content
stringlengths 0
129k
|
|---|
তবে সব ডিভোর্স যে এরকমই তা বলছি না, আবার আমি এও বলছিনা কোন কোন ক্ষেত্রে ডিভোর্সের প্রয়োজন নায়
|
সমাজে এত এত উদাহরণ থাকতে ডাটার কি খুব প্রয়োজন আছে? তবে আপনার যুক্তি এর উল্টোটা হলে অথবা ডাটা থাকলে দয়া করে দিতে পারেন
|
অভিজিৎ জুলাই 1, 2011 11:20 পূর্বাহ্ন -
|
আসলে ব্যাপারটা এতো সোজা না, হেলাল
|
আমি জানি না আপনি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গ্রামে গঞ্জে ঘটা - তালাক, তালাক, তালাক বলে তিন তালাক ধ্বনি দিয়ে ডিভোর্সের কথা বলছেন কিনা, তবে আধুনিক বিশ্বে ডিভোর্স মানে স্বল্প সময়ের হিসেব নয় কিন্তু
|
মুলতঃ যখন কোন দম্পতি ডিভোর্সের ফাইল করতে যায়, তাদের প্রথমে কোর্টের নির্দেশে দীর্ঘ সময় ধরে (প্রায় এক বছরের মতো) সেপারেশনে থাকতে হয়, তারপর আরো বছর খানেক ধরে কাঠখড় পুড়িয়ে ডিভোর্স করতে হয়
|
এর মধ্যে চাইল্ড কাস্টোডি, হ্যানো ত্যানো যুক্ত হলে আর কথাই নাই
|
ফলে ব্যাপারটা আপনি যেভাবে স্বল্প সময়ে রাগের মাথায় ডিভোর্স করার কথা বলছেন - তা পাশ্চাত্য আইনের প্রেক্ষাপটে অন্ততঃ সঠিক নয়
|
সেখানে যারা বিবাহ বিচ্ছেদে যান, তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রে সব কিছু চিন্তা ভাবনা করেই করেন, দীর্ঘমেয়াদী সময় ধরেই সব কিছু করেন
|
এমনকি সেপারেশনে থাকাকালীন সময়ে ম্যারেজ কাউন্সিলরের কাছেও যান, এর মধ্যে ফেরার সুযোগ থাকলে, ফিরতে তো কোন বাধা নেই
|
তারপরেও যখন ডিভোর্স হচ্ছে, তখন বহুক্ষেত্রেই যৌক্তিক কারণেই বিয়ে হচ্ছে বলে ধরে নিতে হবে
|
অন্ততঃ আমার অবসার্ভেশন তাই
|
তবে হ্যা, পশ্চিমে মেয়েরা রুমানার মত দু চোখ খুবলে নেয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করে ডিভোর্স করে না, এটা নিশ্চিত
|
সংশপ্তক জুন 30, 2011 4:19 পূর্বাহ্ন -
|
জীবন মাত্রই বিবাহিত কিংবা তালাকপ্রাপ্ত(প্রাপ্তা) অথবা যুগলবন্দী হতে হবে এমন কোন কথা নেই
|
পৃথিবীতে দাম্পত্য অথবা যুগলবন্দী জীবনের বাইরেও বহু মানুষ স্বাচ্ছন্দে একক জীবন যাপন করছেন এবং তারা দাম্পত্য জীবনকে আক্কেল দাঁতের ব্যথার মতই মিস করেন
|
তাদের সংখ্যা হয়তো বা যে সকল দেশে "মধ্যয়ুগীয় সংস্কৃতি" চালু রয়েছে সেখানে নেহায়েৎ কম , কিন্তু গনতান্ত্রিক বিশ্বে ক্রমবর্ধমান
|
একজন মানুষ যখন একা স্বাচ্ছন্দ জীবন যাপন করছেন , তখন তার কি এমন দায় পড়েছে যে খাল কেটে কুমীর আমদানী করতে হবে ? এসব সহজ বিষয় বুঝতে বিজ্ঞানী হওয়ার দরকার নেই , লবন জ্ঞানই যথেষ্ঠ
|
প্রতিষেধকের চাইতে প্রতিরোধক অনেক বেশী কার্যকরী
|
একজন মানুষকে কেন বিয়ে শাদী , সম্পর্ক বা পার্টনারশীপের নামে আরেকজনকে গলায় বেধে নিয়ে সারাদিন ঘুরতে হবে - এই প্রশ্নের উত্তর সবার আগে খোঁজা জরুরী
|
রৌরব জুন 30, 2011 4:42 পূর্বাহ্ন -
