content
stringlengths
0
129k
সুতরাং এটার ফয়সালাটা আগে জরুরী বলে আমি মনে করি
তামান্না ঝুমু জুন 30, 2011 8:14 অপরাহ্ন -
সাইদ মিয়া আল্লাহর বিধান মতই আচরন করেছে
সে তার স্ত্রীর মধ্যে অবাধ্যতার সম্ভাবনা দেখতে পেয়েছিল, তাই তাকে পিটিয়েছে
তাই সে আল্লাহর বিধান অনুযায়ী কোন অন্যায় করেনি
আর পিটানোর সময় হাড় গোড় ভাংতেই পারে বা চোখ নষ্ট হয়ে যেতে পারে
সাইদ মিয়া ইসলামিক স্বামীর যথার্থ আচরনই করেছে
সাইদ রুমানাকে আক্রমণ করার আগে কোরানের এই আয়াতটি স্মরণ করেছে ব'লে মনে হয়না
আমার মনে হয় সে কাজটি করেছে ঈর্ষা পরায়ন হয়ে
সে ধীরে ধীরে দৃষ্টি প্রতিবন্ধি হতে চলেছিল, সে জন্য পড়াশোনা শেষ করতে পারেনি,ব্যবসাতেও সফলতা অর্জন করতে পারেনি
অপর দিকে রুমানা দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন এবং পেশা ও পড়াশোনাতে সর্বোচ্চ সম্মানীত আসনে অধিষ্ঠিত ও তার চেয়ে হাজার গুণ এগিয়ে, এটা সে মেনে নিতে পারেনি
তাই রুমানার উপর তারএই হিংস্র আক্রমণ
ভবঘুরে জুন 30, 2011 9:16 অপরাহ্ন -
@তামান্না ঝুমু,
একই সাথে এ ব্যখাও থাকা দরকার যে রুমানার স্বামী ঈর্ষা বা গায়ের জোরে তার ওপর অত্যাচার করার পর সে নৈতিকভাবে নিজেকে দোষী সাব্যস্ত করে কি না
উপরে মূল মন্তব্যে আমি আপনার বক্তব্য স্বীকার করে নিয়েছি
আমার মূল বিষয় ছিল এত বড় একটা অমানবিক কাজ ঈর্ষা বশত: করার পর সাইদ মিয়া নৈতিকভাবে অনুতপ্ত বোধ করে কি না
যদি সে অনুতপ্ত বা অপরাধ বোধ না করে তাহলে তা ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে অন্যায় কিছু না, সেটাই ছিল আমার মূল বক্তব্য
ধর্মীয় কিতাব যদি স্বামীকে স্ত্রীকে মারধোর করার যথেচ্ছ অধিকার দিয়ে থাকে সেখানে স্বামী তো কখনই এ ধরনের অপরাধ করার পর নিজেকে অপরাধী মনে করবে না , এমনকি অনুতপ্ত বোধও করবে না
নারী নির্যাতনের এটাই সবচেয়ে বড় কারন বলে আমি মনে করি আমাদের সমাজে
আশা করি এবার বুঝতে পেরেছেন
অভিজিৎ জুন 30, 2011 9:26 অপরাহ্ন -
@তামান্না ঝুমু,
সাইদ রুমানাকে আক্রমণ করার আগে কোরানের এই আয়াতটি স্মরণ করেছে ব'লে মনে হয়না
আমার মনে হয় সে কাজটি করেছে ঈর্ষা পরায়ন হয়ে
সে ধীরে ধীরে দৃষ্টি প্রতিবন্ধি হতে চলেছিল, সে জন্য পড়াশোনা শেষ করতে পারেনি,ব্যবসাতেও সফলতা অর্জন করতে পারেনি
অপর দিকে রুমানা দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন এবং পেশা ও পড়াশোনাতে সর্বোচ্চ সম্মানীত আসনে অধিষ্ঠিত ও তার চেয়ে হাজার গুণ এগিয়ে, এটা সে মেনে নিতে পারেনি
তাই রুমানার উপর তারএই হিংস্র আক্রমণ
পুরোপুরি একমত
পত্র-পত্রিকায় কোথাও প্রকাশিত হয়নি যে, সাইদ খুব ধার্মিক ব্যক্তি ছিলো, কিংবা রুমানা সাইদের পরিবার খুব ধর্মপরায়ন ছিলো, বরং আধুনিক জীবনেই অভ্যস্থ ছিলেন তারা বলে জানা গেছে
তাই ধর্মের কারণে এই হিংস্রতা ঘটেছে বলে আমিও মনে করিনা, অন্ততঃ এক্ষেত্রে নয়
হ্যা ধর্মের কারণে নারী নির্যাতন হয়, অনেকই হয়, কিন্তু এই প্রেক্ষাপটে পুরুষালী ঈর্ষাটাই আমার কাছে প্রধান মনে হয়েছে
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ
পাপিয়া চৌধুরী জুন 30, 2011 11:09 অপরাহ্ন -
আমার মনে হয় সূরা নিসা'র ৩৪ নম্বর আয়াতটি না থাকলেও হাসান সাইদ রুমানাকে ছেড়ে দিতেন না
জৈবিক ঈর্ষাপ্রসূত ক্রোধ এই ঘটনার মূল কারণ
ডরোথিকে হত%
পাপিয়া চৌধুরী জুন 30, 2011 11:19 অপরাহ্ন -
@পাপিয়া চৌধুরী,
আমার মনে হয় সূরা নিসা'র ৩৪ নম্বর আয়াতটি না থাকলেও হাসান সাইদ রুমানাকে ছেড়ে দিতেন না
জৈবিক ঈর্ষাপ্রসূত ক্রোধ এই ঘটনার মূল কারণ
ডরোথিকে হত্যা করার পেছনেও ছিল স্নাইডারের এমনই এক চিন্তার প্রক্ষেপন, যা লেখক এই লেখায় উদাহরণ হিসেবে টেনেছেন
লেখক উপরোক্ত মন্তব্যে বলেছেন, রুমানা সাইদের পরিবার আধুনিক জীবনে অভ্যস্ত ছিল
তবে যতই আধুনিক হোক না কেন, আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য সুরা নিসা'র এই আয়াতটির সাহায্য নিতে হাসান সাইদ ভুলবেন না বোধ করি
আর, এখানেই তো পবিত্র কোরানের মাহাত্ম্য!!
