content
stringlengths
0
129k
[20] লীনা রহমান, রুমানা মঞ্জুর ও নরকদর্শন, জুন ২০, ২০১১, মুক্তমনা
[21] , , , 1988
সখি, ভালবাসা কারে কয়? <আগের পর্ব : পর্ব-১
পর্ব-৩| পর্ব-৪| পর্ব-৫ | পর্ব-৬>
পোস্ট শেয়ার করুন
: অভিজিৎ
অভিজিৎ রায়
লেখক এবং প্রকৌশলী
মুক্তমনার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক
আগ্রহ বিজ্ঞান এবং দর্শন বিষয়ে
নিউটনীয় মহাবিশ্ব ও জড়তার উৎস
নিউটনীয় মহাবিশ্ব ও জড়তার উৎস
নভেম্বর 27, 2021 | 1
এক মানবিক পৃথিবীর পথ
এক মানবিক পৃথিবীর পথ
সেপ্টেম্বর 23, 2021 | 1
ধর্ষণ কি আদৌ কোনো অপরাধ?
ধর্ষণ কি আদৌ কোনো অপরাধ?
সেপ্টেম্বর 14, 2021 | 2
মাটি- মহাকাশের সঙ্গে জীবনের যোগ খুজতে
মাটি- মহাকাশের সঙ্গে জীবনের যোগ খুজতে
জুলাই 6, 2021 | 3
"আত্মীয়তার প্রমাণাদি"
"আত্মীয়তার প্রমাণাদি"
জুন 26, 2021 | 5
154
সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড মার্চ 6, 2012 8:00 অপরাহ্ন -
অভিজিৎ দা @ ডোরোথি স্ট্র্যাটেন এর কথা আমি অনেক আগের বেগম ম্যাগাজিন এ পড়েছিলাম
খুব বিশদ রিপোর্ট ছিল
ছবিগুলো মর্মান্তিক
বহু দিন পর আবার ডরথি এর কথা পড়লাম
লেখাটা খুব সুন্দর হয়েছে,আমি অনেক কিছুই জানি না,কিন্তু আপনার লেখা বেশ বুঝতে পারি
রাহনুমা রাখী জুন 30, 2011 10:53 অপরাহ্ন -
চমৎকার লাগল
অসাধারন একটি বিশ্লেষণী পোষ্ট
সেক্সুয়াল জেলাসি নিয়ে কিছুটা ধারনা ছিল
তবে এই লেখাটি পড়ে আমার ধারনা অনেকখানি স্পষ্টতা পেল
ধন্যবাদ অভিদা কে
তবে রুমানার এইরকম সহনশীল আচরনের পিছনের কারনটির উপর তেমন আলোকপাত করা হয়নি বলে আমার মনে হয়
বিবর্তন পুরুষ নারীতে ঈর্ষার কোন 'আলাদা মেকানিজম' তৈরি করেনি, বরং নারী পুরুষ উভইয়ই ঈর্ষাকেন্দ্রিক একই মেকানিজমের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, কেবল এর পরিস্ফুটন পরিস্থিতিভেদে ভিন্ন হয়
অধ্যাপক বুলারের অভিমতকে আমার বেশি যুক্তিযুক্ত মনে হয়েছে
বিবর্তন নিয়ে আমার জ্ঞান আপনার মত বিশাল নয়
তবে আমি যতটুকু জানি বিবর্তন আমাদের আচার ব্যবহার ও প্রয়োগের উপর নির্ভর করে
সেক্ষেত্রে 'সেক্সুয়াল জেলাসি' থেকে মুক্তির আদৌ কি কোনো পথ আছে?
অভিজিৎ জুলাই 3, 2011 7:52 পূর্বাহ্ন -
@রাহনুমা রাখী,
ধন্যবাদ আপনার চমৎকার মন্তব্যের জন্য
হ্যা বুলারের সমালোচনাগুলোকে আমারো বেশ শক্তিশালী আর যৌক্তিক মনে হয়
তবে বুলারের সমালোচনাগুলোরও আবার উত্তর দিয়েছেন বিবর্তন মনোবিজ্ঞানীরা, তবে সেটা আবার ভিন্ন প্রসংগ
আমি যতটুকু জানি বিবর্তন আমাদের আচার ব্যবহার ও প্রয়োগের উপর নির্ভর করে
এ নিয়ে বেশ কিছু আলোচনা হয়েছে উপরে, আমার আল্লাচালাইনা, সফিক এবং অপার্থিবের উত্তর গুলো দেখতে পারেন
ধন্যবাদ আবারো মন্তব্যের জন্য
তামান্না ঝুমু জুন 30, 2011 8:27 অপরাহ্ন -
মাঝে মাঝে মেয়েদেরকেও আক্রমনাত্নক আচরণ করতে দেখা যায়
কখনো কখনো তাদেরকে স্বামী অথবা প্রেমিককে হত্যা করতে দেখা যায়
কখনো কখনো তারা আত্নঘাতিনীও হ'য়ে থাকে
একবার "ক্রাইম পেট্রল" নামে একটি ইন্ডিয়ান রিয়েলিটি শোতে দেখেছিলাম, এক মহিলা পরকীয়া প্রেমে পড়ে প্রেমিকের সাথে পালিয়ে যাওয়ার জন্য নিজ হাতে তার পাঁচ বছরের শিশু কন্যাকে হত্যা করেছে
বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞান এ ব্যাপারে কী বলে?
