content
stringlengths
0
129k
আমিও ঠিক তাই মনে করি
আইভি যেহেতু কাউকে আক্রমণ করে লিখছেন না, তাকে মডারেটরদের পক্ষ থেকে ব্লগ একাউন্ট-এর এক্সেস দেয়া হয়েছে
ব্লগ-এর একাউন্ট থাকলে প্রবন্ধ সরাসরি প্রকাশিত হয়
কেউ যদি তার প্রবন্ধের সাথে দ্বিমত করেন, তিনি তা মন্তব্যে জানাতেই পারেন, এবং অনেকেই সেটা করছেনও
আর মুক্তমনায় শুধু একে অপরের পিঠ-চাপড়ানো লেখাই থাকবে বিপরীত কোন মত প্রকাশ করতে দেওয়া হবে না - এটা ভাবলে আমরাও কিন্তু কূপমন্ডুকই হয়ে যাব
আমার মনে হয় মুক্তমনার সদস্যরা কিন্তু যথেষ্ট আলোকিতই
এ ধরণের লেখায় আমি অন্ততঃ শঙ্কিত বোধ করি না
অনেকেই লেখাটায় মন্তব্য/ মতামত দিয়েছেন
এটাই হোক মুক্তমনার আলোকবর্তিকা
আমি দেখেছি প্রায় সব ধর্মীয় সাইটে ধর্মের বিরুদ্ধে টু শব্দ করলেই ব্যান হতে হয়
আর আরো বড় স্কেলে চিন্তা করলে হুমায়ুন আজাদের অবস্থা দেখলেই ধর্মীয় সহিষ্ণুতার নমুনা বোঝা যায়
সেখানে মুক্তমনায় একাউন্ট খুলে আইভির মত কেউ লেখা প্রকাশ করছেন - এটাতে শঙ্কিত না হয়ে বরং মুক্তমনাদের গৌরবান্বিতই বোধ করা উচিত
এটাই সত্যিকার সহিষ্ণুতা
আজ প্রমাণ হোক যে মুক্তমনারা ঈশ্বর কিংবা আল্লা খোদার দোহাই না পেড়েও কিংবা ধর্মগ্রন্থের বুলি না কপচিয়েও অনেক বেশি মানবিক, অনেক বেশি পরমতসহিষ্ণু
মনে নেই -
দ্বার রুদ্ধ করে ভ্রমটারে রুখি
সত্য বলে, আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি!
ফরিদ সেপ্টেম্বর 1, 2009 9:39 পূর্বাহ্ন -
বিপ্লব এবং অভির সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত এই বিষয়ে
আমি মনে করি যে, মুক্তমনায় সকল পক্ষেরই মতামত প্রতিফলিত হবার সমান সুযোগ থাকা উচিত
ব্যক্তি আক্রমন যুক্ত এবং একেবারেই উদ্ভট যুক্তিসম্পন্ন লেখা ছাড়া আর সব ধরনের লেখা প্রকাশের ক্ষেত্রে মুক্তমনা মুক্ত অবস্থান নেবে সেটাই আমার কামনা
শুধু মুখে মুখে নিজেদেরকে মুক্তমনা দাবী করলেইতো হবে না, কাজেও সেটা করে দেখানো উচিত আমাদের
কোন লেখকের বক্তব্য বা চিন্তা-ভাবনার সাথে দ্বিমত থাকলে যুক্তি দিয়ে তা খণ্ডন করা যেতে পারে
মুক্তমনায় প্রকাশিত প্রবন্ধগুলোতে যেহেতু এখন মতামত দেয়ার সুযোগ রয়েছে, কাজে কোন মতামতই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছাড় পাবার আর কোন রাস্তা নেই
আইভি তার অবস্থান থেকে প্রবন্ধটি লিখেছেন
এখন যারা এটির বিষয়বস্তু বা যুক্তিকে অপছন্দ করছেন, তারা তাদের যুক্তিতর্ক নিয়ে হাজির হয়ে যান এর বিপরীতে
মুক্তমনার পাতা আলোকিত হয়ে উঠুক প্রানবন্ত বিতর্কে
আগন্তুক সেপ্টেম্বর 3, 2009 12:46 অপরাহ্ন -
ভাই মুক্তমনা হতে গিয়ে যদি ধ্বংসের সূচনাকারী মন্তব্যগুলোর প্রচার মেনে নিতে হয় ,তবে মানবতার খাতিরে অমন 'মুক্তমনা' অন্তত আমি হতে চাই না
আমার দ্বিতীয় মন্তব্যের জবাবে বিপ্লব দা খুব সুন্দর একটি কথা বলেছেন...
