স্যানিটারি প্যাড তৈরির প্রশিক্ষণ
সরকারি চাকরির আবেদনে 'অলজবস' পোর্টাল এবং ধন্যবাদ টেলিটক
24. .
আয়কর রিটার্ন () জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ল, শেষ তারিখ ৩০ নভেম্বর 2019-20 30 - 18
ব্যবসা-বাণিজ্য
हिन्दी मराठीગુજરાતીঅসমীয়া ಕನ್ನಡ தமிழ் മലയാളം తెలుగు ਪੰਜਾਬੀ اردو ଓଡ଼ିଆ
:##2020#
লাইফস্টাইল
জ্যোতিষকাহন
লাইফস্টাইল
জ্যোতিষকাহন
দক্ষিণবঙ্গ
ব্যবসা-বাণিজ্য
চাকরি ও শিক্ষা
পাঁচমিশালি
#
দক্ষিণবঙ্গ
ব্যবসা-বাণিজ্য
চাকরি ও শিক্ষা
পাঁচমিশালি
#
আপনার জেলা চয়ন করুন
মুর্শিদাবাদ
উত্তর ২৪ পরগণা
জলপাইগুড়ি
পশ্চিম বর্ধমান
পশ্চিম মেদিনীপুর
পূর্ব বর্ধমান
পূর্ব মেদিনীপুর
আয়কর রিটার্ন () জমার সময়সীমা আরও বাড়ল, জেনে নিন নয়া ডেডলাইন
আয়কর রিটার্ন () জমার সময়সীমা আরও বাড়ল, জেনে নিন নয়া ডেডলাইন
২০১৯-২০ অর্থবর্ষে আয়কর রিটার্ন ( 2019-20) জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমা ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হল
18
: 04, 2020, 14:00
:
#নয়াদিল্লি: আয়করদাতাদের জন্য অবশ্যই স্বস্তির খবর । ২০১৯-২০ অর্থ বর্ষের বা আয়কর জমা দেওয়ার সময়সীমা আরও বাড়িয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত করা হল । শনিবার আয়কর দফতরের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা করা হয়েছে। লকডাউনের মধ্যে করদাতাদের অসুবিধার কথা ভেবেই আইটিআর ফাইলিংয়ের সময়সীমা বাড়িয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে । প্রথমে ৩০ জুন এবং ৩১ অক্টোবর ছিল গত অর্থবর্ষের আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমা
করোনা-লকডাউন আবহে যা বাড়িয়ে ৩১ জুলাই করা হয়েছিল
এবার তা আরও বাড়িয়ে ৩০ নভেম্বর করা হল
& , . , 2019-20 30 , 2020. .### # ../37
- (@) 4, 2020
কয়েকটি নিয়ম পরিবর্তনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে । যেমন ইলেকট্রিক বিলের জন্য ১ লক্ষ টাকার বেশি খরচ করে থাকলে, ওই ফর্মেই রিটার্ন জমা দেওয়ার কথা বলেছে
এছাড়াও অর্থবর্ষে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১ কোটি টাকার বেশি জমা করে থাকলেও তা জানাতে হবে
করদাতার কারেন্ট অ্যাকাউন্ট থাকলে এবং তাতে ১ কোটি টাকার বেশি জমা পড়লে, তা আয়কর দফতরকে জানাতে হবে
পাশাপাশি ব্যক্তিগত কোনও ভ্রমণে ২ লক্ষ বা তার বেশি খরচ করলে, জমা দেওয়ার সময় পাসপোর্ট নম্বর জমা করতে হবে আয়করদাতাকে
বর্তমান কোরান সংস্কারকদের মতে, কোরানের আক্ষরিক ব্যখ্যা করা উচিত না, কারন আরবীতে এমন অনেক শব্দ আছে যার সমরুপ অন্য ভাষায় নেই