|
@সংশপ্তক, ()
|
টেকি সাফি জুন 30, 2011 4:56 পূর্বাহ্ন -
|
একজন মানুষকে কেন বিয়ে শাদী , সম্পর্ক বা পার্টনারশীপের নামে আরেকজনকে গলায় বেধে নিয়ে সারাদিন ঘুরতে হবে - এই প্রশ্নের উত্তর সবার আগে খোঁজা জরুরী
|
মানুষ সবসময় চাইছে সমাজে থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে যেটা আমি একলা একলা মনপুরা দ্বীপে বসে পেতাম না
|
এর এই থেকেই মনে হয় পার্টনারশীপ ব্যাখ্যা করা যায়, ধরুন একটা গ্রুপ আয়ন যারা কাছাকাছি থাকতে চায়, এখন যদি ,,,,,,, নামের অনুগুলো কাছাকাছি হতে গিয়ে "" অবশ্যই খুব কাছাকাছি থাকবে অন্য আরো একটা বা দুটো অনুর
|
একই কথা অন্য অনুগুলোর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, আর সবচেয়ে পাশাপাশি থাকা অনুগুলোই পরিচিত হচ্ছে একে অপরের পার্টনার হিসেবে
|
আমি খুব সাধারনভাবে যেটা বলতে চাচ্ছি সেটা হলো, সবগুলো অনুই যদি পার্টনার ওমিট করে তাহলে কিন্তু কোন ক্লাস্টারই তৈরী হবে না
|
আর এই পার্টনার হিসেবে প্রকৃতি আবার দিয়েছে বিপরীত লিঙ্গের মানুষকে, এর মূল উপযোগীতা মনে হয় বংশবৃদ্ধি
|
এখন যেটা আমাকে ভাবায়, ধরুন ক্লাষ্টারে "" যদিও "" ও "" দুইটা বিপরীত লিঙ্গের কাছাকাছি আছে কিন্তু "" শুধুমাত্র "" কেই কেন বেছে নিচ্ছে? তবে সরল উত্তর অভিজিৎ ভাইয়ের আগের পোষ্টগুলোতেই আছে মনে হচ্ছে
|
সংশপ্তক জুন 30, 2011 5:11 পূর্বাহ্ন -
|
@টেকি সাফি,
|
এখন যেটা আমাকে ভাবায়, ধরুন ক্লাষ্টারে "" যদিও "" ও "" দুইটা বিপরীত লিঙ্গের কাছাকাছি আছে কিন্তু "" শুধুমাত্র "" কেই কেন বেছে নিচ্ছে
|
নিচ্ছে না
|
, Ꝿ . H বা এর আবির্ভাব সময়ের ব্যপার মাত্র এবং তা ভাবেই ঘটে যদি পর্যবেক্ষনের জন্য যথেষ্ট সময় দেয়া যায়
|
এখানে অনুঘটকের সংখ্যা অসীম
|
প্রতিফলন জুন 29, 2011 7:23 অপরাহ্ন -
|
চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞানের ব্যাখ্যা আর সেই সাথে আপনার বক্তব্য
|
মন্তব্যগুলোও উপভোগ্য
|
মেয়েদেরও ঈর্ষা হয়, প্রবলভাবেই হয় - তবে, বিবর্তন মনোবিজ্ঞানীদের অভিমত হল - সেটা ঠিক 'সেক্সুয়াল জেলাসি' নয়
|
মেয়েরা বিবর্তনীয় পটভুমিকায় একজন পুরুষকে রিসোর্স বা সম্পদ হিসেবে দেখে এসেছে
|
কাজেই একজন পুরুষ একজন দেহাপসারিনীর সাথে যৌনসম্পর্ক করলে মেয়েরা যত না ঈর্ষান্বিত হয়, তার চেয়ে বেশি হয় তার স্বামী বা পার্টনার কারো সাথে রোমান্টিক কিংবা 'ইমোশনাল' সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লে
|
ঠিক মানতে পারছিলাম না - 'সেক্সুয়াল' জেলাসি আর 'ইমোশনাল' জেলাসিকে এমন মোটা দাগে আলাদা করা যায় কি? তাইতো [9] নং রেফারেন্সটা একটু ঘেটে দেখছিলাম
|
লেখকগণ উপসংহারে এ গবেষণার সীমাবদ্ধতার যেসব দিক দেখিয়েছেন সেখান থেকেই উদ্ধৃত করছি -
|
, , ' . .
