content
stringlengths
0
129k
কষ্ট করে পড়ার অভ্যেস থাকলে কেও ধার্মিক হয় না
হ, শুধু নাস্তিকরাই কষ্ঠ করে পরে
বাকি রা খালি খায় আর ঘুমায়
মহান আল্লা যদি চাইবেন, তার মাফিক পৃথিবী চলুক, কোরানটা মানুষের মাথার মধ্যে ঢূকিয়েই মানুষের জন্ম দিতে পারতেন
মানুষ জেনেটিক্যালি ওয়ারড হয়েই জন্ম নেই-সেখানেই কোরানের ব্যাপারগুলো ঢোকালেই আল্লার কাজ খতম-কোরান লাগত না! জেনেটিক্সটা টুইক করলেই ত হত! সেটা না করে আল্লা কোরান দিয়েছেন তাদের হাতে যারা সভ্যতার নিরিখে সেকালেও পৃথিবীতে সবার থেকে পিছিয়ে ছিল-আর আজকে ত আদিবাসি দের থেকেও পিছিয়ে
তাহলে পরীক্ষা হবে কি ভাবে ?
আল্লাহ সুবাহানা তালা পরিক্ষা নিতাছেন
তার অনুষারী কে দরিদ্র অসহায় করে
আর যাদের সম্মান বেশী তাদের অপমান ও বেশী
বিপ্লব পাল সেপ্টেম্বর 2, 2009 11:59 অপরাহ্ন -
তাহলে পরীক্ষা হবে কি ভাবে ?
আল্লাহ সুবাহানা তালা পরিক্ষা নিতাছেন
উনি পরীক্ষা কিসের নিচ্ছেন সেটা বলবেন কি? আপনার আমার? আপনি আমি পিঁপড়ের চেয়ে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র -এই মহাবিশ্বের বয়স ১২ বিলিয়ান বছর-মানে আপনার আমার জীবন পলকের চেয়েও কম মহাবিশ্বের কাছে!
তাহলে মহাবিশ্বের অধিশ্বর পরীক্ষা নিচ্ছেন কার? আপনি, আমি ত্ কেও ক্ষনিকের তরেও টিকছি না এই মহাবিশ্বে! আপনার মন ছোটবেলায় যা ছিল এখনো তা আছে? আপনার দেহের কোষগুলির প্রতি অনুপরমানু প্রতিমাসে পালটায়
তাহলে কে আপনি?? আপনার মন না দেহ? সে সব সবকিছুইত পালটাছে-আর কিসের পরীক্ষা দিচ্ছেন????
তাছাড়া আপনার মন ও আপনার না-সমাজের
ভেবে দেখুন-আজ খ্রীষ্ঠানের ঘরে জন্মালে আপনি অন্যরকম হতেন
আমার মতন নাস্তিক ও হতে পারতেন যদি ছোটবেলা থেকে আপনার ধর্মের চেয়ে বিজ্ঞানকে জানার চেষ্টা বেশী থাকত
অর্থাৎ যেটাকে আপনি 'আমি' ভাবছেন সেইটা আসলে কি??? আগে সেটা ক্লিয়ার করুন-তারপর আল্লাকে পরীক্ষা দেবেন
রফিক সেপ্টেম্বর 3, 2009 12:48 পূর্বাহ্ন -
তাহলে পরীক্ষা হবে কি ভাবে ?
আল্লাহ সুবাহানা তালা পরিক্ষা নিতাছেন
হুজুর, ঝামেলায় পড়লেই খালি 'আল্লাহর পরীক্ষা',' আল্লাহর পরীক্ষা' বইলা চিক্কুর পাড়লে হইবো? কোরান না পইড়াও, কোনদিন আল্লাহর ইবাদত বন্দেগী না কইরাও কাফির নাসারা এত উন্নতি কইরা ফেলাইলো, আর আমগো ঘাড়ে কুরআন থাকা সত্ত্বেও আমরা খালি দিনে দিনে পিছাইতেই আছি আর আল্লাহর পরীক্ষা দিতেই আছি, আর পরীক্ষায় ফেল করতেই আছি
মাশাল্লাহ
অবিশ্বাসী সেপ্টেম্বর 3, 2009 9:36 পূর্বাহ্ন -
@ফুয়াদ, আল্লাহর মনে কি কোন কনফিউশন আছে যে পরীক্ষা দিতে হবে? :: ?:-)
আতিক রাঢ়ী সেপ্টেম্বর 2, 2009 10:31 অপরাহ্ন -
@বিপ্লব পাল,
এভাবেতো ভাবিনাই
চমৎকার বলেছেন
একদম ঠিক কথা
মামুন সেপ্টেম্বর 3, 2009 5:29 অপরাহ্ন -
চোখ অন্ধ হলে কিছু দেখা যায় না শুধু অনুমান করে জীবন চালাতে পারা যায় কিন্তু মন ও চিন্তা- শক্তি কারো যদি বদ্ধ ও অন্ধ হয়ে যায় তাহলে তাকে জগতের এমন কেউ নাই বা দাওয়াই নাই তাকে সেখান থেকে মুক্তি দিতে পারে ???????
পূথিবী,রফিক ও আগন্তকের মতের সাথে ১০০% সহমত পোষন করছি
আবুল কাশেম সেপ্টেম্বর 2, 2009 2:56 পূর্বাহ্ন -
:
.বিঃদ্রঃ আমার এই লেখার মূল বক্তব্য, উদাহরণ . এর , এবং এর - ও - আর্টিকেল থেকে সংগৃহিত
আমি শুধু বাংলায় সংক্ষিপ্তকারে বিষয়টি তুলে ধরার চেষ্টা করেছি মাত্র
:
? ?
, , , ?
, , , ... :
?
, , , , ? ? ' ?
- . . . .
' .
?
, ' , . ' , ' , , , ' , .
, ' ?- ?
, , , , .. .
, '.
, ' (). . .
আইভি সেপ্টেম্বর 4, 2009 4:06 পূর্বাহ্ন -
@আবুল কাশেম,
, ' , . ' , ' , , , ' , .
ইবনে আব্বাসের জন্ম ৬১৮ বা ৬১৯ এর কোন এক সময় এবং মুহম্মদ এর মৃত্যূর সময়ের কাছাকাছি(৬৩১-৬৩২) তার বয়স ছিল ১১, ১২ বা ১৩ বছর
তো মুহম্মদ এই বয়সের একটি ছেলেকে সর্বসময়ের সঙ্গী করেছিলেন নিজের নাতিদের বাদ দিয়ে, যুদ্ধ নিয়ে গিয়েছিলেন, এমনকি র সময়ে দাদার বয়সী ভায়ের সাথে অংশ গ্রহণ করেছিলেন
! এটাও সত্য বা হিসেবে স্বীকৃত
আমাদের , এর এই অবস্হা
নাকি মুহম্মদের ক্ষেত্রে সবই সম্ভব
রফিক সেপ্টেম্বর 1, 2009 8:35 অপরাহ্ন -
লেখাটা মুক্তমনায় প্রকাশ লইয়া আমার কোন মত নাই
গাররেজ ইন - গার্বেজ আউট
মাঝখান থেইকা আমরা কিছু ভাল বিনোদন পাইলাম
আইভি ম্যাডামের ইন্টারপ্রিটেশন আগেও আমি দেখছি
আমার হাসি পাওন ছাড়া বেশি কিছু মনে হয় নাই
আকাশ মালিকের বই খন্ডাইতে গিয়া আইভি ম্যাডাম 'ইন্টারপ্রিটেশন' হাজির করছিলেন - আয়শারে যখন আমগো মহানবী বিয়া করছিলেন, তখন নাকি উনার বয়স আছিলো চল্লিশ, আর আয়েশা নাকি আবু বকরের মাইয়া না; আয়শা নাকি আবু বকরের বোন
কই যামু সারা জীবন জাইনা আইলাম আয়শার নাম হইতাছে , মানে আবু বকরের কন্যা, এখন আইভি ম্যাডামের 'ইন্টারপ্রেটেশনের' ঠেলায় আয়শা আবু বকরের বোন হইয়া গেল গা
কি আর করি
আমার কোন ভুল হইতাছে কিনা জাননের লাইগা উইকিপিডিয়াতেও দেখলাম
সেখানেও লেখা আছে - .
অথচ আইভি ম্যাডামের ইন্টারপ্রিটেশন অনুযায়ী আয়শা আবু বকরের বইন
আসলে আমগো মহানবী ৪৮ বছর বয়সে আয়শারে ৬ বছরের শিশু অবস্থায় বিয়া করছিল, এইটার রেফারেন্স এত জায়গায় আছে যে, আইভি ম্যাডাম গো মত মডারেট মুসলিমারা এখন প্রাণপনে চেষ্টা করতাছেন ইতিহাস খডাইতে
কখনো কন আয়শারে যখন বিয়া করছিলেন তখন নাকি তার বয়স আছিলো ১৭, কখনো হেরে বানায় দেন আবু বকরের বইন
একই কথা কওন যায় আদল হাওয়া গল্পের ক্ষেত্রেও
এখন জ্জান বিজ্ঞান এমন জায়গায় আগায় গেছে, যে সবাই বুঝে আদম হাওয়া শয়তানের গল্প এইগুলা রূপকথা ছাড়া আর কিছু না
বিবর্তন তত্ত্বের লগে পাল্লা দিয়া এই রূপকথা টিকবো না
হের লাইগা আইভি ম্যাডাম নতুন ইন্টারপ্রিটেশন লইয়া আইছেন - 'আদম শব্দের অর্থ হচ্ছে মানব জাতি, কোন ব্যক্তি বিশেষ নয়
' আমার ত কোরান পইড়া তা মনে হয় নাই
কোরানে দেখেন যেমনে আদম সৃষ্টির কথা কইছে, যেমনে সিজদা দিতে গিয়া ইবলিসের লগে গ্যাঞ্জাম লাগছে বইলা আয়াতে আছে - হেইগুলা 'প্রথম মানব' লইয়া রূপকথা ছাড়া আর কিছু মনে হয় না
যতই ভালা ভালা ইন্টারপ্রেটেশন হাজির করা হোক না কেন যে লাউ সেই কদুই
আর হাওয়ার জন্ম যে আদমের পাঁজরের হাড্ডি থেইকা সেইটা অনেক হাদিসেও আছে
হাদিসে মহানবী কইছে - " , , , ; , ." এখন আইভি যদি কন হাওয়া আইছে বিব্বতন তত্ত্ব অনুযায়ি, তাইলে আমার আর কওনের কিছু নাই
আমি আতিকের গল্পের সাথে একমত -
আমাদেরকে কোরানের অর্থ ও ব্যাখ্যা ঐ সময় পর্যন্ত চালিয়ে যেতে হবে যে পর্যন্ত না চারিদিকে সাধু সাধু রব পড়ে যায়
ফুয়াদ সেপ্টেম্বর 1, 2009 10:10 অপরাহ্ন -
এ সেই কিতাব যাতে কোনই সন্দেহ নেই
পথ প্রদর্শনকারী পরহেযগারদের জন্য,
যারা অদেখা বিষয়ের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে এবং নামায প্রতিষ্ঠা করে
আর আমি তাদেরকে যে রুযী দান করেছি তা থেকে ব্যয় করে
এবং যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে সেসব বিষয়ের উপর যা কিছু তোমার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে এবং সেসব বিষয়ের উপর যা তোমার পূর্ববর্তীদের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে
আর আখেরাতকে যারা নিশ্চিত বলে বিশ্বাস করে
তারাই নিজেদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে সুপথ প্রাপ্ত, আর তারাই যথার্থ সফলকাম
অতএব, এই কিতাব আবিশ্বাসী কিংবা নাস্থিকদের জন্য নয়
যারা বিশ্বাস করছে তাদের জন্য ঈ
অতএব, এই ব্যক্ষা গুলি ও আপনার জন্য নয়
মনে করুন, আমাদের মত মুর্খ যারা আসে তাদের জন্য ঈ মুক্তমনা এই লেখা ছাপিয়েছে
এ জন্য মুক্তমনাকে ধন্যবাদ
যদিও লেখার সাথে আমি পুরা পুরি একমত নই
আবার বিপক্ষে ও নেই