তাই কোরান ব্যখ্যায় এ ফিরে যাওয়া উচিত
আরো একটা সমস্যা হচ্ছে কোরান অনুবাদকারী ব্যখ্যার সময় নিজস্ব ধারনাও যুক্ত করে দেয়
এছাড়া , , কিছু বিষয়ের এমনভাবে আমাদের মাঝে মিশে গেছে যে সত্য-মিথ্যার বিবেচনা না করেই কোরান ব্যখ্যায় সেগুলো ব্যবহার করা হয়
যার ফলে কোরান অনুবাদ ও ব্যখ্যা পড়তে গিয়ে দেখা গেছে যে এর অনুবাদ ও ব্যাখ্যায় এত বেশী তৈরী হয়েছে যে এর সঠিক সাধারন অর্থটাই বদলে গেছে
অন্যদিকে বেশিরভাগ ব্যখ্যাকারীই নিজে নিজে কোরান বোঝার চেষ্টা না করে তার পূর্ববতীকে অন্ধভাবে অনুসরন করে
অনুবাদের ক্ষেত্রে আরো একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বিজ্ঞান-বিষয়ে সম্যক ধারনা
আমরা যত বেশী এই জগতের প্রাকৃতিক নিয়ম-কানুন সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জন করব তত বেশী আমরা আল্লাহ কতৃক নবীদের কাছে প্রেরিত মানবজাতির জন্য পাঠানো সামাজিক নিয়ম-কানুনগুলো বুঝতে পারব
এই উভয় (প্রাকৃতিক ও সামাজিক) প্রকার নিয়ম-নীতি একটি উৎস থেকে এসেছে এবং এই নিয়মগুলো অপরিবর্তনীয়
তাই যতই আমরা প্রকৃতিকে আবিস্কার করব ততই আমরা কোরানের প্রকৃতি বিষয়ক আয়াতগুলো পরিস্কার ভাবে বুঝতে পারব
" , ' . - (41:53)
তাই বর্তমান কোরান সংকারকরা শুধু কোরানকে অনুসরন করে এর অনুবাদ এবং ব্যাখ্যার চেষ্টা করছেন এবং তাঁদের এই অনুবাদকে সতঃসিদ্ধ না ভেবে আরো গবেষনার জন্য আহবান করেছেন
কিন্তু আমদের প্রচলিত ধর্ম মত () বিজ্ঞান বিষয়ক ব্যপারে উদাসীন ও জ্ঞান আহরনে অনিচ্ছুক
যার ফলে, বিজ্ঞান বিষয়ক জ্ঞানের অভাবে কোরান ব্যখ্যাকারীদের ব্যাখ্যায় না থাকে কোন বাস্তবতা, না থাকে কোন যুক্তি সম্মত অর্থ
উদাহরণ হিসেবে সৈয়দ আবুল আলা মওদুদীর কথা বলা যায়
তার ব্যখ্যা সম্বলিত বই "তাফহিমুল-কোরান" প্রচলিত ইসলামিক সমাজে সমাদৃত
তার এই বইয়ে জীবন সৃস্টির যা ব্যখ্যা দেয়া হয়েছে তার সাথে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার অনেক পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়
প্রাণ বির্তনের ধারা বিভিন্ন আয়াতে যেভাবে বলা হয়েছে, বিজ্ঞান বিষয়ক জ্ঞানের অভাবে এবং প্রচলিত কাহিনীর সমন্বয়ে সম্পূর্ণ অন্যভাবে ব্যখ্যা করা হয়েছে
মওদুদী রাসায়নিক বিক্রিয়া এবং বিবর্তনের প্রায় সম্পূর্ণ ভুল ব্যাখ্যা করেছেন
উদাহরণ সরুপ বলা যায় যে কোরান বলেছে মানুষ তৈরী হয়েছে ; কিন্তু ব্যাখ্যাকারী ব্যাখ্যা করেছে " ". এই জ্ঞানী ব্যক্তিরা আজও বিশ্বাস করেন মানুষকে প্রথমে মাটি দ্বারা মডেল হিসেবে তৈরী করা হয়েছে
32:7-8 আয়েতে বলা হয়েছেঃ
" ; ( ) ."