|
ইমোশনাল আর সেক্সুয়াল জেলাসির রসায়ন একটা অন্যতম বিচার্য বিষয় হতে পারে
|
আমার কাছেতো মনে হয় - ইমোশনাল থেকে সেক্সুয়াল সম্পর্কে জড়ানোর হার উল্টোটার চেয়ে বেশি
|
তাই ইমোশনাল জেলাসিকে বরং তীব্রতর জেলাসি মনে হয়
|
এ ব্যাপারে অন্যদের মতামত জানতে আগ্রহী
|
অভিজিৎ জুন 30, 2011 6:02 অপরাহ্ন -
|
@প্রতিফলন,
|
আপনার বেশ কিছু চমৎকার মন্তব্য পড়লাম এ লেখায়
|
আগে উত্তর দিতে পারিনি বলে দুঃখিত
|
আপনি যে রেফারেন্স খুঁজে নিয়ে বাসের পেপারটা পড়েছেন সেটা খুবই অনুপ্রেরণাময়
|
হ্যা আপনি ঠিকই বলেছেন, সেক্সুয়াল' জেলাসি আর 'ইমোশনাল' জেলাসিকে সব সময় যে মোটা দাগে আলাদা করা যায় তা বোধ হয় নয়
|
এই সংক্রান্ত গবেষণাগুলোর বেশিরভাগই থট এক্সপেরিমেন্টের আশ্রয় নিয়ে সমীক্ষাগুলো চালিয়েছে
|
এর পদ্ধগত সমালোচনা হাজির করেছেন ডেভিড বুলার যে আমার লেখায় আমি বলেছি
|
তারপরেও আমি মনে করি, নারীরা যখন গর্ভধারণের পুরো পক্রিয়া নিজেদের মধ্যে ধারণ করে, আর কোন পুরুষই শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে নিজের পিতৃত্ব প্রমাণ করতে পারে না (অন্ততঃ আধুনিক ডিএনএ টেস্টগুলো আসার আগে পারে নাই), তাই পরকীয়া আর কোকিলাচরণ সংক্রান্ত 'এডাপ্টিভ সমস্যা'গুলো মোকাবেলা করতে পুরুষেরা অধিকতর বেশি যৌন ঈর্ষায় ভুগেছে, এটা হয়তো অত্যুক্তি নয়
|
মুক্তমনায় আরো লিখুন
|
প্রতিফলন জুন 30, 2011 11:46 অপরাহ্ন -
|
এটা হয়তো অত্যুক্তি নয়
|
যতদিন কোন কিছু অভ্রান্তভাবে প্রমাণিত না হবে, ততদিন মনে হয় 'হয়তো' আর 'মনে হয়' এর উপরেই চলতে হবে
|
বাসার জুন 29, 2011 5:08 অপরাহ্ন -
|
আপনার লেখা আসলেই সুন্দর
|
সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ
|
হেলাল জুন 29, 2011 10:07 পূর্বাহ্ন -
|
@বিপ্লবদা,
|
সম্পূর্ণ একমত
|
ডিভোর্সের ক্ষেত্রে পারিবারিক ফ্যাক্টরগুলোকে নির্দিষ্ট কোন ফ্রেমে ভাগ করা যায়না
|
বেশীর ভাগ ডিভোর্স ঘটে স্বল্প সময়ের সমস্যা সমাধানে ( হয়তো বিকল্প সমাধানগুলো চেষ্টাই করা হয়না, যেমন- কোন মধ্যস্থতাকারির মাধ্যমে আলাপ-আলোচনা, কিছুদিন দুরে থাকা ,সামাজিক কোন সংস্থার সাহায্য এবং প্রয়োজনে চিকিৎসা ইত্যাদি
|
) কিন্তু দেখা যায় এতে দীর্ঘ মেয়াদি সমস্যা ডেকে আনে
|
ডিভোর্সি পুরুষ মহিলাদের মানসিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিষয়গুলোর উপর কোন জরিপ আছে কিনা জানা নায়, তবে বাহ্যিক চোখে যা দেখা যায়, ডিভোর্সের পরের অবস্থা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে করুণই হয়
|
পারিবারিক নির্যাতনকে পারিবারিক তথা সামাজিক রোগ হিসেবে দেখলেই সমস্যা সমাধান করার চিন্তা মাথায় আসবে
|
বন্যা আহমেদ জুন 30, 2011 3:25 পূর্বাহ্ন -
|
বেশীর ভাগ ডিভোর্স ঘটে স্বল্প সময়ের সমস্যা সমাধানে ( হয়তো বিকল্প সমাধানগুলো চেষ্টাই করা হয়না, যেমন- কোন মধ্যস্থতাকারির মাধ্যমে আলাপ-আলোচনা, কিছুদিন দুরে থাকা ,সামাজিক কোন সংস্থার সাহায্য এবং প্রয়োজনে চিকিৎসা ইত্যাদি
|
) কিন্তু দেখা যায় এতে দীর্ঘ মেয়াদি সমস্যা ডেকে আনে
|
আপনার এই মন্তব্যটার পিছনের ডাটাগুলো কি একটু দিতে পারবেন এখানে?
|
বিপ্লব পাল জুন 28, 2011 11:25 অপরাহ্ন -
|
প্রেম সংক্রান্ত ব্যপারে বৈজ্ঞানিক সূত্রর ফর্মেশন আদৌ সম্ভব কি?
|
মেটিং ভ্যালু দেখে মেয়েরা প্রেমে পড়ে একটু বয়স কালে-কম বয়সে অধিকাংশ মেয়েদের প্রেমে পড়ার মূল কারন "ছেলেটির টাইম ইনভেস্টমেন্ট"-মেটিং এর ক্ষেত্রে রূপের ভূমিকা আছে তবে সম্পদের ভূমিকাটা খুব পরিষ্কার না
|
বন্যার ডিভোর্সের ব্যপারের বক্তব্য যেটা রেখেছে-সেক্ষেত্রেও সূত্রের ফর্মেশন সম্ভব না
|
সবটাই পর্যবেক্ষণ
|
অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ডিভোর্সের অন্যতম কারন
|
আর আমেরিকান সমাজে ডিভোর্স একদম স্টিগমালেস তাও না- ডিভোর্সের ইতিহাস না থাকলে এখানেও ফামিলি ওরিয়েন্টেড নেবারহুডে অনেক বেশী গ্রহণযোগ্যতা পাওয়া যায় বলেই আমার ধারনা-যদিও ডীভোর্সী ফামিলিগুলিও ছেলে মেয়েদের সমান ভাল ভাবেই মানুষ করছে
|
ডিভোর্স না করলে, লোকটা স্টেবল, নির্ভরযোগ্য এমন ধারনা চাকরিদাতা অনেক সময় পোষন করে-প্রতিবেশীরাও করে
|
ছেলের স্কুলে ফাদার ডে তে গিয়ে ডিভোর্সী বাপেদের করুণ অবস্থা দেখে ডিভোর্স নিয়ে খুব উচ্চ ধারনা পোষণ করার কারন দেখি না
|
ডীভোর্সী কলিগদের দেখেও একই মতামত দেব
|
প্রাণ সংশয় না থাকলে বা খুব অত্যচারী না হলে বা ডিভিশন অব লেবার না মানলে-এই রকম একস্ট্রীম কেস ছারা ডিভোর্স করা উচিত না
|
মিটমাট করাই ভাল
|
সমাজ খুব জটিল সিস্টেম-এখানে সূত্রের ফর্মেশন সম্ভব-তবে সেগুলিকে ধ্রুব সত্য বলে না ভাবাই ভাল
|
বন্যা আহমেদ জুন 29, 2011 12:35 পূর্বাহ্ন -
|
@বিপ্লব পাল, আমি এখানে সূত্রের ফর্মেশনের কথা যেরকম বলছিলাম না, তেমনি কোন ধ্রুব সত্য নিয়েও মন্তব্য করছিলাম না
|
ফরিদ ভাইয়ের কথার পরিপ্রেক্ষিতে খুব সোজা একটা কথা বলার চেষ্টা করেছিলাম, সমাজে এই ডিভোর্সের ব্যাপারটা গ্রহণযোগ্য না হলে এই ধরণের নিপীড়ণকারী অবস্থাগুলোতেও মেয়েরা বেড়িয়ে আসতে পারবে না এবং সংখ্যাগতভাবে এখনো কম হলেও, অবস্থার পরিবর্তনের সাথে সাথে আমাদের দেশের মেয়েরাও ক্রমশঃ এ ব্যাপারে বোল্ড পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে
|
এখানে 'অধিকার' নিয়ে কথা হচ্ছিল, ডিভোর্স করা ঠিক কী ঠিক নয়, কোন সূত্র আছে কী নেই তা নিয়ে নয়
|
তবে একটা কথা আমি খুব দৃঢ়ভাবেই বিশ্বাস করি যে, অধিকারটা নিশ্চিত হলে কে কোন অবস্থায় ডিভোর্স করবে সেটা তাদের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয় হওয়া উচিত, আমার বা তোমার 'উচিত' কী 'অনুচিত' বলার কোন অধিকার এখানে নেই
|
আর খুব কাছে থেকে দেখা বহু অভিজ্ঞতার প্রেক্ষিতেই বলছি যে, আমেরিকায় চাকরি এবং সামজিকভাবে ডিভোর্সিদের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও আমি তোমার সাথে সম্পূর্ণভাবে একমত নই, কিন্তু সে আলোচনায় এখন আর ঢুকতে চাই না
|
বিপ্লব পাল জুন 29, 2011 3:04 পূর্বাহ্ন -
|
@বন্যা আহমেদ,
|
এই ধরণের নিপীড়ণকারী অবস্থাগুলোতেও মেয়েরা বেড়িয়ে আসতে পারবে
|
এগুলো সংজ্ঞায়িত করা মুশকিল-একই জিনিস কারুর কাছে গ্রহনযোগ্য বা অগ্রহণযোগ্য হতে পারে
|
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.