অভিজিৎ জুলাই 2, 2011 12:49 পূর্বাহ্ন -
@তামান্না ঝুমু,
আমি কিন্তু লেখার শুরুতেই ইঙ্গিত করেছি যে, বিবর্তন মনোবিজ্ঞানের ফলাফলগুলো পারিসাংখ্যিক সীমায় বিস্তৃত, কারও ক্ষেত্রে কম, কারও ক্ষেত্রে বা বেশি, এখানে 'ওয়ান টু ওয়ান রিলেশনশিপ' খোঁজার অবকাশ নেই
যেমন, বলা হয়েছে - পুরুষদের যৌন ঈর্ষা বা সেক্সুয়াল জেলাসি নারীর চেয়ে বেশি, তার মানে কিন্তু এই নয় যে এমন কোন পুরুষ পাওয়া যাবে না যার সেক্সুয়াল জেলাসি গড়পড়তা নারীর চেয়ে কম হতে পারে
একটা সাধারণ উদাহরণ দিলেই ব্যাপারটা বুঝবেন
যেমন, আপনি জানেন ছেলেদের গড়পরতা উচ্চতা মেয়েদের উচ্চতার চেয়ে বেশি, কিন্তু অবশ্যই এমন অনেকে মেয়েই আছে যে, যাদের উচ্চতা আমার উচ্চতার চেয়ে বেশি হতেই পারে
আমরা মূলতঃ বিবর্তনের ফলাফলের উল্লেখ করি তখন গড়পরতা ট্রেন্ডের কথাই বলি
অধ্যাপক বাসের ঈর্ষা সংক্রান্ত গবেষণার ফলাফলটিই দেখুন আরেকবার
প্রায় ৮৩ শতাংস নারীর ক্ষেত্রে ইমোশনাল জেলাসির সন্ধান পাওয়া গেছে, আর ছেলেদের ক্ষেত্রে সেটি পাওয়া গেছে শতকরা ৪০ ভাগ
তারমানে গড়পরতা কম হলেও অন্ততঃ শতকরা ৪০ জনের ক্ষেত্রে এমন পুরুষ পাওয়া যাবে যারা ইমশনালি জেলাস, সেক্সুয়ালি নয়
আবার শতকরা ৬০ ভাগ ছেলে মত দিয়েছে তার সঙ্গী তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে অন্য কারো সাথে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তুললে সেটা তাকে চরম ঈর্ষাকাতর করে ফেলবে
মেয়েদের ক্ষেত্রে সেটা পাওয়া গেছে মাত্র ১৭ ভাগ
তারমানে কম হলেও ১৭ ভাগ মেয়েদের ক্ষেত্রে সেক্সুয়ালি জেলাসির সন্ধান পাওয়া গেছে
কাজেই সে সমস্ত মেয়েরা যৌন ঈর্ষার বশর্বর্তী হয়ে হত্যা করতে পারবে না তা নয়
আমি ক্লারা হ্যারিস নামের এক মহিলার কথা পড়েছিলাম যিনি তার স্বামীর এডাল্ট্রির কথা জানতে পেরে গাড়ি চালিয়ে অফিসে গিয়ে গাড়ি চাপা দিয়ে তার স্বামীকে হত্যা করেছিলেন (এখানে দেখুন)
কিছুদিন আগে পত্রিকায় এসেছিল পরকীয়ার কারণে নিজের সন্তান সামিউলকেও হত্যা করেছিল এক মা
এগুলো সব সমাজেই ঘটে, কিন্তু কম পরিমাণে ঘটে
কারণ, মেয়েদের মধ্যে এ সংক্রান্ত জেলাসির প্রতিক্রিয়া কিংবা সহিংসতা গড়পরতা কম, কিন্তু তা বলে কখনোই একেবারে শুন্য নয়
তামান্না ঝুমু জুলাই 2, 2011 1:33 পূর্বাহ্ন -
বুঝতে পেরেছি, ধন্যবাদ বুঝিয়ে বলার জন্যে
কৌস্তুভ জুন 30, 2011 12:04 অপরাহ্ন -
অভিজিৎদার লেখায় মন্তব্য দিয়েই মুক্তমনায় বউনি করি
