content
stringlengths
0
129k
আদিল মাহমুদ সেপ্টেম্বর 3, 2009 5:31 অপরাহ্ন -
"তারা" টা কে তার কোন সঠিক সংজ্ঞা দেওয়া হয়নি
তারা কি নাস্তিক, বিধর্মী... কোরানে অবিস্বাসীরা...? হাংগামা সৃষ্টিকারি অনেক শ্রেনীই তো আছে
ধর্মের খাতিরে মোসলমান ও মোসলমানকে নির্দ্বিধায় মেরে ফেলছে, এরাও কোরানে বিশ্বাসী, মনে হয় না কোরান নিয়ে কোন কূটপ্রশ্ন এদের মাঝে আছে
হেলাল সেপ্টেম্বর 3, 2009 8:36 পূর্বাহ্ন -
"মনে রেখো, তারাই হাঙ্গামা সৃষ্টিকারী, কিন্তু তারা তা উপলব্ধি করে না
১.বুঝলাম এবং মেনে নিলাম তারাই হাঙ্গামা সৃষ্টিকারী কিন্ত আমার কথা হল আপনার আল্লাহর এত ক্ষমতা থাকতে তার বান্দাদের রক্ষা করেন না কেন? যদি বলেন আল্লাহ পরিক্ষা করতে চান তবে অবুঝ শিশুদের তিনি কি পরিক্ষা করবেন?
২.আর আল্লাহ তো কুত্তা- বিলাইদের জন্য স্বর্গ-নরক বানাননি, তবে নেরি কুত্তা ও বিদেশী অতি আদরের পালিত কুত্তার সুখ-দু:খে এত পার্থক্য কেন?
মামুন সেপ্টেম্বর 3, 2009 5:38 অপরাহ্ন -
একেবারে খাঁটি কথা
সেপ্টেম্বর 2, 2009 10:49 অপরাহ্ন -
هُوَ الَّذِيَ أَنزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ مِنْه
آيَاتٌ مُّحْكَمَاتٌ
هُنَّ أُمُّ الْكِتَابِ وَأُخَرُ
ُ مُتَشَابِهَاتٌ.................
. , [ -a (, .), -a' ( ) - ( , , .)]; . ( ) , - ( , .), , a. : " ; ( ) ." . ( -i).
তিনিই আপনার প্রতি কিতাব নাজিল করেছেন
এর মধ্যে কিছু আয়াত আছে সুস্পষ্ঠ, সেগুলোই কিতবের (আসল) মূল অংশ
আর অন্যগুলো রূপক
সুতরাং যাদের মনে কুটিলতা আছে, তারা অনুসরণ করে রূপক আয়াতগুলো, ফিৎনা বিস্তার এবং অপব্যাখ্যার উদ্দেশ্যে
আর সেগুলোর ব্যাখ্যা আল্লাহ ব্যতিত কেউ জানে না
আর যারা জ্ঞানে সুগভীর তারা বলেন, আমরা (স্পষ্ঠ ও অষ্পষ্ঠ আয়াতসহ)এর প্রতি ইমান এনেছি
এই সবই আমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে
আর বোধশক্তিসম্পন্নরা ছাড়া অপর কেউ শিক্ষা গ্রহন করে না
(সুরা আল ইমরান (৩) আয়াত ৭)
উপরের বাক্যগুলো মুহাম্মদ বলেছিলেন মদিনায় এসে
মক্কায় থাকতে স্থানীয় কবি-সাহিত্তিক ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের কাছ থেকে শুনেশুনে, নিজের নবুয়তি প্রমান করতে গিয়ে বিশ্বভ্রম্মান্ড, জগৎ ও জীবন নিয়ে একেক জায়গায় একেক সময় বিভিন্ন রকম, স্ববিরোধী, বিভ্রান্তিকর আবোল-তাবোল কথা বলেছেন, এখন তার সবগুলো প্রমানিত মিথ্যে কথা রূপক না হলে উপায় আছে? তিনি নিজেই জানেন না যা বলেছেন তার ব্যাখ্যা কি? তাই বলছেন, ওগুলোর ব্যাখ্যা শুধু আল্লাহই জানেন
