content
stringlengths
0
129k
মুসলমানরা একটা উত্তরনকাল অতিক্রম করছে
যে প্রশ্ন গুলো এতদিন করার সাহস তারা সঞ্চয় করে উঠতে পারেনি, সে গুলি তারা করা শুরু করেছে
এটা ভাল লক্ষন
এইটি আপনার ভুল ধারনা , এখন যে প্রশ্ন গুলি দেখতেছেন এর চেয়েও কঠিন কঠিন প্রশ্ন করতো মুতাজিলা রা
মুতাজিলাদের একটি যুক্তি শুনুন
আল্লাহ সুবাহানাতালার ইচ্ছা ছাড়া কিছুঈ হয়না, তাহলে মানুষ যে অপরাদ করে তার কোন দোষ নেঈ
নামজ, রোজা করার দরকার নেই
কোন কিছু যুক্তিতে পরলে মানতো, না পরলে মান তো না
সব জায়গায় যুক্তি খুজতো
যুক্তি খুজতে খুজতে কুফরী আকীদা গুলা বেড় করলো
তাই, ধংশ হল
আতিক রাঢ়ী সেপ্টেম্বর 2, 2009 2:41 অপরাহ্ন -
@ফুয়াদ, আমি মুতাজিলাদের ভালবাসি
মুসলমান সপ্রদায়ের মধ্যে তারাই প্রথম সবচেয়ে বুদ্ধিদীপ্ত প্রশ্নগুলো নিয়ে হাজির হয়েছিলো
যুক্তির অলোয় পথ দেখার চেষ্টা করেছিলো
আমিও একটা নমুনা দেইঃ
স্রষ্টা বা আদি বস্তু এক, মুসলমান ও ইহুদীদের বিশ্বাসের এই প্রধান জায়গাটি নিয়ে তারা বলেছিলো- স্রষ্টা সব জানেন বলতে যা বোঝান হয়ে থাকে তা হলো- স্রষ্টা হচ্ছেন এখানে জ্ঞাতা
তাহলে প্রশ্ন আসে তিনি কি জানেন? যা নাই তা জানা সম্ভব না
সুতরাং যার সম্পর্কে তিনি জানেন তাও তারই মত সুপ্রাচীন
তারমানে আদি বস্তু এক না একাধিক
ফুয়াদ ভাই, বললেন জখন পুরাটা বলেন
তারা কিভাবে ধ্বংস হলো ? আব্বাসিরা ক্ষমতায় এসে তাদেরকে নির্বিচারে হত্যা করেছিলো
কিন্তু যুক্তিযে পাল্টা যুক্তিদিয়ে মোকাবেলা করতে হয় এই সরল সত্যটা আজো মুসল্মানরা বুঝলোনা
মুতাজিলাদের হত্যা করা গেছে কিন্তু তাদের উত্থাপিত প্রশ্ন গুলোকে হত্যা করা যায়নি
তলোয়ার দিয়ে সব কিছুর সমাধান করা যায় না
যুগের সীমাবদ্ধতার কারনে মুতাজিলারা তাদের কথা দ্রুত প্রচার করতে পারেনি
আজ আর সেই সমস্যা নেই
আর হাত যতই নিশফিশ করুক হত্যা করার জন্য এ যুগের মুতাজলাদের সামনে পাচ্ছেনও না সহজে
আগন্তুক সেপ্টেম্বর 1, 2009 2:47 পূর্বাহ্ন -
@বিপ্লব পাল,
দাদা মনের কথাটা কেড়ে নিলেন একেবারে
বেড়ে বলেছেন - মাফিয়া ডন আল্লাহ
আর হ্যাঁ বাক্য সম্বন্ধে যেটা বললেন সেটাও ঠিক
কিন্তু এই সুযোগটা নিয়ে এরা আধুনিক মানুষকে মধ্যযুগে ঠেলে দিচ্ছে
যেকোন বাক্যেই নানান অর্থ খুঁজে পাওয়া যায়,যেকোন শব্দকেই নিয়ম ভেঙ্গে অন্য রূপ দেওয়াও সম্ভব
কিন্তু কথা হচ্ছে কুরানের আল্লাহ ঠিক অতটা বুদ্ধিমান নন
তিনি প্রচণ্ড মাত্রায় সেকেলে এবং গণিতে একেবারে ফটিক
তাঁর বাক্যগুলোর সেকেলে ব্যাখ্যা গুলোই মূলের কাছাকাছি
একেলেগুলো আসলে বিজ্ঞানের ঝড়ে উড়ে যাবার হাত থেকে বাঁচবার চেষ্টা ছাড়া কিছুই নয়
দেবীবাবুর অমর বইগুলো বাংলাদেশে অত্যন্ত দুর্লভ এবং দুর্মল্যও বটে
বইগুলো প্লিজ আপলোড করুন
আমি কিছু বই পড়েছি
অদ্ভুৎ,অসামান্য!