যেসব মতবাদ শক্তিশালী মিলিটারিজমের জন্ম দিয়েছে, তারাই টিকে গেছে-এটাই ঐতিহাসিক সত্য
সুতরাং মৌলবাদের মাধ্যমে মিলিটান্সি সৃষ্টি হলে তারাই টিকবে-এই সব বৈজ্ঞানিক যুক্তি টুক্তি টিকবে না
যেহেতু সেটাই ইতিহাসের ধারা, তাই আমি ত মনে করি, রাষ্ট্রের উচিত বন্দুক আর আইন দিয়েই দিয়েই মৌলবাদ ধ্বংশ করা
এছাড়া আমাদের কোন বিজয় হবে বলে যদি কেও ভাবে-আমি তাদের দলে নেই
কারন উন্নত যুক্তিবাদি সমাজ অতীতেও বর্বরদের হাতে হেরেছে-এখনো হারছে-
: [1.4.6_730]
মওদুদিরা আর যাই করুক অন্তত বিজ্ঞানের ক্লাসগুলোকে কলঙ্কিত করে নি
একজন মওদুদি,নিজামি বা সায়েদির চেয়ে জাকির নায়েক প্রজাতির একজন ছদ্মবৈজ্ঞানিক সমাজের জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকর
মওদুদিরা অন্ধকারাচ্ছন্ন মানুষকে অন্ধকারেই রেখে দেয়,আর জাকির নায়েকরা শিক্ষার আলোকপ্রাপ্ত মানুষদের অন্ধকারে ঠেলে দেয়
আমি তেমন 'মুক্তমনা' হতে চাই না যে 'মুক্তমনা' হওয়ার জন্য এমন জঘন্য মতের প্রচার মেনে নিতে হবে যা মেডিকেল কলেজগুলোতে 'বুকাইলিজম' শিক্ষা দিতে অনুপ্রাণিত করে
আমি তেমন সহিষ্ণু হতে চাই না যার জন্য ছাত্রশিবিরের চাইনিজ কুড়ালের তলায় গলা পেতে দিতে হয়
প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলাম যখন মৌলবাদ বিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য ছাত্রশিবির আমাকে হত্যা করে আমার নামে একটা লেকচার গ্যালারি স্থাপনের হুমকি দেয়
আমি রগড় করে জবাব দিয়েছিলাম "তাতে যেন শুধু ফরেন্সিক মেডিসিন পড়ানো হয়
আর আমার বন্ধুর নামে যে হোস্টেলটা হবে,ওটা যেন কম্বাইন্ড হয়
স্বভাব অনুযায়ী রগড় করলেও বুঝতেই পারছেন ওটা সিরিয়াস হুমকিই ছিল
নেহাত কৌশল ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপে আমরা বেঁচে যাই
আমি মনে করি উপমহাদেশের পরিস্থিতি এখন এতটাই নাজুক যে ,মানুষকে বাঁচানোর স্বার্থে ছদ্মবৈজ্ঞানিক মতবাদকে আইন করে বন্ধ করে দেওয়া উচিত
মৌলবাদ ক্ষতিকর,ছদ্মবিজ্ঞান ভয়ঙ্কর
মৌলবাদ থেকে উত্তরণ সম্ভব,কিন্তু ছদ্মবিজ্ঞানের ব্ল্যাক হোলে একবার পড়ে গেলে সেখান থেকে সমাজের আর রেহাই নেই
আশা করি আমি আমার পরিপ্রেক্ষিত বোঝাতে পেরেছি
ভালো থাকবেন
অভিজিৎ সেপ্টেম্বর 4, 2009 9:04 পূর্বাহ্ন -
আপনার মানসিক অবস্থার সাথে একমত পোষন করার পরেও আপনার বক্তব্যের প্রতি দ্বিমত পোষণ করতে বাধ্য হলাম