সুচতুর মুহাম্মদ নির্দিস্ট করে বলেন নি, কোনটা রূপক আর কোনটা আসল
ফোড়া না ফুড়ি কোনটায় আছে বুড়ী
'আর যারা জ্ঞানে সুগভীর তারা বলেন, আমরা (স্পষ্ঠ ও অষ্পষ্ঠ আয়াতসহ) এর প্রতি ইমান এনেছি'
যারা ব্যাখ্যাহীন, অর্থহীন অষ্পষ্ঠ বাক্যে না বুঝে বিশ্বাস করে, ঈমান আনে তারা জ্ঞানে সুগভীর নয়, তারা জ্ঞানহীন বোকা
মুহাম্মদের অনুসারী অন্ধবিশ্বাসী (আল্লাজীনা ইউমিনুনা বিল গাইব,-সুরা বাকারা আয়াত ২) এই বোকারা সাত আসমান সাত জমিনকে, মে'রাজের ঘঠনাকে, জুলকার্নাইনের ঘঠনাকে রূপক বানিয়েছেন
তারা 'দাহাহা' (সুরা আশ-শামস- আয়াত ৬) শব্দের নতুন অর্থ আবিষ্কার করেছেন, পাখির ডিম, উটের ডিম, ঘোড়ার ডিম
'আদম' (সুরা বাকারা- আয়াত ৩৩,৩৪,৩৫) শব্দের অর্থ মানব জাতি
'কুন ফায়াকুন' (সুরা ইয়াসীন- আয়াত ৮২) অর্থ বিগব্যাং
'আবাবীল' (সুরা ফীল- আয়াত ৩) শব্দের অর্থ ক্রুজ মিসাইল
'সিত্তাতি আইয়াম' (সুরা ইউনুস- আয়াত ৩) শব্দের অর্থ ১০ বছর, ৫০ বছর, যুগ-সতাব্দী
'সুতিহাত' (সুরা গাশিয়াহ- আয়াত ২০) শব্দের অর্থ গোলাকার
দীর্ঘ ১৬টি বছর আরবী উর্দু ফার্সী ভাষা ব্যাকরণ অধ্যয়ন করেছি, তাবারী, জালালাইন, মউদুদী, আশরাফ আলী থানভী, হোসেইন আহমেদ মদনীসহ অনেক তাফসিরকারকের বইয়ের সাথে পরিচয় হয়েছে
উপরোল্লেখিত শব্দ-বাক্য সমুহের এমন আজগুবী অর্থ-ব্যাখা কেউ করেন নি
বর্তমান বিজ্ঞানের যুগের মডার্ণ ইসলামিস্টদের অন্তরের জ্বালা আমাদের বুজ়তে মোটেই কষ্ট হয় না
তবে তাদের এই ভন্ডামী ও প্রতারণামুলক শব্দের অর্থ পরিবর্তন, বাক্যের ব্যাখা কোরানকে বিজ্ঞান বানাতে পারবে না, ধর্মকেও বাঁচিয়ে রাখতে পারবে না
আল্লাহ ও ধর্মের জন্ম হয়েছে (মানুষ কর্তৃক) তাই তার মৃত্যু অবশ্যাম্ভাবী
কাল বা সময়ের জন্ম নেই, তার মৃত্যুও নেই
আগন্তুক সেপ্টেম্বর 4, 2009 4:25 পূর্বাহ্ন -
@ ,
অনবদ্য লিখেছেন
মাটির নির্যাস???চিবানো মাংস,আরো কত কি!!!মাটির এক্সট্র্যাক্ট আর মানুষের ভৌত উপাদান কি এক নাকি?আর এক্সট্র্যাক্ট মানেই কি গঠনকারী মূল উপাদান নাকি??যত্তসব গাঁজাখুরী ব্যাখ্যা!খটখটে মাটি থেকে ষাট হাত লম্বা আদমকে তৈরি করা হয়েছিল এখানে বিবর্তনের 'ব'ও নেই
আর ষাট হাত লম্বা মানুষ কখনো ছিল নাকি?