হেলাল আগস্ট 31, 2009 8:25 অপরাহ্ন -
বির্তকটা মনে হয় ভালই জমবে
আইভি কি দয়া করে 'বিজ্ঞানের সাথে সরাসরি কুরআনের সংগাত/বিপরিত' এমন বিষয় গুলো অবতারনা করবেন?
পৃথিবী ও আকাশমন্ডলি সৃষ্টি হয়েছে দুই যুগে বা ধাপে বা দিনে
কিন্ত আকাশমন্ডলি মানে কি সেই ব্যাখ্যা না দিয়ে দিন বা যুগ নিয়ে টানাটানি করা কি ঠিক?
আদিল মাহমুদ আগস্ট 31, 2009 6:28 অপরাহ্ন -
আইভইর লেখার ষ্টাইল অত্যন্ত চমতকার, পড়তে বেশ ভাল লাগে
তবে লেখাটা মনে হয় পুরো দেখা যাচ্ছে না, আমি " আমাদের মত অন্ধ-বিশ্বাসীরা সেই ভাবেই যুগ যুগ পার করে যাচ্ছি
মওদুদী এই শব্দটিকে ( " এর পরে আর কিছু দেখছি না
এইটুকু পড়ে আমি যা বুঝলাম তা হল কোরান পড়ে বোঝা খুব সহজ কোন ব্যাপার নয়
বিশেষ করে বিজ্ঞানের আধুনিক এবং গভীর জ্ঞান না থাকলে বোঝা প্রায় অসম্ভব, এমনকি ভুল বোঝার সম্ভাবনা প্রবল
এটা ঠিক আমার কাছে পরিষ্কার হয় না কখনোই
কারো মতে কোরানে এমন আয়াত আছে যাতে ষ্পষ্ট লেখা আছে যে কোরানকে লেখা হয়েছে সহজ সরল ভাষায় যাতে সবাই সহজে বুঝতে পারে (আক্ষরিক অনুবাদ হুবহু হয়ত এমন না, তবে অনেকটা একই ৪৩) ৪৩;৩
""
, ( )."
এই লিংকে ৪ নং পাতার শেষে দেখতে পারেন
://-.//_/__.
কিন্তু আইভির মতে যা বুঝতে পারছি আসলে ব্যাপারটা অনেকটা উলটা
এটা ঠিক যে আইভির দেওয়া অনেক ব্যাখ্যা অস্বীকার করা যায় না
কিন্তু কোরানে এমন অনেক আয়াত আছে যা বুঝতে কোনরকম বিজ্ঞান দরকার হয় বলে মনে হয় না
বেশ কিছু আয়াত আছে যা আল্লাহর আত্মতুষ্টি
যেমন, তিনি সৃষ্টি করেছেন নদী
আইভির মত মেনে নিলে প্রশ্ন আসে (যা আমাকে সবসময়ই ভাবায়) যে এত জটিল একটা গ্রন্থ কিভাবে পৃথিবীর সব কালের সব ভাষাভাষি মানুষের জন্য অবশ্যপালনীয় হতে পারে? যেখানে খোদ আরবী ভাষিরাই ভুল ব্যাখ্যা করে যাচ্ছেন সেখানে আমাদের কি হবে?
কোরানে আরেকটি আয়াত আছে যাতে বলা হয়েছে যে পৃথিবীর সব ভাষাভাসি মানুষের জন্যই আল্লাহ নিজ ভাষায় তার বাণি পাঠিয়েছেন, নবী রসূলসহ
এ আয়াত মতে করান কি শুধুমাত্র আরবীও ভাষীদের জন্য এটা বোঝায় না? ১৪;১ ত ১৪;২৭, আগের দেওয়া লিংকের ৫ নং পাতায় পড়ে দেখেন
"" .