আপনি বাংলাদেশের মেডিকেলে এবং অন্যত্র যে ছদ্মবিজ্ঞানের আগ্রাসন দেখছেন সেটা শতকরা একশতভাগ সত্যি
বাংলাদেশের সংখ্যাগড়িষ্ঠ মানসিকতার মানুষদের দ্বারা গঠিত সমাজ জীবনে যে জিনিসগুলো দেখছেন, তার কিছুটা ছায়া তো আমাদের ব্লগেও পড়বে, এটাই কি স্বাভাবিক নয়? কেবল কৃত্রিম দেওয়াল তুলে মুক্তমনাকে 'আলাদা দ্বীপপুঞ্জ' বানিয়ে বসে থাকলেই সমাধান মিলবে বলে আপনি মনে করেন? আমি অন্ততঃ তা ভাবি না
ওদের এখানে আসতে দিন, তর্ক করতে দিন - ওদের বলিষ্ঠ যুক্তিগুলো আমরাও জানতে চাই
আপনার ভয় পাওয়ার কিছু নেই
মুক্তমনার সদস্যরা পড়ালেখা করা জানা শোনা আলোকিত মানুষ
ওই যে কথায় বলে না - বিশ্বাস করতে কিছু পড়তে হয় না, বিশ্বাস ভেঙ্গে নিজেকে গড়তে লাগে অনেক অধ্যাবসায়
সেজন্যই আমি আইভিদের লেখা নিয়ে ভীত নই
কারণ আমি জানি আমরা সঙ্খ্যায় কম হতে পারি, কিন্তু আমরা দাঁড়িয়ে আছি পাহাড়ের ওপরে
পাহাড়ের ওপরে থেকে যুদ্ধ করার সুবিধে অনেক
🙂 ছোট একটা পাথর গড়িয়ে দিলেই সেটা প্রায় ব্রহ্মাস্ত্রে রূপ নিয়ে নীচে চলে যায়, তাই না? আসলে এই ইন্টারনেটের যুগে আমাদের হাতে এত তথ্য যে কারো কন্ঠরোধ করে ঘায়েল করার দরকার পরে না
বিপ্লবের মত আমিও চাই জাকির নায়েকেরা এখানে আসুক তাদের যুক্তিগুলো উপস্থাপন করুক
অসুবিধে কি!
আরেকটা জিনিস চিন্তা করে দেখুন - আইভির লেখার কল্যানেই কিছু আমরা বিপরীত যুক্তিগুলোও শুনতে পাচ্ছি সদস্যদের কাছ থেকে
আবুল কাশেম, আদিল মাহমুদ, বিপ্লব, রফিক, আতিক, হেলাল, আকাশ মালিক সবাই কিন্তু তথ্য দিয়েই সব কিছু মোকাবেলা করছেন, আইভির লেখাটা না আসলে আমরা কি জানতে পারতাম আবুল কাশেমের বিশ্লেষণ, নাকি শুনতে পেতাম আতিকের কালীদাসের গল্প, বলুন? 🙂 এটাও কিন্তু কম পাওয়া নয়
ব্যক্তিগতভাবে, আমি আইভির বক্তব্যের সাথে দ্বিমত করি, কিন্তু তার বক্তব্য দেয়ার অধিকারের জন্য সব কিছু করতে প্রস্তুত
" , ". - এত এই উক্তিটা আমি সত্যই মনে প্রাণে বিশ্বাস করি
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ
আদিল মাহমুদ জুলাই 17, 2010 9:20 অপরাহ্ন -
ফারুক সাহেবেকে অন্তত ব্লগ কমেন্ট এক্সেস দেবার জোর দাবী রইল
ওনার যুক্তিবোধ যাই হোক উনি ভদ্রভাবে মত প্রকাশ করতে পারেন
মুক্তমনায় নগন্য সংখ্যক আস্তিকের মাঝে ফারুক সাহেবদের কন্ট্রিবিউশন খুবই দরকার
ফারুক জুলাই 17, 2010 9:06 অপরাহ্ন -
দ্বার রুদ্ধ করে ভ্রমটারে রুখি
সত্য বলে, আমি তবে কোথা দিয়ে ঢুকি!