কোরান যেখানে মানুষ সৃস্টির পূর্ববর্তী রাসায়বনিক বিবর্তনের অবস্হা ব্যাখ্যা করেছে যা পরবর্তীতে বিভিন্ন স্তরে গাছ-পালা, জীব-জন্তুদের মধ্যে এর মাধ্যমে মানুষ পর্যায়ে এসেছে সেখানে মওদুদী এর মানুষ সৃষ্টির ঘটনার সাথে মিলিয়ে এই আয়াতের তাফহিমুল-কোরানের (-4, 40) ব্যাখ্যা করেছেঃ
" , ."
এই ধরনের সরাসরি জীবন সৃস্টির ব্যাখ্যা বিবর্তনবাদ, এমনকি এর স্তরকেও অস্বীকার করে
যার ফলে আমরা মুসলমানরা এখনো বিশ্বাস করি, আদম হচ্ছে প্রথম ব্যক্তি যাকে সরাসর মাটি থেকে সৃস্টি করা হয় এবং ঈভকে আদমের পাঁজরের হাড় থেকে সৃস্টি করা হয়েছে
কিন্তু এই আদম শব্দের অর্থ হচ্ছে মানব জাতি, কোন ব্যক্তি বিশেষ নয়
" ." (39:6)
" ( ) علقه ''. - -" (23:14)
'য়ালাকা' শব্দটি প্রায় সব ব্যাখ্যাকারী অনুবাদ করেছে জমাটবদ্ধ রক্ত হিসেবে যদিও এ রক্তের কোন উপস্হিতি নেই
এই 'য়ালাকার' হচ্ছে
জীবন সৃষ্টির ব্যাখ্যা ছাড়াও কোরান ব্যাখ্যাকারীরা মহাজগত সৃষ্টির উৎস সম্বন্ধে এমন ব্যাখ্যা প্রদান করেছে যা অপব্যখ্যায় পরিনত হয়েছে
কোরানের কিছু কিছু জায়গায় ব্যবহার না করে ব্যবহার করেছে মূলতঃ ' ' সম্বন্ধে বর্নণার জন্য, যা পর্যাপ্ত জ্ঞান ছাড়া ব্য্যখ্যা করা বেশ কঠিন
কোরান কিন্তু ১৪০০ বছর আগে উল্লেখ করেছে যে মানুষ ততদিন পর্যন্ত এই পৃথিবী ও আকাশমন্ডলীকে বুঝতে পারবে না যতদিন না তাকে ক্ষমতা দেয়া হয় অর্থাৎ যতদিন মানুষ পর্যাপ্ত জ্ঞান আহরন না করবে ততদিন এই প্রাকৃতিক শক্তিগুলোকে চিন্তে পারবেনা
অথচ 'তাফহিমুল-কোরান' ব্যাখ্যা করেছে যে মানুষ কখনও আল্লাহর এই সুমহান জ্ঞান বুঝতে পারবেনা, কারন এটা মানুষের বোঝার বাইরে ( ' )
": " ' (41:9)
" ( ) - "(41:12)
কোরানে বলা আছে এই পৃথিবী এবং আকাশমন্ডলী সৃস্টি হয়েছে " " তে
সাধারনতঃ আরবী ' 'শব্দটি অনুবাদ করা হয়েছে এখানে 'দিন' হিসেবে ; কিন্তু অর্থ হতে পারে = = = = , ; যা আমাদের গননায় হাজার বছর (32:5) অথবা কখনো পঞ্চাশ হাজার বছর (70:4) হতে পারে
বছরের হিসাব ভাবে উল্লেখ করা নেই
বৈজ্ঞানিক ভাষায় জীবন সৃস্টির পূর্ববর্তী কে বলা হয় '' কোরান এই '' সময়টাকেই দূ-ভাগে ভাগ করেছে এবং বলছে