প্রথম কমেন্টে বেশি কিছু লিখছি না, সবগুলো মন্তব্যও পড়া হয়ে ওঠেনি
তবে এই সিরিজটা দারুণ লাগছে, সেটা তো বলতেই হবে
তবে একটাই 'জ্ঞানগর্ভ' কথা বলি, যেহেতু সেই দিকটা লেখায় দেখলাম না (পরে আসবে হয়ত)
এই ঈর্ষা থেকে, যৌনসঙ্গী/জীবনসঙ্গীকে সুপথে রাখার জন্য যেসব ভয়ডর দেখানো হয়, তার একটা অংশই কিন্তু ক্রমে ধর্মীয় অনুশাসনে রূপ নিয়েছে
আর কথায় যে বলে, মেয়েরাই মেয়েদের বড় শত্রু, তারাই নিজের শ্রেণীর অন্যদের বিধিনিষেধের বাঁধন পরিয়ে রাখতে চায়, তার পেছনেও হয়ত এই থিওরি কিছুটা আছে - সব মেয়ে যদি তাদের নিজের নিজের স্বামীর প্রতিই কেবল অনুগত হয়, তাহলে আমার স্বামীর অন্য মেয়েদের কাছে চলে যাবার সম্ভাবনা কম, এইটা হয়ত একটা মোটিভেশন যা থেকে বেশি 'আধুনিকা'দের 'ঘরোয়া' মেয়েরা নিন্দা করে
অভিজিৎ জুন 30, 2011 6:04 অপরাহ্ন -
() মুক্তমনায় বউনি করার শুভেচ্ছা
কৌস্তভ দাদার আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম 😛
কৌস্তুভ জুলাই 1, 2011 4:35 পূর্বাহ্ন -
@অভিজিৎদা,
"স্বর্গ হইতে কিচ্ছু তবু পুষ্পবৃষ্টি হইল না?" 😛
আপনাকে আমার অনেকই ধন্যবাদ দেওয়া উচিত, কষ্ট করে আইডি বানিয়ে এখানে ঢোকার সুযোগ করে দিয়েছেন বলে, কিন্তু দেব না-ই ভাবছি, কারণ লং-টার্মে আরেকটা নেশা ধরালেন বলে মনে হচ্ছে :))
হেলাল জুন 30, 2011 9:50 পূর্বাহ্ন -
আমি বলতে চেয়েছিলাম- বেশীর ভাগ ডিভোর্স ঘটে স্বল্প সময়ের সমস্যা সমাধানে, ধরুন- পরকীয়া হয়তো একটা কারণ
এটাকে কি স্বল্প সময়ের একটা সমস্যা হিসেবে দেখা যায়না? ডিভোর্সের আগে এসব বিষয়গুলো নিয়ে শুধু নিজেদের মধ্যে ঝগড়া ফেসাদ না করে অভিভাবক, তথা সামাজিক কোন সংস্থা, প্রয়োজনে চিকিৎসা ইত্যাদির সাহায্য নিলে হয়তো বিষয়টা ঠিকই মিটমাট করা যায়
পরকীয়ার মত বিষয়টা কি সর্ট টার্ম সমস্যা বলা যায় না, নাকি কেউ একবার পরকীয়া করলেই সে চিরতরে নষ্ট হয়ে গেল? একগুঁয়েমি , জেদ ইত্যাদিই বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে ডিভোর্সের কারণ মনে হয়
অথচ ডিভোর্সের ফলে মনোদৈহিক ভাবে, পারিবারিক ( সন্তান থাকলে) তথা সামাজিক ভাবে অনেক ত্যাগই স্বীকার করতে হয়
শুধু পরকীয়া না, তুচ্ছ টাকা পয়সা নিয়ে, পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে মনোমানিল্য নিয়ে ইত্যাদি অনেক বিষয়ই সর্ট টার্ম সমস্যা যা ডিভোর্স পরবর্তী সমস্যার মত হয়তো এত জটিল না অথচ এসব বিষয় নিয়েও ডিভোর্স হচ্ছে