বিঃদ্রঃ পূর্বের মন্তব্যটি সম্পূর্ণ প্রকাশিত না হওয়ায় আবার দিতে হল
সেন্টু টিকাদার জুলাই 1, 2011 10:41 পূর্বাহ্ন -
@পাপিয়া চৌধুরী,
বৈজ্ঞানিক লেখায় এই মাত্রায় বিনোদন আমি আগে খুঁজে পাই নি
সেই জন্যেই আমি বলেছিলাম আরও কিছু সিরিজ লিখে ্বই আকারে পাবলিশ করলে এটা বেস্ট সেলার হবে যে কোন দেশে
নীল রোদ্দুর জুন 28, 2011 11:14 পূর্বাহ্ন -
থেকে একটা লাইন তুলে দিলাম, পৃষ্ঠা ১৩৬
, , , .
যে পুরুষ বা নারী সম্পর্কে অবিশ্বস্ত, তাকে বিশ্বাস করাটাই চরম বোকামী! আর যে পুরুষ সংগীনির উপর প্রভুত্ব, শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠার করার চেষ্টা করে, তাকে বিয়ে করা তার চেয়েও বর বোকামী
সে হোক বুয়েটের ছাত্র অথবা এমআইটির গবেষক
নারীরা বোকা, আমি নির্দ্বিধায় স্বীকার করি, বিবর্তন তাদের পোষাকের দিকে তাকায়ে প্রশ্রয় দিয়েছে, হৃদয়ের দিকে তাকাতে মনে থাকে না
সরকারী বিশ্ব্যবিদ্যালয়ের ও অধিকাংশ মেয়েকে দেখেছি, তারা পার্টনারের ব্যাপারে মানূষটার চেয়ে প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক পরিচয়কেই বেশী গুরুত্ব দেয়
যেন হাট বাজারের সেরা গরুটাই তাদের চাই
হেলাল জুন 28, 2011 8:30 পূর্বাহ্ন -
সখি, ভালবাসা কারে কয়? এখন মনে হচ্ছে, এ সিরিজটা পড়ার আগে আসলেই ভালবাসা কারে কয় জানতাম না
মুক্তমনায় মাঝেমাঝে হুলস্থূল পড়ে যায় কোন কোন লেখায়
এ লেখাটিও সে রকমই একটি
অনন্ত ভালবাসার ন্যায় সিরিজটিও অনন্তকাল চলুক
এবার প্রশ্ন
ঈর্ষা যখন বেড়ে যায় তখন কোন বিশেষ হরমোন কি আছে যার পরিবর্তন হয় বা সৃষ্টি হয় এবং তা কৃত্রিমভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় ?
কিছুটা অপ্রাসঙ্গিক- সাঈদের মত মানসিক ভারসাম্যহীন, হীনমন্যগ্রস্থ, বেকার, অযোগ্য, বিকারগ্রস্ত লোকদের যারা নিজেকে নিজে নিয়ন্ত্রণ তথা চিকিৎসকের কাছে নিজে নিজে যাওয়ার অবস্থায় নেয়, তাদেরকে রোমানার মত ভয়াবহ কোন ঘটনা ঘটার আগে চিকিৎসা না করার অপরাধে কি তার পরিবার আংশিক হলেও দায়ী না?
আমার মতে সচেতনতা বাড়াতে সাঈদের মত লোকদের শাস্তির পাশাপাশি পরিবারের লোকদের দায়িত্ব সমন্ধেও কথা বলা দরকার
আর এক্ষেত্রে ডিভোর্সই সব সমস্যার সমধান না
এতে এক সমস্যা থেকে বাচঁতে একাধিক সমস্যায় জড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে
ইফতি জুলাই 1, 2011 10:14 অপরাহ্ন -
যতটুকু জানি ঈর্ষাকালীন সময়ে অক্সিটোসিন হরমোনের নিঃসরন বেড়ে যায়
কৃত্রিমভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না
সংশপ্তক জুলাই 3, 2011 5:13 পূর্বাহ্ন -
যতটুকু জানি ঈর্ষাকালীন সময়ে অক্সিটোসিন হরমোনের নিঃসরন বেড়ে যায়
কৃত্রিমভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না
কথাটা কি ঠিক হলো ? একে তো বস্তুনিষ্ট তথা বৈজ্ঞানিকভাবে ব্যথার মত 'ঈর্ষা' সনাক্ত করার কোন উপায় এই মহাবিশ্বে এখন পর্যন্ত আবিস্কৃত হয়নি , অন্যদিকে, এখন যেটাকে সনাক্ত করাই সম্ভব নয় ,সেখানে তার সাথে অক্সিটোসিনের মত একটা পর্যবেক্ষনযোগ্য অনুর যোগসূত্র স্থাপন কিভাবে সম্ভব ?
কৃত্রিমভাবে কেন অক্সিটোসিন নিয়ন্ত্রন করা যাবে না ? কৃত্রিমভাবে উৎপাদিত অক্সিটোসিন এবং দিয়ে তো সেটাই করা হচ্ছে লেবার ইন্ডাকশনে
'ঈর্ষা' একটা দার্শনিক পরিভাষা যা এখন পর্যন্ত বৈজ্ঞানিকভাবে সনাক্ত , সংজ্ঞায়িত এবং পরিমাপ করা যায় না , পূর্বাভাসের কথা নাই বা বললাম
অপার্থিব জুলাই 3, 2011 10:56 পূর্বাহ্ন -
'ঈর্ষা' একটা দার্শনিক পরিভাষা যা এখন পর্যন্ত বৈজ্ঞানিকভাবে সনাক্ত , সংজ্ঞায়িত এবং পরিমাপ করা যায় না
একটু ভিন্নভাবে ব্যাপারটা ভেবে দেখতে অনুরোধ করছি
"পর্যন্ত বৈজ্ঞানিকভাবে সনাক্ত , সংজ্ঞায়িত এবং পরিমাপ" করা না গেলেও কোন কিছুর অস্তিত্ব নেই সেটা বলা যায় না
কয়েকটা উদাহরণ দিয়ে বোঝাই
লাল রঙের অস্তিত্ব বা অনুভূতি লাল রঙের বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞার অস্তিত্বের উপর নির্ভর করেনা
আরো একটা ভাল উদাহরণ দেই
পদার্থবিজ্ঞানে "তাপমাত্রা" () র ধারণা কিন্তু পরিমাপ করার আগেই এসেছিল
এই ধারণার সৃষ্টির অনেক পরে এটাকে অণুর গড় গতীয় শক্তির সাথে যুক্ত করা হয়
কিন্তু আমরা তো তাপমাত্রার অস্তিত্ব অণুর গতীয় শক্তি মেপে ঠাওর করি না
মনোবিজ্ঞানের অন্য অনেক ধারণা, যেমন রাগ, ভালবাসা ইত্যাদির বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা (অর্থৎ অপারেশনাল সংজ্ঞা) না থাকলেও এগুলোর অস্তিত্ব যে নেই সেটা কি বলতে পারি? বিবর্তন মনোবিজ্ঞান তো এদের অস্তিত্বের কারণ বা ব্যাখ্যা খুঁজে বেড়াচ্ছে
আসলে হার্ড সাইন্সের ধারণা আর সফট্‌ সাইন্সের ধারণা একইভাবে করা হয়না বা যায় না
সংশপ্তক জুলাই 4, 2011 1:08 পূর্বাহ্ন -
@অপার্থিব,
আরো একটা ভাল উদাহরণ দেই
পদার্থবিজ্ঞানে "তাপমাত্রা" () র ধারণা কিন্তু পরিমাপ করার আগেই এসেছিল
এই ধারণার সৃষ্টির অনেক পরে এটাকে অণুর গড় গতীয় শক্তির সাথে যুক্ত করা হয়
কিন্তু আমরা তো তাপমাত্রার অস্তিত্ব অণুর গতীয় শক্তি মেপে ঠাওর করি না
মনোবিজ্ঞানের অন্য অনেক ধারণা, যেমন রাগ, ভালবাসা ইত্যাদির বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা (অর্থৎ অপারেশনাল সংজ্ঞা) না থাকলেও এগুলোর অস্তিত্ব যে নেই সেটা কি বলতে পারি?
আমরা জানি যে , তাপের প্রভাবকে ব্যখ্যা করার জন্য ' ' আছে যা বলে পরিচিত
যে কেউ চাইলে একে করার চেষ্টা করতে পারবে যে কোন ল্যাবে
মনোবিজ্ঞানের কি এরকম কোন ' ' আছে যা এবং ?