. ; "
আইভির কথায় আরো যা বুঝলাম তা হল, কোরানের সব বানী বা নির্দেশ সব কালের জন্য নয়
কারন বিজ্ঞান বিবর্তনশীল, বিজ্ঞানের সবকিছুই আমরা আজ জানি না, ২০০ বছর পর যা জানব আজ তা জানি না, সে হিসেবে কিছু আয়াত বা নির্দেশ আজ ভ্যালীড নয়, ২০০ বছর পর হতে চালু হতে হবে
প্রশ্ন হতে পারে, যে এর সীমারেখা কোথায়? কিভাবে আমরা বুঝব কোনটা আজকের জন্য আর কোনটা ভবিষ্যতের জন্য? বেশ কিছু আয়াত আছে যেগুলিতে বিজ্ঞানের কোণ ব্যাপার নেই, সেগুলি কি চিরন্তন?
এমন আরো অনেক প্রশ্ন আসতে পারে
ফুয়াদ সেপ্টেম্বর 1, 2009 10:13 পূর্বাহ্ন -
@আদিল মাহমুদ,
সুরা আল ইমরান, আয়াত ৭- তিনিই আপনার প্রতি কিতাব নাজিল করেন
তাতে কিছু আয়াত রয়েছে সুস্পষ্ঠ, সেগুলোই কিতাবের আসল অংশ
আর অন্য গুলো রূপক
সুতরাং যাদের অন্তরে কুটিলতা রয়েছে, তারা অনুষ্রন করে ফিৎনা বিস্তার এবং অপব্যখ্যা উদ্দেশ্য তন্মধ্যেকার রূপকগুলোর
আর সেগুলির ব্যখ্যা আল্লাহ ব্যতীত কেউ জানে না
আর যারা জ্ঞানে সুগভীর, তারা বলেনঃ আমরা এর প্রতি ঈমান এনেছি
এই সবই আমারদের পালন কর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে
আর বোধশক্তসম্পন্নের ছাড়া অপরকেঊ শিক্ষা গ্রহন করে না
কোরানে দুই প্রকারের আয়াত আছে
আরবী ভাষায় নিয়মাবালী সম্পর্কে সম্যক জ্ঞাত ব্যক্তি যে সব আয়াতের অর্থ সুস্পষ্ঠ ভাবে বুঝতে পারে, সে সব আয়াতকে মুকতাম বলে
এরূপ ব্যক্তি যে সব আয়াতের অর্থ সুস্ঠরূপে বুঝতে সক্ষম না, সেসব আয়াতকে মু্তাশবিহাত বলে
মুকতাম আয়াত গুলো আনুস্রন করবেন
নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, মাতাপিতার প্রতি কর্তব্য, গীবত, অহংকারবীহিন জীবন, মিথ্যা অপবাদ, আমানত রক্ষা, সুদ না খাওয়া ইত্যাদি বিষয় গুলি সহজেই বুঝা যায়
{" কারো মতে কোরানে এমন আয়াত আছে যাতে ষ্পষ্ট লেখা আছে যে কোরানকে লেখা হয়েছে সহজ সরল ভাষায় যাতে সবাই সহজে বুঝতে পারে " }
ঐ বিষয় গুলিকেই বুঝানো হয়
আদিল মাহমুদ সেপ্টেম্বর 1, 2009 5:44 অপরাহ্ন -
আপনার ব্যাখ্যার জন্য ধণ্যবাদ
এমন কি কোন গাইড লাইন আছে যাতে বোঝা যায় কোন কোন আয়াত কোন কোন শ্রেনীতে পড়বে? কোনটা রুপক আর কোনটা ষ্পষ্ট? আমার তো মনে হয় না যে এমন কোন কোরান তফসীর আছে যাতে কোন তফসীরকারক এই রূপক আয়াতগুলির কোন ব্যাখ্যা না দিয়ে রুপক বলে বাদ দিয়েছেন
তারা সব আয়াতেরই ব্যাখ্যা দিয়েছেন
কোনতা রূপক কোনটা ষ্পষ্ট তার শ্রেনীবিভাগে মনে হয় কেউই জাননি
আর আপনার কোট করা আয়াত দিয়ে বোঝা গেল যে কোরানের কিছু অংশ হল আসল, তাহলে বাকী অংশগুলি যেগুলি রূপক সেগুলির অতটা গুরুত্ত্ব নেই?
আপনার থেকে জানলাম যে যাদের জ্ঞান সুগভীর তারা রুপক বা ষ্পষ্ট সব কিছুতেই ঈমান আনে? আইভি আগে একবার বলেছিলেন যে কোন কিছুই যাচাই বাছাই ছাড়া বিশ্বাস না করতে
মুকতাম আয়াতগুলি যে পুরো ষ্পষ্ট তাও কিন্তু না
এখন তো দেখছি বেশ কিছু ইসলামবিদ আছেন যারা নামাগ, রোজার মত বেসিক রিচুয়াল নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন