content stringlengths 0 129k |
|---|
ফরিদ আহমেদ সেপ্টেম্বর 17, 2010 1:15 পূর্বাহ্ন - |
@বন্যা আহমেদ, |
ফরিদ ভাই বের করি কেম্নে বাড়িটা তো দুইজনের নামে |
কত মেয়ে স্বামীর পয়সায় কেনা স্বামীর নামের বাড়ি থেকে স্বামীকে বের করে দিচ্ছে |
আর এত দুইজনের নামে |
দাও ধাক্কা দিয়ে বের করে |
দুষ্ট স্বামীর চেয়ে শুন্য বাড়ি ভালো |
আরেকটা ঝামেলা আছে, বাড়ি থেকে বের করে দিলে ক্রেডিট কার্ডে যে সব জিনিসশ চার্জকরে সেটাও জয়েন্ট একাউন্ট থেকে যায়, তাই অর্থৈতিকভাবেও সেটা ঠিক লাভজনক না |
ঘর থেকে বের করার আগে ক্রেডিটকার্ডগুলো সব সিজ করে নাও |
যাবে কই বাছাধন |
দুইদিন না খেয়ে পথে পথে ঘুরলেই সোজা হয়ে যাবে |
তখন আর মৃত হতে মইনুল রাজুর মত কোনো আপত্তি করবে না |
আর তাছাড়া অতীতে বেশ কিছু নারীবাদী লেখা আর কতাবার্তা লিখে অভির বেশ কিছু এক্সট্রা পয়েন্ট জড়ো হইসে যেগুলা ভাঙ্গায় খেতে পারবে বেশ কিছুদিন |
ওগুলাতো সব লিখছে বিয়ার আগে |
কী কারণে লিখছে সেইটা আর বললাম না এইখানে |
পাবলিক এমনিতেই বুঝবো |
গীতা দাস সেপ্টেম্বর 17, 2010 10:56 পূর্বাহ্ন - |
@ফরিদ আহমেদ, |
দুষ্ট স্বামীর চেয়ে শুন্য বাড়ি ভালো |
নিজের অজান্তেই হাসি ঠাট্টা ছলে নিজের নারীবাদী স্বরূপ প্রকাশ হয়ে গেল |
শিয়ালের গল্পের মত |
রঙ মেখে কি আর নিজের পরিচয় বেশিদিন গোপন রাখা সম্ভব! |
গীতা দাস সেপ্টেম্বর 16, 2010 8:28 অপরাহ্ন - |
এক রাত ইন্টারনেটের বাইরে ছিলাম |
এতেই দেখি অনেক পেছনে পরে গেছি |
লেখাটি মন্তব্যসহ পড়তে গিয়ে বুঝলাম আমার মতামত এসে গেছে |
তবে লেখাটি শুরু হয়েছিল নারীর প্রতি পুরুষের সহিংসতা সহ পুরুষের অপরাধপ্রবণতা আর প্রতিভা ও তাদের বয়সের সম্পর্ক নিয়ে |
আর মন্তব্যে নারীদের দজ্জাল বানিয়ে ছাড়লেন |
পুরুষ প্রতিভার অবনতির জন্য নারীদেরই দায়ী করে ছাড়লেন |
এটাই পুরুষদের কারিশমা |
তবে বন্যা আর লীনা রহমান খুবই যুক্তিসঙ্গত সাড়া দিয়েছেন |
অন্যদিকে, সঙ্গীতজ্ঞ, চিত্রকর এবং সাহিত্যিকদের বয়স-প্রতিভার তুলনামুলক রেখচিত্রে নারীদের যে অবস্থান এর জন্য দায়ী কে? আর অভিজিৎএর লেখায় আমার কিছু প্রশ্ন রয়েছে |
যেমনঃ অপরাধপ্রবণতা আর প্রতিভা কি তবে এক সূত্রে গাঁথা উপ-শিরোনামে অপরাধপ্রবণতা আর নারী সঙ্গ কামনাকে একই সূত্রে গাঁথা কি ঠিক হল? প্রতিভাবানরা কি নারীর প্রতি সহিংস আচরণ করেছেন? |
অভিজিৎ সেপ্টেম্বর 16, 2010 9:26 অপরাহ্ন - |
যাক তাও ভালো দেরীতে হলেও আপনার মন্তব্য পাওয়া গেলো |
আমি কিন্তু নারীকে দজ্জাল বানাইনি মন্তব্যে |
আমি আগেই দু-হাত তুলে আত্মসমর্পন করে বলেছিলাম - 'আমি এগুলাতে নাই |
আমার বউ দজ্জাল কিসিমের না, নিপাট ভাল মানুষ' 🙂 , খেয়াল করেননি বোধ হয় মন্তব্যটা |
যাহোক, এবার কিছু কৈফিয়ৎ দেই লেখাটি সম্পর্কে |
আমি কিন্তু লেখাটির কোথাও নারী পুরুষের তুলনামূলক আলোচনা করিনি, কিংবা বলিনি যে, নারীরা পুরুষদের চেয়ে কম প্রতিভাবান (যে গ্রাফ গুলো ব্যবহার করেছি সেগুলো সবই জার্নাল থেকে নেয়া এবং হবহু ব্যবহৃত হয়েছে, কিন্তু সেই গ্রাফে বিধৃত নারী পুরুষের প্রতিভা নিয়ে আমি কিন্তু আলাদাভাবে আলোচনা করিনি) |
যেটা আসলে বলার চেষ্টা করেছি তা হল - প্রতিভা সম্ভবতঃ একটি সঙ্গমী মননের অভিব্যক্তি যা আমাদের আদিম পূর্বপুরুষদের দ্বারা সেক্সুয়ালি সিলেকটেড হয়েছিল |
সেটা ছেলে মেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রেই কিন্তু প্রযোজ্য |
আমরা যে স্মার্টনেস পছন্দ করি, কথাবার্তায় উইট পছন্দ করি, ইন্টেলিজেন্স পছন্দ করি - এর কারণ হল আমাদের পূর্বপুরুষেরা সেক্সুয়াল সিলেকশনের মাধ্যমে এই গুণগুলোকে নির্বাচন করেছিল - ঠিক যেভাবে এক ময়ুরী নির্বাচন করে বড় ময়ুরপুচ্ছ বিশিষ্ট পার্টনারকে |
এখানে আসলে ভাল খারাপ বা কম বেশির কিছু নেই |
কিন্তু সেক্সুয়াল সিলেকশনের কিছু ইউনিক ব্যাপার স্যাপার আছে |
সেক্সুয়াল সিলেকশন বেঁচে থাকায় সহায়তা করে না, বরং অনেক সময় স্বাভাবিক গতি ব্যহত করে |
ময়ুরীরা দীর্ঘ ময়ুরপুচ্ছ বিশিষ্ট পার্টনার নির্বাচন করতে করতে এমন কাণ্ড করেছে যে, সেই দীর্ঘপুচ্ছ ময়ুরের জন্য এখন এক বোঝা |
দীর্ঘ ময়ুরপুচ্ছ ওয়ালা ময়ুর অনেক সময়ই ঠিকমত দৌড়াতে পারে না, শত্রু তাড়া করলে আত্মরক্ষা করতে পারে না, কেবল ময়ুরের সঙ্গমী মনকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে তার লেজ বড় করেছে, নাইলে যে ময়ুরী তাকে পছন্দ করবে না |
অনেকে একে ময়ুরীর 'লেজ লিপ্সা' বলে অভিহিত করতে পারেন, কিন্তু সেটাতে বাস্তবতা পাল্টাবে না |
এই ব্যাপারগুলো মানব সমাজেও একটু খোঁজ করলে পাওয়া যাবে |
এখন এই সেক্সুয়াল সিলেকশনের কারণেই, ছেলে মেয়েদের পারস্পরিক চাহিদা পছন্দ, অপছন্দে যেমন মিল আছে, তেমনি আবার কিছু ক্ষেত্রে আছে চোখে পড়ার মতই পার্থক্য |
এটা হবার কথাই |
যৌনতার নির্বাচন শুধু মানব প্রকৃতি গঠনেই সাহায্য করেনি, করেছে নারী-পুরুষের মানস জগৎ তৈরিতে - পলে পলে একটু একটু করে |
আসলে সত্যি বলতে কি যৌনতার নির্বাচনকে পুঁজি করে পুরুষ যেমন গড়েছে নারীকে, তামনি নারীও গড়েছে পুরুষের মানসপটকে |
এক লৈঙ্গিক বৈশিষ্টগুলোর আবেদন তৈরি করেছে আরেক লিঙ্গের চাহিদা |
অভিভাবকেরা সবাই লক্ষ্য করেছেন, মেয়ে শিশুরা ছেলে শিশুদের চেয়ে অনেক আগে কথা বলা শিখে যায় - একই রকম পরিবেশ দেয়া সত্ত্বেও |
ছেলেদের বাচনিক যোগাযোগের ক্ষেত্রগুলো গড়পড়তা মেয়েদের মত উন্নত না হওয়ায় ডাক্তাররা লক্ষ্য করেন পরিণত বয়সে ছেলেরা সেরিব্রাল পালসি, ডাইলেক্সিয়া, অটিজম এবং মনোযোগ-স্বল্পতা সহ বিভিন্ন মানসিক রোগে বেশি আক্রান্ত হয় |
এ ধরনের আরো পার্থক্য আছে |
ব্যবহারিক জীবনে দেখা যায় ছেলেরা যখন কাজ করে অধিকাংশ সময়ে শুধু একটি কাজে নিবদ্ধ থাকতে চেষ্টা করে, এক সাথে চার পাঁচটা কাজ করতে পারে না, প্রায়শই গুবলেট করে ফেলে |
আর অন্যদিকে মেয়েরা অত্যন্ত সুনিপুন ভাবে ছয় সাতটা কাজ একই সাথে করে ফেলে |
এটাও হয়েছে সেই হান্টার -গ্যাদারার পরিস্থিতি দীর্ঘদিন মানসপটে রাজত্ব করার কারণেই |
শিকারী হবার ফলে পুরুষদের স্বভাবতই শিকারের প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখতে হত, ফলে তাদের মানসজগত একটিমাত্র বিষয়ে 'ফোকাসড্' হয়ে গড়ে উঠেছিল, আর মেয়েদের যেহেতু ঘরদোর সামলাতে গিয়ে বাচ্চা কোলে নিয়ে হাজারটা কাজ করে ফেলতে হত, তারা দক্ষ হয়ে উঠেছিল একাধিক কাজ একসাথে করাতে |
সেজন্যই এখনো এডমিনিস্ট্রেটিভ কাজ গুলোতে যেখানে বাচনিক যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ একটা ফ্যাকটর - সেখানে নারীদেরই প্রাধান্য বেশি, কারণ তারাই বেশি দক্ষ |
দেখুন, কেন সংস্কৃতি-নির্বিশেষে ছেলেরা সম্পর্কের মধ্যে থাকা অবস্থায় তার সঙ্গীর সাথে বেশি প্রতারণা করে কিংবা কেন পর্ণগ্রাফির বেশি ভক্ত - এগুলো কেবল 'নারীদের যুগ যুগ ধরে সম্পত্তি বানিয়ে রাখা হয়েছে' কিংবা 'তারা শোষিত' এগুলো দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না |
এর মূল কারণ হচ্ছে যৌনতার পার্থক্যসূচক অভিব্যক্তিগুলোর প্রকাশ |
আরো কিছু ডেটা দেই |
ছেলেদের মস্তিস্কের প্যারিয়েটাল কর্টেক্সের আকার মেয়েদের মস্তিস্কের চেয়ে অনেক বড় হয় |
বড় হয় অ্যামাগদালা নামের বাদাম আকৃতির প্রত্যঙ্গের আকারও |
এর ফলে দেখা গেছে ছেলেরা জ্যামিতিক আকার নিয়ে নিজেদের মনে নাড়াচাড়ায় মেয়েদের চেয়ে অনেক দক্ষ হয় |
তারা একটি ত্রিমাত্রিক বস্তুকে সামনে থেকে দেখেই নিজেদের মনের আয়নায় নড়িয়ে চড়িয়ে ঘুরিয়ে ঘারিয়ে বুঝে নিতে পারে বস্তুটি, পেছন থেকে, নীচ থেকে বা উপর থেকে কিরকম দেখাতে পারে |
জরিপ থেকে দেখা গেছে, ছেলেরা গড়পরতা বিমূর্ত এবং 'স্পেশাল' কাজের ব্যাপারে বেশী সাবলীল, আর মেয়েরা অনেক বেশী বাচনিক এবং সামাজিক কাজের ব্যাপারে |
হয়ত এজন্যই ছেলেরা অধিক হারে স্থাপত্যবিদ্যা কিংবা প্রকৌশলবিদ্যা পড়তে উৎসুক হয়, আর মেয়েরা যায় শিক্ষকতা, নার্সিং, কিংবা সমাজবিদ্যায় |
এই ঝোঁক সংস্কৃতি এবং সমাজ নির্বিশেষে একই রকম দেখা গেছে |
এই রকম সুযোগ দেয়ার পরও বাংলাদেশের অধিকাংশ মেয়েরা বড় হয়ে বুয়েটের চেয়ে মেডিকেলে পড়তেই উদ্গ্রীব থাকে |
কোন সংস্কৃতিতেই ছেলেরা খুব একটা যেতে চায় না নার্সিং-এ, মেয়েরা যেমনিভাবে একটা 'গ্যারেজ মেকানিক' হতে চায় না অধিকাংশ ক্ষেত্রেই |
এটা কি কেবলই মেয়েরা শোষিত কিংবা পিছিয়ে পড়া বলে, নাকি বিবর্তনীয় 'সিলেকশন প্রেশার' তাদের মধ্যে অজান্তেই কাজ করে বলে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁলেই আপনি বুঝতে পারবেন কেন হার্ডকোর বিজ্ঞানে মেয়েদের পদচারণা কম |
তবে সাহিত্য কিংবা সঙ্গীতের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা খাটে না |
সেখানে আমার জানা মতে মেয়েদের প্রতিভা মোটেই কম নয় |
যদি কোন রক্ষণশীল দেশে মেয়েরা পিছিয়ে থাকে, সেজন্য রক্ষণশীল রীতি নীতি এবং পুরুষতান্ত্রিক পরিবেশ যে অনেকাংশে দায়ী - সেটা মোটেই অস্বীকার করা যায় না |
গীতা দাস সেপ্টেম্বর 16, 2010 10:02 অপরাহ্ন - |
আমি কিন্তু নারীকে দজ্জাল বানাইনি মন্তব্যে |
আমি কিন্তু আপনি বানিয়েছেন বলিনি |
বলেছি পুরুষ মন্তব্যকারীদের - |
আর মন্তব্যে নারীদের দজ্জাল বানিয়ে ছাড়লেন |
পুরুষ প্রতিভার অবনতির জন্য নারীদেরই দায়ী করে ছাড়লেন |
এটাই পুরুষদের কারিশমা |
আমি কিন্তু লেখাটির কোথাও নারী পুরুষের তুলনামূলক আলোচনা করিনি, কিংবা বলিনি যে, নারীরা পুরুষদের চেয়ে কম প্রতিভাবান (যে গ্রাফ গুলো ব্যবহার করেছি সেগুলো সবই জার্নাল থেকে নেয়া এবং হবহু ব্যবহৃত হয়েছে, কিন্তু সেই গ্রাফে বিধৃত নারী পুরুষের প্রতিভা নিয়ে আমি কিন্তু আলাদাভাবে আলোচনা করিনি) |
একমত , আপনি তা করেননি |
আমি গ্রাফে উল্লেখিত নারীর অবস্থান নিয়ে আলোচনা প্রত্যাশা করছি |
পরবর্তীতে আশা করি তা পূরণ করুবেন |
যাহোক, আপনার মন্তব্যের পরের ব্যাখ্যাগুলো বরাবরের মতই চমৎকার |
বন্যা আহমেদ সেপ্টেম্বর 16, 2010 10:56 অপরাহ্ন - |
@গীতাদি, ধন্যবাদ আপনি আলোচনায় অংশ নিলেন বলে |
লীনা ছাড়া আর কাউকে খুঁজেনা পেয়ে একটু অবাকই হচ্ছিলাম |
কালকে এ নিয়ে কন্সট্রাক্টিভ সমালোচনা করতে এসে দজ্জাল বউ, রাগী, মুক্তমনা ব্যান করে দেওয়া থেকে শুরু করে অনেক কিছুই শুনতে হয়েছে, যদিও আমি আসলেই কিন্তু রাগ করিনি, এনাদেরকে বহুদিন ধরে চেনার কারনেই ধরে নিয়েছিলাম ওনারা ব্লগীয় মেজাজে ফাজলামোই করছেন এবং আমি সেই স্পিরিটেই নেওয়ার চেষ্টা করেছি |
কিন্তু ওনারা ওনাদের প্রতিভাধর মাথায় তা ঠিক বুঝেছিলেন কিনা তা সম্পর্কে আমি ঠিক নিষচিত নই :- |
প্রতিভার বানে ভেসে যাওয়া পুরুষ না হলেও মস্তিষ্কের একই কোষগুলো ( যেগুলো থেকে ছেলেদের প্রতিভা বের হয় 🙂 ) ব্যবহার করে ছেলে ডমিনেটেড ফিল্ডে কাজ করে খেতে হয় বলে কালকে ফাইনাল রিভিউটা দিতে সময় পাইনি, যদিও বেস কয়েকটা মন্তব্যেই খন্ডিতভাবে হলেও আমার বক্তব্য বলার চেষ্টা করেছিলাম |
আজকেও খুব ব্যস্ত, তাই সংক্ষেপেই সারতে হবে |
সময়ের অভাবে আপনার সবগুলো কথা ঠিক মত পড়ে উঠতে পারিনি, একই কথার পুনারাবৃত্তি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আশা করি |
অভির আরেকটা মন্তব্যের উত্তরে আমার মন্তব্যটা দিয়ে দিচ্ছি |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.