খুবি ভাল লাগল , আপনার মন্তব্যগুলো
আমি একটি লেখা পাঠিয়েছিলাম , সেটা ছাপা হয়নি
ব্লগ একাউন্ট-এর এক্সেস না পাওয়ায় প্রতিমন্তব্য প্রকাশে দেরি হওয়ায় , সমস্যা হচ্ছে
আগন্তুক সেপ্টেম্বর 3, 2009 12:26 পূর্বাহ্ন -
@বিপ্লব পাল,
দাদা আপনার লেখাটার অপেক্ষায় আছি
সত্যজিতের ভাষায় বলতে গেলে...'একটা মন্তব্য করে এতগুলো লোককে এত হাংগামার মধ্যে ফেলিচি,ভাবতেই একটা পিকিউলিয়ার ফিলিং হচ্চে..."
আমার মত এক অর্বাচীনের কথা নিয়ে যে এত এত পণ্ডিত মানুষ ভাবছে - ভাবতেই অবাক লাগছে
অভিজিৎদা রবীন্দ্রনাথের একটি কবিতা উদ্ধৃত করে 'ভ্রম'-এর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছেন
হ্যাঁ আমরা সবাই জানি বৈপরীত্যের প্রয়োজনীয়তার কথা,পরমতসহিষ্ণুতার কথা
এবং এটি কোন নতুন ইস্যুও নয়
পৃথিবীর অনেক মুক্তমনাই বলেছেন যে,মৌলবাদীদেরও তাদের মতবাদ প্রচারের সুযোগ দেয়া উচিত
এটি যথেষ্ট পুরনো একটি ইস্যু এবং তসলিমাকে ফ্রান্সে এ প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়
বাংলা সাহিত্যে 'মুক্তমনা' শব্দটির জ্বলন্ত প্রতীক 'ফেলুদা' ওরফে প্রদোষ মিত্তির
ফেলুদাকে বারবার তোপসেকে বলতে শুনি 'মনটাকে খোলা রাখতে হয় রে'...ভূত-প্রেত,এলিয়েন -ইত্যাদি কোন ব্যাপারেই তার বিশ্বাস -অবিশ্বাস - কোনটাই নেই,রয়েছে বিশুদ্ধ সন্দেহবাদী দৃষ্টিভঙ্গি
হ্যাঁ এটাই আদর্শ মুক্তমনা দৃষ্টিভঙ্গি
কিন্তু এর সাথে এটাও ভুলে গেলে চলবে না যে বিশুদ্ধ নৈয়ায়িক দৃষ্টিভংগি ও নিরেট সহিষ্ণূতার চেয়েও প্রয়োজন মানবকল্যাণের আকাংক্ষা
যদি একটি বিশেষ মতবাদ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে থাকে তবে কি রাষ্ট্রের উচিত নয় সেটিকে দমন করা?তবে কি ৭২ এ জামাতের রাজনীতি বন্ধ করাটাও ভুল ছিল না?মানবতার কথা চিন্তা না করলে,রাজাকাররাও তাদের অবস্থানে ঠিকই ছিল না কি?জাকির নায়েক ও হারুন ইয়াহিয়ার প্রবন্ধও কেন তবে মুক্তমনায় প্রকাশ হচ্ছে না?কারণ এরাই তো গুরু
আর মওদুদিকেই বা গালমন্দ করার দরকার কি?তবে কি প্রয়োজন ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করার?এসব দাবী কি তবে ভিত্তিহীন নয়
আগাছা ফসল ধ্বংস করবে জেনেও কি আমাদের তা সহ্য করে যেতে হবে?কি প্রয়োজন তবে মুক্তবুদ্ধিচর্চার?নৈয়ায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে অন্যায় একটি কাজ করেও যদি মানুষের কল্যাণ হয় ,তবে সেটা কি অসহিষ্ণুতা?
পরমতসহিষ্ণুতা দেখাতে যদি এসব ছদ্মবৈজ্ঞানিক মতবাদকে প্রশ্রয় দিতেই হয়,তবে আই,ডি তত্বকে আইন করে পাঠ্যক্রম থেকে নিষ্ক্রান্ত করাটাও কি অসহিষ্ণনুতা নয়?তবে তো আইডি অবশ্যই পড়ানো উচিত!
আমার বিজ্ঞ প্রবাসী মুক্তমনা বন্ধুরা,আসুন,দেখুন বাংলাদেশের মেডিকেল কলেজগুলোতে এখন এমব্রায়োলজির নামে 'কিথ মুর' তত্ব পড়ানো হয়,বিরক্তিতে মনটা ভেঙ্গে যায়
দেখে যান ফিজিওলজি পড়ানোর ছলে কি করে আল্লাহর নিয়ামত বোঝানো হয়