হেলাল সেপ্টেম্বর 2, 2009 9:39 অপরাহ্ন -
কোনটা সহি হাদিস আর কোনটা ভূয়া হাদিস, কুরআনের কোন ব্যাখ্যাটা সঠিক আর কোনটি ভূল তা ব্যপারগুলি বেশ গোলমেলে
গা বাঁচাতে জায়গামত, যুগপযোগি সহি হাদিস যেমন ভূয়া হয়ে যায়, তেমনি কুরআনের ব্যাখ্যাও পরিবর্তন হয়ে যায়
তাই এইসব আলোচনা গুলি আমার কাছে সময় অপচয় বাদে কিছু মনে হয়না
তাছাড়া এসব আলোচনায় অতি অবশ্যই দু একজন পাওয়া যায় যারা কিছুটা শিষ্টাচার লঙ্গন করবেই
যেমন আপনি হাদিস-কুরআন সমন্ধে বা নবী-সাহাবা সমন্ধে কিছুই জানেন না বা আপনি হাজার চেষ্ঠা করলে ও রাসূলের সাহাবাদের সমান হতে পারবেন না অথবা উনারা কি জানতেন ঐটিঈ আপনি জানেন না ইত্যাদি
আরেকটা ব্যাপার বেশ লক্ষ্য করা যায় আল্লাহর অস্তিত্ নিয়ে বা মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য নিয়ে আলোচনা বহুদুর চলে যায়
কিন্ত এসব বিষয়(অর্থ্যাৎআল্লাহ একজন আছেন এবং মহাবিশ্ব দুই দিনেই বা দুই যুগেই সৃষ্টি হয়েছে, আদম এর হাড্ডি থেকেই ঈভ সৃষ্টি হয়েছে ইত্যাদি
) মেনে নিয়েও সহজ সরল কথায় বলা যায় প্রচলিত ধর্মগুলি ভুয়া
• আল্লাহর এত ক্ষমতা থাকতে যুদ্ধ করে ,নিষ্ঠুর পন্থায়, অমানুষিক চেষ্টার দ্বারা, এমনকি যারা আল্লাহকে বিশ্বাষ করে এই পৈচাশিক পথে গিয়েছে তাদেরও জীবনের বিনিময়ে কেন আল্লাহর কথা বা আদেশ তারই সৃষ্ট জীবকে শুনাতে হবে
আল্লাহ কি তাহলে একজন যুদ্ধবাজ নেতা যেমন হালাকু খাঁ, চেঙ্গীশ খাঁ তাদের মতোই ক্ষমতা ছাড়া অন্য কোন ক্ষমতা নেয়
এসব যুদ্ধবাজ নেতা যুদ্ধ জয়ে যেমন তাদের সৈন্যদের মাল আর নারীর লোভ দেখানো হতো ঠিক একই পথ আল্লাহর জন্য কেন?
• ইসলাম ধর্ম মতে নবী এবং তার সাহাবা সকল কালের জন্য অনুকরনীয় আদর্শ
তাহলে তাদের মতই কি আমরাও ডজন ডজন বিয়ে করব বা একজন আরেকজনকে মেরে ফেলব? আল্লাহ নিজে এসে দেখাও দিলেন না আবার নবীর কথা অনুযায়ী আল্লাহর কার্যকলাপও মানবীয় আচরনের বাহিরে কিছুই মনে হয়না তাহলে আমি কেন ধর্মকে বিশ্বাষ করব?
• আবার ইরাক ,আফগানিস্থানের মতো আল্লাহর খাস বান্দারা এমনকি তাদের শিশু সন্তানরা বিপদে পড়লেও আল্লাহ কোন দিন তাদের রক্ষা করলেন না কেন?
নাকি এসব বিষয়েও সহি হাদিস -ভুয়া হাদিস বা কুরআনের কোন ব্যাখ্যা প্রয়োজন
কোন অতি প্রাকৃত শক্তিতে (অর্থাৎ মুহাম্মদ একজন যুদ্ধবাজ বিজয়ী নেতা বাদে ঐশরিক কোন কিছু) বা ধর্মে বিশ্বাষের মৌলিক বিষয়গুলির অন্তত একটিও কি ইসলামে আছে?
আমি কোন ধর্মালার কাছ থেকে এসব বিষয়ে জানতে চাচ্ছি নাস্তিকদের কাছ থেকে নয়
ফুয়াদ সেপ্টেম্বর 2, 2009 9:52 অপরাহ্ন -
আর যখন তাদেরকে বলা হয় যে, দুনিয়ার বুকে দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করো না, তখন তারা বলে, আমরা তো মীমাংসার পথ অবলম্বন করেছি
মনে রেখো, তারাই হাঙ্গামা সৃষ্টিকারী, কিন্তু তারা তা উপলব্ধি করে না
পৃথিবী সেপ্টেম্বর 2, 2009 8:24 অপরাহ্ন -
আমরা নাহয় প্রথমে সহজ প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করি, পরে কঠিন প্রশ্নগুলোর দিকে এগুনো যাবে
১) কোরান কিভাবে ব্যাখ্যা করতে হবে, সেটা তো আরবদেরই সবার চেয়ে ভাল বুঝার কথা, তাই না? হুমায়ুন আজাদ কিংবা প্রমথ চৌধুরীর লেখা একজন বাংলা জানা বিদেশী যত না ভাল বুঝবে, তার চেয়ে তো আমাদের বাঙ্গালীদেরই ভাল বুঝার কথা
তাহলে কোরান ব্যাখ্যার জন্য আমরা কেন আপনি বা এডিপ ইয়ুকসেল-লেইথ সালেহ আল শায়বানদের মত ভিনদেশী সংস্কারকদের দ্বারস্থ হই?
২) আল্লাহ যেহেতু সব জানেন এবং সব পারেন, তো নিজের মনোভাব প্রকাশের এত উপায় থাকতে শুধুই একটা বই লেখার কি দরকার ছিল? একটা বইয়ের অনেক সীমাবদ্ধতা থাকে যা কখনওই অতিক্রম করা যায় না
আল্লাহর যেহেতু এতই মানুষের ভালবাসা দরকার, তিনি তো প্রত্যেকটি মানুষের মধ্যে জন্ম থেকেই তার সৃষ্টি সম্পর্কে জ্ঞান ঢুকিয়ে দিতে পারতেন
ইসলাম যাই বলুক, মানুষ ঈমান নিয়ে জন্মায় না
মানুষ অন্ধ বিশ্বাস করার প্রবনতা নিয়ে জন্মায়(একারণেই পৃ্থিবীর বেশিরভাগ মানুষ আস্তিক) এবং এর পেছনে রয়েছে মানব বিবর্তনের সুদীর্ঘ ইতিহাস
৩) আল্লাহ যেহেতু সব পারেন, তিনি কি এমন একটা বই লিখতে পারতেন না যা দ্বিতীয়বার ব্যাখ্যা করা অপ্রয়োজনীয় হত?
আপনারা যখন বিবর্তনের সাথে ধর্মের মিলন ঘটানোর চেষ্টা করেন, তখন সত্যই খুব দুঃখ হয়
প্রাকৃ্তিক নির্বাচন তত্ত্বের বদৌলতে আমরা এখন নিশ্চিন্তে বলতে পারি যে স্রষ্টা ছাড়াই পৃথিবীতে এমন বৈচিত্র্যময় প্রাণীজগতের বিকাশ সম্ভব
স্রষ্টা থাকলেও থাকতে পারে, তবে সে গুলোর ঈশ্বরের মত না
বিবর্তন সম্পর্কে কষ্ট করে অন্তত একটি বই পড়ুন, আমি কি বলছি বুঝতে পারবেন
আগন্তুক সেপ্টেম্বর 2, 2009 9:41 অপরাহ্ন -
খুবই সুন্দর লিখেছেন
অনেক ধন্যবাদ
বিপ্লব পাল সেপ্টেম্বর 2, 2009 9:45 অপরাহ্ন -
বিবর্তন সম্পর্কে কষ্ট করে অন্তত একটি বই পড়ুন, আমি কি বলছি বুঝতে পারবেন
কষ্ট করে পড়ার অভ্যেস থাকলে কেও ধার্মিক হয় না
অলস মস্কিস্কই মূলত ধার্মিকে বাসা-কারন আল্লাকে দোহাই পেরে নিজের চিন্তা ভাবনা করার ফ্যাকাল্টি অফ রাখা যায়
চিন্তাবিদ আর আল্লাবিদ একসাথে হওয়া মুশকিল-চিন্তাই যদি কেও করবে, ত আল্লাড় হাতে চিন্তা করার দ্বায়িত্ব ছাড়বে কেন!!
কি হাস্যকর আপনিই বুঝুন! মহান আল্লা যদি চাইবেন, তার মাফিক পৃথিবী চলুক, কোরানটা মানুষের মাথার মধ্যে ঢূকিয়েই মানুষের জন্ম দিতে পারতেন
মানুষ জেনেটিক্যালি ওয়ারড হয়েই জন্ম নেই-সেখানেই কোরানের ব্যাপারগুলো ঢোকালেই আল্লার কাজ খতম-কোরান লাগত না! জেনেটিক্সটা টুইক করলেই ত হত! সেটা না করে আল্লা কোরান দিয়েছেন তাদের হাতে যারা সভ্যতার নিরিখে সেকালেও পৃথিবীতে সবার থেকে পিছিয়ে ছিল-আর আজকে ত আদিবাসি দের থেকেও পিছিয়ে
পিছিয়ে পড়া লোকেদের জন্যে কোরান মহা ভরসাস্থল
কারন, এই গ্রন্থ পড়লে তারা ভরসা পান, তারাই সেরা-বাকীরা ভুল
এদিকে নিজেরা যে সবার থেকে পিছিয়ে পড়েছে, সেটা ভোলাতে এই মহান গ্রন্থটি কিন্ত ওস্তাদ
এর সাইকোলজিক্যাল মূল্য অস্বীকার করে কে! হেরোইন বা আফিং ই এই ধরনের ইলেশনের জন্ম দিতে পারে
ফুয়াদ সেপ্টেম্বর 2, 2009 10:03 অপরাহ্ন -
@বিপ্লব পাল,